<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>কোরআনের আয়াত &#8211; বিজনেস টাইমস: ব্যবসা-বাণিজ্য ও উন্নয়ন চিত্রের গণমাধ্যম</title>
	<atom:link href="https://businesstimes.com.bd/tag/%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a4/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://businesstimes.com.bd</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Sun, 05 Jul 2026 16:47:49 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.1.3</generator>

<image>
	<url>https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2024/11/cropped-bt-favicon-32x32.jpg</url>
	<title>কোরআনের আয়াত &#8211; বিজনেস টাইমস: ব্যবসা-বাণিজ্য ও উন্নয়ন চিত্রের গণমাধ্যম</title>
	<link>https://businesstimes.com.bd</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>ইরানের ‘জানাজা কূটনীতি’: কোরআনের আয়াতে আয়াতে মিত্র-প্রতিদ্বন্দ্বীদের বার্তা</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a7%82%e0%a6%9f%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 05 Jul 2026 16:47:49 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[স্পটলাইট]]></category>
		<category><![CDATA[আলী খামেনি]]></category>
		<category><![CDATA[ইরান]]></category>
		<category><![CDATA[কূটনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[কোরআনের আয়াত]]></category>
		<category><![CDATA[জানাজা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=10325</guid>

					<description><![CDATA[তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির কফিনের সামনে শ্রদ্ধা জানাতে যখন সৌদি প্রতিনিধি দল এগিয়ে আসে, তখন তাদের সামনে যে কোরআন তিলাওয়াত করা হয়, তা কারও নজর এড়ায়নি। তিলাওয়াত করা হয়েছিল সূরা আলে ইমরান (৩:১৩)-এর সেই আয়াত, যেখানে বদরের যুদ্ধের বর্ণনা রয়েছে। সেখানে দেখানো হয়েছে, কীভাবে সংখ্যায় অনেক কম এবং দুর্বলভাবে সজ্জিত মুসলিম [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির কফিনের সামনে শ্রদ্ধা জানাতে যখন সৌদি প্রতিনিধি দল এগিয়ে আসে, তখন তাদের সামনে যে কোরআন তিলাওয়াত করা হয়, তা কারও নজর এড়ায়নি।</strong></p>
<p>তিলাওয়াত করা হয়েছিল সূরা আলে ইমরান (৩:১৩)-এর সেই আয়াত, যেখানে বদরের যুদ্ধের বর্ণনা রয়েছে। সেখানে দেখানো হয়েছে, কীভাবে সংখ্যায় অনেক কম এবং দুর্বলভাবে সজ্জিত মুসলিম বাহিনী &#8220;আল্লাহর ইচ্ছায়&#8221; একটি বৃহৎ সেনাবাহিনীকে পরাজিত করেছিল। অনেকের মতে, এটি ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ থেকে ইরানের বিজয়ের প্রতীকী ইঙ্গিত।</p>
<p>৬২৪ খ্রিস্টাব্দে বর্তমান সৌদি আরবের ভূখণ্ডে বদরের যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। তাই প্রশ্ন উঠেছে—এই আয়াতের তিলাওয়াত কি সৌদি আরবের প্রতি প্রশংসা, নাকি বিদ্রূপ, নাকি উভয়ই? তবে এটি যে আকস্মিকভাবে নির্বাচিত হয়নি, তা স্পষ্ট।</p>
<p>উদারভাবে ব্যাখ্যা করলে, এই আয়াত ইসলামের প্রথম বিজয়গুলোর একটি এবং তেহরান ও রিয়াদের মধ্যে বিদ্যমান যৌথ ইসলামী সভ্যতার স্মৃতির প্রতি ইঙ্গিত করে।</p>
<p>কিন্তু বাস্তবতা হলো, ইরান শুধু এই যুদ্ধ থেকে টিকে যায়নি; অনেকের মতে, আরও শক্তিশালী হয়ে বেরিয়ে এসেছে। এমনকি হরমুজ প্রণালীর ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এখন প্রায় নিশ্চিত বাস্তবতায় পরিণত হওয়ার পথে।</p>
