<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>ইরান যুদ্ধ &#8211; বিজনেস টাইমস: ব্যবসা-বাণিজ্য ও উন্নয়ন চিত্রের গণমাধ্যম</title>
	<atom:link href="https://businesstimes.com.bd/tag/%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://businesstimes.com.bd</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Wed, 15 Apr 2026 05:13:56 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0</generator>

<image>
	<url>https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2024/11/cropped-bt-favicon-32x32.jpg</url>
	<title>ইরান যুদ্ধ &#8211; বিজনেস টাইমস: ব্যবসা-বাণিজ্য ও উন্নয়ন চিত্রের গণমাধ্যম</title>
	<link>https://businesstimes.com.bd</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>ইরান যুদ্ধ শেষের পথে: ট্রাম্প</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a5%e0%a7%87-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 15 Apr 2026 05:13:56 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ববাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[ইরান যুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[ট্রাম্প]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=10142</guid>

					<description><![CDATA[মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সাথে যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হতে পারে, যেখানে তিনি একটি সম্ভাব্য সমাধানের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। ফক্স নিউজে সম্প্রচারিত একটি সাক্ষাৎকারের ক্লিপে ট্রাম্প বলেন, &#8220;হ্যাঁ, আমি মনে করি এটি শেষের কাছাকাছি। আমি বলতে চাচ্ছি যে, আমার দৃষ্টিকোণ থেকে এটি প্রায় শেষের পথে।&#8221; এদিকে, আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন সিনেটে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সাথে যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হতে পারে, যেখানে তিনি একটি সম্ভাব্য সমাধানের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।</strong></p>
<p>ফক্স নিউজে সম্প্রচারিত একটি সাক্ষাৎকারের ক্লিপে ট্রাম্প বলেন, &#8220;হ্যাঁ, আমি মনে করি এটি শেষের কাছাকাছি। আমি বলতে চাচ্ছি যে, আমার দৃষ্টিকোণ থেকে এটি প্রায় শেষের পথে।&#8221;</p>
<p>এদিকে, আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন সিনেটে ডেমোক্র্যাটরা এই সংঘাতের ওপর ট্রাম্পের যুদ্ধ ক্ষমতা সীমিত করতে বুধবার আরেকটি ভোটের পরিকল্পনা করছেন।</p>
<p>আল জাজিরার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ওয়ার পাওয়ার রেজোলিউশন (যুদ্ধ ক্ষমতা প্রস্তাব) উত্থাপনকারী সিনেটর ট্যামি ডাকওয়ার্থ বলেছেন, ট্রাম্পের &#8220;স্বেচ্ছায় বেছে নেওয়া যুদ্ধ&#8221; আমেরিকানদের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে এবং দেশের অভ্যন্তরে জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে।</p>
<p>তিনি বলেন, &#8220;আমাদের অর্থনীতিতে আরেকটি বড় ধাক্কা লাগার এবং আরও প্রাণহানির আগেই, সিনেটকে অবশ্যই তার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করতে হবে এবং এটি অবিলম্বে বন্ধ করার জন্য ভোট দিতে হবে।&#8221;</p>
<p>মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী, যুদ্ধ ঘোষণার ক্ষমতা কেবল কংগ্রেসের রয়েছে। সিনেট এবং হাউজ (প্রতিনিধি পরিষদ) উভয় কক্ষেই ডেমোক্র্যাটরা বারবার এমন প্রস্তাব পাসের চেষ্টা করেছেন, যাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার আগে প্রেসিডেন্টকে কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হয়।</p>
<p>তবে, উভয় কক্ষেই অল্প ব্যবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা রিপাবলিকানরা সেসব প্রচেষ্টা আটকে দিয়েছেন।</p>
<p>সিনেটের মাইনরিটি লিডার (সংখ্যালঘু নেতা) চাক শুমার বলেছেন, যতক্ষণ এই সংঘাত চলবে, ডেমোক্র্যাটরা প্রতি সপ্তাহে এই ইস্যুতে ভোট অনুষ্ঠানে বাধ্য করা অব্যাহত রাখবেন।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শেষের পথে ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্প</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a5%e0%a7%87-%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 02 Apr 2026 04:14:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ববাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[ইরান যুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[ট্রাম্প]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=10082</guid>

					<description><![CDATA[মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান প্রায় শেষের পথে। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, সামরিক লক্ষ্যগুলো অর্জনে ওয়াশিংটন চাপ অব্যাহত রাখায় আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহ দেশটিকে (ইরান) অত্যন্ত ভয়াবহ হামলা সইতে হবে। বুধবার স্থানীয় সময় রাতে হোয়াইট হাউস থেকে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান প্রায় শেষের পথে। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, সামরিক লক্ষ্যগুলো অর্জনে ওয়াশিংটন চাপ অব্যাহত রাখায় আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহ দেশটিকে (ইরান) অত্যন্ত ভয়াবহ হামলা সইতে হবে।</strong></p>
<p>বুধবার স্থানীয় সময় রাতে হোয়াইট হাউস থেকে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে এমনটি বলা হয়েছে।</p>
<p>গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর জাতির উদ্দেশে দেওয়া নিজের প্রথম ভাষণে ট্রাম্প যুদ্ধক্লান্ত মার্কিন নাগরিকদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেন। তিনি বোঝাতে চান, এই অভিযানের পেছনে যে ত্যাগ স্বীকার করা হয়েছে, তার যথেষ্ট সার্থকতা রয়েছে।</p>
<p>ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের অভাবনীয় সাফল্যের বদৌলতে আমি আজ রাতে বলতে পারছি যে, আমরা সঠিক পথেই আছি এবং খুব দ্রুতই আমেরিকার সব সামরিক লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হতে যাচ্ছে।’</p>
<p>তিনি আরও বলেন, যুদ্ধের ‘মূল কৌশলগত লক্ষ্যগুলো অর্জনের কাজ এখন শেষ পর্যায়ে’। তবে একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘আমরা আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহ তাদের ওপর অত্যন্ত ভয়াবহ ও কঠোর হামলা চালাব।’</p>
<p>ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় জর্জরিত আঞ্চলিক মিত্রদেশ—ইসরায়েল, সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত এবং বাহরাইনকে তিনি আশ্বস্ত করেছেন। ট্রাম্প সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘তাদের কোনোভাবেই, কোনো অবস্থাতেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেবে না বা ব্যর্থ হতে দেবে না।’</p>
<p>ইরানের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার পথ খোলা থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প। বর্তমান নেতৃত্বকে তাদের পূর্বসূরিদের চেয়ে ‘কম কট্টর ও অনেক বেশি যুক্তিবাদী’ হিসেবে অভিহিত করে তিনি সংঘাত অবসানে কোনো একটি চুক্তির পথে হাঁটার আভাস দেন।</p>
<p>তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব না হলে ওয়াশিংটন দেশটির বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রসহ গুরুত্বপূর্ণ সব স্থাপনা নিশানায় রাখবে।</p>
<p>ট্রাম্পের এই ভাষণ জ্বালানি বাজার শান্ত করতে বিশেষ কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি। উল্টো বৃহস্পতিবার তেলের দাম আরও বেড়ে গেছে, কারণ ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করতে অন্যান্য দেশের সহযোগিতা চেয়েছেন।</p>
<p>বিশ্বের মোট ব্যবহৃত তেলের এক-পঞ্চমাংশ সাধারণত এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। এটি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানির দাম হু হু করে বাড়ছে এবং বিশ্ব অর্থনীতি অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে।</p>
<p>এদিকে, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বুধবার অঙ্গীকার করেছে যে, দেশের ‘শত্রুদের’ জন্য তারা এই জলপথ বন্ধই রাখবে।</p>
<p><strong>জ্বালানির দাম নিয়ে মার্কিন নাগরিকরা ‘উদ্বিগ্ন’</strong></p>
<p>যুদ্ধ শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেলের দাম ২৫ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বাড়তি দামের কারণে সাধারণ মানুষের যে অর্থনৈতিক কষ্ট হচ্ছে, তা স্বীকার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।</p>
<p>তবে তেলের এই চড়া দাম কেবল সাময়িক হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘দেশের ভেতরে গ্যাসোলিনের দাম সম্প্রতি যে হারে বেড়েছে, তা নিয়ে অনেক আমেরিকানই উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন।’</p>
<p>ট্রাম্প বলেন, ‘এই সাময়িক মূল্যবৃদ্ধির পেছনে পুরোপুরি দায়ী ইরান সরকার। তারা প্রতিবেশী দেশগুলোর বাণিজ্যিক তেলবাহী জাহাজে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে, যাদের এই সংঘাতের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। এটি আরও একবার প্রমাণ করে যে, পারমাণবিক অস্ত্রের বিষয়ে ইরানকে কখনোই বিশ্বাস করা যায় না।’</p>
<p><strong>ইরানের কাছে ‘খুব সামান্য’ মিসাইল লঞ্চার অবশিষ্ট আছে</strong></p>
<p>ইরানের নৌবাহিনী এখন ‘নিশ্চিহ্ন’ এবং দেশটির সামগ্রিক সামরিক শক্তি ধসে পড়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।</p>
<p>ট্রাম্প বলেন, ‘ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছোড়ার ক্ষেত্রে তাদের সক্ষমতা নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে। তাদের সমরাস্ত্র কারখানা ও রকেট লঞ্চারগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে—খুব অল্প সংখ্যক সরঞ্জামই এখন তাদের অবশিষ্ট আছে।’</p>
<p><strong>যুক্তরাষ্ট্র ‘আগের চেয়েও বড় জয় পাচ্ছে’</strong></p>
<p>মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, ইরানের নৌবাহিনী এখন অস্তিত্বহীন, বিমানবাহিনী ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং তাদের অধিকাংশ শীর্ষ নেতা এখন মৃত। এ ছাড়া ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার সক্ষমতাও রুদ্ধ করা হয়েছে।</p>
<p>সামগ্রিক পরিস্থিতি তুলে ধরে ট্রাম্প ঘোষণা করেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন ‘আগের যেকোনো সময়ের চেয়েও বড় ও বিশাল জয় পাচ্ছে।’</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>যুদ্ধ আরও তীব্রতর, ইরানি তেল ও খারাগ দ্বীপের দিকে নজর যুক্তরাষ্ট্রের</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%b0-%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%a4/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 30 Mar 2026 06:19:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ববাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[আক্রমণ]]></category>
		<category><![CDATA[ইরান যুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[ইরানে মার্কিন হামলা]]></category>
		<category><![CDATA[ইরানে হামলা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসরায়েল]]></category>
		<category><![CDATA[ট্রাম্প]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
		<category><![CDATA[স্থলযুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[হুথি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=10075</guid>

					<description><![CDATA[সোমবার ইজরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা &#8220;ইরান থেকে উৎক্ষেপণ করা ক্ষেপণাস্ত্রের&#8221; জবাব দিচ্ছে। একই সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের রপ্তানি কেন্দ্র &#8216;খারাগ দ্বীপ&#8217; দখলের কথা বলছেন। সামরিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, &#8220;অল্পক্ষণ আগে আইডিএফ ইজরায়েল রাষ্ট্রের ভূখণ্ডের দিকে ইরান থেকে উৎক্ষেপিত ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে।&#8221; এতে আরও বলা হয় যে, &#8220;প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো হুমকি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>সোমবার ইজরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা &#8220;ইরান থেকে উৎক্ষেপণ করা ক্ষেপণাস্ত্রের&#8221; জবাব দিচ্ছে। একই সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের রপ্তানি কেন্দ্র &#8216;খারাগ দ্বীপ&#8217; দখলের কথা বলছেন।</strong></p>
<p>সামরিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, &#8220;অল্পক্ষণ আগে আইডিএফ ইজরায়েল রাষ্ট্রের ভূখণ্ডের দিকে ইরান থেকে উৎক্ষেপিত ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে।&#8221; এতে আরও বলা হয় যে, &#8220;প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো হুমকি মোকাবিলায় কাজ করছে&#8221; এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জনগণকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।</p>
<p>গত রবিবার প্রকাশিত ফিন্যান্সিয়াল টাইমস-এর সাথে এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, তিনি &#8220;ইরানের তেল দখল&#8221; করতে চান এবং খারাগ দ্বীপের রপ্তানি কেন্দ্রটি কবজা করতে পারেন। এরই মধ্যে ওই অঞ্চলে প্রায় ২,৫০০ মার্কিন মেরিন সেনা পৌঁছেছে।</p>
<p>ইরানের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত খারাগ দ্বীপ দেশটির একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল টার্মিনাল। পেন্টাগন সেখানে স্থল অভিযানের পরিকল্পনা করছে, যদিও যুক্তরাষ্ট্র জোর দিয়ে বলেছে যে তারা পূর্ণমাত্রার আক্রমণ থেকে বিরত থাকবে।</p>
<p>দ্বীপে ইরানি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে ট্রাম্প বলেন, &#8220;আমি মনে করি না তাদের কোনো প্রতিরক্ষা আছে। আমরা খুব সহজেই এটি দখল করতে পারি।&#8221;</p>
<p>ইরানের তেল রপ্তানির ৯০ শতাংশই এই দ্বীপ দিয়ে পরিচালিত হয়। এটি দখল করলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জ্বালানি বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ব্যাহত করতে পারবে, যা তেহরানের অর্থনীতির ওপর বিশাল চাপ সৃষ্টি করবে।</p>
<p>ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান &#8220;প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে&#8221; বৈঠক করছে এবং ইরানের নতুন নেতারা &#8220;বেশ যুক্তিবাদী&#8221;। তবে ওই অঞ্চলে আরও মার্কিন সেনা পৌঁছানোয় তেহরান সতর্ক করে দিয়েছে যে তারা কোনো অবমাননা মেনে নেবে না।</p>
