<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>স্বাস্থ্য &#8211; বিজনেস টাইমস: ব্যবসা-বাণিজ্য ও উন্নয়ন চিত্রের গণমাধ্যম</title>
	<atom:link href="https://businesstimes.com.bd/category/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%8d%e0%a6%af/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://businesstimes.com.bd</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Sat, 07 Feb 2026 11:43:25 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2024/11/cropped-bt-favicon-32x32.jpg</url>
	<title>স্বাস্থ্য &#8211; বিজনেস টাইমস: ব্যবসা-বাণিজ্য ও উন্নয়ন চিত্রের গণমাধ্যম</title>
	<link>https://businesstimes.com.bd</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>দেশে নিপাহ ভাইরাসে প্রথম মৃত্যু</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b9-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a5%e0%a6%ae/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Feb 2026 11:43:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[নিপাহ ভাইরাস]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=9666</guid>

					<description><![CDATA[নিপাহ ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে নওগাঁয় এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলতি বছর নিপাহ ভাইরাসে এটি প্রথম মৃত্যু। শনিবার রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) জ্যেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শামিন সুলতানা দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘ওই নারী নিপাহ ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বিষয়টি জানার পর আমরা প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়েছি, তিনি নিপাহ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>নিপাহ ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে নওগাঁয় এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলতি বছর নিপাহ ভাইরাসে এটি প্রথম মৃত্যু।</strong></p>
<p>শনিবার রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) জ্যেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শামিন সুলতানা দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘ওই নারী নিপাহ ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বিষয়টি জানার পর আমরা প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়েছি, তিনি নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।’</p>
<p>গত ২৮ জানুয়ারি নিপাহ ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে ওই নারী মারা যান।</p>
<p>শামিন সুলতানা আরও বলেন, গত বছরের আগস্টের পর দেশে নিপাহ ভাইরাসে এটিই প্রথম মৃত্যুর ঘটনা। গত বছর এই ভাইরাসে মোট চারজনের মৃত্যু হয়েছিল।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দেশে প্রথমবার ‘পেকটাস’ ও ইটিএস অস্ত্রোপচার, চিকিৎসায় নতুন মাইলফলক</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/pectas-ets-operation-green-life-hospital/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[News Desk]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 04 Feb 2026 17:36:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[গ্রিন লাইফ হাসপাতাল]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=9625</guid>

					<description><![CDATA[দেশের চিকিৎসা ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একই রোগীর শরীরে একসঙ্গে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে ‘পেকটাস এক্সকাভাটাম’ ও ‘ইটিএস’ (এন্ডোস্কোপিক থোরাসিক সিমপ্যাথেকটমি) অস্ত্রোপচার। রাজধানীর গ্রীন লাইফ হাসপাতালে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী পেকটাস ওয়ার্কশপ ২০২৬-এর প্রথম দিনেই এই ব্যতিক্রমী সাফল্য অর্জিত হয়। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরের ওপর এই জটিল অস্ত্রোপচার পরিচালনা করা হয়। জন্মগতভাবে তার বুকের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>দেশের চিকিৎসা ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একই রোগীর শরীরে একসঙ্গে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে ‘পেকটাস এক্সকাভাটাম’ ও ‘ইটিএস’ (এন্ডোস্কোপিক থোরাসিক সিমপ্যাথেকটমি) অস্ত্রোপচার। রাজধানীর গ্রীন লাইফ হাসপাতালে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী পেকটাস ওয়ার্কশপ ২০২৬-এর প্রথম দিনেই এই ব্যতিক্রমী সাফল্য অর্জিত হয়।</strong></p>
<p>সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরের ওপর এই জটিল অস্ত্রোপচার পরিচালনা করা হয়। জন্মগতভাবে তার বুকের মাঝখানের অংশ ভেতরের দিকে দেবে যাওয়ার সমস্যা, চিকিৎসা ভাষায় যাকে পেকটাস এক্সকাভাটাম বলা হয়, ছিল। এ অবস্থায় হৃদযন্ত্র ও ফুসফুসের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ঝুঁকি তৈরি হয়। একই সঙ্গে সে অতিরিক্ত ঘাম বা হাইপারহাইড্রোসিস সমস্যায় ভুগছিল, যা তার দৈনন্দিন জীবনকে কঠিন করে তুলেছিল।</p>
<p>থাইল্যান্ড থেকে আগত বিশেষজ্ঞ সার্জন দল ও বাংলাদেশের চিকিৎসকদের যৌথ প্রচেষ্টায় অস্ত্রোপচারটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়। চিকিৎসকরা জানান, একসঙ্গে দুটি অস্ত্রোপচার করার ফলে রোগীর দীর্ঘদিনের দুটি বড় শারীরিক সমস্যা একবারেই সমাধান হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞান করার ঝুঁকি ও অস্ত্রোপচার-পরবর্তী জটিলতাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হয়েছে।</p>
<p>এই উদ্যোগের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন দেশের খ্যাতনামা থোরাসিক সার্জন অধ্যাপক ডা. এ.কে.এম. রাজ্জাক। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ হিসেবে অংশ নেন থাইল্যান্ডের ভাজিরা হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সিরা লাওহাথাই। পুরো আয়োজনের তত্ত্বাবধান ও সমন্বয়ে ছিলেন গ্রীন লাইফ হাসপাতালের থোরাসিক সার্জারি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. তাজদীত রহমান তানিম।</p>
<p>ওয়ার্কশপের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) আরও একটি পেকটাস অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়। একই দিনে পেকটাস সার্জারির আধুনিক পদ্ধতি ও দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল নিয়ে একটি বিশেষ অ্যাকাডেমিক সেশন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।<br />
<img decoding="async" src="https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2026/02/IMG-20260204-WA0004-1024x576.jpg" alt=""/><br />
এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় ‘গ্রীন লাইফ চেস্ট ওয়াল ক্লিনিক’। এটি দেশের প্রথম বিশেষায়িত কেন্দ্র হিসেবে বক্ষপ্রাচীরসংক্রান্ত জটিল রোগের আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করবে।</p>
<p>চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ওয়ার্কশপ ও ক্লিনিকের মাধ্যমে বাংলাদেশে থোরাসিক সার্জারির মান নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। এখন থেকে জটিল বক্ষ বিকৃতির চিকিৎসা দেশেই সম্ভব হবে, ফলে রোগীদের আর বিদেশে যেতে হবে না। পাশাপাশি এটি ভবিষ্যতে চিকিৎসা প্রশিক্ষণ ও গবেষণার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সেরা মেডিকেল টুরিজম প্রতিষ্ঠানের অ্যাওয়ার্ড পেল মেডিএইডার</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/mediaider-award-best-company-monitor/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[News Desk]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 30 Jan 2026 05:39:36 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উদ্যোক্তা-স্টার্টআপ]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[তামিম]]></category>
		<category><![CDATA[মেডিএইডার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=9617</guid>

					<description><![CDATA[দেশের শীর্ষস্থানীয় মেডিকেল টুরিজম প্রতিষ্ঠান মেডিএইডার লিমিটেড সেরা মেডিকেল টুরিজম প্রতিষ্ঠান হিসেবে জাতীয় স্বীকৃতি অর্জন করেছে। বাংলাদেশ মনিটর আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটিকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। গত ২৯ জানুয়ারি ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে মেডিএইডার লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী শাব্বির আহমদ তামীমের হাতে এওয়ার্ড তুলে দেন তথ্য, বন, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>দেশের শীর্ষস্থানীয় মেডিকেল টুরিজম প্রতিষ্ঠান মেডিএইডার লিমিটেড সেরা মেডিকেল টুরিজম প্রতিষ্ঠান হিসেবে জাতীয় স্বীকৃতি অর্জন করেছে। বাংলাদেশ মনিটর আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটিকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।</strong></p>
<p>গত ২৯ জানুয়ারি ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে মেডিএইডার লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী শাব্বির আহমদ তামীমের হাতে এওয়ার্ড তুলে দেন তথ্য, বন, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।</p>
<p>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মনিটরের সম্পাদক ওয়াহিদুল আলম, গ্যালাক্সি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী আহমেদ ইউসুফ ওয়ালিদ, ইস্টার্ন ব্যাংকের হেড অব কমিউনিকেশন জিয়াউল করিম এবং বিশিষ্ট স্থপতি ইকবাল হাবিবসহ বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা।</p>
<p>মেডিএইডার লিমিটেড কর্তৃপক্ষ জানায়, গত সাত বছরে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ১২ হাজার রোগীকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসা গ্রহণে পরামর্শ ও সহায়তা সেবা দিয়েছে। মানসম্মত সেবা, স্বচ্ছতা ও রোগীবান্ধব কার্যক্রমের স্বীকৃতি হিসেবেই এই পুরস্কার প্রাপ্তিকে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।</p>
<p>এওয়ার্ড অর্জনের মাধ্যমে দেশের মেডিকেল টুরিজম খাতে মেডিএইডার লিমিটেডের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হলো বলে মনে করছেন আয়োজক ও অতিথিরা।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রাণঘাতী নিপাহ ভাইরাস: কতটা চিন্তার কারণ? লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে যা জানা জরুরি</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%98%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%80-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b9-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%95/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 29 Jan 2026 14:42:17 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[নিপাহ ভাইরাস]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=9564</guid>

					<description><![CDATA[ভারতে সম্প্রতি প্রাণঘাতী নিপাহ ভাইরাসের নতুন সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বিমানবন্দরগুলোতে বিশেষ সতর্কতা ও স্ক্রিনিং জোরদার করা হয়েছে। জনমনে প্রশ্ন জেগেছে—এই ভাইরাসটি ঠিক কতটা বিপজ্জনক এবং এটি ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিই বা কতটুকু? বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের তথ্যের ভিত্তিতে নিপাহ ভাইরাস সম্পর্কে বিস্তারিত নিচে তুলে ধরা হলো। নিপাহ ভাইরাস আসলে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>ভারতে সম্প্রতি প্রাণঘাতী নিপাহ ভাইরাসের নতুন সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বিমানবন্দরগুলোতে বিশেষ সতর্কতা ও স্ক্রিনিং জোরদার করা হয়েছে। জনমনে প্রশ্ন জেগেছে—এই ভাইরাসটি ঠিক কতটা বিপজ্জনক এবং এটি ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিই বা কতটুকু?</strong></p>
<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের তথ্যের ভিত্তিতে নিপাহ ভাইরাস সম্পর্কে বিস্তারিত নিচে তুলে ধরা হলো।</p>
<p><strong>নিপাহ ভাইরাস আসলে কী?</strong><br />
নিপাহ হলো একটি বিরল কিন্তু অত্যন্ত মারাত্মক ভাইরাস, যা মূলত প্রাণী (বিশেষ করে ফলখেকো বাদুড়) থেকে মানুষের দেহে সংক্রমিত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের মৃত্যুর হার এলাকাভেদে ৪০% থেকে ৭৫% পর্যন্ত হতে পারে। এর কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা না থাকায় এটি বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যঝুঁকির একটি বড় কারণ হিসেবে বিবেচিত।</p>
<p><strong>এটি কতটা সাধারণ?</strong><br />
১৯৯৯ সালে মালয়েশিয়ায় প্রথম এই ভাইরাসটি শনাক্ত হয়। এরপর থেকে প্রতি বছরই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে, বিশেষ করে বাংলাদেশ ও ভারতে এর ছোটখাটো প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। কোয়ালিশন ফর এপিডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস ইনোভেশনস (সিইপিআই)-এর তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত বিশ্বে প্রায় ৭৫০ জন নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, যার মধ্যে ৪১৫ জনই মৃত্যুবরণ করেছেন।</p>
<p><strong>সংক্রমণ ছড়ায় কীভাবে?</strong><br />
নিপাহ ভাইরাস প্রধানত দুটি উপায়ে ছড়ায়:</p>
<p><strong>সংক্রামিত প্রাণীর মাধ্যমে:</strong> সাধারণত আক্রান্ত বাদুড়ের লালা বা প্রস্রাব লেগে থাকা ফল অথবা কাঁচা খেজুরের রস পান করলে মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়। এছাড়া আক্রান্ত শুকরের সংস্পর্শ থেকেও এটি ছড়াতে পারে।</p>
<p><strong>মানুষ থেকে মানুষে:</strong> আক্রান্ত রোগীর খুব কাছাকাছি থাকা পরিবার বা সেবাদানকারীদের মধ্যে এই ভাইরাস ছড়ানোর প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে এটি কোভিডের মতো খুব দ্রুত বা সহজে বাতাসে ছড়ায় না।</p>
<p><strong>নিপাহ ভাইরাসের লক্ষণসমূহ</strong><br />
নিপাহ ভাইরাসের প্রাথমিক লক্ষণগুলো অনেকটা সাধারণ জ্বরের মতোই, যা অনেক সময় বিভ্রান্তি তৈরি করে। প্রধান লক্ষণগুলো হলো:<br />
<strong>১.</strong>তীব্র জ্বর, মাথাব্যথা ও পেশিতে ব্যথা।</p>
<p><strong>২.</strong> শ্বাসকষ্ট এবং ফুসফুসের জটিলতা।</p>
<p><strong>৩.</strong> মস্তিষ্কে প্রদাহ বা এনসেফালাইটিস, যা রোগীকে তন্দ্রাচ্ছন্ন বা বিভ্রান্ত করে তুলতে পারে।</p>
<p><strong>৪.</strong>মারাত্মক পর্যায়ে খিঁচুনি এবং রোগী কোমায় চলে যেতে পারেন।</p>
<p><strong>আমরা কতটা উদ্বিগ্ন হব?</strong><br />
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিপাহ ভাইরাস অত্যন্ত বিপজ্জনক হলেও এটি বিশ্বব্যাপী মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা কম। কারণ এটি মানুষের মধ্যে খুব দ্রুত সংক্রমণ ঘটাতে পারে না। তবে বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন যে, বিমানবন্দরের স্ক্রিনিং খুব একটা কার্যকর নাও হতে পারে, কারণ এই ভাইরাসের ইনকিউবেশন পিরিয়ড (আক্রান্ত হওয়ার পর লক্ষণ প্রকাশের সময়) বেশ দীর্ঘ।</p>
<p><strong>টিকা বা চিকিৎসা কী আছে?</strong><br />
বর্তমানে নিপাহ ভাইরাসের জন্য অনুমোদিত কোনো সুনির্দিষ্ট টিকা বা ওষুধ নেই। তবে আশার কথা হলো, বেশ কিছু টিকা বর্তমানে গবেষণার পর্যায়ে রয়েছে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা একটি টিকা তৈরি করেছেন (যা কোভিড ভ্যাকসিনের প্রযুক্তিতে তৈরি), যার দ্বিতীয় ধাপের ক্লিনিকাল ট্রায়াল বাংলাদেশে আইসিডিডিআর,বি (icddr,b)-এর সহযোগিতায় শুরু হয়েছে।</p>
<p><strong>সতর্কতা:</strong> এই সময়ে কাঁচা খেজুরের রস পান করা থেকে বিরত থাকুন এবং পাখি বা বাদুড়ের খাওয়া ফল এড়িয়ে চলুন। অসুস্থ রোগীর সেবা করার সময় মাস্ক ও গ্লাভস ব্যবহার নিশ্চিত করুন।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় তালিকায় ২৯৫ ওষুধ, দাম নির্ধারণ করবে সরকার</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%85%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%95%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b2/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 09 Jan 2026 05:18:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[ওষুধ]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=9303</guid>

					<description><![CDATA[নতুন করে ১৩৫টি ওষুধকে &#8216;অত্যাবশ্যকীয়&#8217; তালিকায় যুক্ত করে ২৯৫টি ওষুধ জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এসব ওষুধের দাম সরকার নির্ধারণ করে দেবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকালে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক বিফ্রিংয়ে এ কথা বলেন তিনি। এসময় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>নতুন করে ১৩৫টি ওষুধকে &#8216;অত্যাবশ্যকীয়&#8217; তালিকায় যুক্ত করে ২৯৫টি ওষুধ জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এসব ওষুধের দাম সরকার নির্ধারণ করে দেবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান।</strong></p>
<p>বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকালে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক বিফ্রিংয়ে এ কথা বলেন তিনি। এসময় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, উপ-প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>এসময় ডা. সায়েদুর রহমান বলেন, &#8216;আজকের উপদেষ্টা পরিষদের সভায় জাতীয় অত্যাবশ্যক ওষুধের তালিকা এবং ওষুধের মূল্য নির্ধারণ সম্পর্কিত একটা গাইডলাইন- দুটোই নীতিগত অনুমোদন করা হয়েছে।&#8217;</p>
<p>তিনি আরও বলেন, &#8216;১৯৮২ সালে একটা ওষুধ নীতি তৈরি হয়েছিল, যেটা বাংলাদেশের ওষুধ খাতকে স্বাবলম্বী হতে, সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য করতে এবং মানুষের স্বাস্থ্যসেবার মান রক্ষার্থে একটা বিরাট অবদান রেখেছে।&#8217;</p>
<p>ডা. সায়েদুর রহমান বলেন, &#8216;সেই সময়ে বাজারে ৩৫০ ওষুধ ছিল। তার মধ্যে ১১৭টি ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণ করা হতো। এরপর গত প্রায় ৩০ বছর যাবৎ এই পদ্ধতি অপরিবর্তিত ছিল। এর ফলে এই তালিকার বা বহির্ভূত ওষুধগুলো পর্যায়ক্রমে বাড়তে থাকে। এই মুহূর্তে ১১৭ এর বাইরে প্রায় ১৩০০ ওষুধ রয়েছে।&#8217;</p>
<p>তিনি বলেন, &#8216;অত্যাবশ্যকীয় না এমন আরও ১১০০ ওষুধের দামের সীমানা নির্ধারণ করবে সরকার। সেক্ষেত্রে সরকারের বেধে দেওয়া দামের সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত দামে ওষুধ বিক্রি করতে পারবে ওষুধ কোম্পানিগুলো। তবে এই ওষুধগুলোর দাম কার্যকরে চার বছর সময় বেধে দিয়েছে সরকার।&#8217;</p>
<p>তিনি আরও বলেন, &#8216;ওষুধের দাম সমন্বয়ে ব্যর্থ হলে কোম্পানিগুলোর নতুন ওষুধের আবেদন গ্রহণ করবে না সরকার।&#8217;</p>
<p>নতুন উৎপাদনে আসা ওষুধের ক্ষেত্রেও এ নীতিমালা বহাল থাকবে বলে জানিয়েছেন সায়েদুর রহমান।</p>
<p>স্বাস্থ্য খাতে মানুষের ব্যয়ের দুই তৃতীয়াংশই আসলে ওষুধ খাতে ব্যয় করে উল্লেখ করে ডা. সায়েদুর রহমান বলেন, &#8216;এই ব্যয় কমানোর জন্য পৃথিবীতে বিভিন্ন রকমের মডেল কাজ করে। কোনো দেশে ফার্মাসিউটিক্যাল বেনিফিট স্কিম, কোনো দেশে ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস, কোনো দেশে মেডিকেট মেডিকেয়ার অনেক রকম। বাংলাদেশে এই ধরনের কোনো ইন্স্যুরেন্স অথবা এই ধরনের বেনিফিট স্কিম নেই।&#8217;</p>
<p>তিনি বলেন, &#8216;এই অবস্থায় বাংলাদেশে ওষুধের মূল্য নির্ধারণের একটা রাষ্ট্রীয় ইন্টারভেনশন ছাড়া আসলে এটাকে মানুষের জন্য এফোরডেবল রাখা কঠিন হচ্ছিল।&#8217;</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পাবলিক প্লেসে ধূমপান করলে এখন ২০০০ টাকা জরিমানা</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%a7%e0%a7%82%e0%a6%ae%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%b2/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 2026 10:14:21 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[জরিমানা]]></category>
		<category><![CDATA[ধূমপান]]></category>
		<category><![CDATA[পাবলিক প্লেস]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=9151</guid>

					<description><![CDATA[প্রকাশ্য স্থানে ধূমপানের জরিমানার পরিমাণ ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার টাকা করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর &#8216;ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫&#8217; কার্যকর হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সুপারিশে আইনটি সংশোধন করা হয়েছে। নতুন অধ্যাদেশে তামাক ও নিকোটিনজাত দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনগণকে রক্ষা করতে বেশ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>প্রকাশ্য স্থানে ধূমপানের জরিমানার পরিমাণ ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার টাকা করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর &#8216;ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫&#8217; কার্যকর হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সুপারিশে আইনটি সংশোধন করা হয়েছে।</strong></p>
<p>নতুন অধ্যাদেশে তামাক ও নিকোটিনজাত দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনগণকে রক্ষা করতে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন থেকে সব ধরনের পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপানের পাশাপাশি যেকোনো তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিষিদ্ধ। এই আইন ভাঙলে ২ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। আগে জরিমানা ছিল ৩০০ টাকা।</p>
<p>উৎপাদন, আমদানি, রপ্তানি, সংরক্ষণ, বিক্রয় ও ব্যবহার—সব ক্ষেত্রেই ই-সিগারেট, ভ্যাপ, হিটেড টোব্যাকোসহ নতুন বাজারে আসা সব ধরনের তামাকপণ্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ বিধান অমান্য করলে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।</p>
<p>প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার পাশাপাশি ইন্টারনেট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও তামাকের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এমনকি বিক্রয়স্থলে সিগারেটের প্যাকেট প্রদর্শন এবং করপোরেট স্যাল দায়বদ্ধতা (সিএসআর) কর্মসূচির নামে তামাক কোম্পানির নাম বা লোগো ব্যবহারও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।</p>
<p>শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলার মাঠ ও শিশুপার্কের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তামাকজাত পণ্যের প্যাকেটের ৭৫ শতাংশ জায়গাজুড়ে রঙিন ছবিসহ স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং ছাড়া তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি করা যাবে না।</p>
<p>কুম্ভি পাতা ও টেন্ডু পাতার বিড়ি উৎপাদন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করে &#8216;বিড়ি ম্যানুফ্যাকচার (প্রহিবিশন) অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৫&#8217; বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া তামাকের সঙ্গে ক্ষতিকর আসক্তিমূলক দ্রব্য মেশানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শীতে ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করা কি ভাল নাকি ক্ষতি?</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/cold-water-bath-good-or-bad/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[News Desk]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 25 Dec 2025 08:00:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীত]]></category>
		<category><![CDATA[শীতে ঠান্ডা পানিতে গোসল]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=8985</guid>

					<description><![CDATA[শীতের দিনে ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করাকে অনেকেই অভ্যাস কিংবা বাহাদুরি হিসেবে দেখলেও চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি ডেকে আনতে পারে। বিশেষ করে শীত মৌসুমে ঠান্ডা পানি দিয়ে নিয়মিত গোসল করলে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়াসহ একাধিক স্বাস্থ্য সমস্যার আশঙ্কা থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঠান্ডা পানি শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা দ্রুত কমিয়ে দেয়। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>শীতের দিনে ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করাকে অনেকেই অভ্যাস কিংবা বাহাদুরি হিসেবে দেখলেও চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি ডেকে আনতে পারে। বিশেষ করে শীত মৌসুমে ঠান্ডা পানি দিয়ে নিয়মিত গোসল করলে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়াসহ একাধিক স্বাস্থ্য সমস্যার আশঙ্কা থাকে।</strong></p>
<p>বিশেষজ্ঞদের মতে, ঠান্ডা পানি শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা দ্রুত কমিয়ে দেয়। হঠাৎ করে শরীর ঠান্ডা হয়ে গেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সাময়িকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। এতে শিশু, বয়স্ক ও শারীরিকভাবে দুর্বল ব্যক্তিরা সহজেই সর্দি, কাশি, জ্বর কিংবা ঠান্ডাজনিত সংক্রমণে আক্রান্ত হতে পারেন। এ কারণে শীতকালে গোসলের জন্য উষ্ণ বা হালকা গরম পানি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।<br />
<img decoding="async" src="https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/12/bath_1.jpg" alt="" /><br />
এ ছাড়া শীতকালে ত্বকের শুষ্কতা একটি বড় সমস্যা। ঠান্ডা পানি ত্বকের প্রাকৃতিক তেল বা সিবাম কমিয়ে দেয়, যার ফলে ত্বক আরও শুষ্ক হয়ে পড়ে এবং চুলকানি, ফেটে যাওয়া কিংবা খসখসে ভাব দেখা দিতে পারে। গোসলের পর ত্বকের যথাযথ যত্ন না নিলে হাত, মুখ ও পায়ের ত্বকে মারাত্মক শুষ্কতার সমস্যা দেখা দেয়। এ জন্য গোসলের পর নিয়মিত মোইশ্চারাইজার বা হ্যান্ড ক্রিম ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।</p>
<p>চিকিৎসকদের মতে, ঠান্ডা পানি হঠাৎ শরীরে পড়লে রক্তনালীগুলো সংকুচিত হয়ে যায়, যাকে ‘ভাসোকনস্ট্রিকশন’ বলা হয়। এতে রক্ত সঞ্চালন ব্যাহত হতে পারে। বিশেষ করে যাদের উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্‌রোগ বা কার্ডিওভাসকুলার সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এটি গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে মাথা ঘোরা, অস্বাভাবিক হৃৎস্পন্দন কিংবা অতিরিক্ত ক্লান্তির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।</p>
<p>সব দিক বিবেচনায় চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, শীতকালে গোসলের জন্য উষ্ণ বা হালকা গরম পানি ব্যবহার করাই সবচেয়ে নিরাপদ। একান্ত প্রয়োজন হলে খুব অল্প সময়ের জন্য ঠান্ডা পানি ব্যবহার করা যেতে পারে। পাশাপাশি গোসলের পর ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে মোইশ্চারাইজার ব্যবহার এবং শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে পানির তাপমাত্রা বিশেষভাবে নিয়ন্ত্রণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সুস্থ পাকস্থলীই গভীর ও আরামদায়ক ঘুমের আসল রহস্য, বিজ্ঞান কী বলছে?</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%87-%e0%a6%97%e0%a6%ad%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%93-%e0%a6%86%e0%a6%b0/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 22 Dec 2025 06:25:43 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[ঘুম]]></category>
		<category><![CDATA[পাকস্থলী]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান]]></category>
		<category><![CDATA[রহস্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=8918</guid>

					<description><![CDATA[আমরা সাধারণত মনে করি ঘুমের প্রক্রিয়াটি কেবল আমাদের মস্তিষ্কে ঘটে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে, শরীর পুনর্গঠনকারী গভীর বা ‘রিস্টোরেটিভ’ ঘুমের শুরুটা হয় শরীরের অনেক নিচে—আমাদের অন্ত্রে। আমাদের পরিপাকতন্ত্রে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন অণুজীব বাস করে, যাকে বলা হয় ‘গাট মাইক্রোবায়োম’। আমাদের ঘুমের মান, মেজাজ এবং সামগ্রিক সুস্থতা নিয়ন্ত্রণে এটি অত্যন্ত শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে। অন্ত্রের এই অণুজীবের ভারসাম্য ঠিক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>আমরা সাধারণত মনে করি ঘুমের প্রক্রিয়াটি কেবল আমাদের মস্তিষ্কে ঘটে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে, শরীর পুনর্গঠনকারী গভীর বা ‘রিস্টোরেটিভ’ ঘুমের শুরুটা হয় শরীরের অনেক নিচে—আমাদের অন্ত্রে।</strong></p>
<p>আমাদের পরিপাকতন্ত্রে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন অণুজীব বাস করে, যাকে বলা হয় ‘গাট মাইক্রোবায়োম’। আমাদের ঘুমের মান, মেজাজ এবং সামগ্রিক সুস্থতা নিয়ন্ত্রণে এটি অত্যন্ত শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে। অন্ত্রের এই অণুজীবের ভারসাম্য ঠিক থাকলে ঘুম ভালো হয়; আর এই ভারসাম্য বিঘ্নিত হলে অনিদ্রা ও অস্থিরতার মতো সমস্যা দেখা দেয়।</p>
<p>অন্ত্র ও মস্তিষ্কের নিবিড় যোগাযোগ অন্ত্র এবং মস্তিষ্ক একে অপরের সাথে ক্রমাগত যোগাযোগ রক্ষা করে চলে, যাকে বলা হয় ‘গাট-ব্রেইন অ্যাক্সিস’। স্নায়ু, হরমোন এবং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার সংকেতের মাধ্যমে এই যোগাযোগ ঘটে। এই ব্যবস্থার সবচেয়ে পরিচিত অংশ হলো ‘ভেগাস নার্ভ’, যা অন্ত্র ও মস্তিষ্কের মধ্যে তথ্যের দ্বিমুখী আদান-প্রদান নিশ্চিত করে। গবেষকরা বলছেন, এই স্নায়ুর সক্রিয়তা আমাদের স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত রাখতে এবং হৃদস্পন্দন স্থিতিশীল রেখে আমাদের ঘুমের দিকে ধাবিত করতে সাহায্য করে।</p>
<p>রাসায়নিক সংকেত ও ঘুমের হরমোন অন্ত্রের অণুজীবগুলো কেবল খাদ্য হজমই করে না, তারা এমন কিছু নিউরোট্রান্সমিটার এবং মেটাবোলাইটস তৈরি করে যা ঘুমের হরমোনকে প্রভাবিত করে। যখন অন্ত্রের ভারসাম্য ঠিক থাকে, তখন এই পদার্থগুলো মস্তিষ্ককে শান্ত থাকার সংকেত পাঠায়। কিন্তু যখন অন্ত্রে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার আধিপত্য বেড়ে যায় (যাকে বলা হয় &#8216;ডিসবায়োসিস&#8217;), তখন এই বার্তা আদান-প্রদান ব্যবস্থাটি ভেঙে পড়ে।</p>
