1. ershadmc@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক .
  2. ashraf@websofttechnologyltd.com : businesstimesadmin :
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. rezadu31@gmail.com : বিজনেস ডেস্ক : বিজনেস ডেস্ক .
  5. abdullahsheak8636@gmail.com : Shk Abd : Shk Abd
নতুন সংবাদ
মোস্তাফিজ দলে থাকলে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়বে—আইসিসির চিঠি এপ্রিলে হবে এসএসসি পরীক্ষা, জুনে এইচএসসি আমাদের দেশকে অপমান করা হয়েছে: মোস্তাফিজ ইস্যুতে ফখরুল ২ লাখ কোটি টাকার সংশোধিত এডিপি অনুমোদন, বরাদ্দ ১৩% কমলো এলপিজি আমদানিতে ২৭০ দিনের ঋণ সুবিধা পাবেন ব্যবসায়ীরা অস্ট্রেলিয়ার স্টুডেন্ট ভিসায় ঝুঁকিপূর্ণ লেভেল ৩-এ নেমেছে বাংলাদেশ, ভারতসহ কয়েকটি দেশ দাম অপরিবর্তিত রেখে ইন্টারনেটের গতি ৫ গুণ বাড়িয়েছে বিটিসিএল অনুমতি ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনী সভা-সমাবেশ নয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, বিশ্বাসযোগ্য ও স্বচ্ছভাবে আয়োজন অত্যন্ত জরুরি: ইইউ পর্যবেক্ষণ মিশন আমরা উদার বাণিজ্যে বিশ্বাসী: বাণিজ্য উপদেষ্টা

২০২৫ সালে কমেছে টাকার অবমূল্যায়ন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি ও শক্তিশালী ডলার প্রবাহে বড় ধস রোধ

বিজনেস টাইমস
  • আপডেট সময় শনিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৬

সদ্যবিদায়ী ২০২৫ সালে টাকার মান ডলারের তুলনায় সামান্য হারে কমেছে। তবে ২০২৪ সালের মতো তীব্র অবমূল্যায়ন এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো। ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে এই খবর জানানো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তা ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, কড়া মুদ্রানীতি, শক্তিশালী ডলার প্রবাহ এবং ডলারের চাহিদা কম থাকার ফলে টাকার বিপরীতে ডলারের মান স্থিতিশীল রাখা গেছে।

২০২৫ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ডলার-টাকা বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা, আর বছরের শেষে দাঁড়ায় ১২২ দশমিক ৩২ টাকা। এর মানে, টাকার মান কমেছে মাত্র শূণ্য দশমিক ২৭ শতাংশ। তুলনামূলকভাবে, ২০২৪ সালে টাকার মান প্রায় ৯ শতাংশ কমেছিল। ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে স্থানীয় মুদ্রার মান প্রায় ৪০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

একজন শীর্ষ কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানান, “আমাদের নীতির লক্ষ্য ছিল মুদ্রা বাজার স্থিতিশীল রাখা এবং টাকাকে আকর্ষণীয় করে তোলা। স্থিতিশীল নীতি হার ও শৃঙ্খলাপূর্ণ লিকুইডিটি ব্যবস্থাপনা এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।”

কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর পুঁজির দেশত্যাগ কমেছে। একাংশ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ডলার পাচারের অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়ার ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হয়েছে এবং বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে অস্থিরতা কমেছে।

এছাড়া, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে ঋণ সরবরাহ পাওয়ায় দেশের ব্যালান্স অফ পেমেন্ট পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী হয়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, দুর্বল অভ্যন্তরীণ চাহিদা এবং বেসরকারি খাতে ক্রেডিট সীমিত থাকার কারণে আমদানি তেমন বেড়ে ওঠেনি।

অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, “যতক্ষণ বিনিয়োগ স্থবির থাকবে, বিনিময় হারের ওপর চাপ সীমিতই থাকবে। তবে আমদানি চাহিদা হঠাৎ বেড়ে গেলে বা বৈশ্বিক পণ্যের মূল্য বাড়লে টাকার স্থিতিশীলতা পরীক্ষার সম্মুখীন হবে।”

বিটি/ আরকে

Tags: , , ,

এই ধরনের আরও নিউজ

আরও সংবাদ

কারেন্সি কনভার্টার

বাজেটের সবখবর

© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT