<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>বিশ্বব্যাংক &#8211; বিজনেস টাইমস: ব্যবসা-বাণিজ্য ও উন্নয়ন চিত্রের গণমাধ্যম</title>
	<atom:link href="https://businesstimes.com.bd/tag/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%95/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://businesstimes.com.bd</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Thu, 15 Jan 2026 05:08:42 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0</generator>

<image>
	<url>https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2024/11/cropped-bt-favicon-32x32.jpg</url>
	<title>বিশ্বব্যাংক &#8211; বিজনেস টাইমস: ব্যবসা-বাণিজ্য ও উন্নয়ন চিত্রের গণমাধ্যম</title>
	<link>https://businesstimes.com.bd</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>চলতি অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হবে ৪.৬ শতাংশ, বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Jan 2026 05:08:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[জিডিপির প্রবৃদ্ধি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্বব্যাংক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=9425</guid>

					<description><![CDATA[চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৪. ৬ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। তবে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এই প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৬.১ শতাংশে দাঁড়াতে পারে।বাংলা সফটওয়্যার বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয় থেকে পাঠানো ‘গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টাস’-এর জানুয়ারি সংস্করণে বাংলাদেশের অর্থনীতির এই চিত্র তুলে ধারা হয়। বিশ্বব্যাংক বলছে, মানুষের ভোগ ব্যয় [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৪. ৬ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। তবে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এই প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৬.১ শতাংশে দাঁড়াতে পারে।বাংলা সফটওয়্যার</strong></p>
<p>বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয় থেকে পাঠানো ‘গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টাস’-এর জানুয়ারি সংস্করণে বাংলাদেশের অর্থনীতির এই চিত্র তুলে ধারা হয়।</p>
<p>বিশ্বব্যাংক বলছে, মানুষের ভোগ ব্যয় বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতির চাপ কমে আসায় অর্থনীতির গতি ফিরবে।</p>
<p>প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬ সালের শুরুতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কমবে। এর ফলে নতুন সরকার এসে প্রয়োজনীয় কাঠামোগত সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করতে পারবে, যা দেশের শিল্প খাতকে শক্তিশালী করবে। এসব প্রত্যাশার ওপর ভিত্তি করেই প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়েছে সংস্থাটি।</p>
<p>প্রতিবেদনে ইতিবাচক পূর্বাভাসের পাশাপাশি কিছু ঝুঁকির কথাও বলা হয়েছে।</p>
<p>বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হবে ভুটানে (৭.৩%)। অন্যান্য দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে— ভারতে ৬.৫ শতাংশ, বাংলাদেশে ৪.৬ শতাংশ, মালদ্বীপে ৩.৯ শতাংশ, শ্রীলঙ্কায় ৩.৫ শতাংশ এবং নেপালে ২.১ শতাংশ। তবে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস প্রতিবেদনে দেয়নি বিশ্বব্যাংক।</p>
<p>বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) জিডিপি প্রবৃদ্ধির একটি সাময়িক হিসাব প্রকাশ করেছে। বিবিএসের তথ্যমতে, এই তিন মাসে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪.৫ শতাংশ।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>তরুণদের কর্মসংস্থানে আরও ১৫০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a3%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%93/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 24 Dec 2025 09:39:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উন্নয়ন-পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[কর্মসংস্থান]]></category>
		<category><![CDATA[ডলার]]></category>
		<category><![CDATA[তরুণ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্বব্যাংক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=8958</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশের নিম্ন আয়ের তরুণ এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সুযোগ বাড়াতে ১৫ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার (১৫০ দশমিক ৭৫ মিলিয়ন) ডলারের অর্থ সহায়তা অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক। এতে নারী এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদেরও ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। আজ বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। &#8216;রিকভারি অ্যান্ড [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>বাংলাদেশের নিম্ন আয়ের তরুণ এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সুযোগ বাড়াতে ১৫ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার (১৫০ দশমিক ৭৫ মিলিয়ন) ডলারের অর্থ সহায়তা অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক। এতে নারী এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদেরও ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।</strong></p>
<p>আজ বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p>
<p>&#8216;রিকভারি অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট অব ইনফরমাল সেক্টর এমপ্লয়মেন্ট&#8217; (রেইজ) প্রকল্পের আওতায় এই অতিরিক্ত অর্থায়ন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সারা দেশে আরও প্রায় ১ লাখ ৭৬ হাজার তরুণের জন্য কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগ তৈরি হবে। এর আগে এই প্রকল্পের সুবিধাভোগী ছিলেন ২ লাখ ৩৩ হাজার জন।</p>
<p>অংশগ্রহণকারীরা দক্ষতা প্রশিক্ষণ, শিক্ষানবিশ কর্মসূচি (অ্যাপ্রেন্টিসশিপ), উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং মাইক্রোফাইন্যান্স বা ক্ষুদ্রঋণ সুবিধাসহ একটি সমন্বিত প্যাকেজ পাবেন। এটি তরুণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের কর্মসংস্থান এবং ব্যবসার প্রবৃদ্ধির বাধাগুলো কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে। এছাড়া নারীর ক্ষমতায়নে মানসম্মত শিশুযত্ন বা চাইল্ড কেয়ার সুবিধা এবং জলবায়ু অভিঘাত মোকাবিলায় সহনশীল জীবিকার উদ্ভাবনী পদ্ধতিও এতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।</p>
<p>বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর গেইল মার্টিন বলেন, &#8216;একটি ভালো চাকরি একজন ব্যক্তির জীবন, পরিবার এবং সমাজকে বদলে দিতে পারে। অথচ প্রতি বছর শ্রমবাজারে প্রবেশ করা অনেক বাংলাদেশি তরুণ কাজ খুঁজে পান না। এছাড়া চাকরির গুণগত মান, দক্ষতার ঘাটতি এবং অসামঞ্জস্যতার মতো চ্যালেঞ্জও রয়েছে।&#8217;</p>
<p>তিনি আরও বলেন, &#8216;এই অতিরিক্ত অর্থায়ন নিম্ন আয়ের পরিবারের তরুণদের, বিশেষ করে নারী ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য বাজার-চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা, সম্পদ এবং প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দেবে, যা তাদের উন্নত কর্মসংস্থান ও জীবিকার পথ দেখাবে।&#8217;</p>
<p>বিশ্বব্যাংক বলছে, এই অর্থায়ন প্রকল্পটিকে শহুরে কেন্দ্রের বাইরে গ্রামীণ জনপদে বিস্তৃত করতে সহায়তা করবে। এর ফলে সারা দেশের প্রান্তিক তরুণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা এর সুফল পাবেন। নারীদের জন্য প্রশিক্ষণ ও স্টার্ট-আপ অনুদান প্রদানের মাধ্যমে মানসম্মত এবং সাশ্রয়ী &#8216;হোম-বেসড&#8217; চাইল্ড কেয়ার বা শিশুযত্ন সেবার পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালু করা হবে।</p>
<p>সংস্থাটি জানায়, শিশুযত্নের চাহিদা ও জোগান—উভয় দিক বিবেচনা করে নেওয়া এসব উদ্যোগ নারীদের শ্রমশক্তির অংশগ্রহণ বাড়াবে এবং কেয়ার সেক্টরে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করবে। পাশাপাশি এটি শিশুদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য ও বিকাশেও ভূমিকা রাখবে। এছাড়া নারীদের আত্মবিশ্বাস ও ক্ষমতায়ন বাড়াতে তাদের জীবনমুখী দক্ষতা বা লাইফ স্কিলস প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। এই অতিরিক্ত অর্থায়নের মাধ্যমে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি চাকরি মেলার আয়োজন, নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে প্রার্থীদের সংযোগ ঘটিয়ে দেওয়া এবং নেগোসিয়েশন বা দরকষাকষিতে সহায়তার মতো কাজগুলোও করা হবে।</p>
<p>বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ সোশ্যাল প্রোটেকশন ইকোনমিস্ট এবং প্রকল্পের টিম লিডার আনিকা রহমান বলেন, &#8216;রেইজ প্রকল্প প্রমাণ করেছে যে, লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা তরুণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জীবনে প্রকৃত পরিবর্তন আনতে পারে। এই নতুন অর্থায়নের মাধ্যমে আমরা সফল কার্যক্রমগুলো আরও বড় পরিসরে ছড়িয়ে দিতে পারব, ক্ষুদ্রঋণের সুযোগ বাড়াতে পারব এবং মানসম্মত শিশুযত্নের মতো উদ্ভাবনী সমাধান আনতে পারব। এতে আরও বেশি তরুণ ও নারী তাদের সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে একটি টেকসই ভবিষ্যৎ গড়তে সক্ষম হবেন।&#8217;</p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রকল্পটি ইতিমধ্যে দারুণ সাফল্য দেখিয়েছে। গ্রাজুয়েট শিক্ষানবিশদের ৮০ শতাংশেরও বেশি কর্মসূচি শেষ করার তিন মাসের মধ্যে চাকরি পেয়েছেন। এছাড়া তরুণ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আয় এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমেও উন্নতির খবর পাওয়া গেছে।</p>
<p>২০২১ সালে যাত্রার পর থেকে রেইজ প্রকল্প কোভিডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ হাজারেরও বেশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাকে রিকভারি ঋণ ও প্রশিক্ষণ সহায়তা দিয়েছে। এছাড়া আড়াই লাখের বেশি বিদেশফেরত অভিবাসীকে পুনর্বাসন সহায়তার জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। ১ লাখ ২২ হাজার সুবিধাভোগীকে অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তিমূলক সেবা দেওয়া হয়েছে, যার ৫৫ শতাংশই নারী। এই অতিরিক্ত অর্থায়নের ফলে রেইজ প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের মোট সহায়তার পরিমাণ দাঁড়াল ৩৫০ দশমিক ৭৫ মিলিয়ন ডলারে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা ৪.৮ শতাংশ, বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%a6/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 07 Oct 2025 08:08:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[জিডিপি প্রবৃদ্ধি]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্বব্যাংক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=7845</guid>

					<description><![CDATA[চলমান উচ্চ মূল্যস্ফীতির পরেও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৮ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। আজ মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) ঢাকায় বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ অফিসে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এই পূর্বাভাস তুলে ধরা হয়। সংস্থাটি জানায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে অর্থনীতিতে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটলেও বছরের পরের প্রান্তিকে অর্থনৈতিক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>চলমান উচ্চ মূল্যস্ফীতির পরেও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৮ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।</strong></p>
<p>আজ মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) ঢাকায় বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ অফিসে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এই পূর্বাভাস তুলে ধরা হয়।</p>
<p>সংস্থাটি জানায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে অর্থনীতিতে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটলেও বছরের পরের প্রান্তিকে অর্থনৈতিক কার্যক্রমে গতি ফিরে এসেছে। বৈদেশিক খাতের চাপ হ্রাস, রিজার্ভে স্থিতিশীলতা এবং মুদ্রাস্ফীতির ধীরগতির কারণে সামগ্রিক অর্থনীতিতে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। এর ফলে চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ৪.৮ শতাংশে দাঁড়াবে এবং আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তা বাড়তে পারে ৬.৩ শতাংশে।</p>
<p>বিশ্বব্যাংকের তথ্যমতে, রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাবে দেশে বেসরকারি বিনিয়োগের গতি কমেছে, পাশাপাশি কমেছে সরকারি বিনিয়োগও। এ অবস্থায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর হার বেড়ে ২১ দশমিক ২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যেখানে আগের অর্থবছরে (২০২৩-২৪) এই হার ছিল ২০ দশমিক ৫ শতাংশ।</p>
<p>এছাড়া, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কাজ হারিয়েছে প্রায় ২০ লাখ মানুষ। বর্তমানে কর্মক্ষম অথচ কর্মহীন মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০ লাখে, যার মধ্যে নারী শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ২৪ লাখ।</p>
<p>রাজস্ব সংগ্রহের ক্ষেত্রেও পিছিয়ে পড়ার তথ্য দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। তাদের মতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের জিডিপির অনুপাতে রাজস্ব আদায়ের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৯ শতাংশে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৮ দশমিক ৩ শতাংশ।</p>
<p>বিশ্বব্যাংক বলছে, টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে হলে বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন, আর্থিক খাতের সংস্কার এবং রাজস্ব আহরণ ব্যবস্থার দৃঢ় উন্নয়ন জরুরি।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতি খুবই ভালো অবস্থায় আছে: বিশ্বব্যাংক</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 14 Jul 2025 04:16:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্বব্যাংক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=6278</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশের বর্তমান সামষ্টিক অর্থনৈতিক অবস্থা প্রায় এক বছর আগের তুলনায় খুবই ভালো অবস্থায় আছে বলে মন্তব্য করেছে বিশ্বব্যাংক। রোববার (১৩ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এই মন্তব্য করেন বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জুট। বৈঠক শেষে অর্থ উপদেষ্টা সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিশ্বব্যাংকের মন্তব্য হচ্ছে-বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক অবস্থা এখন খুবই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>বাংলাদেশের বর্তমান সামষ্টিক অর্থনৈতিক অবস্থা প্রায় এক বছর আগের তুলনায় খুবই ভালো অবস্থায় আছে বলে মন্তব্য করেছে বিশ্বব্যাংক।</strong></p>
<p>রোববার (১৩ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এই মন্তব্য করেন বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জুট।</p>
<p>বৈঠক শেষে অর্থ উপদেষ্টা সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিশ্বব্যাংকের মন্তব্য হচ্ছে-বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক অবস্থা এখন খুবই ভালো।’</p>
<p>তিনি বলেন, ‘প্রায় এক বছর আগে আমরা আশঙ্কা করেছিলাম, পরিস্থিতি আমাদের জন্য খুব কঠিন হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু এখন আমরা মনে করছি আমরা সঠিক পথে এগিয়ে যাচ্ছি।’</p>
<p>অর্থ উপদেষ্টা বলেন, নতুন দায়িত্বে জোহানেস জুট এখন থেকে দক্ষিণ এশিয়ায় বিশ্বব্যাংকের কার্যক্রম দেখবেন এবং তার অফিস ওয়াশিংটনের পরিবর্তে নয়াদিল্লিতে থাকবে।</p>
<p>তিনি বলেন, জোহানেস জুট বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের চলমান বিভিন্ন প্রকল্প ও বাজেট সহায়তার বিষয়ে অবহিত আছেন।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে বলে প্রায় এক বছর আগে মনে করা হলেও, বর্তমানে সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্বব্যাংক সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে।</p>
<p>ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট দেশের আর্থিক খাত, পেমেন্ট ব্যালান্স এবং বৈদেশিক মুদ্রা খাতের উন্নত অবস্থা স্বীকার করেছেন।</p>
<p>তিনি বলেন, জোহানেস জুট বেসরকারি খাতের বিকাশ এবং আরও বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) আকর্ষণের উপর গুরুত্বারোপ করেছেন।</p>
<p>অর্থ উপদেষ্টা বলেন, অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো বলে স্বীকার করেছেন জোহানেস জুট।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, ১০-১২ বছর আগে বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে যে পরিবর্তন হয়েছে, তা জুট ইতিবাচকভাবে উল্লেখ করেছেন।</p>
<p>বৈঠকে আইএফসি’র কার্যক্রম সম্পর্কিত বিষয়ও আলোচনা হয়।</p>
<p>এক প্রশ্নের উত্তরে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিশ্বব্যাংকের কাছে চাওয়া সব সহায়তা পেয়েছে। তিনি বলেন, আগামী অক্টোবর মাসে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ গ্রুপের বার্ষিক সভায় প্রত্যাশিত সহায়তার পরবর্তী ধাপ উত্থাপন করা হবে ।</p>
<p>অপর এক প্রশ্নের জবাবে ড. সালেহউদ্দিন বলেন, আর্থিক খাতে, বিশেষ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) নেওয়া সংস্কার উদ্যোগে বিশ্বব্যাংক সন্তুষ্ট।</p>
<p>তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংকগুলোর পুনর্গঠন শুরু হয়েছে এবং এনবিআরকে দুটি পৃথক সংস্থায় বিভাজনের সিদ্ধান্তের পূর্ণ বাস্তবায়ন দেখতে চায় বিশ্বব্যাংক, যদিও এতে কিছুটা সময় লাগবে।</p>
<p>সালেহউদ্দিন বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর, লালদিয়ায় কনটেইনার টার্মিনাল সম্পর্কেও আলোচনা হয়েছে এবং বিশ্বব্যাংক অবকাঠামো খাতে সহায়তা দিতে সম্মত হয়েছে।</p>
<p>মার্কিন শুল্ক ইস্যু নিয়ে জানতে চাইলে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, বাণিজ্য উপদেষ্টা ও আলোচনা প্রতিনিধি দলের প্রধান দেশে ফেরার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশকে কঠিন শর্তের ঋণ নিতে দিতে চায় বিশ্বব্যাংক</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%a0%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%8b/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 03 Jul 2025 04:41:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[ঋণ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্বব্যাংক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=5975</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশকে বিশ্বব্যাংকের কঠোর শর্তযুক্ত ঋণদাতা শাখা ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংক ফর রিকনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইবিআরডি) থেকে ঋণ নেওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বাজারভিত্তিক এবং তুলনামূলকভাবে ব্যয়বহুল ঋণ প্রদান করায় বাংলাদেশের বর্তমান উন্নয়ন উত্তরণের পর্যায়ে এটি গ্রহণযোগ্য নয় বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। বিশ্বব্যাংক নবগঠিত আইডিএ-২১ সহায়তা প্যাকেজের আওতায় চলমান আইডিএ সুবিধার পাশাপাশি আইবিআরডি-এর একটি উইন্ডোর মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমাণ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>বাংলাদেশকে বিশ্বব্যাংকের কঠোর শর্তযুক্ত ঋণদাতা শাখা ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংক ফর রিকনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইবিআরডি) থেকে ঋণ নেওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বাজারভিত্তিক এবং তুলনামূলকভাবে ব্যয়বহুল ঋণ প্রদান করায় বাংলাদেশের বর্তমান উন্নয়ন উত্তরণের পর্যায়ে এটি গ্রহণযোগ্য নয় বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।</strong></p>
<p>বিশ্বব্যাংক নবগঠিত আইডিএ-২১ সহায়তা প্যাকেজের আওতায় চলমান আইডিএ সুবিধার পাশাপাশি আইবিআরডি-এর একটি উইন্ডোর মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমাণ তহবিল নিতে বাংলাদেশকে পরামর্শ দিয়েছে বলে জানিয়েছে দেশের ইংরেজি দৈনিক দ্য ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস।</p>
<p>এই ধরনের অর্থায়নের বিভাজন বাংলাদেশের মর্যাদাকে ‘ব্লেন্ড কান্ট্রি’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে, যার অর্থ হলো দেশটি এলডিসি (এলডিসি) থেকে মধ্যম আয়ের দেশে (এমআইসি) উত্তরণের মধ্যবর্তী একটি পর্যায়ে রয়েছে।</p>
<p>তবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সরকার এ মুহূর্তে আইবিআরডি-এর কঠিন শর্তের ঋণ গ্রহণে অনিচ্ছুক এবং চলমান আইডিএ ও অন্যান্য স্বল্পসুদে ঋণ সুবিধাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে।</p>
<p>অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, &#8220;বিশ্বব্যাংক আগামী তিন বছরের আইডিএ-২১ সহায়তা প্যাকেজে আইবিআরডি থেকে ঋণ নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে, কারণ বাংলাদেশের এখন বিদেশি বিনিয়োগ দরকার। কিন্তু বাংলাদেশ আইবিআরডি ঋণ নিতে আগ্রহী নয়।&#8221;</p>
<p>বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংকের ঋণগ্রহীতা শ্রেণিতে &#8216;ব্লেন্ড কান্ট্রি&#8217; হিসেবে চিহ্নিত, যার আওতায় দেশটি ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) থেকে স্বল্পসুদের ঋণ এবং সামান্য পরিমাণ বাজারভিত্তিক, যেমন স্কেল আপ ফ্যাসিলিটি উইন্ডো থেকে ঋণ নিতে পারে।</p>
<p>আইডিএ ঋণের আওতায় বিশ্বব্যাংক ১ শতাংশ সুদ, ০.৭৫ শতাংশ সার্ভিস চার্জ এবং ০.২৫ শতাংশ কমিটমেন্ট ফি গ্রহণ করে। এই ঋণের পরিশোধকাল ৩০ বছর, যার মধ্যে ৭ থেকে ১০ বছরের গ্রেস পিরিয়ড থাকে।</p>
<p>অন্যদিকে, আইবিআরডি ঋণ বাজারভিত্তিক হারে প্রদান করা হয়, যেখানে এসওএফআর-এর সঙ্গে অতিরিক্ত ২.৫ শতাংশ থেকে ২.৬ শতাংশ পর্যন্ত স্প্রেড যোগ হয়।</p>
<p>এর বাইরে, প্রতিটি ঋণের ক্ষেত্রে ০.২৫ শতাংশ ফ্রন্ট-এন্ড ফি এবং ০.২৫ শতাংশ কমিটমেন্ট ফিও প্রযোজ্য।</p>
<p>ঋণ-এর ঋণের পরিশোধকাল স্বল্পমেয়াদী ঋণ হিসেবে নির্ধারিত হয়, যার সর্বোচ্চ পরিশোধকাল ৭ বছর এবং গ্রেস পিরিয়ড ৪ বছর।</p>
<p>আইবিআরডি-এর স্পেশাল ডেভেলপমেন্ট পলিসি লোনের ক্ষেত্রে সুদের হার হবে, রেফারেন্স রেট + অ্যাডজাস্টমেন্ট স্প্রেড + সর্বনিম্ন ২ শতাংশ। এর সঙ্গে ১ শতাংশ ফ্রন্ট-এন্ড ফি প্রযোজ্য। পরিশোধকাল সর্বোচ্চ ১০ বছর এবং গ্রেস পিরিয়ড ৫ বছর।</p>
