<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>আমদানি &#8211; বিজনেস টাইমস: ব্যবসা-বাণিজ্য ও উন্নয়ন চিত্রের গণমাধ্যম</title>
	<atom:link href="https://businesstimes.com.bd/tag/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://businesstimes.com.bd</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Mon, 16 Feb 2026 04:53:48 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2024/11/cropped-bt-favicon-32x32.jpg</url>
	<title>আমদানি &#8211; বিজনেস টাইমস: ব্যবসা-বাণিজ্য ও উন্নয়ন চিত্রের গণমাধ্যম</title>
	<link>https://businesstimes.com.bd</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>রমজানের পণ্য ‍বিপুল পরিমাণে আমদানি হলেও বাজারে দাম বাড়ছেই</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ae/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 16 Feb 2026 04:53:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[আমদানি]]></category>
		<category><![CDATA[রমজানের পণ্য ‍]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=9791</guid>

					<description><![CDATA[রমজানের গুরুত্বপূর্ণ ভোগ্যপণ্যের আমদানি আগের তুলনায় বেশি হলেও বাজারে বেশ কয়েকটি পণ্যের দাম বাড়তে দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে এক সপ্তাহের ব্যবধানে খেজুরের দাম কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। পাশাপাশি চিনি, ছোলা ও ডালের দামও বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বন্দর ধর্মঘটের কারণে সময়মতো পণ্য খালাস না হওয়া এবং নির্বাচনের ছুটিতে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সরবরাহে সাময়িক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>রমজানের গুরুত্বপূর্ণ ভোগ্যপণ্যের আমদানি আগের তুলনায় বেশি হলেও বাজারে বেশ কয়েকটি পণ্যের দাম বাড়তে দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে এক সপ্তাহের ব্যবধানে খেজুরের দাম কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। পাশাপাশি চিনি, ছোলা ও ডালের দামও বেড়েছে।</strong></p>
<p>ব্যবসায়ীরা বলছেন, বন্দর ধর্মঘটের কারণে সময়মতো পণ্য খালাস না হওয়া এবং নির্বাচনের ছুটিতে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সরবরাহে সাময়িক ঘাটতি তৈরি হয়েছে। যদিও চাহিদার তুলনায় পণ্যের মজুদ বেশি রয়েছে বলে জানান তারা।</p>
<p>রমজানের গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যপণ্যের মধ্যে রয়েছে চাল, গম, ভোজ্যতেল, চিনি, মসুর ডাল, পেঁয়াজ, রসুন, ছোলা ও খেজুর। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, শুধু রমজান মাসে সয়াবিন তেলের চাহিদা ৩ লাখ টন। এছাড়া চিনির চাহিদা ৩ লাখ টন, পেঁয়াজ ৫ লাখ টন, ছোলা ১ লাখ ৫০ হাজার থেকে ২ লাখ টন এবং খেজুরের চাহিদা ৬০ থেকে ৮০ হাজার টন।</p>
<p>জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, গত চার মাসে ২ লাখ ২৫ হাজার টন পেঁয়াজ, ৩ লাখ ৭০ হাজার টন চিনি, ৪৭ হাজার টন খেজুর, ২ লাখ ৫ হাজার টন মসুর ডাল, প্রায় ৪ লাখ টন অপরিশোধিত সয়াবিন তেল এবং ১৪ লাখ টন গম আমদানি হয়েছে।</p>
<p>এনবিআর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগের বছরের তুলনায় এসব পণ্য এবার প্রায় দ্বিগুণ আমদানি হয়েছে। এমনকি ছোলা চাহিদার চেয়ে ২৮ শতাংশ বেশি আমদানি হয়েছে।</p>
<p>রাজধানীর কারওয়ান বাজার, চকবাজার, মৌলভীবাজার এবং চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ঘুরে দেখা যায়, এক সপ্তাহের ব্যবধানে ধরনভেদে খেজুরের দাম কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। গত ডিসেম্বরে খেজুর আমদানিতে শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা হলেও দাম কমেনি, বরং বেড়েছে। বিশেষ করে নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্তরা যেসব খেজুর বেশি কেনেন, সেগুলোর দাম বেড়েছে।</p>
<p>বর্তমানে বাজারে সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে বস্তা খেজুর, কেজি ২২০ টাকা। জাহিদি খেজুর ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা এবং দাবাস ৫৫০ থেকে ৫৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এসব খেজুরের পাইকারি দাম কেজিতে অন্তত ৪০ থেকে ৬০ টাকা বেড়েছে।</p>
<p>অন্যান্য খেজুরের মধ্যে বড়ই ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকা, কালমি ৭০০ টাকা, সুক্কারি ৮০০ টাকা, মাবরুম ৮৫০ থেকে ১২০০ টাকা, মরিয়ম ১১০০ থেকে ১৪০০ টাকা এবং মেডজুল ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এসব খেজুরের দামও কিছুটা বেড়েছে।</p>
<p>এ বিষয়ে কারওয়ান বাজারের পাইকারি ও খুচরা খেজুর বিক্রেতা আরাফাত হোসেন টিবিএসকে বলেন, &#8216;হঠাৎ করে জাহিদি খেজুর ১০ কেজির প্যাকেটে ৬০০ টাকা বেড়েছে। দাবাসে বেড়েছে ৪০০ টাকা। বন্দরে খেজুর আটকে ছিল, এ কারণে সরবরাহ কমে গেছে।&#8217;</p>
<p>চট্টগ্রাম ফল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল আলম টিবিএসকে বলেন, &#8216;জাহেদি খেজুর চাহিদার তুলনায় বাজারে সংকট রয়েছে। কিছুদিন আগে যে জাহাজটি ডুবে গিয়েছিল, সেখানে কিছু খেজুর ছিল। এছাড়া শুল্ক কমার আশায় দেশীয় আমদানিকারকেরা অনেক দিন আমদানি করেননি। ফলে চাহিদা অনুযায়ী খেজুর আমদানি সম্ভব হয়নি। তবে বাজারে সামগ্রিক সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।&#8217;</p>
<p>এদিকে, সপ্তাহখানেকের ব্যবধানে পেঁয়াজ কেজিতে ১০ টাকা, চিনি ৮ থেকে ১০ টাকা, খেসারির ডাল ১০ টাকা, রসুন ২০ টাকা এবং ছোলা মানভেদে ৪ থেকে ৮ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বর্তমানে চিনি কেজি ১০০ টাকা, পেঁয়াজ ৬০ টাকা, দেশি রসুন ১২০ টাকা, দেশি মসুর ডাল ১৬০ টাকা এবং ছোলা ৯০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।</p>
<p>চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ আড়তদার সাধারণ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন টিবিএসকে বলেন, &#8216;বর্তমানে বাজারে ছোলা, মটর ও খেজুরসহ রমজানসংশ্লিষ্ট পণ্যের কোনো ঘাটতি নেই এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে। বিশেষ করে ছোলার বাজারে আমদানির আধিক্য থাকায় গত বছরের তুলনায় এবার দাম অনেকটাই কম।&#8217;</p>
<p>তবে বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক নির্বাচনের ডামাডোলে বাজার মনিটরিং কিছুটা শিথিল ছিল। এর সুযোগ নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।</p>
<p>বাজারের অস্থিরতার পেছনে প্রশাসনিক তদারকির অভাবকে দায়ী করেছেন কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন। তিনি টিবিএসকে বলেন, &#8216;প্রশাসনের বাজার মনিটরিং বা পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে তেমন কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। মূলত ক্ষমতার এই ট্রানজিট পিরিয়ডে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে এক ধরনের স্থবিরতা কাজ করছে। প্রশাসনিক ব্যবস্থা না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিয়ে ইচ্ছেমতো পণ্যের দাম বাড়াচ্ছেন। এতে সাধারণ ক্রেতারা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন।&#8217;</p>
<p>রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কয়েকটি খুচরা ও পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা যায়, রমজানের পণ্য কিনতে দোকানে ক্রেতাদের ভিড় বাড়ছে। নির্বাচন উপলক্ষে বাজার অনেকটাই ক্রেতাশূন্য ছিল। তবে সাম্প্রতিক কয়েক দিনের চাপ একসঙ্গে পড়তে শুরু করেছে। ক্রেতারা খেজুরসহ অন্যান্য পণ্য কিনছেন।</p>
<p>কারওয়ান বাজারে খেজুরের দোকানে ক্রেতা আহমেদ উল্লা টিবিএসকে বলেন, &#8216;রমজান উপলক্ষে নয়, আমি নিয়মিত খেজুর কিনি। কিন্তু এখন কেজিতে ৬০ টাকা বেড়েছে। ভোট দিতে বাড়ি গিয়েছিলাম। তাই আজ একসঙ্গে রমজানের বাজার করতে এসেছি।&#8217;</p>
<p>কিচেন মার্কেটের মুদি বিক্রেতা মো. মামুন হোসেন টিবিএসকে বলেন, &#8216;কয়েক দিন ক্রেতার চাপ ছিল না। তবে আজ সকাল থেকেই রমজানের পণ্য কিনতে ক্রেতারা আসছেন। দ্রব্যমূল্য তুলনামূলক স্থিতিশীল। কয়েক দিন ব্যবসা কম হয়েছে, তবে আশা করছি তা পুষিয়ে নেওয়া যাবে।&#8217;</p>
<p>সূত্র: টিবিএস</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নতুন বাণিজ্য চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম আমদানি বাড়াবে বাংলাদেশ</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%9a%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a7%81/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 11 Feb 2026 12:49:33 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ববাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[আমদানি]]></category>
		<category><![CDATA[প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম]]></category>
		<category><![CDATA[বাণিজ্য চুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=9720</guid>

					<description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সদ্য স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তির আওতায় দেশটি থেকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম আমদানি বাড়াবে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশ থেকে সামরিক সরঞ্জাম কেনা কমাতে হবে সরকারকে। গত ৯ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই বাণিজ্য চুক্তি সই হয়। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশের ওপর আরোপিত &#8216;রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ&#8217; বা পারস্পরিক শুল্ক ১৯ শতাংশে নামিয়ে এনেছে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সদ্য স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তির আওতায় দেশটি থেকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম আমদানি বাড়াবে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশ থেকে সামরিক সরঞ্জাম কেনা কমাতে হবে সরকারকে।</strong></p>
<p>গত ৯ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই বাণিজ্য চুক্তি সই হয়। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশের ওপর আরোপিত &#8216;রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ&#8217; বা পারস্পরিক শুল্ক ১৯ শতাংশে নামিয়ে এনেছে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা ও কৃত্রিম তন্তু (ম্যান মেইড ফাইবার) আমদানি করে তা দিয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশ। এই বাণিজ্যিক সুবিধার বিপরীতেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে অস্ত্র কেনার এই শর্ত মেনে নিয়েছে বাংলাদেশ।</p>
<p>ইউএসটিআর প্রকাশিত চুক্তির নথিতে বলা হয়েছে, &#8216;বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে সামরিক সরঞ্জাম কেনা বাড়ানোর চেষ্টা করবে এবং নির্দিষ্ট কিছু দেশ থেকে এসব সরঞ্জাম কেনা সীমিত করবে।&#8217; প্রকাশিত কপিতে দেশগুলোর তালিকা না থাকলেও, যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া খসড়া চুক্তিতে চীন থেকে সামরিক সরঞ্জাম আমদানি কমানোর কথা উল্লেখ ছিল।</p>
<p>এছাড়া, এই চুক্তির আওতায় আগামী ১৫ বছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করবে বাংলাদেশ। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের গাড়ি ও গাড়ির যন্ত্রাংশ আমদানির কথাও বলা হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ ১৪টি বোয়িং যাত্রীবাহী বিমান ও এর যন্ত্রাংশ আমদানি করবে এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভবিষ্যতে আরও বেশি বিমান কিনবে।</p>
<p>সোমবার বাংলাদেশ সময় রাতে ওয়াশিংটনে চুক্তি স্বাক্ষরের পর বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় বাণিজ্য চুক্তিতে নিজ নিজ দেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর) জেমিসন গ্রিয়ার এবং বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।</p>
<p>সংশোধিত এই শুল্কহার যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রধান তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে তুলনামূলকভাবে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে রেখেছে। বাংলাদেশের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ভিয়েতনামের ওপর পাল্টা শুল্ক নির্ধারিত হয়েছে ২০ শতাংশ, আর ভারত পেয়েছে বাংলাদেশের চেয়ে ১ শতাংশ কম—১৮ শতাংশ। পাকিস্তান, কম্বোডিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার ক্ষেত্রেও ১৯ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।</p>
<p>বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি তৈরি পোশাক রপ্তানি করে চীন, এরপরই রয়েছে ভিয়েতনাম। এরপরই বাংলাদেশ তৃতীয় আর ভারত রয়েছে চতুর্থ স্থানে।</p>
<p>গত বছরের আগস্ট থেকে বাংলাদেশের পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ পারস্পরিক এই শুল্ক আরোপ করে আসছিল যুক্তরাষ্ট্র। এতে রপ্তানিতে চাপ তৈরি হলে শুল্ক কমাতে আলোচনা শুরু করে ঢাকা। নীতিনির্ধারকেরা আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, শুল্কহার ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা যেতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত সেই লক্ষ্য পূরণ হয়নি।</p>
<p>বাংলাদেশের ওপর আরোপিত পারস্পরিক শুল্কের হার (রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ) ১৫ শতাংশ না হওয়ার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে বাণিজ্যসচিব বলেন, প্রথমত, যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চলের কোনো দেশের রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ কমিয়ে ১৫ শতাংশ করেনি। তাছাড়া, ভারতের সঙ্গে চূড়ান্ত হওয়া বাণিজ্য চুক্তির কিছুটা প্রভাবও বাংলাদেশের ওপর পড়েছে, যেখানে ভূরাজনৈতিক বিবেচনা থাকতে পারে, যার প্রভাব বাংলাদেশের ওপর পড়তে পারে।</p>
<p>বাণিজ্য উপদেষ্টা জানান, বাণিজ্য উত্তেজনা কমানোর বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। এতে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে বলে হিসাব দিয়েছেন তিনি।</p>
<p>এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাড়তি দামে তুলা, গম, সয়াবিন, এলএনজিসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানির বিষয়ও স্থান পেয়েছে চুক্তিতে। এছাড়া, ই-কমার্সে ট্যারিফ আরোপ না করা, যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত অনুযায়ী ইন্টেলেকচুয়াল মেধাস্বত্ব অধিকার (আইপি) মেনে চলা এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) সংস্কারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে সমর্থন দিতে হবে বাংলাদেশকে।</p>
<p>সূত্র: টিবিএস</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>এলপিজি আমদানিতে ২৭০ দিনের ঋণ সুবিধা পাবেন ব্যবসায়ীরা</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/traders-will-get-270-day-loan-facility-for-lpg-import/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 12 Jan 2026 08:11:44 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[‘ব্যবসায়ী]]></category>
		<category><![CDATA[আমদানি]]></category>
		<category><![CDATA[ঋণ সুবিধা]]></category>
		<category><![CDATA[এলপিজি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=9357</guid>

					<description><![CDATA[দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা এবং আমদানি প্রক্রিয়া সহজ করতে বড় ধরনের নীতি সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে এলপিজি আমদানিতে &#8216;ইন্ডাস্ট্রিয়াল র ম্যাটেরিয়াল&#8217; বা শিল্প কাঁচামালের সুবিধা পাবেন আমদানিকারকরা। এর ফলে তারা &#8216;সাপ্লায়ার্স ক্রেডিট&#8217; বা &#8216;বায়ার্স ক্রেডিট&#8217;-এর আওতায় সর্বোচ্চ ২৭০ দিন মেয়াদে বাকিতে এলপিজি আমদানি করতে পারবেন। সোমবার (১২ জানুয়ারি) বাংলাদেশ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা এবং আমদানি প্রক্রিয়া সহজ করতে বড় ধরনের নীতি সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে এলপিজি আমদানিতে &#8216;ইন্ডাস্ট্রিয়াল র ম্যাটেরিয়াল&#8217; বা শিল্প কাঁচামালের সুবিধা পাবেন আমদানিকারকরা। এর ফলে তারা &#8216;সাপ্লায়ার্স ক্রেডিট&#8217; বা &#8216;বায়ার্স ক্রেডিট&#8217;-এর আওতায় সর্বোচ্চ ২৭০ দিন মেয়াদে বাকিতে এলপিজি আমদানি করতে পারবেন।</strong></p>
<p>সোমবার (১২ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে সব ব্যাংকে পাঠিয়েছে।</p>
<p>সার্কুলারে বলা হয়েছে, এলপিজি মূলত বাল্ক আকারে আমদানি করা হয় এবং পরবর্তী সময়ে সিলিন্ডারজাত করা হয়। এই প্রক্রিয়াকরণের ধাপগুলো বিবেচনায় নিয়ে এলপিজিকে শিল্প কাঁচামাল হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।</p>
<p>এর আগে গত ২৯ ডিসেম্বর জারি করা এক সার্কুলারে শিল্প কাঁচামাল আমদানিতে ২৭০ দিনের ইউজান্স পিরিয়ড (বাকিতে মূল্য পরিশোধের সময়) সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এলপিজি আমদানিকারকরাও একই সুবিধা ভোগ করবেন।</p>
<p>এছাড়া আমদানিকারকরা বিদেশি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে &#8216;বায়ার্স ক্রেডিট&#8217; নিতে পারবেন। পাশাপাশি স্থানীয় ব্যাংকের অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট (ওবিইউ) থেকে বিল ডিসকাউন্টিং সুবিধা গ্রহণের সুযোগও থাকবে।</p>
<p>কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, এলপিজি আমদানির পর তা সংরক্ষণ, বোতলজাতকরণ এবং বাজারজাত করতে তুলনামূলকভাবে দীর্ঘ সময় লাগে। আমদানিকারকদের নগদ অর্থপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখা এবং জ্বালানি খাতের এই গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের আমদানিতে গতি আনতেই ঋণের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।</p>
<p>সংশ্লিষ্টদের মতে, এই সুবিধার ফলে এলপিজি আমদানিতে ডলারের তাৎক্ষণিক চাপ কিছুটা কমবে। পাশাপাশি দীর্ঘ সময় ধরে মূল্য পরিশোধের সুযোগ পাওয়ায় বাজারে সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও কমবে।</p>
<p>সাম্প্রতিক সময়ে দেশের এলপিজি বাজারে তীব্র অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সরকারি নির্ধারিত দামে এলপিজি পাওয়া যাচ্ছে না, অনেক ক্ষেত্রে বেশি দাম দিয়েও সরবরাহ মিলছে না। এতে ভোক্তা পর্যায়ে সংকট তৈরি হয়েছে।</p>
<p>এই পরিস্থিতিতে এলপিজি আমদানি সহজ করতে সরকার বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে সুপারিশ করে। সেই সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সার্কুলার জারি করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।</p>
<p>বাজার সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আমদানিতে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ সুবিধা নিশ্চিত হলে এলপিজির সরবরাহ বাড়বে এবং বাজার স্থিতিশীল হতে সহায়ক হবে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>যেসব কারণে মোবাইল ফোন আমদানিতে শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত সরকারের</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/reasons-for-the-governments-decision-to-reduce-duties-on-mobile-phone-imports/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 03 Dec 2025 12:23:08 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[আমদানি]]></category>
		<category><![CDATA[মোবাইল]]></category>
		<category><![CDATA[মোবাইল ফোন]]></category>
		<category><![CDATA[শুল্ক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=8613</guid>

