ভারতের উজানে পশ্চিমবঙ্গ, অরুণাচল ও মেঘালয়ের ধারাবাহিক ভারী বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে সতর্কতা দিয়েছে বন্যা সতর্কীকরণ কেন্দ্র ।
শনিবার (৯ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার নিচে ছিল। সন্ধ্যা ৬টার দিকে পানি বিপৎসীমার মাত্র ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
বন্যা সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী তিন দিনে তিস্তার পানি অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর ও কুড়িগ্রামের তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানিও সতর্কসীমার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে।
পানির উচ্চতার কারণে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী ও সদর উপজেলার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে পাটগ্রামের গড্ডিমারী, দোয়ানী, ছয়আনী, সানিয়াজান, সিঙ্গামারি, সিন্দুর্না, হলদিবাড়ী ও ডাউয়াবাড়ী; কালীগঞ্জের ভোটমারী, শৈইলমারী ও নোহালী; আদিতমারীর মহিষখোচা, গোবর্ধন, কালমাটি, বাহাদুরপাড়া ও পলাশী এবং সদর উপজেলার ফলিমারী, খুনিয়াগাছ, কুলাঘাট, মোগলহাট, রাজপুর, বড়বাড়ী ও গোকুন্ডা ইউনিয়নে পানি ঢুকে যেতে পারে।
লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ঢাকার বন্যা সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, তিস্তার পানি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। তবে এটি দীর্ঘস্থায়ী হবে না এবং সাময়িকভাবে নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করে বন্যার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
বিটি/ আরকে
Tags: তিস্তা নদী, পানি বিপৎসীমা