<p>২০১৫ সাল থেকে বাংলাদেশ নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন করেছে এবং ২০২৬ সালে এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশের পর্যায়ে উত্তরণের পথে রয়েছে। এ কারণে বিশ্বব্যাংক এখন বাংলাদেশকে তাদের কঠিন ঋণ শাখা আইবিআরডি-এর দিকে টানছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা দ্য ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসকে জানিয়েছেন।</p>
<p>তিনি বলেন, আগামী আইডিএ-২১ সহায়তা প্যাকেজ থেকে বাংলাদেশকে আইবিআরডি ঋণ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।</p>
<p>ইআরডি সচিব শাহরিয়ার কাদির সিদ্দিকী বলেন, &#8221; আমরা আগামী বছরগুলোতেও স্বল্পসুদে ঋণ নিতে আগ্রহী, কারণ দেশটি বর্তমানে উত্তরণ পর্যায়ে রয়েছে এবং ২০২৬ সালে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় যাচ্ছে।&#8221;</p>
<p>তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ এখনো আইবিআরডি ঋণ গ্রহণের উপযুক্ত অবস্থানে পৌঁছায়নি।</p>
<p>বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ইতিমধ্যে তাদের আইডিএ-২১ পুনঃঅর্থায়নের আওতায় তিন বছরের জন্য ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে, যা জুলাই ২০২৫ থেকে জুন ২০২৮ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।</p>
<p>ইআরডি-এর একজন কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশ এখন আইডিএ ঋণ সুবিধা গ্রহণ করছে, যেখানে মোট ঋণের অন্তত ১০ শতাংশ বাজারভিত্তিক হতে হবে।</p>
<p>তিনি আরও জানান, ঢাকা এই ১০ শতাংশ বাজারভিত্তিক ঋণ এসইউডব্লিউ (স্কেল আপ উইন্ডো) থেকে নিতে চায়। অন্তত আগামী তিন বছরে দেশটি আইবিআরডি উইন্ডো থেকে ঋণ নিতে চায় না।</p>
<p>অর্থ মন্ত্রণালয়ের আরেক কর্মকর্তা বলেন, &#8220;বিশ্বব্যাংকের চাপ থাকলে আমরা অনুরোধ করব, আমাদের জন্য আইডিএ ঋণের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ বাজারভিত্তিক অংশ এসইউডব্লিউ থেকে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হোক, কারণ বাংলাদেশ বর্তমানে একটি উত্তরণকাল অতিক্রম করছে।&#8221;</p>
<p>উল্লেখ্য, বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংকের আইডিএ তহবিলের সবচেয়ে বড় ঋণগ্রহীতা। গত তিন বছরে আইডিএ-২০ প্যাকেজের আওতায় বিশ্বব্যাংক থেকে ১০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি পেয়েছে বাংলাদেশ।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দুইখাতে বাংলাদেশকে ৬৪০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a7%ac%e0%a7%aa%e0%a7%a6-%e0%a6%ae/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 19 Jun 2025 14:25:32 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্বব্যাংক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=5475</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশে গ্যাস সরবরাহ ও বায়ুমান উন্নয়নে ৬৪০ মিলিয়ন ডলারের দুটি প্রকল্প অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালনা পর্ষদ। বৃহস্পতিবার বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের অন্তর্বর্তীকালীন কান্ট্রি ডিরেক্টর গেইল মার্টিন বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা ও বায়ুর মানোন্নয়ন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি ও নগরে বায়ুদূষণের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>বাংলাদেশে গ্যাস সরবরাহ ও বায়ুমান উন্নয়নে ৬৪০ মিলিয়ন ডলারের দুটি প্রকল্প অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালনা পর্ষদ।</strong></p>
<p>বৃহস্পতিবার বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p>
<p>বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের অন্তর্বর্তীকালীন কান্ট্রি ডিরেক্টর গেইল মার্টিন বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা ও বায়ুর মানোন্নয়ন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি ও নগরে বায়ুদূষণের মূল কারণসমূহ চিহ্নিত করে তা নিরসনের মাধ্যমে এই দুটি প্রকল্প অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করবে, উৎপাদনশীলতা বাড়াবে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা করবে।</p>
<p>‘জ্বালানি খাত নিরাপত্তা উন্নয়ন প্রকল্প’ এর আওতায় রাষ্ট্রায়ত্ত তেল-গ্যাস কোম্পানি পেট্রোবাংলার জন্য ৩৫০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে। এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হচ্ছে- ব্যয় সাশ্রয়ী অর্থায়নের সুযোগ তৈরি করে গ্যাস সরবরাহের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা।</p>
<p>এ প্রকল্পের মাধ্যমে একটি আইডিএ গ্যারান্টি ব্যবহার করে আগামী সাত বছরে নতুন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির জন্য ২১০ কোটি ডলার পর্যন্ত বেসরকারি মূলধন সংগ্রহ করা হবে। এই আইডিএ গ্যারান্টি পেট্রোবাংলার ঋণ যোগ্যতা বাড়াবে, যা তাদের এলএনজি সরবরাহ নিশ্চিতে সহায়তা করবে।</p>
<p>বাংলাদেশের মোট প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারের মধ্যে এক-চতুর্থাংশের বেশি বিদেশ থেকে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) দ্বারা পূরণ করা হয়। এর মধ্যে প্রায় ৪২ শতাংশ গ্যাস বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>এই প্রকল্পের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় এলএনজি আমদানিতে অর্থ প্রদানের নিরাপত্তা ও কার্যকরী মূলধনের সমাধান হবে। যার ফলে ব্যয়বহুল স্পট মার্কেট নির্ভরতা কমবে।</p>
<p>প্রকল্পটির বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ জ্বালানি বিশেষজ্ঞ এবং এই প্রোগ্রামের টাস্ক টিম লিডার ওলাইঙ্কা বিসিরিয়ু ইডেবিরি বলেন, এই প্রকল্পটি বাংলাদেশকে সাশ্রয়ী উপায়ে গ্যাস সরবরাহের নিরাপত্তা বাড়াতে সাহায্য করবে, যা শিল্প ও গার্হস্থ্য খাতে ব্যবহারকারীদের জন্য নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী বিদ্যুতে অবদান রাখবে। নির্ভরযোগ্য গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রকল্পটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা বাড়াতে সাহায্য করবে।</p>
