<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>বিজনেস টাইমস: ব্যবসা-বাণিজ্য ও উন্নয়ন চিত্রের গণমাধ্যম</title>
	<atom:link href="https://businesstimes.com.bd/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://businesstimes.com.bd</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Sat, 26 Sep 2026 14:11:53 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.1.2</generator>

<image>
	<url>https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2024/11/cropped-bt-favicon-32x32.jpg</url>
	<title>বিজনেস টাইমস: ব্যবসা-বাণিজ্য ও উন্নয়ন চিত্রের গণমাধ্যম</title>
	<link>https://businesstimes.com.bd</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>বিনিয়োগকারীদের সামনে সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চলের সম্ভাবনা</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%bf/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিউজ ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 26 Sep 2026 14:11:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[বগুড়া]]></category>
		<category><![CDATA[বিনিয়োগ]]></category>
		<category><![CDATA[সিরাজগঞ্জ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=10435</guid>

					<description><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক উত্তরাঞ্চলের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সামনে সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চলের বিনিয়োগ সম্ভাবনা, অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা তুলে ধরতে ‘বগুড়া বিনিয়োগকারী রোডশো ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চল লিমিটেডের উদ্যোগে আয়োজিত এ রোডশোতে বগুড়া অঞ্চলের প্রায় ৭৫ জন স্থানীয় বিনিয়োগকারী অংশ নেন। এ ছাড়া ব্যবসায়ী ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>নিজস্ব প্রতিবেদক<br />
উত্তরাঞ্চলের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সামনে সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চলের বিনিয়োগ সম্ভাবনা, অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা তুলে ধরতে ‘বগুড়া বিনিয়োগকারী রোডশো ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p>
<p>শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।<br />
সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চল লিমিটেডের উদ্যোগে আয়োজিত এ রোডশোতে বগুড়া অঞ্চলের প্রায় ৭৫ জন স্থানীয় বিনিয়োগকারী অংশ নেন। এ ছাড়া ব্যবসায়ী ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সামনে সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চলে শিল্প স্থাপনের সুযোগ, অবকাঠামোগত সুবিধা এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য বিদ্যমান বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা তুলে ধরা হয়।<br />
অনুষ্ঠানে সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চল লিমিটেডের পরিচালক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ কামরুজ্জামান স্বাগত বক্তব্য দেন। তিনি দেশের শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আঞ্চলিক পর্যায়ে এ ধরনের বিনিয়োগ রোডশোর গুরুত্ব তুলে ধরেন।</p>
<p>সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চল লিমিটেডের প্রধান প্রশাসনিক ও মানবসম্পদ কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. শরিফুল ইসলাম মূল বিনিয়োগ উপস্থাপনা করেন। তিনি সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চলের বিনিয়োগ সম্ভাবনা, অবকাঠামো এবং শিল্প স্থাপনের জন্য বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন।<br />
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোশাররফ হোসেন। প্রধান অতিথি ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. রেজাউল করিম বাদশা। এ ছাড়া বগুড়া জেলা পরিষদের প্রশাসক এ. কে. এম. আহসানুল তাইয়ব জাকির এবং বগুড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি এম. এস. এম. আতিকুর রহমান বাদল বক্তব্য দেন।</p>
<p>বক্তারা শিল্পায়ন, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং উত্তরাঞ্চলের আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ানোর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।<br />
অনুষ্ঠানে সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চল লিমিটেডের চেয়ারম্যান এ. মতিন চৌধুরী আমন্ত্রিত অতিথিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন।</p>
<p>সমাপনী বক্তব্যে এ. মতিন চৌধুরী রোডশোতে অংশ নেওয়া বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী, অতিথি ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চলে নতুন শিল্প ও বিনিয়োগ আকর্ষণে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>
<p>রোডশোর মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ তৈরি এবং সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চলকে শিল্প ও বিনিয়োগের সম্ভাবনাময় গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছে আয়োজক প্রতিষ্ঠানটি।</p>
<p>এন/আই</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রাখাইনের সব বেসামরিক নাগরিককে হত্যার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সরকারি বাহিনীকে: যুদ্ধবন্দি সেনা</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%97/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 24 Sep 2026 17:56:49 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ববাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[বেসামরিক নাগরিক]]></category>
		<category><![CDATA[মিয়ানমার]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধবন্দি সেনা]]></category>
		<category><![CDATA[রাখাইন]]></category>
		<category><![CDATA[রোহিঙ্গা]]></category>
		<category><![CDATA[সরকারি বাহিনী]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যার নির্দেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=10431</guid>