					<description><![CDATA[দেশের বাজারে বৈধভাবে আমদানিকৃত স্মার্টফোনের দাম সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে ও বৈধ ফোন বিক্রি বাড়াতে আমদানি শুল্ক কমানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বর্তমানে বৈধ পথে মোবাইল আমদানিতে প্রায় ৬১ শতাংশ শুল্ক দিতে হয়, যা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে বৈধভাবে আমদানি করা মোবাইল ফোনের দাম কমে আসবে বলে আশা করছে সরকার। গত [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>দেশের বাজারে বৈধভাবে আমদানিকৃত স্মার্টফোনের দাম সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে ও বৈধ ফোন বিক্রি বাড়াতে আমদানি শুল্ক কমানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বর্তমানে বৈধ পথে মোবাইল আমদানিতে প্রায় ৬১ শতাংশ শুল্ক দিতে হয়, যা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে বৈধভাবে আমদানি করা মোবাইল ফোনের দাম কমে আসবে বলে আশা করছে সরকার।</strong></p>
<p>গত সোমবার (১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়বের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং বিটিআরসির প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ জসীম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সভার বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুধু আমদানি শুল্ক কমালেই হবে না, দেশে উৎপাদিত মোবাইল শিল্পের সুরক্ষায়ও বিশেষ নজর দেওয়া হবে। আমদানি শুল্ক কমালে স্থানীয় ১৩-১৪টি মোবাইল কারখানায় উৎপাদিত মোবাইলের শুল্ক ও ভ্যাটও আনুপাতিক হারে কমাতে হবে।</p>
<p>অন্যথায় এসব কোম্পানিতে থাকা বিদেশি বিনিয়োগ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ বিষয়ে শুল্ক কমানো ও সমন্বয়ের জন্য বিটিআরসি এবং এনবিআর যৌথভাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কাজ শুরু করেছে। আলোচনার ফলাফল দেশের ডিভাইস ইন্ডাস্ট্রির অনুকূলে আসবে বলে মন্ত্রণালয় বিশ্বাস করে।</p>
<p>শুল্ক ছাড়ের পাশাপাশি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যেসব প্রবাসীর বিএমইটি (জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো) নিবন্ধন কার্ড আছে, তারা শুল্ক ছাড়া মোট তিনটি ফোন সঙ্গে আনতে পারবেন। এর মধ্যে নিজের ব্যবহৃত একটি হ্যান্ডসেট এবং অতিরিক্ত দুটি নতুন ফোন আনা যাবে। তবে চতুর্থ কোনো ফোন আনলে সেটির জন্য নির্ধারিত শুল্ক পরিশোধ করতে হবে।</p>
<p>যাদের বিএমইটি কার্ড নেই, তাঁরা নিজের ব্যবহৃত ফোনের পাশাপাশি অতিরিক্ত একটি ফোন শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে চোরাচালান রোধে বিদেশ থেকে মোবাইল আনার সময় ক্রয়ের বৈধ রসিদ বা কাগজ সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রবাসীরা দেশে ফেরার পর ৬০ দিন পর্যন্ত কোনো ধরনের নিবন্ধন ছাড়াই স্মার্টফোন ব্যবহার করতে পারবেন। তবে অবস্থানের মেয়াদ ৬০ দিনের বেশি হলে তখন ফোনটি নিবন্ধন করতে হবে।</p>
<p>সরকার আরও জানিয়েছে, আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার বা এনইআইআর ব্যবস্থা চালু হচ্ছে। এর ফলে ক্লোন, চুরি হওয়া বা ছিনতাই করা ফোন এবং বিদেশ থেকে আনা পুরোনো বা &#8216;রিফারবিশড&#8217; মোবাইল আমদানি পুরোপুরি বন্ধ করা হবে।</p>
<p>বিদেশ থেকে ইলেকট্রনিক বর্জ্য হিসেবে পুরোনো ফোন এনে কেসিং বদলে বিক্রির চোরাকারবারি ব্যবসা বন্ধে কঠোর হবে সরকার। ভারত, থাইল্যান্ড ও চীন থেকে আসা ফ্লাইটগুলোতে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ শিগগিরই বিশেষ অভিযান চালাবে হবে বলে জানানো হয়েছে।</p>
<p>তবে বিজ্ঞপ্তিতে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, ১৬ ডিসেম্বরের আগে বাজারে থাকা অবৈধভাবে আমদানিকৃত যেসব ফোনের বৈধ আইএমইআই নম্বর আছে, সেগুলো বিটিআরসিতে তালিকা জমা দিয়ে কম শুল্কে বৈধ করার সুযোগ দেওয়া হবে। এ নিয়ে এনবিআরের সঙ্গে আলোচনা চলছে। তবে ক্লোন বা রিফারবিশড ফোন এই সুবিধার আওতায় আসবে না।</p>
<p>মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে, বর্তমানে ব্যবহৃত সচল মোবাইল ফোন ১৬ ডিসেম্বরের আগে কোনোভাবেই বন্ধ হবে না। তাই এ নিয়ে অযথা আতঙ্কিত না হতে বা গুজবে কান না দিতে সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।</p>
<p>এ ছাড়া সিম নিবন্ধনের তথ্য সুরক্ষায় টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশ সংশোধনের মাধ্যমে আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা হচ্ছে। নিজের অজান্তে অন্য কেউ যেন আপনার নামে নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করে সাইবার অপরাধ বা মোবাইল ব্যাংকিং জালিয়াতি করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বানও জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ভারত থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির সিদ্ধান্ত</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/decision-to-import-50000-metric-tons-of-rice-from-india/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 09 Nov 2025 07:44:54 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ববাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[Import]]></category>
		<category><![CDATA[India]]></category>
		<category><![CDATA[rice]]></category>
		<category><![CDATA[আমদানি]]></category>
		<category><![CDATA[চাল]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=8233</guid>

					<description><![CDATA[সরকার ভারত থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানি করবে, যার মোট ব্যয় হবে ২১৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। রোববার (০৯ নভেম্বর) অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এই প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ভারতের মেসার্স গুরুদিও এক্সপোর্ট করপোরেশন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>সরকার ভারত থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানি করবে, যার মোট ব্যয় হবে ২১৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।</strong></p>
<p>রোববার (০৯ নভেম্বর) অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এই প্রস্তাব অনুমোদিত হয়।</p>
<p>বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ভারতের মেসার্স গুরুদিও এক্সপোর্ট করপোরেশন প্রাইভেট লিমিটেড থেকে প্যাকেজ-৩-এর আওতায় ৫০ হাজার মেট্রিক টন নন বাসমতি সিদ্ধ চাল কেনা হবে। প্রতি মেট্রিক টনের মূল্য ধরা হয়েছে ৩৫৬.৭৮ মার্কিন ডলার। এ অনুযায়ী মোট ব্যয় হবে ২১৭ কোটি ৬৮ লাখ ৯৩ হাজার ১৭০ টাকা। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে এই আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>এছাড়াও সভায় সার আমদানির অনুমোদনও প্রদান করা হয়েছে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আমদানিতে বাণিজ্যিক লেনদেন আরও সহজ করলো বাংলাদেশ ব্যাংক</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%a6%e0%a7%87/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 23 Sep 2025 11:57:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[আমদানি]]></category>
