1. ershadmc@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক .
  2. ashraf@websofttechnologyltd.com : businesstimesadmin :
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. rezadu31@gmail.com : বিজনেস ডেস্ক : বিজনেস ডেস্ক .
  5. abdullahsheak8636@gmail.com : Shk Abd : Shk Abd
নতুন সংবাদ
মেসি যখন সময়ের গতি বদলে দেন বিশ্বকাপ ২০২৬: মুসলিম ফুটবলাররা যেভাবে ইউরোপের পরিচয়–বিতর্ককে চ্যালেঞ্জ করছেন বাংলাদেশ–রাখাইন সীমান্তে নতুন বাস্তবতা অতিরিক্ত সময়ের রোমাঞ্চ জিতে সেমিতে আর্জেন্টিনা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে আগ্রহী ইইউ’র কারিগরি দল বাংলাদেশে আসছে শিগগিরই ইরানে নতুন যৌথ হামলা চালাতে ট্রাম্পের সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় নেতানিয়াহু বন্যা ও বৈরী আবহাওয়ায় চট্টগ্রাম বোর্ডের শনিবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত ইরানের ‘জানাজা কূটনীতি’: কোরআনের আয়াতে আয়াতে মিত্র-প্রতিদ্বন্দ্বীদের বার্তা মজুত বাড়াতে আরও ৫ লাখ টন জ্বালানি তেল কিনছে সরকার কেপ ভার্দের রূপকথার ইতি টেনে শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনা

এপ্রিলের ২৬ দিনে এসেছে ২২৭ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স

বিজনেস টাইমস
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৫

বাংলাদেশের প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের অনন্য অবদানের ধারাবাহিকতায়, চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ২৬ দিনেই দেশে ২২৭ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

প্রবাসী আয় প্রবাহের গতিশীল ধারা ঈদুল ফিতরের পরেও অব্যাহত আছে, যা দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে প্রবাসী কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাকেই তুলে ধরছে।

রোজা ও ঈদ উপলক্ষে মার্চ মাসে প্রবাসীরা রেকর্ড ৩২৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠান, যা উৎসবের এই মৌসুমের প্রভাবে প্রবাসী আয়ের বাড়তি প্রবণতাকে নির্দেশ করে, প্রতিবছরই ঈদের আগে বাড়ে রেমিট্যান্স।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এপ্রিলের প্রথম ২৬ দিনে আসা রেমিট্যান্সের মধ্যে— রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৮৫ কোটি ৩৮ লাখ ডলার, বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ১১ কোটি ৯৪ লাখ, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১২৯ কোটি এবং বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৪২ কোটি ৭০ লাখ ডলার।

প্রবাসী আয়ের ধারাবাহিক প্রবাহ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখতে বড় ভূমিকা রেখেছে, যা বর্তমানে প্রায় ২৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে — দেশের আর্থিক স্থিতির জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

চলতি অর্থবছরের (২০২৪-২৫) প্রথম ৯ মাসে বাংলাদেশে মোট ২ হাজার ১৭৭ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত অর্থবছরের (২০২৩-২৪) একই সময় পর্যন্ত পাঠানো ১ হাজার ৭০৭ কোটি ডলারের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

এসব প্রবণতা ইঙ্গিত দিচ্ছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতে রেমিট্যান্স এখনো দেশের প্রধান চালিকাশক্তি।

চলতি বছরের আগের মাসগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল নিয়মিত। মার্চ মাসে এসেছে ৩২৯ কোটি ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি এবং জানুয়ারিতে ২১৯ কোটি ডলার।

এর আগের মাসগুলোতেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে—ডিসেম্বরে ২৬৪ কোটি ডলার, নভেম্বরে ২২০ কোটি এবং অক্টোবরে ২৩৯ কোটি ডলার।

বিটি/ আরকে

এই ধরনের আরও নিউজ

আরও সংবাদ

কারেন্সি কনভার্টার

বাজেটের সবখবর

© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT