<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>ইয়েমেন &#8211; বিজনেস টাইমস: ব্যবসা-বাণিজ্য ও উন্নয়ন চিত্রের গণমাধ্যম</title>
	<atom:link href="https://businesstimes.com.bd/tag/%e0%a6%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a8/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://businesstimes.com.bd</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Mon, 11 May 2026 07:14:53 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2024/11/cropped-bt-favicon-32x32.jpg</url>
	<title>ইয়েমেন &#8211; বিজনেস টাইমস: ব্যবসা-বাণিজ্য ও উন্নয়ন চিত্রের গণমাধ্যম</title>
	<link>https://businesstimes.com.bd</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>আদর্শ, পরিবার এবং ইতিহাস&#8217;: সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের বিরোধের নেপথ্য কারণ</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%86%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b6-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%82-%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%b8/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 11 May 2026 07:14:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[স্পটলাইট]]></category>
		<category><![CDATA[ইউএই]]></category>
		<category><![CDATA[ইয়েমেন]]></category>
		<category><![CDATA[কাতার]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
		<category><![CDATA[মিশর]]></category>
		<category><![CDATA[সংযুক্ত আরব আমিরাত]]></category>
		<category><![CDATA[সৌদি]]></category>
		<category><![CDATA[সৌদি আরব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=10230</guid>

					<description><![CDATA[সৌদি আরব সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-নাহিয়ান পরিবারের এক রাজপুত্রকে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করেছিল যেন একটি মরুভূমির মরূদ্যান দখল করা যায়, যেখানে প্রচুর তেল থাকার সম্ভাবনা ছিল। সেই শেখ তার পরিবারকে বিশ্বাসঘাতকতা করার প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেন এবং পরবর্তীতে সৌদি আরব ওই অঞ্চলে একটি ব্যর্থ সামরিক অভিযান চালায়। প্রয়াত সাংবাদিক ডেভিড হোল্ডেন তার ১৯৬৬ সালের ধ্রুপদী বই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>সৌদি আরব সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-নাহিয়ান পরিবারের এক রাজপুত্রকে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করেছিল যেন একটি মরুভূমির মরূদ্যান দখল করা যায়, যেখানে প্রচুর তেল থাকার সম্ভাবনা ছিল। সেই শেখ তার পরিবারকে বিশ্বাসঘাতকতা করার প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেন এবং পরবর্তীতে সৌদি আরব ওই অঞ্চলে একটি ব্যর্থ সামরিক অভিযান চালায়।</strong></p>
<p>প্রয়াত সাংবাদিক ডেভিড হোল্ডেন তার ১৯৬৬ সালের ধ্রুপদী বই &#8216;ফেয়ারওয়েল টু অ্যারাবিয়া&#8217;তে ১৯৫০-এর দশকের সৌদি রাজপরিবার, ওমান এবং ট্রুশিয়াল স্টেটসের (যা পরবর্তীতে সংযুক্ত আরব আমিরাত হয়) মধ্যে ঐতিহাসিক বুরাইমি বিরোধের সারসংক্ষেপ এভাবেই করেছিলেন।</p>