					<description><![CDATA[রাখাইনে পাল্টা সামরিক অভিযানে বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়ার পর মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী তাদের সেনাদের সামনে পড়া সব বেসামরিক মানুষকে হত্যা করার নির্দেশ দিয়েছিল বলে দাবি করেছেন আরাকান আর্মির (এএ) হাতে আটক হওয়া দুই সেনাসদস্য। রাখাইনে হারানো অঞ্চলগুলো পুনর্দখলের লক্ষ্যে মিয়ানমারের জান্তা সরকার ৪ সেপ্টেম্বর ‘অপারেশন ৪৯২৬’ শুরু করে। এই অভিযানে যুদ্ধবিমান, কামান ইউনিট এবং [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>রাখাইনে পাল্টা সামরিক অভিযানে বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়ার পর মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী তাদের সেনাদের সামনে পড়া সব বেসামরিক মানুষকে হত্যা করার নির্দেশ দিয়েছিল বলে দাবি করেছেন আরাকান আর্মির (এএ) হাতে আটক হওয়া দুই সেনাসদস্য।</strong></p>
<p>রাখাইনে হারানো অঞ্চলগুলো পুনর্দখলের লক্ষ্যে মিয়ানমারের জান্তা সরকার ৪ সেপ্টেম্বর ‘অপারেশন ৪৯২৬’ শুরু করে। এই অভিযানে যুদ্ধবিমান, কামান ইউনিট এবং নৌবাহিনীর জাহাজ ব্যবহার করা হয়। তবে কিয়াউকফিউ ও পোননাগিউন টাউনশিপে অভিযানের সময় তারা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ে। এসব এলাকায় কমান্ডারসহ কয়েক ডজন সেনা আত্মসমর্পণ করে।</p>
<p>রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) এএ পোননাগিউন ও রাজ্য রাজধানী সিত্তের সীমান্তবর্তী এলাকায় ১৬ সেপ্টেম্বরের সংঘর্ষের পর উদ্ধার করা বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদের সঙ্গে মিয়ানমার জান্তা বাহিনীর নিহত সেনাদের মরদেহ প্রদর্শন করে। একই সঙ্গে ওই যুদ্ধে আটক হওয়া মিয়ানমার বাহিনীর দুই সদস্যের বক্তব্যের একটি ভিডিওও প্রকাশ করে এএ।</p>
<p>এএ-এর প্রকাশ করা ভিডিও সাক্ষাৎকারে মাইকেল নামের এক জান্তা সেনা বলেন, “আমাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সামনে যেসব জাতিগত রাখাইন জনগোষ্ঠীর মানুষকে পাওয়া যাবে, তাদের সবাইকে হত্যা করতে হবে। নারী ও শিশুসহ কাউকেই ছাড় দেওয়া যাবে না—এমন নির্দেশই আমাদের দেওয়া হয়েছিল।”</p>
<p>তিনি জানান, তাকে বাধ্যতামূলকভাবে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করে মাগওয়ে অঞ্চলের পাকোক্কু টাউনশিপে অবস্থিত ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশন ১০১-এর ব্যাটালিয়ন ২৫৭-এ পাঠানো হয়েছিল। জান্তা বাহিনীর সেনারা পিছু হটার সময় আমিন্ট কিয়ুন গ্রামের কাছে এএ-এর একটি ইউনিট তাকে আটক করে।</p>
<p>মাইকেল বলেন, “আমাকে ফ্রন্টলাইনে ফেলে যাওয়া হয়েছিল এবং এএ বাহিনীর ওপর গুলি চালিয়ে যেতে বলা হয়েছিল।”</p>
<p>তিনি আরও বলেন, তার অনেক নিম্নপদস্থ সহযোদ্ধা সেনাবাহিনী থেকে পালিয়ে যেতে আগ্রহী ছিলেন এবং সুযোগ পেলে তাদেরও পক্ষত্যাগ করতে উৎসাহিত করতেন।</p>
<p>বেসামরিকদের হত্যার নির্দেশের বিষয়টি আরেক যুদ্ধবন্দি অং পায়ে সোয়োন-ও নিশ্চিত করেছেন বলে এএ জানায়। তিনি ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশন ১০১-এর ব্যাটালিয়ন ২৫২-এর একজন নিয়মিত সেনা ছিলেন এবং তাকেও আমিন্ট কিয়ুন গ্রামের কাছে আটক করা হয়।</p>
<p>এএ-এর প্রকাশ করা ভিডিওতে তিনি বলেন, “আমাদের সবাইকে গুলি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল—শিশু ও বয়স্কদেরও। একই সঙ্গে সব গবাদিপশু নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।”</p>
<p>তিনি আরও জানান, তাকে এবং তার সহকর্মী জুনিয়র সেনাদের শেষ পর্যন্ত লড়াই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং পিছু হটা বা আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ ছিল না। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর অনেক সদস্য পক্ষত্যাগ করতে মরিয়া ছিলেন। কিন্তু তারা জানতেন, ধরা পড়লে তাদেরও গুলি করে হত্যা করা হতে পারে।</p>
<p>মিয়ানমারের রাখাইন ফ্রন্টে জান্তা সেনাদের সামনে পাওয়া সব বেসামরিক মানুষকে হত্যা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল—এই দাবিগুলো দ্য ইরাবতী স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।</p>
<p>২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর সেনাবাহিনী থেকে বেরিয়ে আসা এবং দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমারের সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী সাবেক সেনা ক্যাপ্টেন জিন ইয়া বলেন, মিয়ানমারের সামরিক কমান্ডাররা দীর্ঘদিন ধরে জাতিগত রাখাইন জনগোষ্ঠীর মানুষদের এএ-এর সহযোগী হিসেবে বিবেচনা করে আসছেন।</p>
<p>তিনি বলেন, রাখাইনে বেসামরিক মানুষদের হত্যার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল—যুদ্ধবন্দিদের এই দাবি “প্রায় নিশ্চিতভাবেই সত্য”। তার মতে, বিদ্রোহী জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে বেসামরিক জনগণকে লক্ষ্যবস্তু করার কৌশল মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দীর্ঘদিনের কৌশলের অংশ।</p>
<p>জিন ইয়া বলেন, “২০১৬ সালে আমি যখন একজন কর্মকর্তা ছিলাম, তখন উত্তরাঞ্চলীয় সামরিক কমান্ডের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নি নি সোয়ে আমাদের কাচিন রাজ্যে বেসামরিক মানুষদের দেখামাত্র হত্যা করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে বিদ্রোহীদের ঘাঁটি ও অস্ত্রের দিকে নজর না দিতে বলা হয়েছিল।”</p>
<p><strong>রাখাইনে এএ-এর নিয়ন্ত্রণ</strong><br />
বর্তমানে এএ রাখাইনের ১৭টি টাউনশিপের মধ্যে ১৪টি, পাশাপাশি প্রতিবেশী চিন রাজ্যের পালেতওয়া নিয়ন্ত্রণ করছে।</p>
<p>এখন তারা কিয়াউকফিউ দখলের জন্য অভিযান চালাচ্ছে। কিয়াউকফিউতে চীনের সহযোগিতায় গড়ে ওঠা একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল ও সমুদ্রবন্দর রয়েছে। একই সঙ্গে তারা রাখাইনের রাজ্য রাজধানী সিত্তে দখলের দিকেও অগ্রসর হচ্ছে।</p>
<p>এছাড়া এএ সীমান্তবর্তী অভিযান মাগওয়ে, বাগো ও আয়েয়াওয়াদি অঞ্চলেও সম্প্রসারিত করছে।</p>
<p>পাল্টা সামরিক অভিযান ব্যর্থতার দিকে এগিয়ে যাওয়ার মধ্যে জান্তা বাহিনী এখন নৌবাহিনীর জাহাজ ও যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে বেসামরিক স্থাপনায় বোমাবর্ষণ করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে কয়েক ডজন মানুষ নিহত হয়েছে এবং স্কুল, বাজার, হাসপাতাল ও ধর্মীয় স্থাপনাসহ বিভিন্ন স্থাপনা ব্যাপকভাবে ধ্বংস হয়েছে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>৫১ বিশেষ বিসিএসের আবেদন শুরু ১ অক্টোবর, শূন্যপদ স্বাস্থ্যে ৫০০০</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a7%ab%e0%a7%a7-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%a8-%e0%a6%b6/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 24 Sep 2026 13:50:36 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জব-ক্যারিয়ার]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[৫১তম বিসিএস]]></category>
		<category><![CDATA[বিসিএস]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=10429</guid>