<p>গত মাসে শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে। রবিবার পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, তারা আগামী দিনে &#8220;অর্থবহ আলোচনার&#8221; আয়োজন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর পরপরই ট্রাম্পের এই মন্তব্যগুলো সামনে আসে।</p>
<p>রবিবার সন্ধ্যায় এয়ার ফোর ওয়ান বিমানে ওয়াশিংটন যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, &#8220;আমি মনে করি আমরা তাদের সাথে একটি চুক্তিতে পৌঁছাব, আমি মোটামুটি নিশ্চিত। তবে এটাও সম্ভব যে আমরা সফল হব না।&#8221;</p>
<p>ট্রাম্প দাবি করেন যে, হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা এবং অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিহতের পর তেহরানে &#8216;শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন&#8217; ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। তবে তিনি দুবার উল্লেখ করেন যে, তাদের উত্তরসূরিদের &#8220;যুক্তিবাদী&#8221; মনে হচ্ছে।</p>
<p>গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েলি হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন, যার স্থলাভিষিক্ত হন তার ছেলে মোজতবা।</p>
<p>এই যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে, হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটাচ্ছে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে আঘাত হানার পাশাপাশি জ্বালানি সরবরাহে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিঘ্ন সৃষ্টি করেছে।</p>
<p>পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দার বলেছেন, রবিবার আঞ্চলিক পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার উপায় এবং ইসলামাবাদে সম্ভাব্য মার্কিন-ইরান আলোচনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, &#8220;চলমান সংঘাতের একটি ব্যাপক ও স্থায়ী সমাধানের জন্য আগামী দিনগুলোতে উভয় পক্ষের মধ্যে অর্থবহ আলোচনার আয়োজন ও সুবিধা প্রদান করতে পেরে পাকিস্তান সম্মানিত বোধ করবে।&#8221; তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান এতে যোগ দিতে সম্মত হয়েছে কি না তা স্পষ্ট নয়।</p>
<p>ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কলিবাফ এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন যে, তারা আলোচনার বার্তা পাঠানোর পাশাপাশি স্থল অভিযানের পরিকল্পনা করছে। তিনি বলেন, মার্কিন সৈন্য মোতায়েন করা হলে তেহরান জবাব দিতে প্রস্তুত। জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, &#8220;যতক্ষণ আমেরিকানরা ইরানের আত্মসমর্পণ চাইবে, আমাদের উত্তর হলো আমরা কখনোই অপমান মেনে নেব না।&#8221;</p>
<p>মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর মধ্যপ্রাচ্যে হাজার হাজার সৈন্য পাঠিয়েছে, যা ট্রাম্পকে স্থল অভিযান শুরু করার সুযোগ করে দিয়েছে।</p>
<p>একজন ইজরায়েলি কর্মকর্তা বলেছেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সম্ভাব্য আলোচনার আগে ইরানের ওপর হামলা কমানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। ইজরায়েল সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোতে হামলা চালিয়ে যাবে।</p>
<p>ইজরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় তারা তেহরানসহ মধ্য ও পশ্চিম ইরানে ১৪০টিরও বেশি বিমান হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং মজুদাগারসহ অন্যান্য লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করা হয়েছে। ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, মেহরাবাদ বিমানবন্দর এবং উত্তরের শহর তাবরিজের একটি পেট্রোকেমিক্যাল প্ল্যান্টে হামলা হয়েছে।</p>
<p>ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার সময় দক্ষিণ ইজরায়েলের বিয়ারশেবা শহরের কাছে একটি রাসায়নিক প্ল্যান্টে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ আঘাত হানে। ফলে কর্তৃপক্ষ জনসাধারণকে &#8220;বিপজ্জনক রাসায়নিক&#8221; থেকে দূরে থাকার সতর্কবার্তা দিয়েছে।</p>
<p>বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস বহনকারী হরমুজ প্রণালীতে ইরানের কার্যকর অবরোধ তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে এবং বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দার ঝুঁকি তৈরি করেছে।</p>
<p>সোমবার এশিয়ার শেয়ারবাজারে ধস নেমেছে। বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘস্থায়ী উপসাগরীয় যুদ্ধের আশঙ্কা করছেন, যার ফলে তেলের দাম রেকর্ড মাসিক বৃদ্ধির দিকে যাচ্ছে এবং বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতি ও মন্দার ঝুঁকি বাড়ছে। জাপানের নিক্কেই সূচক ৪.৭ শতাংশ কমেছে।</p>
<p>এদিকে তেলের দাম আরও বাড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার ৩.০৯ ডলার বা ২.৭৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১৫.৬৬ ডলারে পৌঁছেছে।</p>