<p>হোল্ডেনের বর্ণনা অনুযায়ী, সৌদিরা যে শেখকে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করেছিল তিনি ছিলেন জায়েদ বিন সুলতান আল-নাহিয়ান, যাকে তখন &#8220;বুরাইমির লর্ড&#8221; বলা হতো কিন্তু ইতিহাসে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্মরণীয়। তার ছেলে, বর্তমান প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ (এমবিজেড), এখন আরেক সৌদি পরিবারের সদস্য ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের (এমবিএস) সাথে এক তিক্ত দ্বন্দ্বে লিপ্ত।</p>
<p>সাবেক মার্কিন কূটনীতিক ও রাষ্ট্রদূত প্যাট্রিক থেরোস &#8216;মিডল ইস্ট আই&#8217;কে বলেন, &#8220;আপনি যদি আদর্শ, পরিবার এবং ইতিহাসকে একসাথে রাখেন, তবেই আপনি সৌদি-ইউএই বিরোধ বুঝতে পারবেন।&#8221; থেরোস যখন প্রথম মধ্যপ্রাচ্যে আসেন, তখন বুরাইমি বিরোধের উত্তেজনা তখনও তাজা ছিল।</p>
<p>বর্তমানে সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত লিবিয়ার মরুভূমি থেকে শুরু করে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই একে অপরের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।</p>
<p>কূটনীতিক, ব্যবসায়ী এবং বিশ্লেষকরা বলছেন যে, তাদের এই দ্বন্দ্ব বৃহত্তরভাবে মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। বিশেষ করে ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের টিকে থাকার ক্ষমতা যখন প্রশ্নের মুখে, তখন এই বিভাজন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই মতপার্থক্য এমনকি এশিয়া, ইউরোপ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ ভোক্তাদের পকেটেও প্রভাব ফেলবে।</p>
<p>এই মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাত সৌদি নেতৃত্বাধীন তেল কার্টেল ওপেক ত্যাগ করেছে। আবু ধাবি ঘোষণা করেছে যে, এর ফলে তারা প্রতিদিন আরও লাখ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করবে, যা সৌদি আরবের সাথে একটি ভবিষ্যৎ মূল্য যুদ্ধের ক্ষেত্র তৈরি করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। ইউএই-র ওপেক ত্যাগ করা এই বিস্তৃত ফাটলের একটি প্রতীকী রূপ।</p>
<p>দৃশ্যত, আবু ধাবি ৬০ বছর পর ওপেক ছেড়েছে কারণ উৎপাদন কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে তা নিয়ে রিয়াদের সাথে তাদের মতভেদ দেখা দিয়েছে। জ্বালানি বিশ্লেষকরা বলছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত দ্রুত বেশি তেল উৎপাদন করে এখনই মুনাফা তুলে নিতে চায়, যেখানে সৌদি আরব দীর্ঘমেয়াদী দাম বজায় রাখতে বৈশ্বিক সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করতে আগ্রহী।</p>
<p>তবে এই কারিগরি পার্থক্যের গভীরে রয়েছে আরও বড় একটি অস্বস্তির জায়গা।</p>
<p>ওপেক মূলত সৌদি আরবের নির্দেশনায় জ্বালানি নীতি নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়া তেল-সমৃদ্ধ মুসলিম দেশগুলোর একটি গোষ্ঠী। সৌদি আরবের তেলের মজুদ সংযুক্ত আরব আমিরাতের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি। এছাড়া এটি ইসলামের দুই পবিত্র শহর মক্কা ও মদিনার দেশ। এর ৩.৫ কোটি জনসংখ্যা সংযুক্ত আরব আমিরাতের ১ কোটি জনসংখ্যার তুলনায় অনেক বেশি (যাদের মধ্যে মাত্র ১০ লাখ আমিরাতি নাগরিক)।</p>
<p>কিংস কলেজ লন্ডনের আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ রব গেস্ট পিনফোল্ড এমইই-কে বলেছেন, &#8220;সৌদি আরব ওপেক এবং জিসিসি-র (উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ) মাধ্যমে তার ক্ষমতা জাহির করতে চায়। এর আয়তন এবং সম্পদের কারণে এটি নিজেকে উপসাগরের স্বাভাবিক নেতা হিসেবে দেখে।&#8221;</p>