					<description><![CDATA[স্বাস্থ্য ক্যাডারে পাঁচ হাজার শূন্য পদে প্রার্থী নিয়োগের জন্য ৫১তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি)। বৃহস্পতিবার বিপিএসসির ওয়েবসাইটে এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পাঁচ হাজার পদের মধ্যে চার হাজার ৭০০টি সহকারী সার্জন এবং ৩০০টি সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদ রয়েছে। সহকারী সার্জন পদের জন্য আবেদনকারীদের এমবিবিএস বা সমমানের ডিগ্রি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>স্বাস্থ্য ক্যাডারে পাঁচ হাজার শূন্য পদে প্রার্থী নিয়োগের জন্য ৫১তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি)। বৃহস্পতিবার বিপিএসসির ওয়েবসাইটে এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।</strong></p>
<p>বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পাঁচ হাজার পদের মধ্যে চার হাজার ৭০০টি সহকারী সার্জন এবং ৩০০টি সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদ রয়েছে।</p>
<p>সহকারী সার্জন পদের জন্য আবেদনকারীদের এমবিবিএস বা সমমানের ডিগ্রি এবং ডেন্টাল পদের জন্য বিডিএস বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।</p>
<p>অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে আগামী ১ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে। চলবে ২৫ অক্টোবর বিকেল ৬টা পর্যন্ত।</p>
<p>১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ অনুযায়ী, প্রার্থীদের বয়স ২১ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে এবং তাদের অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যারা এমবিবিএস বা বিডিএস পরীক্ষার ফলাফলের অপেক্ষায় আছেন তারাও সাময়িকভাবে আবেদন করতে পারবেন। তবে শর্ত রয়েছে, ২৫ অক্টোবরের মধ্যে তাদের সব লিখিত পরীক্ষা শেষ হতে হবে। প্রয়োজনীয় ডিগ্রি অর্জনে ব্যর্থ হলে তাদের প্রার্থিতা বাতিল করা হবে।</p>
<p>নিয়োগ পরীক্ষা হবে মোট ৩০০ নম্বরের। যার মধ্যে ২০০ নম্বরের এমসিকিউ লিখিত পরীক্ষা এবং ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা।</p>
<p>দুই ঘণ্টার এই লিখিত পরীক্ষায় ২০০টি প্রশ্ন থাকবে। এর মধ্যে বাংলা, ইংরেজি, বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়ের প্রতিটিতে ২০ নম্বর করে, মানসিক দক্ষতা ও গাণিতিক যুক্তির প্রতিটিতে ১০ নম্বর করে এবং সংশ্লিষ্ট ক্যাডার বা বিষয়ভিত্তিক বিষয়ে ১০০ নম্বর।</p>
<p>অন্যদিকে মৌখিক পরীক্ষার মোট নম্বর ১০০, যেখানে পাস নম্বর ৫০।</p>
<p>আগামী নভেম্বরে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।</p>
<p>প্রাথমিকভাবে কেবল ঢাকায় কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে, তবে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় অন্যান্য জেলাতেও কেন্দ্র প্রস্তুত করা হতে পারে।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পরীক্ষার ফি ২০০ টাকা এবং তথ্য যাচাইয়ের ফি ৫ টাকা ধার্য করা হয়েছে।</p>
<p>ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী এবং তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের ক্ষেত্রে পরীক্ষা ফি ৫০ টাকা এবং তথ্য যাচাইয়ের ফি ৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।</p>
<p>মৌখিক পরীক্ষার জন্য মনোনীত প্রার্থীদের অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথিপত্রের পাশাপাশি তাদের বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন সনদের অনুলিপি জমা দিতে হবে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জাপানের পোশাক বাজার ধরতে বিজিএমইএ’র ‘জাপান ডেস্ক’ চালু</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%95-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 24 Sep 2026 08:37:33 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[জাপান ডেস্ক]]></category>
		<category><![CDATA[জাপানের পোশাক]]></category>
		<category><![CDATA[বিজিএমইএ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=10426</guid>

					<description><![CDATA[জাপানের ২ হাজার ২০০ কোটি ডলারের পোশাকের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের উপস্থিতি বাড়াতে বিশেষ &#8216;জাপান ডেস্ক&#8217; চালু করেছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় বিজিএমইএ কার্যালয়ে ডেস্কটির উদ্বোধন করা হয়। সংগঠনটি জানিয়েছে, জাপানি ক্রেতাদের সঙ্গে কাজ করার জন্য ইতোমধ্যে প্রায় ১০০টি পোশাক কারখানা নির্বাচন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>জাপানের ২ হাজার ২০০ কোটি ডলারের পোশাকের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের উপস্থিতি বাড়াতে বিশেষ &#8216;জাপান ডেস্ক&#8217; চালু করেছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।</strong></p>
<p>বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় বিজিএমইএ কার্যালয়ে ডেস্কটির উদ্বোধন করা হয়। সংগঠনটি জানিয়েছে, জাপানি ক্রেতাদের সঙ্গে কাজ করার জন্য ইতোমধ্যে প্রায় ১০০টি পোশাক কারখানা নির্বাচন করা হয়েছে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি। এ ছাড়া তেইজিন ফ্রন্টিয়ার কোম্পানি লিমিটেড, মারুবেনি করপোরেশন, ইতোচু করপোরেশন ও টয়োটা সুসো করপোরেশনসহ জাপানের বড় ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ বর্তমানে জাপানে ১০০ কোটি ডলারের কিছু বেশি মূল্যের পোশাক রপ্তানি করে। নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে রপ্তানি ৩০০ কোটি ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে সংগঠনটি।</p>
<p>বিজিএমইএর পরিচালক ও বাংলা পোশাক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ সোহেল বলেন, &#8220;এই উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে জাপানে পোশাক রপ্তানি ৩০০ কোটি ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে আমাদের।&#8221;</p>
<p>বিজিএমইএ জানিয়েছে, জাপান ডেস্ক ক্রেতা ও সরবরাহকারীদের মধ্যে সংযোগ তৈরি, বিরোধ নিষ্পত্তিতে সহায়তা এবং একই ক্রেতার কাছ থেকে পুনরায় ক্রয়াদেশ পাওয়ার সুযোগ তৈরিতে কাজ করবে।</p>
<p>জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (জেবিসিসিআই) সভাপতি তারেক রাফি ভূঁইয়া জুন বলেন, জাপানের বাজারে বাংলাদেশের উপস্থিতি বাড়াতে আস্থা, মান ও প্রতিশ্রুতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>
<p>তিনি বলেন, &#8220;শুধু ইপিএর আওতায় বাজারে প্রবেশের সুবিধা নয়; আস্থা, মান ও প্রতিশ্রুতিই জাপানের বাজারের দুয়ার খুলতে পারে।&#8221;</p>
<p>বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, বিশেষ করে যেসব জাপানি ক্রেতা তুলনামূলক ছোট ও নমনীয় ক্রয়াদেশ দিতে চান, তাদের উপযুক্ত বাংলাদেশি কারখানার সঙ্গে যুক্ত করবে এই ডেস্ক।</p>