<p>নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, আরও কয়েকশ স্পেশাল অপারেশন কর্মী এই অঞ্চলে পৌঁছেছেন। এর আগে শুক্রবার একটি উভচর আক্রমণকারী জাহাজে করে হাজার হাজার মার্কিন মেরিন সেনা সেখানে পৌঁছায়।</p>
<p>রয়টার্স জানিয়েছে যে, পেন্টাগন স্থলবাহিনীসহ বিভিন্ন সামরিক বিকল্প বিবেচনা করছে, যদিও ট্রাম্প এখনও সেই পরিকল্পনাগুলো অনুমোদন করেননি।</p>
<p>অধিকাংশ আমেরিকান এই যুদ্ধের বিরোধী। এই সামরিক উত্তেজনা ট্রাম্পের জনসমর্থন আরও কমিয়ে দিতে পারে, যা নভেম্বরের কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে তার জন্য চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।</p>
<p>শনিবার ইয়েমেনের ইরান-পন্থী হুথিরা এই যুদ্ধে যোগ দিয়ে ইজরায়েলে তাদের প্রথম হামলা চালায়। এতে বাব আল-মান্দেব প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ইজরায়েলি কর্তৃপক্ষ রবিবার জানিয়েছে, তারা ইয়েমেন থেকে উৎক্ষেপণ করা দুটি ড্রোন প্রতিহত করেছে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের বিস্তার: হুথিদের ইসরায়েল আক্রমণ, স্থলযুদ্ধের প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%ae%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%98%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 29 Mar 2026 07:57:02 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ববাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[আক্রমণ]]></category>
		<category><![CDATA[ইরান যুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[ইরানে মার্কিন হামলা]]></category>
		<category><![CDATA[ইরানে হামলা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসরায়েল]]></category>
		<category><![CDATA[ট্রাম্প]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য]]></category>
		<category><![CDATA[স্থলযুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[হুথি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=10065</guid>

					<description><![CDATA[শনিবার ইয়েমেনের ইরান-পন্থী হুথিরা সংঘাত শুরুর পর প্রথমবারের মতো ইসরায়েলে হামলা চালানোর ফলে একটি বর্ধিত ইরান যুদ্ধের ঝুঁকি আরও বেড়েছে। একই সময়ে অতিরিক্ত মার্কিন বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে। এক মাসব্যাপী এই যুদ্ধে ওয়াশিংটন মধ্যপ্রাচ্যে হাজার হাজার মেরিন সেনা পাঠিয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী শনিবার জানিয়েছে যে, দুটি কন্টিনজেন্টের মধ্যে প্রথমটি শুক্রবার একটি উভচর আক্রমণকারী জাহাজে করে পৌঁছেছে। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>শনিবার ইয়েমেনের ইরান-পন্থী হুথিরা সংঘাত শুরুর পর প্রথমবারের মতো ইসরায়েলে হামলা চালানোর ফলে একটি বর্ধিত ইরান যুদ্ধের ঝুঁকি আরও বেড়েছে। একই সময়ে অতিরিক্ত মার্কিন বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে।</strong></p>
<p>এক মাসব্যাপী এই যুদ্ধে ওয়াশিংটন মধ্যপ্রাচ্যে হাজার হাজার মেরিন সেনা পাঠিয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী শনিবার জানিয়েছে যে, দুটি কন্টিনজেন্টের মধ্যে প্রথমটি শুক্রবার একটি উভচর আক্রমণকারী জাহাজে করে পৌঁছেছে।</p>
<p>&#8216;দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট&#8217; শনিবার জানিয়েছে, মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, পেন্টাগন ইরানে কয়েক সপ্তাহের স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে, যেখানে স্পেশাল অপারেশন এবং সাধারণ পদাতিক বাহিনীর অভিযান অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্থল সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনায় অনুমোদন দেবেন কি না, তা অনিশ্চিত বলে পোস্ট জানিয়েছে।</p>
<p>রয়টার্স জানিয়েছে যে, পেন্টাগন এমন সামরিক অভিযানের কথা বিবেচনা করছে যার মধ্যে ইরানে স্থল সৈন্য মোতায়েন অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।</p>
<p>২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া এই যুদ্ধ পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে জ্বালানি সরবরাহে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিঘ্ন ঘটেছে।</p>
<p>পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও শুক্রবার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র স্থল সৈন্য ছাড়াই তার লক্ষ্য অর্জন করতে পারে, তবে ট্রাম্পকে কৌশল পরিবর্তনের জন্য &#8220;সর্বোচ্চ&#8221; নমনীয়তা দেখাতে ওই অঞ্চলে কিছু সৈন্য মোতায়েন করা হচ্ছে। পেন্টাগন মার্কিন সেনাবাহিনীর ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশন থেকেও হাজার হাজার সৈন্য মোতায়েন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>