		<category><![CDATA[বাণিজ্যিক লেনদেন]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ ব্যাংক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=7624</guid>

					<description><![CDATA[বাণিজ্যিক লেনদেনকে আরও সহজ করতে আমদানির বিপরীতে অগ্রিম পরিশোধের সীমা দ্বিগুণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জারি করা বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সার্কুলারে বলা হয়েছে, ‘বাণিজ্যিক লেনদেনকে আরও সহজ করতে পূর্ববর্তী সীমা যথাক্রমে ২০ হাজার মার্কিন ডলার এবং ৫০ হাজার মার্কিন ডলারে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ এর আগে, বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো ধরনের পুনঃপরিশোধের গ্যারান্টি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>বাণিজ্যিক লেনদেনকে আরও সহজ করতে আমদানির বিপরীতে অগ্রিম পরিশোধের সীমা দ্বিগুণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।</strong></p>
<p>মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জারি করা বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সার্কুলারে বলা হয়েছে, ‘বাণিজ্যিক লেনদেনকে আরও সহজ করতে পূর্ববর্তী সীমা যথাক্রমে ২০ হাজার মার্কিন ডলার এবং ৫০ হাজার মার্কিন ডলারে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’</p>
<p>এর আগে, বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো ধরনের পুনঃপরিশোধের গ্যারান্টি ছাড়া ১০ হাজার মার্কিন ডলার বা সমপরিমাণ পর্যন্ত অগ্রিম পরিশোধের অনুমোদন করেছিল।</p>
<p>এছাড়াও, রপ্তানিকারকদের রিটেনশন কোটা (ইআরকিউ) অ্যাকাউন্ট থেকে ২৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত অগ্রিম পরিশোধ অনুমোদিত ছিল।</p>
<p>কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, এ বিষয়ে অন্যান্য সব নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়াতে প্রস্তুত বাংলাদেশ: প্রধান উপদেষ্টা</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 15 Sep 2025 11:55:11 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[আমদানি]]></category>
		<category><![CDATA[প্রধান উপদেষ্টা]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=7448</guid>

					<description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়াতে বাংলাদেশ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডেন লিঞ্চের সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এ কথা জানান। এ উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশি পণ্যে আরোপিত মার্কিন শুল্ক আরও হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রধান উপদেষ্টা জানান, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়াতে বাংলাদেশ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডেন লিঞ্চের সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এ কথা জানান।</strong></p>
<p>এ উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশি পণ্যে আরোপিত মার্কিন শুল্ক আরও হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টা জানান, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি ও উন্নয়ন সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।</p>
<p>গত ৩১ জুলাই বাংলাদেশের রপ্তানিপণ্যের ওপর শুল্কহার ৩৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ করে যুক্তরাষ্ট্র। এ কারণে ব্রেন্ডেন লিঞ্চকে ধন্যবাদ জানান প্রধান উপদেষ্টা। সেইসঙ্গে তিনি এই পদক্ষেপকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্কের একটি বড় মাইলফলক হিসেবে আখ্যায়িত করেন।</p>
<p>দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তির বিষয়টি চূড়ান্ত করতে তিন দিনের সফরে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির দপ্তরের (ইউএসটিআর) সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডেন লিঞ্চের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি ঢাকায় এসেছে।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানান, বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ সময় বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা ও সয়াবিনসহ কৃষিপণ্য আমদানি বাড়ানোর আগ্রহও প্রকাশ করেছে।</p>
<p>এ ছাড়া জ্বালানি খাতে সহযোগিতা জোরদার, যুক্তরাষ্ট্র থেকে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানি, বেসামরিক বিমান কেনা, মাদক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং চলমান রোহিঙ্গা মানবিক সংকট নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন আবুল কালাম আজাদ।</p>
<p>এদিকে, দ্বিপাক্ষিক সম্পৃক্ততায় ধারাবাহিক অগ্রগতির ওপর গুরুত্বারোপ করে চলমান আলোচনার খসড়া দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত স্বাক্ষরিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধান উপদেষ্টা।</p>
<p>তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের স্বার্থের ঘনিষ্ঠ মিল রয়েছে। তাই প্রক্রিয়াটি আরও সহজ ও আশাব্যঞ্জক হয়ে উঠেছে।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ১১ দফা &#8216;বাংলাদেশ লেবার অ্যাকশন প্ল্যান&#8217; বাস্তবায়নে বাংলাদেশের পদক্ষেপের কথাও উল্লেখ করেন প্রধান উপদেষ্টা এবং আন্তর্জাতিক শ্রমমান ও ন্যায্য অনুশীলন রক্ষায় সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।</p>
<p>ভবিষ্যতের পরিকল্পনা তুলে ধরে ড. ইউনূস বলেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিনিয়োগ এবং স্বল্পসুদে ঋণ প্রবাহ বৃদ্ধি প্রত্যাশা করছে। সেইসঙ্গে বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করতে অন্তর্বর্তী সরকার কাজ করবে বলেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলকে আশ্বস্ত করেন তিনি।</p>
<p>বৈঠকে ব্রেন্ডেন লিঞ্চ বাংলাদেশের গঠনমূলক মনোভাবের প্রশংসা করেন এবং দুই দেশের অংশীদারিত্ব আরও সুদৃঢ় হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।</p>
<p>তিনি জানান, গত ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ঘাটতি একতরফাভাবে কমানোর প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এর ফলে আলোচনার প্রক্রিয়া মসৃণ হয় এবং ইতিবাচক ফল এসেছে।</p>
<p>শুল্ক চুক্তি ও আমদানি প্রতিশ্রুতিগুলো সময়মতো বাস্তবায়নের গুরুত্বও তুলে ধরেন এই মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি।</p>
