বাজারে সবজি ও মুরগির দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। সরবরাহ বাড়ায় ক্রেতার নাগালে প্রায় সব ধরনের সবজি। বেশির ভাগ সবজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে মিলছে। মুরগির ডিমের দাম এখনো প্রতি ডজন ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজার ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে।
তবে গরু ও খাসির মাংসের দাম অনেকটাই আকাশছোঁয়া। মাছের দামও বাড়তি। ফলে মাছ, মাংস কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা।
গতকাল রাজধানীর বাড্ডা, খিলক্ষেত, মহাখালী ও জোয়ারসাহারা বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি করলা বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়, শসা ৫০ থেকে ৬০, ঢ্যাঁড়শ ৫০, ধুন্দল ৬০, মুলা ৫০, বেগুন ৬০, পটোল ৫০, ঝিঙা ৫০, কচুর লতি ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বরবটি প্রতি কেজি ৬০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৫০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৬০ টাকা, কলা প্রতি হালি ৪০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া প্রতি কেজি ৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম নেমেছে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা কেজিতে। কিছু বাজারে দাম ১৮০ টাকা হাঁকলেও দরদাম করলে ওই দামে কিনতে পাওয়া যাচ্ছে। যা গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিপ্রতি ২০ টাকা কম।
মুরগির দাম কম থাকলেও ডিমের দাম মাঝামাঝি পর্যায়ে রয়েছে। গত সপ্তাহ প্রতি ডজন ডিমের দাম ১০ টাকা বেড়ে ১৪০-১৪৫ টাকা হয়েছে।
এখনো সে দামেই পাওয়া যাচ্ছে। নতুন করে দামের কোনো হেরফের হয়নি। বাজারে গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস মিলছে ১ হাজার ২৫০ টাকায় এবং ছাগলের মাংস ১ হাজার ১০০ টাকা কেজি। এসব দামে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ ক্রেতারা।
মাছের বাজারে তেলাপিয়া আর পাঙাশ ছাড়া অধিকাংশ মাছের দাম এখনো উচ্চ। বাজারে প্রতি কেজি রুই বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, কাতল বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, চিংড়ি ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা, টেংরা ৬০০-৭০০ টাকা, চাষের শিং ৪০০-৪৫০ টাকা, চাষের কৈ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, তেলাপিয়া ১৫০ থেকে ২২০ টাকা, চাষের পাঙাশ ১৮০ থেকে ২২০ টাকা এবং কোরাল মাছ ৭৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়াও প্রতি কেজি বোয়াল ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, পোয়া ৪০০ টাকা, আইড় ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, দেশি কৈ ৮০০ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা ও দেশি শিং ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
Tags: নিত্যপণ্যে, বাজারদর