<p>ইরানের আইআরজিসি জানিয়েছে, ইরানি বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার প্রতিশোধ হিসেবে তারা এই অঞ্চলের ইসরায়েলি বা মার্কিন সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে লক্ষ্যবস্তু করবে। তারা বলেছে, &#8220;ইরানি বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমাবর্ষণের নিন্দা জানানোর জন্য আমেরিকার কাছে তেহরান সময় অনুযায়ী সোমবার ৩০ মার্চ বেলা ১২টা পর্যন্ত সময় আছে; অন্যথায় পশ্চিম এশিয়ার ইসরায়েলি ও মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।&#8221; তারা ছাত্র, কর্মচারী এবং নিকটস্থ বাসিন্দাদের এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে অন্তত এক কিলোমিটার দূরে থাকার জন্য সতর্ক করেছে।</p>
<p>শনিবার মার্কিন-ইসরায়েলি বাহিনী ইরানের অন্যতম প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে বোমা হামলা চালিয়েছে। হতাহতের সংখ্যা এখনো স্পষ্ট নয়। ইরানি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর জানজানের একটি আবাসিক ইউনিটে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছে।</p>
<p>ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের সাথে কথা বলেছেন। শাহবাজ শরীফ রোববার থেকে তুর্কি, মিশরীয় এবং সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাথে আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমনের উপায় নিয়ে আলোচনার আয়োজন করছেন।</p>
<p>ইসরায়েল শনিবার তেহরানে ধারাবাহিক হামলা চালিয়েছে, যা ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর মতে ইরানি সরকারি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। লেবাননের আল মানার টিভি জানিয়েছে, ইসরায়েল লেবাননেও হামলা চালিয়েছে এবং ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ পুনরায় শুরু করেছে। একটি মিডিয়া যানে হামলায় তিন লেবানিজ সাংবাদিক এবং একজন লেবানিজ সৈন্য নিহত হয়েছেন। তাদের সহায়তায় আসা উদ্ধারকর্মীদের ওপর পরবর্তী হামলায় আরও হতাহতের ঘটনা ঘটে।</p>
<p>ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা একজন সাংবাদিককে লক্ষ্যবস্তু করেছে এবং তাকে হিজবুল্লাহর গোয়েন্দা ইউনিটের অংশ বলে অভিযুক্ত করেছে।</p>
<p>শুক্রবার সৌদি আরবে একটি বিমান ঘাঁটিতে আঘাত হানার পর ইরান ইসরায়েল এবং বেশ কয়েকটি উপসাগরীয় দেশে হামলা অব্যাহত রেখেছে। ওই হামলায় ১২ জন মার্কিন সামরিক কর্মী আহত হয়েছে, যাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর। এটি এযাবৎকালের মার্কিন বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম গুরুতর লঙ্ঘন।</p>
<p>নিরাপত্তা সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, রোববার ভোরে এরবিলে ইরাকি কুর্দি শাসক দলের নেতা মাসুদ বারজানির বাসভবনের কাছে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। শনিবার অন্য একটি ড্রোন হামলা ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের প্রেসিডেন্টের বাসভবনকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল।</p>
<p>ইসরায়েল নিশ্চিত করেছে যে, ইয়েমেন থেকে তাদের দিকে একটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। তবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। এই হামলা বিশ্বব্যাপী জাহাজ চলাচলের জন্য একটি নতুন সম্ভাব্য হুমকির ইঙ্গিত দিচ্ছে, যা ইতোমধ্যে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।</p>
<p>হুথি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেছেন, গোষ্ঠীটি ইসরায়েলে দ্বিতীয়বার হামলা চালিয়েছে এবং আরও হামলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। হুথিরা ইয়েমেনের অনেক দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার এবং আরব উপদ্বীপ ও লোহিত সাগরের জাহাজ চলাচলের পথ ব্যাহত করার সক্ষমতা দেখিয়েছে, যেমনটি তারা গাজা যুদ্ধে হামাসের সমর্থনে করেছিল।</p>
<p>নভেম্বরে মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে, এই ক্রমবর্ধমান অপ্রিয় যুদ্ধ ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। তিনি এটি দ্রুত শেষ করতে আগ্রহী বলে মনে হলেও একই সাথে যুদ্ধের তীব্রতা বাড়ানোর হুমকি দিচ্ছেন।</p>
<p>শনিবার যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্প বিরোধী সমাবেশে অংশ নেয়, যাকে আয়োজকরা ইরান যুদ্ধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান হিসেবে বর্ণনা করেছেন।</p>
<p>ইরান যদি হরমুজ প্রণালী খুলে না দেয়, তবে ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং অন্যান্য জ্বালানি অবকাঠামোতে আঘাত হানার হুমকি দিয়েছেন। তবে তিনি এই সপ্তাহের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা আরও ১০ দিন বাড়িয়েছেন।</p>
<p>প্রণালীতে জাহাজে হামলার ইরানি হুমকির কারণে অধিকাংশ তেল ট্যাঙ্কার এই জলপথ ব্যবহারের চেষ্টা থেকে বিরত রয়েছে। পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার বলেছেন, ইরান অতিরিক্ত ২০টি পাকিস্তানি পতাকাবাহী জাহাজকে প্রণালী দিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে, যেখানে প্রতিদিন দুটি জাহাজ যাতায়াত করতে পারবে।</p>