<p>বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, ইউএসটিআরের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক পরিচালক এমিলি অ্যাশবি, টেকসই উন্নয়নবিষয়ক জ্যেষ্ঠ সচিব লামিয়া মোরশেদ, বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমান এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আমদানি অনুমতির খবরে চট্টগ্রামের চাক্তাই-খাতুনগঞ্জে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%96%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 Aug 2025 14:43:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[আমদানি]]></category>
		<category><![CDATA[পেঁয়াজের দাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=7042</guid>

					<description><![CDATA[দেশের বাজারে স্থলবন্দর দিয়ে প্রায় ৮ মাস পর প্রবেশ করেছে ভারতীয় পেঁয়াজ। ফলে দেশে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। সরকার পেয়াঁজ আমদানির অনুমতি (আইপি) ও ভারত থেকে পেয়াঁজ আমদানির খবরের তিন দিনের ব্যবধানে দেশের বৃহত্তম ভোগ্য পণ্যের পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের চাক্তাই-খাতুনগঞ্জে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত। ইতিমধ্যে সোনা মসজিদ স্থলবন্দর [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>দেশের বাজারে স্থলবন্দর দিয়ে প্রায় ৮ মাস পর প্রবেশ করেছে ভারতীয় পেঁয়াজ। ফলে দেশে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। সরকার পেয়াঁজ আমদানির অনুমতি (আইপি) ও ভারত থেকে পেয়াঁজ আমদানির খবরের তিন দিনের ব্যবধানে দেশের বৃহত্তম ভোগ্য পণ্যের পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের চাক্তাই-খাতুনগঞ্জে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত। ইতিমধ্যে সোনা মসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ১০০টন ভারতীয় পেয়াঁজ এসেছে। আজ রোববার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ৫ টি প্রতিষ্ঠানকে আরো ১৫০ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। ভারতসহ বিভিন্ন দেশের এসব পেঁয়াজ বাজারে ঢুকলে দাম আরো কমে যাবে বলে আড়তদাররা আশঙ্কা করছেন।</strong></p>
<p>ব্যবসায়ীরা জানান, দেশি পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণে গত ১২ আগস্ট দুপুরে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি (আইপি) দেয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। এমনকি পেঁয়াজের দাম কমানো ও সরবরাহ বাড়াতে শুধু ভারত থেকে নয়, ব্যবসায়ীরা যেখান থেকে আমদানি করতে চাইবে, সেখান থেকেই অনুমতি দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। বাণিজ্য উপদেষ্টার এমন সিদ্ধান্তের পর দুই আমদানিকারক ভারত থেকে ১০০ টন পেঁয়াজ আমদানি করেন। এসব পেঁয়াজ ১৪ আগস্ট সোনা মসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এই খবরে ১৫ আগস্ট থেকে চট্টগ্রামের চাক্তাই-খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে কমতে শুরু করে পেঁয়াজের দাম। সেদিন প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৬৫ থেকে ৭০ টাকায়। বর্তমানেও একই দরে পাইকারিতে বিক্রি হচ্ছে দেশী পেঁয়াজ।</p>
<p>খাতুনগঞ্জে চলতি মাসের শুরুতে পেঁয়াজের বাজার ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করে। গত ২ আগস্ট প্রতি কেজি পেঁয়াজে ৬ টাকা বেড়ে ৬০ টাকায় বিক্রি হয়। এরপর বাড়তে বাড়তে পাইকারি এই বড় বাজারে গত ১২ আগস্ট পর্যন্ত প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ঠেকে ৭৫ থেকে ৮০ টাকায়। এতে বড় ধরনের ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ ক্রেতারা। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ কিনতে ভোক্তাকে গুনতে হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা।</p>
<p>খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত ১২ আগস্ট বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে পেঁয়াজ আমদানির বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসার সঙ্গে সঙ্গে চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুই আমদানিকারক ৫০ টন করে মোট ১০০ টন পেঁয়াজ আমদানি করেন। এসব পেঁয়াজ ১৪ আগস্ট সোনা মসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। ভারতের মধ্য প্রদেশ থেকে এসব পেঁয়াজ কিনে আনা হয়েছে। ফলে বাজারে প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি হতে পারে, এই আশঙ্কায় গত কয়েকদিন ধরে পেঁয়াজের বিক্রিও কমে যায়।</p>
<p>আজ রোববার চট্টগ্রামের চাক্তাই-খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে পাবনা ও ফরিদপুরের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে মানভেদে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়। দু’দিন আগে সেই পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৭৫ টাকা পর্যন্ত। এদিকে খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায়।</p>
<p>জানা যায়, বর্তমানে দেশে তাহেরপুরী, বারি-১ (তাহেরপুরী), বারি-২ (রবি মৌসুম), বারি-৩ (খরিফ মৌসুম), স্থানীয় জাত ও ফরিদপুরী পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। ফলে বছর জুড়েই কোনও না কোনো জাতের পেঁয়াজ উৎপাদন হচ্ছে। দেশে বছরে পেঁয়াজের চাহিদা ২২ লাখ টন। এর মধ্যে ১৮ লাখ টন স্থানীয়ভাবে উৎপাদন করা হয়। আর আমদানি করা হয় বাকি চার লাখ টন। মূলত এই আমদানিকৃত চার লাখ টন পেঁয়াজ বাজারের ওপর খুব বড় প্রভাব ফেলে।</p>
<p>খাতুনগঞ্জের হামিদুল্লাহ মিয়া মার্কেট ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ইদ্রিস বলেন, ‘আমদানির সিদ্ধান্ত আসার পর থেকে খাতুনগঞ্জে দেশি পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। আমরা খবর পেয়েছি স্থলবন্দর দিয়ে দুই আমদানিকারক ভারত থেকে পেঁয়াজ এনেছেন।’</p>
<p>আমদানিকারক মো. মোবারক হোসাইন বলেন, ‘দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের উচিত সব আমদানিকারকে আমদানির অনুমতি দেওয়া। দেশের সব স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আনার মতো ২ থেকে ৩ হাজার আমদানিকারক রয়েছে। সবাই আমদানি করলে পেঁয়াজের দাম আরও কমে আসবে।</p>
<p>কোরবান আলী নামের একজন ভোক্তা জানান, আমাদের দেশে পেঁয়াজের বাজার কয়েকবার ডাবল সেঞ্চুরিও হয়েছে। কাজেই পেঁয়াজ নিয়ে আমাদের দেশের ব্যবসায়ীদের কারসাজির ঘটনা নতুন কিছু নয়। দেশে পেঁয়াজের উচ্চ ফলনের পরেও দাম বেড়েছে। কৃষকের কথা চিন্তা করে সরকার বিদেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রাখলেও প্রকৃতপক্ষে কৃষকরা এর সুফল পাচ্ছেন না। মুনাফার বেশিরভাগই পাচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগীরা। তারা পেঁয়াজ কিনে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বৃদ্ধি করে। তাই প্রশাসনকে বিষয়গুলোর দিকে সজাগ দৃষ্টি দিতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্তে দেশের জনগণ উপকৃত হবে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>স্থলপথে বাংলাদেশের পাটজাত পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিলো ভারত</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%b2%e0%a6%aa%e0%a6%a5%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%9c%e0%a6%be/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 12 Aug 2025 05:30:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ববাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[আমদানি]]></category>