<p>অন্যদিকে, পুরো যুদ্ধজুড়ে সৌদি আরব নীরবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখেছিল এবং কিছু প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, গোপনভাবে ইরানের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ নিয়েছিল।</p>
<p>এই প্রেক্ষাপটে আয়াতটির অর্থ আরও তীক্ষ্ণ হয়ে ওঠে। রিয়াদ হয় যুদ্ধের বাইরে ছিল, অথবা উল্লিখিত প্রতিবেদনের মতে, ইরানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল; অন্যদিকে ইসরায়েল পুরো অঞ্চলকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিতে চেয়েছিল।</p>
<p>এদিকে ইরান নিজের শত্রুদের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে লড়েছে এবং প্রতীকী অর্থে তাদের খুব কাছাকাছি অবস্থানকারীদের বিরুদ্ধেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।</p>
<p>সৌদি আরব একমাত্র উপস্থিত দেশ ছিল না; বরং ৩০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি দল প্রয়াত নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিল।</p>
<p>এই কূটনৈতিক উপস্থিতির তালিকাই ইরানের জন্য এক ধরনের শক্তির প্রদর্শনী হয়ে ওঠে। এর মাধ্যমে তেহরান দেখাতে চেয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল যেভাবে ইরানকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হিসেবে তুলে ধরতে চায়, বাস্তবে দেশটি ততটা একঘরে নয়।</p>
<p>৮৬ বছর বয়সী আলী খামেনি ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানের কেন্দ্রস্থলে তাঁর বাসভবনে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হন। ওই হামলায় তাঁর ১৪ মাস বয়সী নাতনি, জামাতা ও পুত্রবধূও নিহত হন।</p>
<p>তাঁর মরদেহ তিন দিন ধরে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় রাখা হয়। এটি দেশের সবচেয়ে বড় নামাজের কমপ্লেক্স এবং গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান স্থান।</p>
<p>এই জানাজা ছিল ধর্মীয় অনুষ্ঠান, তবে একই সঙ্গে রাষ্ট্রের এক কৌশলগত মঞ্চও। ইরান এটি ব্যবহার করেছে দেশের জনগণকে বোঝাতে যে রাষ্ট্র এখনো বিজয় ও শোক—উভয় সময়েই জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করতে সক্ষম; মিত্রদের আশ্বস্ত করতে যে তেহরান ভেঙে পড়েনি; বিশ্বশক্তিগুলোকে দেখাতে যে দেশটি ধ্বংস হয়নি; এবং প্রতিদ্বন্দ্বীদের স্মরণ করিয়ে দিতে যে তাদের অবস্থান ইরান ভুলে রাখেনি।</p>
<p>প্রতিনিধি দলগুলোর জন্য নির্বাচিত কোরআনের আয়াতগুলোও ছিল প্রতীকী বার্তা। এগুলোর মাধ্যমে ইরান বোঝাতে চেয়েছে, তারা কী উদ্দেশ্যে যুদ্ধ করেছে এবং তেহরানের দৃষ্টিতে কোন সরকার কোথায় অবস্থান করছে।</p>
<p>আয়াতগুলো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে একটি স্পষ্ট স্তরবিন্যাস চোখে পড়ে।</p>
<p>&#8216;প্রতিরোধের অক্ষ&#8217;—যা এখন বিজয়ের প্রতীক</p>
<p>হামাস, ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদ, হিজবুল্লাহ, ইয়েমেনের হুথি আন্দোলন, ইরাকের হাশদ আল-শাবি এবং আফগানিস্তানের তালেবান—এসব গোষ্ঠীর জন্য নির্বাচিত আয়াতগুলোর মূল বিষয় ছিল শাহাদাত, আল্লাহর সঙ্গে অটুট অঙ্গীকার এবং বিজয়।</p>
<p>হামাসের জন্য তিলাওয়াত করা হয় এমন একটি আয়াত, যেখানে বলা হয়েছে—</p>
<p>&#8220;এমন কিছু মানুষ রয়েছে যারা আল্লাহর সঙ্গে করা অঙ্গীকার সত্যভাবে পালন করেছে। তাদের কেউ অঙ্গীকার পূর্ণ করেছে, কেউ অপেক্ষায় আছে, কিন্তু কেউই নিজেদের অঙ্গীকার পরিবর্তন করেনি।&#8221;</p>