<p>লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, &#8220;ছোট ক্রয়াদেশ মানেই ছোট ক্রেতা নয়।&#8221; ক্রেতাদের প্রয়োজনীয় ক্রয়াদেশের পরিমাণ অনুযায়ী উপযুক্ত কারখানার সঙ্গে তাদের সংযোগ করে দেবে এই ডেস্ক।</p>
<p>তিনি বলেন, বাংলাদেশি পোশাক প্রস্তুতকারক ও জাপানি ক্রেতাদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তুলতে কোনো ব্যক্তিগত পদাধিকারীর উদ্যোগ হিসেবে নয়, বরং প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এই ডেস্ক গঠন করা হয়েছে।</p>
<p>জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি বলেন, বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণের প্রস্তুতি নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের উৎপাদকদের ম্যান-মেড ও কেমিক্যাল ফাইবারসহ উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদনে বৈচিত্র্য আনতে হবে।</p>
<p>তেইজিন ফ্রন্টিয়ার কোম্পানি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক তাকামাসা ইয়ামামোতো বলেন, বাংলাদেশের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যা জাপানের বাজারে উপস্থিতি বাড়ানোর &#8216;বড় সুযোগ&#8217; তৈরি করেছে।</p>
<p>টয়োটা সুসো করপোরেশনের প্রধান প্রতিনিধি ইউজি ওয়াগাতা বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণে পণ্যের মান, আস্থা ও লজিস্টিক সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p><strong>জাপানের নতুন জ্বালানি কাঠামো<br />
</strong>রাষ্ট্রদূত সাইদা বলেন, বাংলাদেশসহ এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে একটি নতুন জ্বালানি কাঠামো গড়ে তুলেছে জাপান। বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের সক্ষমতা বাড়াতে সরকারি পর্যায়ে আরও প্রকল্প নেওয়ার বিষয়টি জাপান বিবেচনা করছে বলেও জানান তিনি। উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের মাধ্যমে শিগগিরই এ বিষয়ে সমঝোতা হতে পারে।</p>
<p>তিনি বলেন, উচ্চ জ্বালানি মূল্যের প্রভাব এবং লোডশেডিংয়ের মতো সমস্যার মুখে পড়ছেন অনেকে। এসব চ্যালেঞ্জ নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগের সঙ্গে জাপানও একমত।</p>
<p>অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের জেবিসিসিআই সভাপতি তারেক রাফি বলেন, জাপান এমন একটি জ্বালানি কাঠামো নিয়ে কাজ করছে বলে তারা শুনেছেন। এই কাঠামোয় অংশ নেওয়া দেশগুলো জ্বালানি সংকটের সময় একে অপরকে সহায়তা করতে পারে বলে জানান তিনি। তবে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর ৫ দফা প্রস্তাব</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%9f-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 24 Sep 2026 03:52:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়-দেশ]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[তারেক রহমান]]></category>
		<category><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান]]></category>
		<category><![CDATA[রোহিঙ্গা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=10423</guid>

					<description><![CDATA[রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনসহ এই সংকটের টেকসই সমাধানে পাঁচ দফা প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ১১ নম্বর কক্ষে রোহিঙ্গা সংকটবিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের পার্শ্ব-অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব প্রস্তাব দেন। একইসঙ্গে রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের সুস্পষ্ট রোডম্যাপ প্রণয়ন, সহিংসতা বন্ধ, পর্যাপ্ত ও পূর্বানুমেয় মানবিক সহায়তা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনসহ এই সংকটের টেকসই সমাধানে পাঁচ দফা প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</strong></p>
<p>মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ১১ নম্বর কক্ষে রোহিঙ্গা সংকটবিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের পার্শ্ব-অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব প্রস্তাব দেন।</p>
<p>একইসঙ্গে রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের সুস্পষ্ট রোডম্যাপ প্রণয়ন, সহিংসতা বন্ধ, পর্যাপ্ত ও পূর্বানুমেয় মানবিক সহায়তা নিশ্চিত, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জাানান তিনি।</p>
<p>বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার যৌথ আয়োজনের এ অনুষ্ঠানে সহ-আয়োজক ও অন্যান্য অংশীদারদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কয়েক দশক ধরে মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা চরম বৈষম্য, নিপীড়ন ও বঞ্চনার শিকার হয়ে আসছে।</p>
<p>তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭৮ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের বড় বড় ঢল এসেছে। ১৯৮০-এর দশকেও দেশটি রোহিঙ্গাদের কয়েকটি বড় দফার আগমন প্রত্যক্ষ করেছে। তৎকালীন বিভিন্ন সরকারের আমলে কিছু রোহিঙ্গাকে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থাও করা হয়েছিল। তবে ২০১৭ সালে মিয়ানমারে নতুন করে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতির আরও মারাত্মক অবনতি ঘটে।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, নয় বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে মানবিক দায়িত্ব পালন করে আসছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। উপরন্তু, মিয়ানমারে চলমান সহিংসতার কারণে এখনো মানুষ সেখান থেকে পালিয়ে আসছে।</p>
<p>তিনি বলেন, প্রতিবছর ক্যাম্পগুলোতে হাজার হাজার শিশুর জন্ম হচ্ছে। ফলে দীর্ঘস্থায়ী বাস্তুচ্যুতির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে নতুন আরেকটি প্রজন্ম। রোহিঙ্গা মায়েরা তাদের সন্তানদের নিরাপদ ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছেন, তরুণরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে বেড়ে উঠছে এবং প্রবীণরা নিজেদের ফেলে আসা ঘরবাড়ি ও গ্রামের স্মৃতি বুকে নিয়ে নিজ ভূমিতে ফিরে যাওয়ার আকুল আকাঙ্ক্ষা পোষণ করছেন।</p>
<p>মানবিকতার তাগিদেই বাংলাদেশ সীমান্ত খুলে দিয়ে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্যাম্পগুলোতে তাদের খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে। প্রায় ৬ হাজার লার্নিং সেন্টারের মাধ্যমে রোহিঙ্গা শিশুদের মিয়ানমারের পাঠ্যক্রম অনুযায়ী শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ভবিষ্যতে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে তাদের পুনঃএকীভূত হওয়ার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।</p>