		<category><![CDATA[নিষেধাজ্ঞা]]></category>
		<category><![CDATA[পাটজাত পণ্য]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[স্থলপথ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=6950</guid>

					<description><![CDATA[দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে সব স্থলপথ দিয়ে কিছু পাটজাত পণ্য ও দড়ি আমদানি নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার। সোমবার (১১ আগস্ট) বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএফটি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কোনো স্থলবন্দর দিয়ে আমদানির অনুমতি দেয়া হবে না কিছু পণ্য। তবে, নহাভা শেভা সমুদ্রবন্দর দিয়ে এই পণ্য [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে সব স্থলপথ দিয়ে কিছু পাটজাত পণ্য ও দড়ি আমদানি নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার। সোমবার (১১ আগস্ট) বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএফটি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</strong></p>
<p>এতে বলা হয়, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কোনো স্থলবন্দর দিয়ে আমদানির অনুমতি দেয়া হবে না কিছু পণ্য। তবে, নহাভা শেভা সমুদ্রবন্দর দিয়ে এই পণ্য আমদানির অনুমতি দেয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ডিজিএফটি।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত স্থলপথে আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়া পণ্যের তালিকায় রয়েছে পাটের ব্লিচড এবং আনব্লিচড বোনা কাপড় বা অন্যান্য টেক্সটাইল বাস্ট ফাইবার; সুতা, কর্ডেজ, পাটের দড়ি; পাটের বস্তা এবং পাটের ব্যাগ।</p>
<p>এর আগে ২৭ জুন ভারত বাংলাদেশ থেকে সমস্ত স্থলপথে বেশ কয়েকটি পাটজাত পণ্য এবং বোনা কাপড় আমদানি নিষিদ্ধ করে। তবে, এই পণ্যগুলো কেবল মহারাষ্ট্রের নহাভা শেভা সমুদ্রবন্দর দিয়েই আমদানির অনুমতি দেয়া হয়।</p>
<p>এপ্রিল ও মে মাসেও বাংলাদেশ থেকে আমদানির ওপর একই রকম নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে নয়াদিল্লি। গত ১৭ মে, প্রতিবেশী বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক এবং প্রক্রিয়াজাত খাদ্য সামগ্রীর মতো কিছু পণ্য আমদানির ওপর বন্দর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ভারত।</p>
<p>এছাড়া এর আগে গত ৯ এপ্রিল মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, নেপাল এবং ভুটান ছাড়া অন্যান্য দেশে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানির জন্য বাংলাদেশকে দেয়া ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধাও ভারত প্রত্যাহার করে নেয়।</p>
<p>ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ভারতের ৭টি রাজ্য নিয়ে দেয়া বক্তব্যের পটভূমিতে এই পদক্ষেপগুলো ঘোষণা করে বিজেপি সরকার। ওই বক্তব্য ভালোভাবে নেয়নি নয়াদিল্লি। দেশটির বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকেও এসেছিল তীব্র প্রতিক্রিয়া।</p>
<p>চীন সফরে ইংরেজিতে দেয়া বক্তব্যে ড. ইউনূস বলেছিলেন, ‘ভারতের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত সাতটি রাজ্য সম্পূর্ণরূপে ল্যান্ডলকড (স্থলবেষ্টিত) অঞ্চল। সমুদ্রের কাছে পৌঁছানোর কোনো উপায় নেই তাদের। এই অঞ্চলের জন্য আমরাই সমুদ্রের একমাত্র অভিভাবক। বাণিজ্যের জন্য এটি একটি বিশাল সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে। সুতরাং এটি চীনা অর্থনীতির একটি সম্প্রসারণও হতে পারে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পোশাক রপ্তানি বাড়াতে মার্কিন তুলা আমদানিতে জোর দিচ্ছে বাংলাদেশ</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%95-%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 04 Aug 2025 05:46:08 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[আমদানি]]></category>
		<category><![CDATA[তুলা]]></category>
		<category><![CDATA[পোশাক রপ্তানি]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[মার্কিন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=6810</guid>

					<description><![CDATA[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক শুল্ক কমিয়ে ২০ শতাংশ করার জবাবে, বাংলাদেশের বস্ত্র ও স্পিনিং মিল মালিকরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দেশের তৈরি পোশাকের বাণিজ্যকে প্রতিযোগিতামূলক করতে &#8216;ট্রেডঅফ&#8217;-এর অধীনে আমেরিকান তুলার আমদানি বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন। চলতি বছরের ২ এপ্রিল জারি করা মার্কিন প্রেসিডেন্টের কার্যনির্বাহী আদেশে একটি শর্ত দেওয়া হয়েছে , মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা পণ্যের শুল্ক মূল্যের অন্তত [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক শুল্ক কমিয়ে ২০ শতাংশ করার জবাবে, বাংলাদেশের বস্ত্র ও স্পিনিং মিল মালিকরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দেশের তৈরি পোশাকের বাণিজ্যকে প্রতিযোগিতামূলক করতে &#8216;ট্রেডঅফ&#8217;-এর অধীনে আমেরিকান তুলার আমদানি বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন।</strong></p>
<p>চলতি বছরের ২ এপ্রিল জারি করা মার্কিন প্রেসিডেন্টের কার্যনির্বাহী আদেশে একটি শর্ত দেওয়া হয়েছে , মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা পণ্যের শুল্ক মূল্যের অন্তত ২০ শতাংশ মার্কিন-উৎসযুক্ত উপাদান হতে হবে। এটি মার্কিন শুল্ক ও সীমান্ত সুরক্ষা বিধানের অধীনে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ শুল্ক ছাড় পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করবে।</p>
<p>একজন শুল্ক বিশেষজ্ঞ ব্যাখ্যা করেছেন, মার্কিন শুল্কের নিয়ম অনুসারে, &#8220;মার্কিন উপাদান&#8221; বলতে কোনো পণ্যের মূল্যের সেই অংশকে বোঝায় যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি, সেখান থেকে আনা, বা উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। মূলত, এটি পণ্যের সেই অংশ যা সম্পূর্ণভাবে আমেরিকা থেকে এসেছে।</p>
<p>তিনি বলেন, &#8220;শুল্ক ছাড় পেতে হলে, পণ্যের মোট মূল্যের কমপক্ষে ২০ শতাংশ মার্কিন উৎস থেকে আসতে হবে। শুধুমাত্র এই মার্কিন অংশটি ছাড়ের জন্য যোগ্য হবে &#8211; পণ্যের বাকি অংশ, যা অ-মার্কিন উপাদান থেকে তৈরি, সেটির উপর এখনও আমদানি শুল্ক প্রযোজ্য হবে।&#8221;</p>