<p>অন্যদিকে ‘বাংলাদেশ ক্লিন এয়ার প্রকল্প’ এর আওতায় বায়ুদূষণ মোকাবিলা ২৯০ মিলিয়ন ডলার অনুমোদন করা হয়েছে। এই প্রকল্প বাংলাদেশে মারাত্মক বায়ু দূষণ মোকাবিলায় একটি বড় পদক্ষেপ হবে।</p>
<p>ঢাকা বিশ্বের অন্যতম বায়ুদূষণপ্রবণ শহর, যেখানে সূক্ষ্ম কণার (পিএম ২.৫) বার্ষিক ঘনত্ব বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ডের ১৮ গুণ বেশি।</p>
<p>এই প্রকল্প পরিবেশ অধিদপ্তরের বায়ু গুণমান পর্যবেক্ষণ নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করবে, নতুন ও উন্নত মনিটরিং স্টেশন স্থাপন করবে।</p>
<p>এছাড়া এটি বায়ু দূষণের প্রধান শিল্প উৎসগুলোর রিয়েল টাইম পর্যবেক্ষণের জন্য কন্টিনিউয়াস এমিশনস মনিটরিং প্রোগ্রাম চালু করতেও সহায়তা করবে। স্বয়ংক্রিয় পর্যবেক্ষণ সিস্টেমের একটি সমন্বিত নেটওয়ার্কের ওপর ভিত্তি করে, এই পর্যবেক্ষণ প্রোগ্রামটি নির্গমনের সীমা প্রয়োগ এবং প্রধান উৎসগুলো থেকে সংগৃহীত প্রাথমিক তথ্য প্রকাশের অনুমতি দেবে।</p>
<p>প্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো যানবাহনের নির্গমন নিয়ন্ত্রণ উন্নত করা এবং পুরাতন ও দূষণকারী ডিজেল বাসের পরিবর্তে ৪০০টি শূন্য-নির্গমন বৈদ্যুতিক বাসের একটি বহর চালু করা। এই বৈদ্যুতিক বাসগুলো উন্নত পরিষেবা মানের জন্য একটি ঐক্যবদ্ধ ফ্র্যাঞ্চাইজিতে একক অপারেটর মডেলের অধীনে পরিচালিত হবে। প্রকল্পটি বৈদ্যুতিক বাসগুলোর চার্জিং, পার্কিং ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নির্দিষ্ট ডিপো স্থাপন করবে।</p>
<p>এছাড়া এই প্রকল্পের আওতায় পাঁচটি নতুন যানবাহন পরিদর্শন কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। দুটি অকেজো কেন্দ্রকে আপগ্রেড এবং মোবাইল যানবাহন পরিদর্শন কেন্দ্র ও ২০টি মোবাইল যানবাহন নির্গমন পরীক্ষা ইউনিট চালু করা হবে। পরিবহন খাতে এই সম্মিলিত পদক্ষেপগুলো বার্ষিক প্রায় ২ হাজার ৭৩৪ মেট্রিক টন পিএম২.৫ নির্গমন কমাতে সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>
<p>বিশ্বব্যাংকের প্রধান পরিবেশ বিশেষজ্ঞ এবং এই প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার আনা লুইসা গোমস লিমা বলেন, এটি দেশের বায়ু মানের উন্নতির জন্য নতুন এক ধারার সূচনা করবে। যেহেতু বায়ু সীমানা অতিক্রম করে, তাই কোনো একক দেশ একা বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। এই প্রকল্পটি বায়ু দূষণ কমাতে আঞ্চলিক সংলাপ এবং তথ্য আদান-প্রদান সহজ করবে।</p>
<p>বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে বিশ্বব্যাংক অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে ভূমিকা পালন করে আসছে। তখন থেকে সংস্থাটি বাংলাদেশে ৪৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি অনুদান ও স্বল্প সুদে ঋণ প্রদান করেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আইডিএ’র সহায়তায় বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংকের অন্যতম বৃহৎ অর্থপ্রাপ্ত দেশ হিসেবে অবস্থান করছে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দুই প্রকল্পে বাংলাদেশকে ৫৫ কোটি ডলারের ঋণ বিশ্বব্যাংকের</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%95%e0%a7%87/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 25 May 2025 14:55:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্বব্যাংক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=4610</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশকে দুটি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ৫৫ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬ হাজার ৬৮৮ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২১ দশমিক ৬০ টাকা ধরে)। রোববার (২৫ মে) বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে এই ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে অন্তর্বর্তীকালীন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>বাংলাদেশকে দুটি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ৫৫ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬ হাজার ৬৮৮ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২১ দশমিক ৬০ টাকা ধরে)।</strong></p>
<p>রোববার (২৫ মে) বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে এই ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে অন্তর্বর্তীকালীন কান্ট্রি ডিরেক্টর মিস গেয়েল এইচ. মার্টিন চুক্তিতে সই করেন।</p>
<p>বিশ্বব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চট্টগ্রাম শহরের পানি সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য ২৮ কোটি ডলার ঋণ দেওয়া হয়েছে। এই অর্থে চট্টগ্রামের বাড়তে থাকা জনসংখ্যার জন্য নিরাপদ ও উন্নতমানের পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসীর স্বাস্থ্য এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।</p>
<p>অন্যদিকে, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং পুনরুদ্ধার সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য আরেকটি প্রকল্পে ২৭ কোটি ডলার ঋণ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। ‘বাংলাদেশ সাসটেইনেবল রিকভারি, ইমার্জেন্সি প্রিপেয়ার্ডনেস অ্যান্ড রেসপন্স’ প্রকল্পের আওতায় এই অর্থ ব্যয় হবে।</p>