<p>তিনি আরও বলেন, &#8220;সংযুক্ত আরব আমিরাত আয়তনে ছোট হলেও একটি বিশ্ববিখ্যাত ব্র্যান্ড হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলার জন্য অভাবনীয় রূপান্তরের মধ্য দিয়ে গেছে। ইউএই মনে করে যে সৌদিদের প্রাধান্য মেনে নেওয়া তাদের বিশ্বমঞ্চে নিজস্ব ক্ষমতা প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি করে।&#8221;<img fetchpriority="high" decoding="async" class="alignnone wp-image-10232" src="https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2026/05/UAE-KSA--300x169.jpg" alt="" width="850" height="478" srcset="https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2026/05/UAE-KSA--300x169.jpg 300w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2026/05/UAE-KSA--1024x576.jpg 1024w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2026/05/UAE-KSA--768x432.jpg 768w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2026/05/UAE-KSA--600x337.jpg 600w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2026/05/UAE-KSA-.jpg 1200w" sizes="(max-width: 850px) 100vw, 850px" /></p>
<p><strong>সৌদি আরব এবং পারস্যদের মোকাবিলা</strong><br />
উপসাগরীয় বাণিজ্যিক সম্প্রদায়গুলো, যা পরবর্তীতে সংযুক্ত আরব আমিরাত গঠন করেছিল, ঐতিহাসিকভাবে পূর্বে পারস্য এবং পশ্চিমে নজদ অঞ্চলের গোত্রগুলোর মধ্যে আটকে ছিল। নজদ হলো কেন্দ্রীয় আরব উপদ্বীপের সেই অঞ্চল যেখান থেকে সৌদি রাজপরিবারের উৎপত্তি।</p>
<p>কিছু বিশ্লেষক মনে করেন, প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদের আঞ্চলিক দৃষ্টিভঙ্গি মূলত পুরনো প্রতিদ্বন্দ্বিতারই এক একবিংশ শতাব্দীর সংস্করণ, যা তেলের সম্পদ এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে আরও শক্তিশালী হয়েছে।</p>
<p>সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত থেরোস বলেন, &#8220;আমিরাতিরা সব সময় সৌদিদের এক &#8216;শিকারি প্রতিবেশী&#8217; হিসেবে দেখেছে যারা তাদের দাসে পরিণত করতে চায়। তারা ঐতিহাসিকভাবে উপসাগরে পারস্যদের প্রভাব বিস্তারের বিষয়েও সতর্ক ছিল।&#8221; তিনি আরও বলেন, &#8220;এমবিজেড অবশেষে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে একটি ছোট উপসাগরীয় দেশের পক্ষেও সৌদি এবং পারস্যদের মুখোমুখি দাঁড়ানো সম্ভব।&#8221;</p>
<p>সংযুক্ত আরব আমিরাত অন্যতম প্রধান রাষ্ট্র হিসেবে ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করছে। ইরান যখন হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন দিয়ে ইউএই-কে আক্রমণ করেছিল, তখন ইসরায়েল তাদের রক্ষায় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছিল। একইভাবে, ইউএই যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জরুরি ভিত্তিতে মার্কিন ডলার সরবরাহের অনুরোধ করেছে।</p>
<p>নিজেদের ছোট আয়তন পুষিয়ে নেওয়ার জন্য ইউএই-র আরেকটি কৌশল হলো পশ্চিমে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোতে স্থানীয় অংশীদার খুঁজে বের করা। এটি সৌদি আরবকে ক্ষুব্ধ করেছে, কারণ তারা নিজেদের সীমানার বাইরে অন্য কোনো আরব দেশের এমন হস্তক্ষেপ নিয়ে শঙ্কিত।</p>
<p>সুদানের গৃহযুদ্ধেও এই দুই প্রতিবেশী দেশ বিপরীত পক্ষগুলোকে সমর্থন দিচ্ছে। এমইই প্রথম উন্মোচন করেছিল যে সুদানে তাদের সম্পর্ক কতটা তিক্ত হয়েছে। একটি রিপোর্টে জানানো হয় যে, রিয়াদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে চাপ দিয়েছে যেন তারা প্যারামিলিটারি র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (RSF)-কে সমর্থনের জন্য ইউএই-কে শাস্তি দেয়।</p>