<p>তিনি বলেন, ক্যাম্পগুলোতে বসবাসের পরিবেশ উন্নত করতে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে গেলেও এগুলো দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের উপযোগী কোনো আদর্শ স্থান নয়।</p>
<p>দীর্ঘস্থায়ী বাস্তুচ্যুতির কারণে বাংলাদেশের ওপর সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাজনিত চাপ ক্রমেই বাড়ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সংকটের মাশুল শুধু রোহিঙ্গাদেরই দিতে হচ্ছে না, কক্সবাজারের স্থানীয় আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর ওপরও এর তীব্র প্রভাব পড়ছে।</p>
<p>দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তা ও হতাশা নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ ও নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর মধ্যে মানবপাচার, অবৈধ অভিবাসী পাচার, মাদকপাচারসহ বিভিন্ন ধরনের আন্তঃদেশীয় অপরাধ রয়েছে। এমনকি অনেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় করে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে পাড়ি দিচ্ছেন।</p>
<p>একটি দেশে অমীমাংসিত থেকে যাওয়া এই সংকট পুরো অঞ্চলের জন্যই নিরাপত্তাজনিত চ্যালেঞ্জে পরিণত হতে পারে।</p>
<p>মানবিক সহায়তার ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজন যত বাড়ছে, মানবিক সহায়তার জীবনরেখা ততই সংকুচিত হচ্ছে। ২০২৫ সালের যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনায় (জেআরপি) ৯৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি সহায়তার আবেদন করা হলেও ২০২৬ সালের জন্য তা কমিয়ে প্রায় ৭১০ মিলিয়ন ডলারে নামিয়ে আনা হয়েছে; যা দিয়ে কেবল ন্যূনতম জীবনরক্ষাকারী প্রয়োজন মেটানো সম্ভব।</p>
<p>‘এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে না’ উল্লেখ করে তিনি বাংলাদেশের পাশে অব্যাহতভাবে দাঁড়িয়ে থাকা আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানান এবং বর্তমানে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানবিক সহায়তার উদারতা রাজনৈতিক নিষ্ক্রিয়তার অজুহাত হতে পারে না। একইভাবে অনির্দিষ্টকালের জন্য কেবল বাংলাদেশই রোহিঙ্গাদের দায়ভার বহন করে যাবে- এমনটাও প্রত্যাশা করা যায় না।</p>
<p>তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের উৎপত্তি মিয়ানমারে এবং এর টেকসই সমাধানও মিয়ানমারেই নিহিত।</p>
<p>রাখাইন রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গারা এখনো নির্বিচারে আটক, চলাচলে বিধিনিষেধ, জোরপূর্বক শ্রম এবং নিরাপত্তাহীনতাসহ নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।</p>
<p>মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী এবং ‘আরাকান আর্মি’- উভয়ের বিরুদ্ধেই মানবাধিকার লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ কারণে সেখানে এখনো নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের মতো পরিবেশ তৈরি হয়নি।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী আহ্বান জানিয়ে বলেন, এখন শুধুই সহমর্মিতা না দেখিয়ে সংকটের মূল কারণ চিহ্নিত করে সমাধানের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় এসেছে। প্রতিশ্রুতি থেকে কার্যকর পদক্ষেপে এবং বাস্তুচ্যুতি ব্যবস্থাপনা থেকে এই বাস্তুচ্যুতির অবসানের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় এসেছে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি বিমানের</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%ac%e0%a7%8b%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a7%a7%e0%a7%a7%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%89%e0%a6%a1/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 24 Sep 2026 03:46:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়-দেশ]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[উড়োজাহাজ]]></category>
		<category><![CDATA[বিমান]]></category>
		<category><![CDATA[বোয়িং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=10421</guid>

					<description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। বুধবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে আয়োজিত চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বোয়িংয়ের কমার্শিয়াল সেলস অ্যান্ড মার্কেটিংয়ের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড ম্যাকমুলেন ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান রুমি এ. হোসেন উপস্থিত ছিলেন। তারা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। বোয়িংয়ের এক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।</strong></p>
<p>বুধবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে আয়োজিত চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বোয়িংয়ের কমার্শিয়াল সেলস অ্যান্ড মার্কেটিংয়ের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড ম্যাকমুলেন ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান রুমি এ. হোসেন উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>তারা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।</p>
<p>বোয়িংয়ের এক বিবৃতি অনুযায়ী, বিমানের এই কেনাকাটায় পাঁচটি ৭৮৭-১০ এবং ছয়টি ৭৩৭-৮ উড়োজাহাজ অন্তর্ভুক্ত।</p>
<p>বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন বলেন, আজকের এই চুক্তিটি বিমানের বহর আধুনিকায়ন এবং নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।</p>
<p>বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স তাদের আন্তর্জাতিক রুটে ৭৮৭, ৭৭৭ এবং ৭৩৭ নেক্সট-জেনারেশন উড়োজাহাজ পরিচালনা করছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং ইউরোপের প্রধান শহরগুলোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।</p>
<p>বোয়িংয়ের কমার্শিয়াল সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড ম্যাকমুলেন বলেন, বিমানের এই নতুন ক্রয়াদেশ তাদের বহর আধুনিকায়ন এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির কৌশলগত পরিকল্পনার প্রতিফলন।</p>
<p>চুক্তি সইয়ের সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক, উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লান্ডাউসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>বাসস জানায়, নিউইয়র্কের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলের লবিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, ‘আজ বোয়িংয়ের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সই অনুষ্ঠান হয়েছে। সেখানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স আরও ১১টি বোয়িং বিমান কেনার বিষয়ে চুক্তি করেছে।’</p>