<p>বিশ্বব্যাংকের মতে, এ প্রকল্প দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও দ্রুত পুনরুদ্ধারের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে দেশের দুর্যোগপ্রবণ এলাকাগুলোর ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় সহায়ক হবে এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করবে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশের জন্য ২৭০ মিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a7%a8%e0%a7%ad%e0%a7%a6-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 May 2025 06:44:03 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ব্যাংক-বিমা]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্বব্যাংক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=4145</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশের বন্যা পুনরুদ্ধার প্রচেষ্টাকে শক্তিশালী করতে এবং ভবিষ্যতের দুর্যোগের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ২৭০ মিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক। যার মধ্যে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো নির্মাণ ও পুনর্বাসন, কৃষি ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ এবং ২০২৪ সালের আগস্টের বন্যায় বিধ্বস্ত এলাকাগুলোতে জীবিকা উন্নত করার জন্য সহায়তা। বৃহস্পতিবার (১৫ মে) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক পর্ষদ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>বাংলাদেশের বন্যা পুনরুদ্ধার প্রচেষ্টাকে শক্তিশালী করতে এবং ভবিষ্যতের দুর্যোগের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ২৭০ মিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক। যার মধ্যে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো নির্মাণ ও পুনর্বাসন, কৃষি ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ এবং ২০২৪ সালের আগস্টের বন্যায় বিধ্বস্ত এলাকাগুলোতে জীবিকা উন্নত করার জন্য সহায়তা।</strong></p>
<p>বৃহস্পতিবার (১৫ মে) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক পর্ষদ এই অনুমোদন দিয়েছে।</p>
<p>এতে জানানো হয়, বাংলাদেশ টেকসই পুনরুদ্ধার, জরুরি প্রস্তুতি এবং প্রতিক্রিয়া (বি-স্ট্রং) প্রকল্প চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে গ্রামীণ ও বন্যা সুরক্ষা অবকাঠামো নির্মাণ ও পুনর্গঠন করবে, যার ফলে ১.৬ মিলিয়ন মানুষকে সুরক্ষা প্রদান করা হবে। একটি বিস্তৃত পদ্ধতি গ্রহণ করে, প্রকল্পটি জলবায়ু সহনশীল কৃষিকেও উৎসাহিত করবে এবং ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদায়গুলিকে জীবিকা নির্বাহে সহায়তা করবে।</p>
<p>বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন কান্ট্রি ডিরেক্টর গেইল মার্টিন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন এবং দুর্যোগ প্রস্তুতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে শীর্ষস্থানীয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু ক্রমবর্ধমান জলবায়ু ঝুঁকি এবং ঘন ঘন এবং তীব্র প্রাকৃতিক দুর্যোগ সম্প্রদায় এবং অর্থনীতির ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিরুদ্ধে স্থিতিস্থাপকতা গড়ে তোলা বাংলাদেশের জন্য উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার উভয়ই।</p>
<p>এই প্রকল্প দেশের দুর্যোগ প্রস্তুতি ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করবে এবং সিলেট ও ​​চট্টগ্রাম বিভাগে বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য জীবিকা নির্বাহ এবং খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করবে।</p>
<p>তিনি বলেন, এই প্রকল্পটি দেশকে বন্যা থেকে পুনরুদ্ধার করতে এবং পূর্বাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে অবকাঠামো, কৃষি এবং জীবিকার ক্ষতি মোকাবেলা করে ভবিষ্যতের বন্যার প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। প্রকল্পটি ৭৯টি বহুমুখী বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ ও পুনর্বাসন করবে এবং জলবায়ু-প্রতিরোধী সংযোগকারী রাস্তা ও সেতু মেরামত ও সংস্কার করবে। স্বাভাবিক আবহাওয়ায় এই আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে পরিচালিত হবে। এটি বাঁধ এবং খাল পুনঃখননসহ বন্যা সুরক্ষা অবকাঠামো নির্মাণ, মেরামত এবং পুনর্বাসন করবে। এটি বন্যা পূর্বাভাস ব্যবস্থা উন্নত করতেও সহায়তা করবে। এটি নৌকা, সরঞ্জাম, প্রশিক্ষণ এবং মহড়া প্রদানের মাধ্যমে সম্প্রদায়গুলিকে দুর্যোগ প্রস্তুতি উন্নত করতে সহায়তা করবে।</p>
<p>বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ এবং প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার স্বর্ণা কাজী বলেন, এই প্রকল্পটি পুনরুদ্ধার এবং পুনর্গঠনের চাহিদার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি দুর্যোগ স্থিতিস্থাপকতা উভয়কেই মোকাবেলা করে। এই প্রকল্পটি প্রকৃতভাবে সমন্বিত প্রতিক্রিয়া প্রদান করবে যা শারীরিক হস্তক্ষেপ এবং অ-শারীরিক কার্যকলাপকে একত্রিত করবে, পুনরুদ্ধার এবং স্থিতিস্থাপকতা তৈরির জন্য একটি সামগ্রিক পদ্ধতি নিশ্চিত করবে, ভবিষ্যতের বন্যার ঝুঁকি হ্রাস করবে এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে পিছিয়ে পড়া থেকে রক্ষা করবে।</p>
<p>এই প্রকল্পটি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়গুলোকে আর্থিক সহায়তা এবং বাজার-প্রাসঙ্গিক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদান এবং অস্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ প্রদানের মাধ্যমে আয়ের সুযোগ বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি কর্মসূচি এবং নগদ-ভিত্তিক হস্তক্ষেপ থেকে ৩ লাখ ৮০ হাজারের বেশি মানুষ উপকৃত হবেন।</p>