<p><strong>অন্ত্রে ঘুমের জন্য প্রয়োজনীয় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক তৈরি হয়:</strong><br />
<strong><br />
সেরোটোনিন:</strong> এটি আমাদের মন ভালো রাখে এবং ঘুম-জাগরণের চক্র নিয়ন্ত্রণ করে। শরীরের অধিকাংশ সেরোটোনিন অন্ত্রেই তৈরি হয়।</p>
<p><strong>মেলাটোনিন:</strong> রাতে আমাদের ঘুম ঘুম ভাব আনার জন্য দায়ী এই হরমোনটি কেবল মস্তিষ্কে নয়, বরং অন্ত্রেও তৈরি হয়।</p>
<p><strong>গ্যাবা :</strong> এটি একটি শান্তকারক নিউরোট্রান্সমিটার যা নির্দিষ্ট কিছু উপকারী অণুজীব তৈরি করে। এটি স্নায়ুতন্ত্রকে শিথিল হওয়ার সংকেত দেয়।</p>
<p>প্রদাহ বা ইনফ্লামেশন এবং ঘুমের ব্যাঘাত একটি সুস্থ অন্ত্র শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ভারসাম্যপূর্ণ রাখে। কিন্তু খাদ্যাভ্যাস খারাপ হলে বা অন্ত্রের আস্তরণ ক্ষতিগ্রস্ত হলে (যাকে ‘লিকি গাট’ বলা হয়), ক্ষতিকর কণা রক্তে মিশে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহ বা ইনফ্লামেশন তৈরি করতে পারে। এই প্রদাহ মস্তিষ্কের ঘুমের স্বাভাবিক ধাপগুলো সম্পন্ন করার ক্ষমতায় বাধা দেয়। এছাড়া প্রদাহের ফলে স্ট্রেস হরমোন ‘কর্টিসল’ বেড়ে যায়, যা শরীরকে বিশ্রামের বদলে কাজ করার জন্য উত্তেজিত করে তোলে।</p>
<p>মানসিক চাপ ও অন্ত্রের দুষ্টচক্র মানসিক চাপ, ঘুম এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। মানসিক চাপ উপকারী অণুজীব কমিয়ে দেয়, যা অন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট করে। আবার অসুস্থ অন্ত্র মস্তিষ্ককে উদ্বেগের সংকেত পাঠায়, যা ঘুম নষ্ট করে। অপর্যাপ্ত ঘুম কর্টিসল হরমোন আরও বাড়িয়ে দেয়, যা পুনরায় অন্ত্রের ক্ষতি করে। এভাবেই একটি দুষ্টচক্র তৈরি হয়।</p>
<p>অন্ত্রের সুরক্ষায় করণীয় অন্ত্রকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে ঘুমের মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করা সম্ভব। এর জন্য খুব জটিল কিছু করার প্রয়োজন নেই:<br />
<strong>১.</strong> প্রোবায়োটিক ও ফারমেন্টেড খাবার: দই বা এজাতীয় গেঁজানো খাবার উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।<br />
<strong>২.</strong> চিনি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার বর্জন: অতিরিক্ত চিনি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার অন্ত্রে প্রদাহ তৈরি করে, তাই এগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো।<br />
<strong>৩.</strong> খাবারের নির্দিষ্ট সময়: পরিপাকতন্ত্রের নিজস্ব একটি ঘড়ি আছে, তাই প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খেলে অন্ত্র সুস্থ থাকে।<br />
<strong>৪.</strong> পর্যাপ্ত জল পান: সঠিক হাইড্রেশন হজম ও পুষ্টি পরিবহনে সাহায্য করে এবং অন্ত্রের সুরক্ষাকবচ বজায় রাখে।</p>
<p>ভালো ঘুমের প্রস্তুতি আপনি বিছানায় যাওয়ার মুহূর্তে শুরু হয় না। এটি শুরু হয় তার অনেক আগে, আপনার অন্ত্রের সুস্বাস্থ্যের মাধ্যমে। অন্ত্র যখন সুস্থ থাকে, তখন শরীর প্রাকৃতিকভাবেই নিজেকে শান্ত করতে এবং গভীর ঘুমের ছন্দে ফিরে যেতে সক্ষম হয়।</p>
<p><em><strong>দ্য কনভারসেশনে</strong></em>, ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টমিনিস্টারের মেডিকেল মাইক্রোবায়োলজির সিনিয়র লেকচারার <em><strong>মানাল মোহাম্মদের</strong></em> লেখা থেকে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>‘মন ভালো তো সব ভালো’</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%ae%e0%a6%a8-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b-%e0%a6%a4%e0%a7%8b-%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 21 Dec 2025 05:27:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[‘মন ভালো তো সব ভালো’]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব মেডিটেশন দিবস]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=8897</guid>

					<description><![CDATA[পরিবেশের দূষণ যেমন সবাইকে কষ্ট দেয়, তেমনি মনের দূষণও নিজের ও অন্যের কষ্টের কারণ হয়। ব্যক্তির মন যদি ভালো থাকে, তাহলে পরিবার, সমাজসহ সারা বিশ্বই ভালো থাকে। যুগ যুগ ধরে মন ভালো রাখার সেই কাজটিই করছে মেডিটেশন। রোববার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে এমন বার্তা নিয়ে পালিত হলো বিশ্ব মেডিটেশন দিবস। বাংলাদেশে মেডিটেশন চর্চার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>পরিবেশের দূষণ যেমন সবাইকে কষ্ট দেয়, তেমনি মনের দূষণও নিজের ও অন্যের কষ্টের কারণ হয়। ব্যক্তির মন যদি ভালো থাকে, তাহলে পরিবার, সমাজসহ সারা বিশ্বই ভালো থাকে। যুগ যুগ ধরে মন ভালো রাখার সেই কাজটিই করছে মেডিটেশন।</strong></p>
<p>রোববার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে এমন বার্তা নিয়ে পালিত হলো বিশ্ব মেডিটেশন দিবস। বাংলাদেশে মেডিটেশন চর্চার পথিকৃৎ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন দিবসটি আয়োজনের উদ্যোগ নেয়।</p>
