যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, বিভিন্ন কারণে ৬ হাজারের বেশি বিদেশি শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল করা হয়েছে। এসব ভিসা বাতিলের কারণ হিসেবে আইন ভঙ্গ, মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থায় থেকে যাওয়া এবং কয়েকটি গুরুতর অপরাধের মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভিসাধারীরা হামলা, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো, চুরি এবং “সন্ত্রাসবাদে সহায়তা”র মতো অপরাধে জড়িত ছিলেন। তবে স্টেট ডিপার্টমেন্ট “সন্ত্রাসবাদে সহায়তা” শব্দের নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেয়নি। ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসননীতি এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ওপর নজরদারি বাড়ানোর অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বাতিল হওয়া ভিসাগুলির মধ্যে প্রায় ৪ হাজার ভিসা আইন ভঙ্গের কারণে বাতিল হয়েছে। এছাড়া আরও ২০০-৩০০ ভিসা বাতিল করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইনের ৩বি ধারা অনুযায়ী, যেখানে “সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ”কে ঝুঁকিপূর্ণ বা আইন ভঙ্গকারী কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
এর আগে, ২০২৩ সালে, ট্রাম্প প্রশাসন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা সাক্ষাৎকারের সময়সূচি স্থগিত করেছিল এবং পুনরায় চালু হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট পরীক্ষা করার নির্দেশ দেওয়া হয়। আবেদনকারীদের পোস্ট পর্যালোচনা করা হবে, যাতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক, সংস্কৃতি বা মৌলিক নীতির প্রতি বিদ্বেষের কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায় কি না।
এদিকে এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ডেমোক্র্যাটরা সমালোচনা করেছে, তাদের দাবি এটি শিক্ষার্থীদের আইনি অধিকার হরণের শামিল।
২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ২১০টিরও বেশি দেশ থেকে ১১ লাখের বেশি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী মার্কিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পড়াশোনা করছিলেন, এমন তথ্য দিয়েছে ‘ওপেন ডোরস’ নামক একটি সংস্থা।
বিটি/ আরকে
Tags: যুক্তরাষ্ট্র, শিক্ষার্থী ভিসা