<p>হিজবুল্লাহর জন্য পাঠ করা আয়াতে বলা হয়, প্রকৃত মুমিনদের জন্য রয়েছে &#8220;প্রাধান্য&#8221; বা বিজয়। সেখানে যুদ্ধের সাময়িক ক্ষতিকে আল্লাহর নির্ধারিত পরীক্ষার অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে, যার মাধ্যমে তিনি শহীদ নির্বাচন করেন এবং বিশ্বস্তদের প্রকাশ করেন।</p>
<p>ইয়েমেনের হুথিদের জন্য নির্বাচন করা হয় সূরা আল-ফাতহ, আয়াত ২৯। এতে আনুগত্য, শৃঙ্খলা এবং চাপের মধ্যেও বিকশিত হওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে।</p>
<p>আয়াতে রাসুল মুহাম্মদের (সা.) সাহাবিদের সম্পর্কে বলা হয়েছে—</p>
<p>&#8220;তারা কাফিরদের বিরুদ্ধে কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি দয়ালু।&#8221;</p>
<p>এই ভাষা আন্দোলনটিকে শত্রুদের বিরুদ্ধে দৃঢ় কিন্তু নিজেদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ হিসেবে উপস্থাপন করে।</p>
<p>ইরাকের হাশদ আল-শাবি এবং ইরাকের জন্য সামগ্রিকভাবে পাঠ করা হয় সেই সুপরিচিত আয়াত—</p>
<p>&#8220;যারা আল্লাহর পথে নিহত হয়েছে, তাদের মৃত মনে করো না; তারা জীবিত, তবে তোমরা তা উপলব্ধি করতে পারো না।&#8221;</p>
<p>ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদ ও তালেবান—উভয়ের জন্যই সূরা আল-ফাতহর সূচনাংশ পাঠ করা হয়—</p>
<p>&#8220;আমি তোমাকে সুস্পষ্ট বিজয় দান করেছি।&#8221;</p>
<p>যেখানে অতীত ও ভবিষ্যতের ত্রুটি ক্ষমা এবং আল্লাহর অনুগ্রহ পূর্ণ হওয়ার কথা বলা হয়েছে।</p>
<p>ফিলিস্তিনি ও আফগান—দুটি ভিন্ন আন্দোলনের জন্য একই আয়াত নির্বাচন ইঙ্গিত দেয় যে, তেহরানের আদর্শিক দৃষ্টিভঙ্গিতে তাদের অবস্থান একই স্তরে। অথবা এটি এমনও বোঝাতে পারে যে, তালেবানের মতো যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এবং এখন ইরানের মতো, ফিলিস্তিনিরাও একদিন ইসরায়েলি দখলের বিরুদ্ধে বিজয় অর্জন করতে পারে।</p>
<p>রাষ্ট্রভিত্তিক মিত্ররা</p>
<p>রাশিয়া, চীন, ভারত এবং মিশরের দ্বিতীয় তিলাওয়াত ছিল তুলনামূলকভাবে শান্ত স্বরের। এগুলো যুদ্ধের পরিবর্তে ন্যায়পরায়ণতা, আশ্বাস এবং পুরস্কারের বার্তা বহন করছিল।</p>
<p>রাশিয়ার জন্য পাঠ করা আয়াতে বলা হয়—</p>
<p>&#8220;পরকালের স্থায়ী আবাস তাদের জন্য, যারা পৃথিবীতে অহংকার ও বিপর্যয় সৃষ্টি করতে চায় না। শেষ পরিণতি মুত্তাকিদের জন্য।&#8221;</p>
<p>চীনের জন্য আরও কোমল ভাষার আয়াত নির্বাচন করা হয়—</p>
<p>&#8220;আল্লাহ এটিকে তোমাদের জন্য সুসংবাদ এবং অন্তরের প্রশান্তির কারণ করেছেন। বিজয় কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে।&#8221;</p>
<p>ভারতের জন্য পাঠ করা হয় একই আয়াতের একটি অংশ, যা হিজবুল্লাহর জন্যও ব্যবহৃত হয়েছিল—</p>
<p>&#8220;দুর্বল হয়ো না এবং দুঃখ করো না।&#8221;</p>
<p>তবে এখানে শহীদ বা অবিশ্বাসীদের প্রসঙ্গ বাদ দেওয়া হয়েছিল।</p>
<p>মিশরের দ্বিতীয় তিলাওয়াতে বলা হয়—</p>
<p>&#8220;যারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে, তারাই সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ।&#8221;</p>
<p>তাদের জন্য আল্লাহর সন্তুষ্টিসহ জান্নাতের প্রতিশ্রুতিও উল্লেখ করা হয়।</p>
<p>এই দেশগুলো তেহরানে উপস্থিত হয়ে ইরানকে কূটনৈতিক বৈধতা দিলেও, তাদেরকে ইরানের &#8220;প্রতিরোধের অক্ষ&#8221;-এর অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়নি। বরং নির্বাচিত আয়াতগুলো ছিল ঘনিষ্ঠ অংশীদারদের প্রতি কৃতজ্ঞতার বার্তা, যাদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে ইরান আগ্রহী—যুদ্ধে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান নয়।</p>