<p>ইরানের সাথে যুদ্ধ শুরু হওয়ার ঠিক আগে, সৌদি আরব ইয়েমেনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মিত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীদের ওপর হামলা চালায়। এমনকি রিয়াদ ইয়েমেনের সুদূর পূর্বে আমিরাতি আধিপত্য ঠেকাতে ওমানের সাথে জোট বেঁধেছে।</p>
<p>এই সব যুদ্ধক্ষেত্রে সাফল্য সংযুক্ত আরব আমিরাতকে সেই &#8216;কৌশলগত গভীরতা&#8217; দিতে পারে যা ভৌগোলিকভাবে তাদের নেই। যদি সুদানে আরএসএফ সফল হয়, তবে সৌদি আরবের উল্টো দিকে লোহিত সাগর উপকূলে ইউএই-র একজন শক্ত মিত্র থাকবে। একইভাবে, ইয়েমেনের &#8216;সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল&#8217; বাব এল-মান্দেব প্রণালীর পাশে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন করতে চায়।</p>
<p>ইরান কর্তৃক হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি লোহিত সাগরের গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে, যার মাধ্যমে সৌদি আরব তাদের তেল রপ্তানি করে। ইউএই বিচ্ছিন্নতাবাদী সোমালিল্যান্ডকেও সমর্থন করেছে, যাকে ইসরায়েল স্বীকৃতি দিয়েছে।</p>
<p>তবে এই সংঘাতগুলোর পেছনে আরেকটি গভীর কারণ রয়েছে।</p>
<p><strong>&#8216;প্রতিদ্বন্দ্বীদের নিয়ে অতিরিক্ত মাথাব্যথা&#8217;</strong><br />
২০১১ সালের আরব বসন্তের পর ইয়েমেন, লিবিয়া এবং সুদান অভ্যন্তরীণ সংঘাতের মুখে পড়ে। যেখানে সংযুক্ত আরব আমিরাত বিচ্ছিন্নতাবাদী বাহিনীকে সমর্থন করেছে, সেখানে সৌদি আরব নিয়মিত সামরিক বাহিনী এবং প্রতিষ্ঠিত সরকারকে সমর্থন দিয়েছে। ইউএই দাবি করে যে ইয়েমেন এবং সুদানের মতো কিছু সরকার &#8220;ইসলামপন্থীদের&#8221; দ্বারা গঠিত।</p>
<p>কার্নেগি এনডাউমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিস-এর স্কলার হিশাম আলঘান্নাম এমইই-কে বলেছেন, &#8220;আমাদের (সৌদি) দৃষ্টিভঙ্গি জাতি-রাষ্ট্রকে শক্তিশালী করার ওপর ভিত্তি করে: এর ঐক্য রক্ষা করা এবং সার্বভৌমত্ব বজায় রাখা। অন্যদিকে, অন্য পক্ষের আঞ্চলিক সম্পৃক্ততা প্রায়ই ইসলামপন্থী বা রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের দমনের এক সংকীর্ণ কৌশলী মানসিকতা দ্বারা পরিচালিত হয়। এটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করে এবং সমান্তরাল মিলিশিয়া বাহিনী তৈরি করে যা বৈধ কর্তৃপক্ষকে চ্যালেঞ্জ করে।&#8221;</p>
<p>তবে একটা সময় ছিল যখন সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরব দুজনেই আরব বসন্ত পরবর্তী পরিস্থিতিতে একসঙ্গে কাজ করাকে তাদের স্বার্থ বলে মনে করত। ২০১২ সালে মিশরের নির্বাচনে মুসলিম ব্রাদারহুডের বিজয় উভয় রাজপরিবারকেই আতঙ্কিত করেছিল। একইভাবে, ইয়েমেনে তারা হুতিদের উত্থানকে হুমকি হিসেবে দেখেছিল। তারা একসাথে কাতারকে বয়কট করেছিল কারণ তারা মনে করত কাতার এমন সব রাজনৈতিক আন্দোলনকে সমর্থন দিচ্ছে যা তাদের রাজতন্ত্রের জন্য হুমকি হতে পারে।</p>
<p>বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ ২০১৫ সালে তরুণ ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানকে যেভাবে পথ দেখিয়েছিলেন, তা তাদের সম্পর্ককে শুরুতে সহজ করেছিল। চ্যাথাম হাউসের বিশেষজ্ঞ নিল কুইলিয়াম বলেন, &#8220;এমবিজেড-ই মূলত এমবিএসকে কাতার বয়কট করতে রাজি করিয়েছিলেন।&#8221;</p>