<p>তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিমান পরিবহন খাত সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়েই নতুন উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>বোয়িংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে এয়ারবাসের সঙ্গেও প্রয়োজন অনুযায়ী আলোচনা হতে পারে।</p>
<p>বাংলাদেশ চাহিদার ভিত্তিতেই বিমান কিনবে উল্লেখ করে এই উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশের এভিয়েশন সেক্টর সম্প্রসারণ হচ্ছে, নতুন নতুন রুট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এ কারণে নতুন উড়োজাহাজ প্রয়োজন।’</p>
<p>বিটি/আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩৫ শতাংশ ঋণ খেলাপি</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%a4-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%aa%e0%a7%8d/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিউজ ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 23 Sep 2026 17:15:17 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[ব্যাংক-বিমা]]></category>
		<category><![CDATA[এনবিএফআই]]></category>
		<category><![CDATA[খেলাপি]]></category>
		<category><![CDATA[ব্যাংক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=10417</guid>

					<description><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) ঋণের মানের অবনতি অব্যাহত রয়েছে। চলতি বছরের জুন শেষে এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ২৭ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় ৩৫ শতাংশই এখন খেলাপি। শুধু এপ্রিল থেকে জুন, এই তিন মাসেই খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৫৬২ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জুন শেষে আর্থিক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>নিজস্ব প্রতিবেদক</p>
<p>ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) ঋণের মানের অবনতি অব্যাহত রয়েছে। চলতি বছরের জুন শেষে এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ২৭ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় ৩৫ শতাংশই এখন খেলাপি। শুধু এপ্রিল থেকে জুন, এই তিন মাসেই খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৫৬২ কোটি টাকা।</p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জুন শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মোট ঋণ ও অগ্রিমের স্থিতি প্রায় ৭৮ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ২৭ হাজার ৫৪১ কোটি টাকা। ফলে মোট ঋণের ৩৫ দশমিক ৭২ শতাংশই খেলাপি হয়ে পড়েছে।</p>
<p>এর আগে মার্চ শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ২৬ হাজার ৯৭৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৫৬২ কোটি টাকা।</p>
<p>খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ আদায়ে দুর্বলতা, বড় গ্রাহকদের ঋণ পরিশোধে অনীহা এবং কিছু প্রতিষ্ঠানের ঋণ বিতরণে অনিয়মের কারণে খেলাপি ঋণ বাড়ছে। বিশেষ করে দুর্বল আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর খেলাপি ঋণের হার অনেক বেশি হওয়ায় পুরো খাতের গড় খেলাপি ঋণের হারও বেড়ে যাচ্ছে।</p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, কয়েক বছর ধরেই আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর খেলাপি ঋণ ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর শেষে খাতটির খেলাপি ঋণ ছিল প্রায় ২৫ হাজার ৮৯ কোটি টাকা। ২০২৫ সালের মার্চে তা বেড়ে ২৭ হাজার ১৮৯ কোটি টাকায় ওঠে। এরপর জুন শেষে তা দাঁড়ায় ২৭ হাজার ৫৪১ কোটি টাকা।</p>
<p>অর্থাৎ দেড় বছরেরও কম সময়ে খেলাপি ঋণের পরিমাণ কয়েক হাজার কোটি টাকা বেড়েছে। এর ফলে ঋণের বিপরীতে আয় কমে যাওয়ার পাশাপাশি প্রভিশন সংরক্ষণেও চাপ তৈরি হচ্ছে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর।</p>
<p><strong>শিল্প খাতেই ঋণের বড় অংশ</strong></p>
<p>আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণের বড় অংশই শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্য খাতে রয়েছে। জুন শেষে শিল্প খাতে এসব প্রতিষ্ঠানের ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ৩৪ হাজার ৪৯১ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের প্রায় ৪৪ শতাংশ।</p>
<p>খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্য খাতে ঋণের বড় অংশ থাকায় অর্থনীতিতে মন্দাভাব, ব্যবসায়িক অনিশ্চয়তা কিংবা কোনো নির্দিষ্ট খাতে সংকট তৈরি হলে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ আদায়ে তার প্রভাব পড়ে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে অতীতে যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া ঋণ বিতরণের অভিযোগ।</p>
<p><strong>দুর্বল প্রতিষ্ঠানেই খেলাপি বেশি</strong></p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল্যায়নে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি বড় অংশ বর্তমানে আর্থিকভাবে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণের হারও তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি।</p>
<p>কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সমস্যাগ্রস্ত ২০টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মোট ঋণের বড় অংশই খেলাপি। বিপরীতে তুলনামূলক ভালো অবস্থানে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর খেলাপি ঋণের হার অনেক কম। ফলে কয়েকটি দুর্বল প্রতিষ্ঠানের উচ্চ খেলাপি ঋণ পুরো এনবিএফআই খাতের ওপর বড় চাপ তৈরি করছে।</p>
<p>বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খেলাপি ঋণ কমাতে শুধু পুনঃতফসিল বা পুনর্গঠনের সুযোগ দিলেই হবে না। প্রকৃত খেলাপি ঋণ আদায়, ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, জামানত ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা এবং ঋণ বিতরণের সময় গ্রাহকের প্রকৃত সক্ষমতা যাচাই নিশ্চিত করতে হবে।</p>
<p>এন/আই</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>এডিবির পূর্বাভাসে বাংলাদেশে প্রবৃদ্ধি কমে ৪ শতাংশে, মূল্যস্ফীতি পৌঁছাতে পারে ৯ শতাংশে</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%8f%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 23 Sep 2026 10:48:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[এডিবি]]></category>
		<category><![CDATA[মূল্যস্ফীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=10414</guid>