<p>ইসরায়েল ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটমের প্রধান বলেছেন, এই হামলাগুলো পারমাণবিক নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলেছে। পেজেশকিয়ান বলেছেন, &#8220;আমাদের অবকাঠামো বা অর্থনৈতিক কেন্দ্রগুলো লক্ষ্যবস্তু করা হলে ইরান কঠোর প্রতিশোধ নেবে।&#8221;</p>
<p>কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ওমানসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের একাধিক এলাকায় ইরানি হামলার খবর পাওয়া গেছে। জেরুজালেমের কাছে ইসরায়েলি গ্রাম এশতাওলে ইরানের বিমান হামলায় সাতজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বাহরাইনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, শনিবার ইরানি হামলায় &#8216;অ্যালুমিনিয়াম বাহরাইন&#8217;-এর স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মার্কিন মুলুক জুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%95-%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 29 Mar 2026 06:25:15 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ববাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[ইরান যুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[ইরানে মার্কিন হামলা]]></category>
		<category><![CDATA[ইরানে হামলা]]></category>
		<category><![CDATA[ট্রাম্প]]></category>
		<category><![CDATA[বিক্ষোভ]]></category>
		<category><![CDATA[মার্কিন মুলুক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=10062</guid>

					<description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার আয়োজিত এসব কর্মসূচিতে বিক্ষোভকারীরা তার ‘স্বৈরাচারী’ শাসনব্যবস্থা, কঠোর অভিবাসন নীতি এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে এমনটি বলা হয়েছে। আয়োজকদের দাবি অনুযায়ী, বড় শহর থেকে শুরু করে ছোট মফস্বলসহ যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের তিন হাজার ৩০০টিরও [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার আয়োজিত এসব কর্মসূচিতে বিক্ষোভকারীরা তার ‘স্বৈরাচারী’ শাসনব্যবস্থা, কঠোর অভিবাসন নীতি এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।</strong></p>
<p>বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে এমনটি বলা হয়েছে।</p>
<p>আয়োজকদের দাবি অনুযায়ী, বড় শহর থেকে শুরু করে ছোট মফস্বলসহ যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের তিন হাজার ৩০০টিরও বেশি কর্মসূচিতে অন্তত ৮০ লাখ মানুষ অংশ নেন। তবে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জাতীয়ভাবে বিক্ষোভকারীদের সংখ্যার কোনো আনুষ্ঠানিক হিসাব দেওয়া হয়নি।</p>
<p>এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এটি ছিল তৃতীয় ঘটনা যেখানে মার্কিনীরা ‘নো কিংস’ নামে একটি তৃণমূল আন্দোলনের ডাকে রাজপথে নামেন। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুরু হওয়ার পর থেকে তার বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা বিরোধিতার সবচেয়ে সোচ্চার ও প্রত্যক্ষ মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে এই আন্দোলন।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের জনবহুল শহর নিউইয়র্কে কয়েক হাজার মানুষের প্রতিবাদ মিছিলে শামিল হন অস্কারজয়ী অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো। সেখানে তিনি ট্রাম্পকে দেশের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার জন্য এক ‘অস্তিত্বের হুমকি’ বলে আখ্যা দেন।</p>
<p>বিক্ষোভের ঢেউ আটলান্টা থেকে সান ডিয়েগো পর্যন্ত আছড়ে পড়ে। দিনের শেষভাগে আলাস্কার বাসিন্দারাও এই প্রতিবাদে শামিল হন।</p>
<p>আটলান্টার সমাবেশে যোগ দেওয়া ৩৬ বছর বয়সী সাবেক সেনাসদস্য মার্ক ম্যাককাহি এএফপিকে বলেন, ‘জনগণের সম্মতি ছাড়া কোনো দেশ চলতে পারে না।’ সেখানেও কয়েক হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, আমরা এখানে রাস্তায় নেমেছি, কারণ আমাদের মনে হচ্ছে সংবিধান নানাভাবে হুমকির মুখে পড়েছে। পরিস্থিতি এখন আর স্বাভাবিক নেই; যা ঘটছে তা মোটেও মেনে নেওয়ার মতো নয়।</p>
<p>ডেট্রয়েটের কাছাকাছি মিশিগানের ওয়েস্ট ব্লুমফিল্ড শহরে হিমাঙ্কের নিচের তীব্র শীত উপেক্ষা করেই প্রতিবাদ জানাতে রাজপথে নামে সাধারণ মানুষ।</p>
<p>এদিকে মার্কিন রাজধানী ওয়াশিংটনেও হাজার হাজার মানুষ পদযাত্রা করেন। তাদের অনেকের হাতে থাকা ব্যানারে বড় করে লেখা ছিল— ‘ট্রাম্পকে এখনই ক্ষমতা ছাড়তে হবে!’; ‘ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করো’। বিক্ষোভকারীরা রাজধানীর ন্যাশনাল মল এলাকায় জড়ো হয়ে সমাবেশ করেন।</p>
<p>৬৭ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত রবার্ট পাভোসেভিচ এএফপিকে বলেন, তিনি শুধু একের পর এক মিথ্যা বলেই যাচ্ছেন, অথচ কেউ কোনো প্রতিবাদ করছে না। আমরা এখন এক ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছি।</p>