<p>অনুষ্ঠান শুরু হয় সকাল ৭টায়। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রেস ক্লাবে জড়ো হন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো শান্তিপ্রিয় মানুষ। এ সময় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। সম্মিলিত কণ্ঠে সবাই মিলে ভালো থাকার প্রত্যয়নের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর উপস্থিত সবাই মেডিটেশনের মাধ্যমে নীরবে ডুব দেন নিজের ভেতর।</p>
<p>অনুষ্ঠানে এক অডিও বার্তায় সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা জানান কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মাদাম নাহার আল বোখারী।</p>
<p>বৈজ্ঞানিক মেডিটেশন পদ্ধতি কোয়ান্টাম মেথড-এর উদ্ভাবক শহীদ আল বোখারী মহাজাতক অনুষ্ঠানে এক অডিও বার্তায় বলেন, কোয়ান্টাম তিন দশক ধরে বলে আসছে— মন ভালো তো সব ভালো। ২০২৪ সালে জাতিসংঘ ২১ ডিসেম্বরকে বিশ্ব মেডিটেশন দিবস হিসেবে ঘোষণা করলে সারা পৃথিবীর মেডিটেশন চর্চাকারীদের মতো বাংলাদেশের মেডিটেশনপ্রেমীদের অন্তরেও বয়ে যায় এক আনন্দানুরণন। কোয়ান্টাম ২০২৫ সালকে ঘোষণা করে ‘দ্য ইয়ার অব মেডিটেশন’ হিসেবে। সমাজের সর্বস্তরে মেডিটেশন চর্চা নতুন গুরুত্ব লাভ করে।</p>
<p>আলোচনায় উঠে আসে বর্তমান ডিজিটাল জীবনের উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা, অস্থিরতা, ট্রমা, ভয়, অনিশ্চয়তা ও তা থেকে সৃষ্ট মনোদৈহিক রোগের কথা। জানানো হয়, এ থেকে মুক্তির পথ দেখায় মেডিটেশন। মেডিটেশনের বাণী তাই বিশ্বের প্রতিটি ঘরে ছড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে মেডিটেশন চর্চার অনুভূতি বর্ণনা করেন বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব ও এনবিআর-এর সাবেক চেয়ারম্যান, সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এসডিএফ)-এর চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের কার্যকরী কমিটির সদস্য কাজী রওনাক হোসেন, ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি)-এর সভাপতি ও মাছরাঙা টেলিভিশনের হেড অব নিউজ রেজওয়ানুল হক রাজা, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে এম মহসীন এবং স্কলাস্টিকা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ড. শাহিদা রহমান।</p>
<p>ঘণ্টাব্যাপী এ আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন মিডিয়া ব্যক্তিত্বসহ নানা পেশার মানুষ। রাজধানী ছাড়াও দেশ-বিদেশের নানা স্থানে একযোগে উদযাপিত হয় দিবসটি। চট্টগ্রাম, রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, সিলেটসহ দেশব্যাপী উল্লেখযোগ্য শতাধিক স্থানে একই সময়ে মেডিটেশনে আত্মনিমগ্ন হন শান্তিপ্রিয় শিশু-কিশোরসহ অসংখ্য মানুষ।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>চীনের ফুসান হেলথ গ্রুপের সাথে মেডিএইডারের চুক্তি স্বাক্ষর</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/fushan-group-china-mediaider-bd/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[News Desk]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 09 Dec 2025 04:34:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[মেডিএইডার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=8700</guid>

					<description><![CDATA[চীনের বিখ্যাত ফুসান হেলথ গ্রুপ এবং দেশের অন্যতম শীর্ষ হেলথ ট্রাভেল প্রতিষ্ঠান মেডিএইডার লিমিটেড–এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। শনিবার (৭ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামের হোটেল রেডিসন ব্লুতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফুসান হেলথকেয়ার-এর প্রধান অর্থ কর্মকর্তা মিস লাকি লু এবং মেডিএইডার লিমিটেড-এর প্রধান নির্বাহী শাব্বির আহমদ তামীম। চুক্তি স্বাক্ষর শেষে মিস [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>চীনের বিখ্যাত ফুসান হেলথ গ্রুপ এবং দেশের অন্যতম শীর্ষ হেলথ ট্রাভেল প্রতিষ্ঠান মেডিএইডার লিমিটেড–এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। শনিবার (৭ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামের হোটেল রেডিসন ব্লুতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়।</strong></p>
<p>অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফুসান হেলথকেয়ার-এর প্রধান অর্থ কর্মকর্তা মিস লাকি লু এবং মেডিএইডার লিমিটেড-এর প্রধান নির্বাহী শাব্বির আহমদ তামীম।</p>
<p>চুক্তি স্বাক্ষর শেষে মিস লাকি লু বলেন,&#8217;বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে আমরা দুই পক্ষ ভবিষ্যতেও একসঙ্গে কাজ করতে চাই।</p>
<p>মেডিএইডারের সিইও শাব্বির আহমদ তামীম বলেন,&#8217;বাংলাদেশি রোগীরা যাতে বিদেশে সঠিক ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পান-সেটি নিশ্চিত করতে আমরা একসাথে কাজ করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।&#8217;</p>
<p>চুক্তির মাধ্যমে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চিকিৎসা সহযোগিতা, মেডিকেল ট্যুরিজম এবং রোগী ব্যবস্থাপনায় নতুন সম্ভাবনা উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