					<description><![CDATA[২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস আগের চেয়ে কমিয়ে ৪ শতাংশ করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। গত জুলাই মাসে দেওয়া পূর্বাভাসে প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৫ শতাংশ হতে পারে বলে জানিয়েছিল সংস্থাটি। বুধবার প্রকাশিত এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সর্বশেষ সেপ্টেম্বর ২০২৬ এর প্রতিবেদন ‘এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (এডিও)’ অনুসারে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের সঙ্গে সম্পর্কিত সাপ্লাই চেইন বা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস আগের চেয়ে কমিয়ে ৪ শতাংশ করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। গত জুলাই মাসে দেওয়া পূর্বাভাসে প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৫ শতাংশ হতে পারে বলে জানিয়েছিল সংস্থাটি।</strong></p>
<p>বুধবার প্রকাশিত এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সর্বশেষ সেপ্টেম্বর ২০২৬ এর প্রতিবেদন ‘এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (এডিও)’ অনুসারে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের সঙ্গে সম্পর্কিত সাপ্লাই চেইন বা সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটার কারণে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ধীর হয়ে গিয়েছিল। তবে সংস্থাটি জানিয়েছে, এর প্রভাব সীমিত হতে পারে।</p>
<p>তবে মূল্যস্ফীতি নিয়ে সতর্ক করেছে সংস্থাটি। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ১০ শতাংশ থেকে কমে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৭ শতাংশে নেমে এলেও, জ্বালানি ঘাটতি, উচ্চ উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় এবং খাদ্যের দামের ওপর এল নিনোর প্রভাবের কারণে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তা আবার বেড়ে ৯ শতাংশে দাঁড়াতে পারে।</p>
<p>এছাড়া, রপ্তানির তুলনায় আমদানির প্রবৃদ্ধি বেশি হওয়ায় চলতি হিসাবের ঘাটতি (কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ডেফিসিট) জিডিপির শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ থেকে বেড়ে শূন্য দশমিক ৬ শতাংশে উন্নীত হওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>এডিবি জানায়, ২০২৭ অর্থবছরে সেবা ও কৃষি খাত মূলত প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা সত্ত্বেও শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ অব্যাহত থাকবে, যা বেসরকারি ভোগ প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে এবং উচ্চতর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের সঙ্গে মিলে বাহ্যিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়তা করবে।</p>
<p>তবে উচ্চ ঋণগ্রহণের ব্যয়, ঋণের সীমিত প্রাপ্যতা, জ্বালানি ঘাটতি ও দুর্বল বাহ্যিক চাহিদার কারণে শিল্প ও বিনিয়োগ খাত বাধাগ্রস্ত হতে পারে। পাশাপাশি তেলের উচ্চমূল্য, বিশ্বব্যাপী জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন, ব্যাংকিং খাতে চাপ, রাজস্ব সংস্কারে বিলম্ব এবং জলবায়ু সংক্রান্ত ধাক্কা দেশের প্রবৃদ্ধির জন্য বড় ঝুঁকি (ডাউনসাইড রিস্ক) তৈরি করতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।</p>
<p>সার্বিক বিষয়ে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর কিয়াংফেং ঝাং বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার হতে শুরু করলেও এটি এখনও বাহ্যিক ধাক্কা ও অভ্যন্তরীণ সীমাবদ্ধতার কাছে অরক্ষিত।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, আর্থিক খাত, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং ব্যবসায়িক পরিবেশে সংস্কার ত্বরান্বিত করার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। বেসরকারি বিনিয়োগ উন্মুক্ত করতে, মানসম্মত কর্মসংস্থান তৈরি করতে এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্থিতিস্থাপক প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে যেতে এসব সংস্কার অপরিহার্য।’</p>
<p>সংস্কারগুলোকে দেশের মানুষের জন্য দৃশ্যমান বা বাস্তব ফলাফলে রূপান্তরিত করতে বাংলাদেশকে সমর্থন করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানান তিনি।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হজ নিবন্ধনের সময় শেষ হচ্ছে বৃহস্পতিবার</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%b9%e0%a6%9c-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7-%e0%a6%b9%e0%a6%9a%e0%a7%8d/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 23 Sep 2026 10:45:33 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়-দেশ]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[হজ নিবন্ধন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=10409</guid>

					<description><![CDATA[আগামী বছরের পবিত্র হজে বাংলাদেশ থেকে নির্ধারিত হজযাত্রীর কোটা পূরণ হচ্ছে না। নিবন্ধনের সময়সীমা আগামীকাল বৃহস্পতিবার শেষ হলেও সরকারি ও বেসরকারি—দুই ব্যবস্থাপনাতেই নিবন্ধনের সংখ্যা নির্ধারিত কোটার তুলনায় অনেক কম। শেষ মুহূর্তে নিবন্ধন বাড়াতে সংশ্লিষ্টদের তৎপরতা বাড়লেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো কোটা পূরণ হবে কিনা, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ২০২৭ সালের হজের জন্য বাংলাদেশকে ৭৮ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>আগামী বছরের পবিত্র হজে বাংলাদেশ থেকে নির্ধারিত হজযাত্রীর কোটা পূরণ হচ্ছে না। নিবন্ধনের সময়সীমা আগামীকাল বৃহস্পতিবার শেষ হলেও সরকারি ও বেসরকারি—দুই ব্যবস্থাপনাতেই নিবন্ধনের সংখ্যা নির্ধারিত কোটার তুলনায় অনেক কম। শেষ মুহূর্তে নিবন্ধন বাড়াতে সংশ্লিষ্টদের তৎপরতা বাড়লেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো কোটা পূরণ হবে কিনা, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।</strong></p>
<p>২০২৭ সালের হজের জন্য বাংলাদেশকে ৭৮ হাজার ৫০০ হজযাত্রীর কোটা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত নিবন্ধন করেছেন মাত্র ৩৯ হাজার ১২৬ জন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ২১৮ এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩৮ হাজার ৯০৮ জন। অর্থাৎ নির্ধারিত কোটার অর্ধেকেরও কম হজযাত্রীর নিবন্ধন হয়েছে। এখনও নিবন্ধন বাকি রয়েছে ৩৯ হাজার ৩৭৪ জনের।</p>
<p>ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নিবন্ধনের সময়সীমা আর বাড়ার সম্ভাবনা কম। ফলে আজ ও আগামীকাল—এই দুই দিনে নিবন্ধনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে না বাড়লে এবার বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ কোটা অপূর্ণই থেকে যেতে পারে।</p>