<p>সাপ্তাহিক ছুটির এই দিনে ট্রাম্প ছিলেন ফ্লোরিডায়।</p>
<p>ট্রাম্পবিরোধী এই গণজোয়ার মার্কিন সীমান্ত ছাড়িয়ে বিদেশের মাটিতেও আছড়ে পড়েছে। শনিবার ইউরোপের আমস্টারডাম, মাদ্রিদ ও রোমসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। ইতালির রোমে কড়া পুলিশি পাহারার মধ্যে প্রায় ২০ হাজার মানুষ পদযাত্রায় অংশ নেন।</p>
<p>আমাদের আরও গভীরভাবে যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলা হয়েছে</p>
<p>গত বছরের জুনে ট্রাম্পের ৭৯তম জন্মদিনে প্রথমবারের মতো দেশজুড়ে ‘নো কিংস’ প্রতিবাদ দিবস পালিত হয়। ওই দিনটি ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের আয়োজিত একটি সামরিক কুচকাওয়াজের সাথে মিলে গিয়েছিল। নিউইয়র্ক থেকে সান ফ্রান্সিসকো পর্যন্ত কয়েক মিলিয়ন মানুষ সেই প্রতিবাদে অংশ নিয়েছিলেন।</p>
<p>আয়োজকদের মতে, অক্টোবরে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় প্রতিবাদে প্রায় ৭০ লাখ মানুষ অংশ নেন। তারা জানান, শনিবারের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা আরও ১০ লাখ বেড়েছে এবং বিক্ষোভের সংখ্যাও আগের চেয়ে বেড়েছে ৬০০টিরও বেশি।</p>
<p>‘মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন’ আন্দোলনের অনুসারীরা ট্রাম্পকে যেমন ভক্তি করেন, ঠিক তেমনি আমেরিকার বিশাল রাজনৈতিক মেরুকরণের অন্য প্রান্তের মানুষ তাকে সমানভাবে অপছন্দ করেন।</p>
<p>ট্রাম্পের জনপ্রিয়তার হার ৪০ শতাংশের নিচে নেমে গেছে। সামনেই নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচন, যেখানে তার দল রিপাবলিকান পার্টি কংগ্রেসের উভয় কক্ষের (সিনেট ও হাউজ) নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে।</p>
<p>বিরোধীরা ট্রাম্পের একতরফা ফরমান জারি করে দেশ চালানোর বাতিক এবং রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের ঘায়েল করতে বিচার বিভাগকে ঢাল হিসেবে ব্যবহারের নিন্দা জানাচ্ছেন।</p>
<p>এ ছাড়া পরিবেশ রক্ষায় অনীহা ও জীবাশ্ম জ্বালানির প্রতি বিশেষ অনুরাগ এবং শান্তির বুলি আউড়ে ক্ষমতায় এসে মার্কিন সামরিক পেশিশক্তি প্রদর্শনের নেশারও তীব্র সমালোচনা করছেন তারা।</p>
<p>‘নো কিংস’ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত সাবেক সেনাদের সংগঠন ‘কমন ডিফেন্স’—এর নাভিদ শাহ বলেন, আমাদের গত পদযাত্রার পর থেকে এই প্রশাসন আমাদের আরও গভীরভাবে যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলেছে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, দেশের ভেতরে আমরা দেখেছি রাজপথে সামরিকায়িত বাহিনীর হাতে সাধারণ মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে। আমরা দেখেছি কীভাবে পরিবারগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে এবং অভিবাসী সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। এসব কিছুই করা হচ্ছে একজন মানুষের নামে, যিনি রাজার মতো দেশ শাসন করতে চাইছেন।</p>
<p>মিনেসোটায় ট্রাম্পের কট্টর সমালোচক ও কিংবদন্তি রকার ব্রুস স্প্রিংস্টিন</p>
<p>আয়োজকদের তথ্যমতে, বড় শহর থেকে শুরু করে শহরতলী ও গ্রামাঞ্চল—এমনকি উত্তর মেরু অঞ্চলের (সুমেরু বৃত্ত) আলাস্কার কোটজেবু শহরেও বিক্ষোভ হয়েছে। তবে এসবের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য মিনেসোটা।</p>
<p>মিনিয়াপোলিস ও সেন্ট পল—এই টুইন সিটিতে অভিবাসীদের ওপর ট্রাম্পের সহিংস দমন-পীড়ন নিয়ে জাতীয় বিতর্কের মূল কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।</p>
<p>মার্কিন বামপন্থী রাজনীতিক বার্নি স্যান্ডার্স মিনেসোটার সমাবেশে বক্তব্য দেন। তিনি সমবেত জনতার উদ্দেশে বলেন, আমরা এমন একজন প্রেসিডেন্টকে কখনোই মেনে নেব না, যিনি একজন জন্মগত মিথ্যাবাদী (প্যাথলজিক্যাল লায়ার), চোর (ক্লেপ্টোক্র্যাট) এবং চরম আত্মমুগ্ধ (নার্সিসিস্ট); যিনি প্রতিদিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান ও আইনের শাসনকে অবজ্ঞা করছেন।</p>
<p>ট্রাম্পের কট্টর সমালোচক ও কিংবদন্তি রকার ব্রুস স্প্রিংস্টিন মিনেসোটার রাজধানী সেন্ট পলে তার ‘স্ট্রিটস অব মিনিয়াপোলিস’ গানটি গেয়ে শোনান। সেখানে তখন কয়েক হাজার মানুষের সমাগম হয়েছিল।</p>
<p>স্প্রিংস্টিন এই প্রতিবাদী গানটি (ব্যালাড) মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখে রেকর্ড করেছিলেন। গত জানুয়ারিতে ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির প্রতিবাদে চলা আন্দোলনের সময় ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে নিহত দুই মার্কিন নাগরিক—রেনি গুড এবং অ্যালেক্স প্রেটির স্মরণে তিনি গানটি তৈরি করেন।</p>
<p>গান শুরু করার ঠিক আগে স্প্রিংস্টিন বলেন, তাদের সাহসিকতা, তাদের আত্মত্যাগ এবং তাদের নাম কখনোই বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যাবে না।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