<p>আঞ্চলিক অংশীদাররা</p>
<p>কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান এবং মিশরের প্রথম তিলাওয়াত ছিল মাঝামাঝি অবস্থানের প্রতিফলন। তাদের প্রশংসা করা হয়েছে, স্বাগত জানানো হয়েছে, কিন্তু প্রতিরোধ শিবিরের অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়নি।</p>
<p>গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পরিচিত কাতারও সূরা আল-ফাতহর সেই &#8220;সুস্পষ্ট বিজয়&#8221;-এর আয়াত পেয়েছে, যা ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদ ও তালেবানের জন্যও ব্যবহৃত হয়েছিল। তবে এখানে এর অর্থ ছিল কূটনৈতিক সমর্থনের স্বীকৃতি, যুদ্ধের আহ্বান নয়।</p>
<p>তুরস্কের জন্য নির্বাচিত আয়াতে বলা হয়—</p>
<p>&#8220;যারা নিজেদের সম্পদ ও জীবন দিয়ে সংগ্রাম করে, তারা পিছিয়ে থাকা লোকদের চেয়ে মর্যাদায় উচ্চ।&#8221;</p>
<p>যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই আঙ্কারা জানিয়ে দিয়েছিল যে তারা সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেবে না। তবে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান সতর্ক করেছিলেন যে ইসরায়েল &#8220;যুদ্ধে আসক্ত&#8221; এবং পুরো অঞ্চলে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে চায়।</p>
<p>পাকিস্তানের জন্য নির্বাচিত হয় একটি ব্যক্তিগত দোয়া—</p>
<p>&#8220;হে আমার রব, আমাকে সম্মানজনকভাবে প্রবেশ করাও এবং সম্মানজনকভাবে বের করো।&#8221;</p>
<p>যুদ্ধের শুরু থেকেই ইসলামাবাদ, দোহার সঙ্গে মিলে, কূটনৈতিক প্রচেষ্টার নেতৃত্ব দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ক ব্যবহার করে তারা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা করে—যা ইসরায়েলের জন্য ছিল বিরক্তিকর।</p>
<p>মিশরের প্রথম আয়াতে পরহেজগারদের জন্য &#8220;চিরস্থায়ী জান্নাত&#8221;-এর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। সেখানে যুদ্ধের কোনো চিত্রই ছিল না।</p>
<p>এই দেশগুলো এমন সরকার, যারা একদিকে বাণিজ্য, মধ্যস্থতা বা আঞ্চলিক রাজনীতির মাধ্যমে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখে; অন্যদিকে সশস্ত্র আদর্শিক প্রতিরোধ জোটের অংশ হিসেবে নিজেদের পরিচিত করতে চায় না।</p>
<p>এখানে লেবাননের সরকারের প্রতিও একটি পরোক্ষ ভর্ৎসনা লক্ষ্য করা যায়, বিশেষ করে যখন হিজবুল্লাহর জন্য বরাদ্দ প্রশংসাসূচক আয়াতের সঙ্গে এটি তুলনা করা হয়।</p>
<p>লেবাননের রাষ্ট্রের জন্য ইরান পাঠ করে সূরা আন-নিসা, আয়াত ৬৬—</p>
<p>&#8220;যদি আমি তাদের ওপর আত্মত্যাগ বা নিজেদের ঘরবাড়ি ত্যাগ করার নির্দেশ দিতাম, তবে অল্প কয়েকজন ছাড়া কেউ তা পালন করত না। আর যদি তারা তাদের উপদেশ অনুযায়ী কাজ করত, তবে তা তাদের জন্য আরও উত্তম ও অধিক স্থিতিশীল হতো।&#8221;</p>
<p>প্রসঙ্গ বিবেচনায় এই আয়াতটি এক ধরনের তিরস্কার হিসেবেই প্রতীয়মান হয়। সমালোচকদের অভিযোগ, লেবাননের সরকার দেশটিতে ইসরায়েলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রতিরোধ গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়েছে; বরং ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে হিজবুল্লাহর পাল্টা হামলার সমালোচনা করেছে।</p>
<p>এই আয়াতের মাধ্যমে ইরান যেন লেবাননের আনুষ্ঠানিক সরকারের উদ্দেশ্যে আনুগত্য, আত্মত্যাগ এবং কঠিন সময়ে প্রয়োজনীয় ত্যাগ স্বীকারে অনীহার বিষয়টি প্রতীকীভাবে তুলে ধরেছে।</p>
<p><strong>সূত্র:</strong> মিডল ইস্ট আই</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