<p><strong>লিড এজেন্সির কোটা ২ হাজার, নিবন্ধন একজনের</strong><br />
বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রী সংগ্রহে এবার ২৮টি লিড এজেন্সির সর্বনিম্ন কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার করে। আর ৬৭৩টি সমন্বয়কারী এজেন্সির সর্বনিম্ন কোটা ৪৫ জন। তবে অনেক এজেন্সি গত কয়েক বছরেও একজন হজযাত্রী নিবন্ধন করাতে পারেনি। এরপরও তালিকায় থাকা এসব এজেন্সিকে এবার নির্দিষ্টসংখ্যক হজযাত্রী নিবন্ধনের শর্তে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে করা চুক্তি অনুযায়ী, সমন্বয়কারী এজেন্সিগুলোকে কমপক্ষে ৪৫ জন হজযাত্রী নিবন্ধন করাতে হবে। কোনো এজেন্সি ৪৪ জনও নিবন্ধন করাতে না পারলে মন্ত্রণালয় নির্ধারিত শাস্তি মেনে নেওয়ার বিষয়ে চুক্তিতে সম্মত হয়েছে।</p>
<p>তবে লিড এজেন্সিগুলোর ক্ষেত্রেও চিত্র খুব একটা আশাব্যঞ্জক নয়। সোহেল অ্যান্ড ব্রাদার্স নামে একটি লিড এজেন্সি মঙ্গলবার পর্যন্ত নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় মাত্র একজন হজযাত্রী নিবন্ধন করেছে। এজেন্সিটির আওতায় সমন্বয়কারী এজেন্সির মাধ্যমে নিবন্ধন হয়েছে ১ হাজার ৭৩ জন।</p>
<p>সোহেল অ্যান্ড ব্রাদার্সের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ আবু জাফর সমকালকে বলেন, ‘মন্ত্রণালয় আমাকে নিরপেক্ষ মনে করেছে, এ জন্য লিড এজেন্সি বানিয়েছে। আশা করি, শেষ দিন পর্যন্ত ২ হাজার হাজির নিবন্ধন সম্পন্ন করা যাবে।’</p>
<p><strong>৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়ে প্রাথমিক নিবন্ধন</strong><br />
হজযাত্রীদের প্রথমে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে প্রাক্-নিবন্ধন করতে হচ্ছে। এরপর ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। যারা এ পর্যায়ের নিবন্ধন করবেন, তারা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে প্যাকেজের অবশিষ্ট অর্থ জমা দিয়ে চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করবেন।</p>
<p>ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. আয়াতুল ইসলাম সমকালকে বলেন, নিবন্ধনের সময় বাড়ানোর বিষয়ে সৌদি সরকারের অনুমতি পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। সময় না বাড়লে আগামীকাল থেকেই নিবন্ধন বন্ধ হয়ে যাবে। তিনি বলেন, ‘আশা করছি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হজযাত্রীদের ভালো সাড়া পাওয়া যাবে।’</p>
<p>তিনি জানান, বাংলাদেশের মোট হজযাত্রীর কোটা ১ লাখ ২৭ হাজার। তবে হজযাত্রী কম পাওয়ায় এবার ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই কমানো কোটাও পূরণ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এর অন্যতম কারণ হিসেবে অতিরিক্ত সচিব ড. মো. আয়াতুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এখন হজের চেয়ে ওমরাহ পালনে বেশি আগ্রহী।</p>
<p><strong>খরচ ন্যূনতম ৫ লাখ ৫ হাজার টাকা</strong><br />
আগামী বছরের হজের ফ্লাইট শুরু হবে ৮ এপ্রিল। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২০২৭ সালের ১৫ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় আগামী বছর হজ পালনে সর্বনিম্ন খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সর্বনিম্ন খরচ হবে ৫ লাখ ১৩ হাজার ৬৪৮ টাকা।</p>
<p>বিটি/আরকে</p>
<p>&nbsp;</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিজ্ঞপ্তি -পরীক্ষা ছাড়াই ইসলামী ব্যাংকে নিয়োগ ৮,৫৪২ জন</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিউজ ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 23 Sep 2026 05:12:22 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[ব্যাংক-বিমা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলামী ব্যাংক]]></category>
		<category><![CDATA[নিয়োগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ ব্যাংক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=10410</guid>

					<description><![CDATA[২০১৭ থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে ১০ হাজার ৮৩২ জন কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ বা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ছাড়াই শুধু জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) নিয়ে ৮ হাজার ৫৪২ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক বিশেষ পরিদর্শন প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত ব্যাংকটির নিয়োগ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>২০১৭ থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে ১০ হাজার ৮৩২ জন কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ বা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ছাড়াই শুধু জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) নিয়ে ৮ হাজার ৫৪২ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়।<br />
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক বিশেষ পরিদর্শন প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।</p>
<p>২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত ব্যাংকটির নিয়োগ ও পরবর্তী ছাঁটাই প্রক্রিয়া যাচাইয়ে চলতি বছরের এপ্রিলে গঠিত সাত সদস্যের কমিটি এ প্রতিবেদন তৈরি করে।</p>
<p>প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিয়োগ পাওয়া ৮ হাজার ৫৪২ জনের মধ্যে ৮ হাজার ৯৯ জনই চট্টগ্রাম জেলার। এর মধ্যে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার বাসিন্দা ৫ হাজার ১৪৮ জন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব প্রার্থীর বড় একটি অংশ চট্টগ্রামের পটিয়া ও আসাদগঞ্জে নির্ধারিত স্থানে সিভি জমা দিয়ে নিয়োগ পেয়েছেন।</p>
<p>২০২৪ সালের ৩১ আগস্ট ইসলামী ব্যাংকে মোট কর্মী ছিল ২১ হাজার ৫৫১ জন। এর মধ্যে ২০১৭ সাল থেকে ওই সময় পর্যন্ত নিয়োগ দেওয়া হয় ১০ হাজার ৮৩২ জন।<br />
মূল্যায়ন পরীক্ষার পর কর্মী ছাঁটাই এবং ব্যাংকটির সচেতন গ্রাহক ফোরামের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি যাচাইয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিশেষ পরিদর্শন করে। প্রতিবেদনে কোনো সুপারিশ না করে শুধু সংশ্লিষ্ট তথ্য ও ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে।</p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, কর্মী নিয়োগ ও ছাঁটাই ব্যাংকের নিজস্ব বিষয়। ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষই কর্মী নিয়োগ ও ছাঁটাই করেছে; এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হস্তক্ষেপ সমীচীন নয়।</p>
<p>এন/আই</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
