<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>মুসলিম &#8211; বিজনেস টাইমস: ব্যবসা-বাণিজ্য ও উন্নয়ন চিত্রের গণমাধ্যম</title>
	<atom:link href="https://businesstimes.com.bd/tag/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AE/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://businesstimes.com.bd</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Wed, 04 Nov 2026 10:11:05 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.1.4</generator>

<image>
	<url>https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2024/11/cropped-bt-favicon-32x32.jpg</url>
	<title>মুসলিম &#8211; বিজনেস টাইমস: ব্যবসা-বাণিজ্য ও উন্নয়ন চিত্রের গণমাধ্যম</title>
	<link>https://businesstimes.com.bd</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে মুসলিম ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর রেকর্ড বিজয়</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%a8/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2026 10:11:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়-দেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইতিহাস]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[প্রতিনিধিত্ব]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%a8/</guid>

					<description><![CDATA[২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে আবদুল আল-সাইয়েদসহ বেশ কয়েকজন মুসলিম ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি ঐতিহাসিক জয় পেয়ে নতুন ইতিহাসের সূচনা করেছেন।]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন দেশটির রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন ধারার সূচনা করেছে। এই নির্বাচনে মুসলিম এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর একাধিক প্রতিনিধি জয়ী হয়ে ঐতিহাসিক অর্জনের সাক্ষী হয়েছেন। প্রথম মুসলিম সিনেটর নির্বাচিত হওয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের আইনসভায় নতুন মুখের প্রবেশ—সব মিলিয়ে এবারের নির্বাচনী ফলাফল যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের চিত্রকে বড় আকারে বদলে দিয়েছে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসসহ একাধিক সংবাদমাধ্যম তার জয় নিশ্চিত করেছে।</p>
<p>মিশিগানে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে পরাজিত করে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন ডেমোক্র্যাট আবদুল আল-সাইয়েদ। প্রাথমিক ফলে রিপাবলিকান প্রার্থী আইজাজ শেখের বিরুদ্ধে তার বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকার খবর পাওয়া গেছে।</p>
<p>৪২ বছর বয়সী এই চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অতীতে মিশিগানের ওয়েইন কাউন্টি এবং ডেট্রয়েট স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব পালন করেছেন। তার নির্বাচনী ইশতেহারে সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা এবং ইসরায়েলি সামরিক সহায়তা বন্ধের মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। প্রচারণার সময় ইসলামবিদ্বেষী আক্রমণের শিকার হলেও শেষ পর্যন্ত জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন তিনি। নির্বাচনী প্রচারে সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা, জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, করপোরেট প্রভাব নিয়ন্ত্রণ এবং ধনীদের ওপর কর বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন। তবে প্রচারের সময় তাকে ঘিরে ইসলামবিদ্বেষী বক্তব্য ও অভিযোগ সামনে আসে। ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলে থেকে পড়াশোনা করা এই রাজনীতিক ভোক্তা অধিকার, স্বাস্থ্যসেবা ও ভোটাধিকার নিয়ে কাজ করেছেন। আবাসন ও ভাড়াটিয়াদের অধিকার, অভিবাসীদের সুরক্ষা, শ্রমজীবী মানুষের জীবনমান এবং ফিলিস্তিনিদের অধিকার ছিল তার প্রচারের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দীর্ঘদিন ধরে অভিবাসী ও শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে সংগঠকের কাজ করেছেন কাওয়াস। গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের কঠোর সমালোচক হিসেবেও পরিচিত তিনি।</p>
<p>নিউ জার্সির ১২তম কংগ্রেশনাল ডিস্ট্রিক্টে রিপাবলিকান গ্রেগ মেলেকে হারিয়ে জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাট আদম হামাওয়ি। তিনি নিউ জার্সি থেকে প্রথম মুসলিম হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে যাওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। মিসরীয় বংশোদ্ভূত এই প্লাস্টিক ও পুনর্গঠনমূলক সার্জন সাবেক মার্কিন সেনা চিকিৎসক হিসেবে ইরাক যুদ্ধে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বসনিয়া, সুদান, লেবানন ও সিরিয়ায় মানবিক চিকিৎসা কার্যক্রমেও অংশগ্রহণ করেছিলেন। সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ রিপাবলিকান শিবিরের কয়েকজন তার মুসলিম পরিচয় নিয়ে আক্রমণ করেন। সাবেক মার্কিন কংগ্রেস সদস্য ট্যামি ডাকওয়ার্থের হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার পর তার জীবন বাঁচাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি। বসনিয়া, সুদান, লেবানন ও সিরিয়ায় মানবিক চিকিৎসা কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি ২০২৪ ও ২০২৫ সালে গাজায় চিকিৎসাসেবা দিতে যান। আসনটি আগে রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। পাশাপাশি নাগরিক অধিকার, অভিবাসন, পরিবহন ও কর্মসংস্থান নিয়েও তার ভূমিকা রয়েছে। বর্তমান সিনেটর ট্যামি ডাকওয়ার্থের সঙ্গে স্ট্র্যাটন দায়িত্ব নিলে ইলিনয় হবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম অঙ্গরাজ্য, যেখান থেকে একই সময়ে দুজন ভিন্ন জাতিগত পরিচয়ের নারী সিনেটর দায়িত্ব পালন করবেন।</p>