<p>উচ্চ ফলনশীল, জলবায়ু-সহনশীল এবং টেকসই ফসল উৎপাদন প্রযুক্তি গ্রহণ, কৃষি যন্ত্রপাতির অ্যাক্সেস এবং উন্নত সেচ ও সংরক্ষণ সুবিধা গ্রহণের মাধ্যমে কমপক্ষে ৬৫,০০০ কৃষি পরিবার কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য সহায়তা পাবে। প্রকল্পটি উন্নতমানের বীজ এবং চারা সরবরাহের জন্য বীজ গ্রাম স্থাপন করবে, গৃহস্থালি এবং সম্প্রদায়ের বাগানে মহিলাদের সহায়তা করবে এবং টেকসই কৃষি পদ্ধতি সম্পর্কে জ্ঞান ভাগ করে নেওয়ার জন্য কৃষক গোষ্ঠী তৈরি করবে। ফলস্বরূপ, খাদ্য নিরাপত্তা এবং পুষ্টিও উন্নত হবে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নতুন করে ৩০ লাখ মানুষ গরীব হবে বাংলাদেশে: বিশ্বব্যাংক</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a7%a9%e0%a7%a6-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%ac/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[News Desk]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 25 Apr 2025 03:07:37 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্বব্যাংক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=3429</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশে চলতি বছর নতুন করে ৩০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের কবলে পড়তে পারে। আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য সীমা ব্যবহার করে বিশ্বব্যাংক এই পূর্বাভাস দিয়েছে। বুধবার প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট’ প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক দারিদ্র্য পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা করেছে। বিশ্বব্যাংকের হিসেবে কোনো মানুষের দৈনিক আয় ২ দশমিক ১৫ ডলারের কম হলে তাকে হত দরিদ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ২০২২ সালে বাংলাদেশে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশে চলতি বছর নতুন করে ৩০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের কবলে পড়তে পারে। আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য সীমা ব্যবহার করে বিশ্বব্যাংক এই পূর্বাভাস দিয়েছে। </p>
<p>বুধবার প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট’ প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক দারিদ্র্য পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা করেছে।</p>
<p>বিশ্বব্যাংকের হিসেবে কোনো মানুষের দৈনিক আয় ২ দশমিক ১৫ ডলারের কম হলে তাকে হত দরিদ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ২০২২ সালে বাংলাদেশে এ হার ছিল ৫ শতাংশ। ২০২৫ সালে হতদরিদ্রের হার ৯ দশমিক ৩ শতাংশে উন্নীত হতে পারে বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক।</p>
<p>বিশ্বব্যাংক জাতীয়ভাবে হিসাব করা দারিদ্র্যের হার বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করেছে। ২০২২ সালে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জরিপে দেশে দারিদ্র্যের হার ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। চলতি বছরে তা বেড়ে ২২ দশমিক ৯ শতাংশ হতে পারে। বিশ্বব্যাংক বলেছে অর্থনৈতিক ধীর গতির কারণে ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর ওপর বেশি প্রভাব পড়তে পারে। এছাড়া শ্রম বাজার পরিস্থিতি চলতি বছর দুর্বল থাকতে পারে।  </p>
<p>এর আগে বিশ্বব্যাংকের দ্বি-বার্ষিক প্রতিবেদন ‘সাউথ এশিয়া ডেভেলপমেন্ট আপডেট: ট্যাক্সিং টাইমস’-এর পূর্বাভাসে বলা হয়, চলতি অর্থবছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৩ শতাংশ হতে পারে। এর আগে গত জানুয়ারি মাসে ৪ দশমিক ১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে বলে জানিয়েছিল বিশ্বব্যাংক। </p>
<p>নতুন পূর্বাভাসে সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামী অর্থবছরের জিডিপি প্রবৃদ্ধি কিছুটা বেড়ে ৪ দশমিক ৯ শতাংশ হতে পারে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের নতুন উদ্যোগ</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 24 Apr 2025 05:02:03 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্বব্যাংক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=3378</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংক একযোগে ৮৫০ মিলিয়ন ডলারের দুটি অর্থায়ন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যার মাধ্যমে বে টার্মিনাল নির্মাণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার জন্য দেশের জাতীয় সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণে সহায়তা প্রদান করা হবে। বুধবার (২৩ এপ্রিল) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংক বুধবার ওয়াশিংটন ডিসিতে দুটি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংক একযোগে ৮৫০ মিলিয়ন ডলারের দুটি অর্থায়ন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যার মাধ্যমে বে টার্মিনাল নির্মাণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার জন্য দেশের জাতীয় সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণে সহায়তা প্রদান করা হবে।</strong></p>
<p>বুধবার (২৩ এপ্রিল) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংক বুধবার ওয়াশিংটন ডিসিতে দুটি পৃথক অর্থায়ন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো চট্টগ্রামের বে টার্মিনাল গভীর সমুদ্র বন্দর উন্নয়ন এবং জাতীয় সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা।</p>
<p>চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ইআরডির সচিব শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন কান্ট্রি ডিরেক্টর গেইল এইচ মার্টিন। এছাড়া, বাংলাদেশের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং দক্ষিণ এশিয়ায় বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টিন রাইজারও উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>চুক্তির অধীনে, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে ৬৫০ মিলিয়ন ডলার দেবে চট্টগ্রামে বে টার্মিনাল মেরিন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য। এছাড়া, ২০০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে একটি বিস্তৃত সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