<p>কিন্তু কুইলিয়াম মনে করেন, সেই ঐক্য ছিল একটি সাময়িক বিষয়। প্রকৃতপক্ষে, ২০০৯ সালেই ইউএই উপসাগরীয় একক মুদ্রা প্রকল্প থেকে সরে দাঁড়িয়েছিল কারণ এর সদর দপ্তর আবু ধাবির বদলে রিয়াদে হওয়ার কথা ছিল।</p>
<p>মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের ফেলো ক্রিস্টিয়ান কোটস উলরিখসেন বলেন, &#8220;আরব বসন্ত সাময়িকভাবে তাদের কাছাকাছি এনেছিল, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে তারা সব সময়ই একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল।&#8221;<img decoding="async" class="alignnone wp-image-10233" src="https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2026/05/UAE-Q-KSA-Red-Sea-300x169.jpg" alt="" width="850" height="477" srcset="https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2026/05/UAE-Q-KSA-Red-Sea-300x169.jpg 300w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2026/05/UAE-Q-KSA-Red-Sea-1024x575.jpg 1024w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2026/05/UAE-Q-KSA-Red-Sea-768x431.jpg 768w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2026/05/UAE-Q-KSA-Red-Sea-600x337.jpg 600w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2026/05/UAE-Q-KSA-Red-Sea.jpg 1200w" sizes="(max-width: 850px) 100vw, 850px" /></p>
<p><strong>ইসরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র</strong><br />
এই মতভেদের সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো ইসরায়েলের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি। ২০২০ সালে যখন ইউএই ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে, তখন তারা সৌদি আরবের তৈরি কয়েক দশকের পুরনো আরব শান্তি পরিকল্পনা থেকে সরে আসে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠিত না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলের সাথে কোনো সম্পর্ক হবে না।</p>
<p>সৌদি আরব যখন ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার কথা ভাবছিল, তখনই গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ সেই সম্ভাবনা ধূলিসাৎ করে দেয়। জাতিসংঘ এই আক্রমণকে &#8216;গণহত্যা&#8217; হিসেবে অভিহিত করেছে, যেখানে ৭২,৬০০-এরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। মোহাম্মদ বিন সালমান প্রকাশ্যে এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন। একটি জরিপে দেখা গেছে যে ৯৬ শতাংশ সৌদি নাগরিক ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার পক্ষে।</p>
<p>ইরানের সাথে যুদ্ধ এই দুই দেশের পার্থক্যকে আরও স্পষ্ট করেছে। যদিও উভয় দেশই যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র, কিন্তু তারা এখন ওয়াশিংটনের অন্যান্য অংশীদারদের নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন জোট গঠন করছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত ইসরায়েলের সাথে তাদের অংশীদারিত্ব আরও দৃঢ় করছে, যেখানে সৌদি আরব তুরস্ক, মিশর এবং পাকিস্তানকে নিয়ে একটি বড় জোট তৈরি করছে।</p>
<p>প্যাট্রিক থেরোস বলেন, &#8220;ইউএই বা সৌদি আরব কেউই যুক্তরাষ্ট্রকে পুরোপুরি ছেড়ে দিতে পারবে না। তবে এই নতুন তৈরি হওয়া নিজস্ব জোটগুলো ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।&#8221;</p>
<p><strong>সূত্র:</strong> মিডল ইস্ট আই</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