<p>ইলিনয়ের সিনেটের ২৬তম ডিস্ট্রিক্টে ৫৭ শতাংশ ভোট পেয়ে রিপাবলিকান ডারবি হিলসকে পরাজিত করেছেন ডেমোক্র্যাট নাবিলা সৈয়দ। ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই মুসলিম তরুণী ২০২২ সালেই ইলিনয়ের প্রতিনিধি পরিষদে নির্বাচিত হয়ে নজরে এসেছিলেন। একই সঙ্গে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের সিনেটে ১২তম ডিস্ট্রিক্ট থেকে নির্বাচিত হয়েছেন ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত আবের কাওয়াস, যা অঙ্গরাজ্যটির আইনসভায় প্রথম ফিলিস্তিনি মুসলিম নারী হিসেবে অনন্য এক সংযোজন। তিনি ৫৭ শতাংশ ভোট পেয়েছেন, বিপরীতে হিলস পেয়েছেন ৪৩ শতাংশ। ভারতীয় বংশোদ্ভূত মুসলিম নাবিলা ২০২২ সালে মাত্র ২৩ বছর বয়সে ইলিনয়ের প্রতিনিধি পরিষদে নির্বাচিত হয়ে আলোচনায় আসেন। এবার সিনেটে নির্বাচিত হয়ে অঙ্গরাজ্যের আইন প্রণয়নে আরও বড় পরিসরে ভূমিকা রাখার সুযোগ পাচ্ছেন তিনি। কুইন্সের বাসিন্দা কাওয়াস একজন কমিউনিটি সংগঠক। সোমালিয়ায় জন্ম নেওয়া এই রাজনীতিক শরণার্থী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন।</p>
<p>প্রতিনিধিত্বের এই ধারায় জর্জিয়ার আইনসভায় রুয়া রোমানের মতো ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মুসলিম রাজনীতিকরা তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছেন। আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত অবস্থান স্পষ্ট হবে।</p>
<p>এছাড়া কংগ্রেসের সদস্য হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন ইলহান ওমর ও রাশিদা তালিব, যারা দেশটিতে মুসলিম প্রতিনিধিত্বের অগ্রযাত্রাকে বেগবান রেখেছেন।</p>
<p>ইন্ডিয়ানার ৭ম কংগ্রেশনাল ডিস্ট্রিক্ট থেকে ডেমোক্র্যাট আন্দ্রে কারসন আবারও নির্বাচিত হয়েছেন, যিনি ২০০৮ সাল থেকে কংগ্রেসের গোয়েন্দাবিষয়ক স্থায়ী কমিটিতে নিরাপত্তা ও সন্ত্রাসবাদ দমন নিয়ে কাজ করছেন।</p>
<p>কেবল মুসলিমরাই নন, মার্কিন রাজনীতির ইতিহাসে আরও কিছু নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে। নিউ মেক্সিকোর গভর্নর নির্বাচিত হয়ে ডেব হাল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম আদিবাসী নারী গভর্নরের মর্যাদা পেয়েছেন। জর্জিয়ার গভর্নর নির্বাচনে জয়ী কেইশা ল্যান্স বটমস হয়েছেন দেশটির প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর। অন্যদিকে রিপাবলিকান বায়রন ডোনাল্ডস ফ্লোরিডায় প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রিপাবলিকান গভর্নর হিসেবে নির্বাচিত হয়ে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছেন।</p>
<p>এছাড়া কৃষ্ণাঙ্গ প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে ইলিনয়ের জুলিয়ানা স্ট্র্যাটন দ্বিতীয় কৃষ্ণাঙ্গ নারী সিনেটর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। সমকামী অধিকারের ক্ষেত্রে নিউ হ্যাম্পশায়ারের সিনেট নির্বাচনে ক্রিস পাপাস বিজয়ী হয়ে প্রথম প্রকাশ্যে সমকামী পুরুষ সিনেটর হওয়ার রেকর্ড গড়েছেন। এর আগে ২০১৮ সালে তিনি নিউ হ্যাম্পশায়ার থেকে প্রথম প্রকাশ্যে এলজিবিটিকিউ কংগ্রেস সদস্য হিসেবে ইতিহাস তৈরি করেছিলেন। নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি ও ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্টস অব আমেরিকার সমর্থন নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন তিনি। মুসলিমদের বাইরেও যেসব ইতিহাস তৈরি হয়েছে। তিনি বিদায়ী সিনেটর ডিক ডারবিনের স্থলাভিষিক্ত হবেন।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের অধিভুক্ত অঞ্চলগুলোতেও এই পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে। স্টেসি প্লাসকেট ভার্জিন আইল্যান্ডসের গভর্নর নির্বাচিত হয়ে কোনো মার্কিন অধিভুক্ত অঞ্চলের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর হিসেবে রেকর্ড তৈরি করেছেন। মিনেসোটার গভর্নর হিসেবে অ্যামি ক্লোবুচারের জয়ও রাজ্যটির রাজনীতিতে প্রথমবারের মতো কোনো নারীকে শীর্ষ পদে বসিয়েছে।</p>
<p>২০২৬ সালের এই নির্বাচন প্রমাণ করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা এখন বৈচিত্র্যময় এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক নেতৃত্ব দেখতে আগ্রহী। সংখ্যালঘু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ এবং তাদের জনসেবার বার্তা মূলধারার রাজনীতিতে দারুণভাবে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। আবদুল আল-সাইয়েদ বা আদম হামাওয়ির মতো ব্যক্তিদের বিজয় কেবল মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য নয়, বরং গোটা যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্যই এক তাৎপর্যপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