<p>দেশের ইংরেজি দৈনিক দ্য ফাইনান্সিয়াল এক্সপ্রেস-এর সাথে কথা বলার সময়, দেশের বস্ত্র প্রস্তুতকারকরা জানান যে, নতুন শর্তগুলো তাদেরকে মার্কিন তুলা আমদানি বাড়াতে বাধ্য করবে এবং এই বছরের শেষ নাগাদ এর পরিমাণ বর্তমান ব্যবহারের চেয়ে দ্বিগুণ হতে পারে।</p>
<p>রপ্তানিকারকরা ক্যালভিন ক্লেইনের একটি ডেনিম প্যান্টের উদাহরণ দিয়েছেন, যার মূল্য প্রায় ৮ ডলার, যেখানে কাপড়ের উপাদান প্রায় ৪ দশমিক ১২৫ ডলার । এর মধ্যে, তুলার পরিমাণ প্রায় ৩৩ দশমিক ২৫ শতাংশ। তবে, তারা এও উল্লেখ করেছেন যে, যদি ডেনিম প্যান্টটি কনটুর-এর মতো কম মূল্যের ব্র্যান্ডের জন্য তৈরি করা হয়, তাহলে তুলার পরিমাণ কিছুটা কম হতে পারে &#8211; কিন্তু তা এখনও ২০ শতাংশের সীমা পূরণ করবে।</p>
<p>এনভয় টেক্সটাইলের প্রতিষ্ঠাতা-চেয়ারম্যান কুতুবউদ্দিন আহমেদ এফই-কে বলেছেন যে, তার কোম্পানির বার্ষিক প্রায় ৫৪ মিলিয়ন গজ ডেনিম কাপড় উৎপাদনের ক্ষমতা রয়েছে, যার ৬০ শতাংশ মার্কিন বাজারে যায়। কোম্পানিটি বছরে ২৪,০০০ টন তুলা আমদানি করে এবং বর্তমানে মাত্র ১৫ শতাংশ তুলা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসে। এখন কোম্পানিটি মার্কিন তুলা আমদানি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে, যা প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করার সম্ভাবনা রয়েছে। কুতুবউদ্দিন আহমেদ বলেন, &#8220;শুল্কের বিষয়টি বিবেচনা করে আমরা ইতিমধ্যেই একজন মার্কিন সরবরাহকারীর সাথে ২৫০ টন তুলা আমদানির বিষয়ে আলোচনা করছি।&#8221;</p>
<p>বিজিএমইএ-এর সাবেক সভাপতি কুতুবউদ্দিন আহমেদ আশা করেন, স্থানীয় মূল্য সংযোজন এবং মার্কিন কাঁচামাল ব্যবহারের শর্তগুলো বাংলাদেশের স্পিনিং ও টেক্সটাইল মিলগুলোতে বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে সাহায্য করবে, যা দেশে আরও বেশি কর্মসংস্থান তৈরি করবে।</p>
<p>একইভাবে, জাবের অ্যান্ড জুবায়ের ফ্যাব্রিকস লিমিটেডের বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ জাবের বলেন, &#8220;অন্যান্য তুলার চেয়ে মার্কিন তুলা ব্যয়বহুল&#8230; আমরা মার্কিন বাজারের জন্য ক্রেতাদের প্রয়োজন অনুযায়ী তা ব্যবহার করছি।&#8221; তিনি আরও বলেন, &#8220;এখন প্রতিটি ব্র্যান্ড এবং খুচরা বিক্রেতা মার্কিন সরকারের শর্ত অনুযায়ী শুল্ক সুবিধা পেতে মার্কিন তুলা দিয়ে তাদের পণ্য তৈরি করতে বলবে।&#8221;</p>
<p>বর্তমানে কোম্পানিটি প্রায় ৩০ শতাংশ মার্কিন তুলা ব্যবহার করে, যেখানে কারখানার বার্ষিক ব্যবহার প্রায় ২,৫০০ টন। জাবের আশা করেন , এ বছর শেষে মার্কিন তুলার ব্যবহার মোট তুলার ব্যবহারের প্রায় অর্ধেক হবে, কারণ কোম্পানির ৫০ শতাংশ রপ্তানি মার্কিন বাজারে যায়, যেখানে এর বার্ষিক রপ্তানি প্রায় ১৭০ মিলিয়ন ডলার। কোম্পানির কর্মকর্তাদের মতে, তাদের প্রধান মার্কিন ক্রেতা হলো টার্গেট আমেরিকা, রালফ লরেন, ক্যালভিন ক্লেইন, আমেরিকান ঈগল এবং টমি হিলফিগার ও গ্যাপ।</p>
<p>বিটিএমএ-এর সভাপতি শোয়েব আজিজ রাসেল বলেন, মার্কিন তুলা আমদানি বাড়ানোর জন্য এই খাতের সরকারের সহায়তা প্রয়োজন। বস্ত্র শিল্পের নেতারা মার্কিন তুলা আমদানির জন্য ই ডি এফ ঋণের সুদের হার ২ দশমিক ০ শতাংশে নামিয়ে আনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি প্রতি পাউন্ডে ৩-৪ সেন্ট নগদ প্রণোদনাও অনুরোধ করেছেন, কারণ মার্কিন তুলা অন্যান্য উৎস থেকে আসা তুলার চেয়ে ৩ দশমিক ০-৪ দশমিক ০ শতাংশ বেশি ব্যয়বহুল। এছাড়াও, বস্ত্র মিল মালিকরা রপ্তানি আয়ের উপর ১ দশমিক ০ শতাংশ অগ্রিম আয়কর মওকুফের আবেদন করছেন।</p>
<p>মার্কিন তুলা বাজারে বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব সম্প্রতি হ্রাস পেলেও, স্থানীয় মিল মালিকরা এক বছরের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি দ্বিগুণ করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন &#8211; যা ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক চাহিদা এবং পরিবর্তিত বাণিজ্য পরিস্থিতির প্রতি সাড়া।</p>
<p>মার্কিন কৃষি বিভাগ অনুসারে, ২০২৫-২৬ বিপণন বছরে বাংলাদেশ তার অবস্থান বিশ্বের বৃহত্তম তুলা আমদানিকারক হিসেবে ধরে রাখবে বলে অনুমান করা হয়েছে, যার আমদানি ৮ দশমিক ৫ মিলিয়ন বেল-এ পৌঁছাতে পারে।</p>
<p>ইউএসডিএ রিপোর্টে আরও অনুমান করা হয়েছে যে, বৈশ্বিক তুলার ব্যবহার কিছুটা বাড়বে, যা ১১৮ দশমিক ১ মিলিয়ন বেল-এর পাঁচ বছরের সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছাতে পারে। এটি বাংলাদেশ এবং ভিয়েতনামের মতো প্রধান বস্ত্র রপ্তানিকারক দেশগুলোতে স্থিতিশীল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের দ্বারা পরিচালিত হবে।</p>
<p>এই গতিকে সমর্থন করতে, বাংলাদেশ সরকার মার্কিন তুলার জন্য শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে একটি নিবেদিত বন্ডেড ওয়্যারহাউস চূড়ান্ত করছে। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন, যেখানে দ্বিপাক্ষিক ভারসাম্য কমাতে বৃহত্তর বাণিজ্য কূটনীতির অংশ হিসেবে মার্কিন কৃষি পণ্য &#8211; বিশেষ করে তুলার &#8211; আমদানি যথেষ্ট পরিমাণে বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>বাংলাদেশ ২০২৮ সালের মধ্যে মার্কিন তুলা আমদানি দ্বিগুণ করার জন্য একটি রোডম্যাপও তৈরি করছে, যার লক্ষ্য হলো মোট তুলার ২৫ শতাংশ আমেরিকান উৎপাদকদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা। ২০২৪ সালের অনুমানের উপর ভিত্তি করে, মার্কিন তুলা আমদানি ২০২৫ সালে ১ দশমিক ০ মিলিয়ন বেল থেকে ২০২৮ সালের মধ্যে ২ দশমিক ১ মিলিয়ন বেল-এ উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। মোট আমদানিতে মার্কিন তুলার অংশ ১২ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশে উন্নীত হবে এবং আমদানির মূল্য প্রায় দ্বিগুণ হবে বলে অনুমান করা হয়েছে, যা ৪৭৩ দশমিক ৮ মিলিয়ন ডলার থেকে ৯৮৭ দশমিক ০৪ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে।</p>
<p>রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো -এর তথ্য অনুযায়ী, এই পরিবর্তন এমন এক সময়ে ঘটছে যখন বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি ২০২৪-২৫অর্থবছরে ১৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৭ দশমিক ৫৫ ডলার বিলিয়ন-এ পৌঁছেছে। ইউএসডিএ উল্লেখ করেছে যে, &#8220;জানুয়ারী ২০২৫-এর মাঝামাঝি থেকে, আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলো কয়েক মাস রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার পরে আবার অর্ডার দেওয়া শুরু করেছে,&#8221; যা তুলা সহ কাঁচামালের চাহিদা তীব্রভাবে বাড়িয়েছে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
