<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>যুক্তরাষ্ট্র &#8211; বিজনেস টাইমস: ব্যবসা-বাণিজ্য ও উন্নয়ন চিত্রের গণমাধ্যম</title>
	<atom:link href="https://businesstimes.com.bd/tag/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://businesstimes.com.bd</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Sat, 07 Mar 2026 13:03:20 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2024/11/cropped-bt-favicon-32x32.jpg</url>
	<title>যুক্তরাষ্ট্র &#8211; বিজনেস টাইমস: ব্যবসা-বাণিজ্য ও উন্নয়ন চিত্রের গণমাধ্যম</title>
	<link>https://businesstimes.com.bd</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>যুদ্ধের আর্থিক চাপ: যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিনিয়োগ ফেরত নিচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%aa-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Mar 2026 13:03:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ববাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[উপসাগরীয় দেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিনিয়োগ]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=9972</guid>

					<description><![CDATA[ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলার পর নিজেদের বাজেটের ওপর চাপ কমাতে উপসাগরীয় দেশগুলো তাদের বিদেশি বিনিয়োগ এবং ভবিষ্যৎ প্রতিশ্রুতিগুলো পর্যালোচনা করতে পারে বলে বৃহস্পতিবার ফিন্যান্সিয়াল টাইমস (FT) রিপোর্ট করেছে। একজন উপসাগরীয় কর্মকর্তা ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেছেন, &#8220;বেশ কিছু উপসাগরীয় দেশ বর্তমান চুক্তিগুলোতে &#8216;ফোর্স মেজিউর&#8217; (অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি) ধারা প্রয়োগ করা যায় কি না, তা নির্ধারণ করতে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলার পর নিজেদের বাজেটের ওপর চাপ কমাতে উপসাগরীয় দেশগুলো তাদের বিদেশি বিনিয়োগ এবং ভবিষ্যৎ প্রতিশ্রুতিগুলো পর্যালোচনা করতে পারে বলে বৃহস্পতিবার ফিন্যান্সিয়াল টাইমস (FT) রিপোর্ট করেছে।</strong></p>
<p>একজন উপসাগরীয় কর্মকর্তা ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেছেন, &#8220;বেশ কিছু উপসাগরীয় দেশ বর্তমান চুক্তিগুলোতে &#8216;ফোর্স মেজিউর&#8217; (অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি) ধারা প্রয়োগ করা যায় কি না, তা নির্ধারণ করতে একটি অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনা শুরু করেছে। একই সঙ্গে যুদ্ধের ফলে প্রত্যাশিত অর্থনৈতিক চাপ লাঘব করতে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতিগুলোও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।&#8221;</p>
<p>তবে ফিন্যান্সিয়াল টাইমস ওই কর্মকর্তার নাম বা পদবি প্রকাশ করেনি।</p>
<p>রয়টার্সের মতে, উপসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক উত্থান দীর্ঘকাল ধরে দুটি ধারণার ওপর ভিত্তি করে টিকে ছিল: প্রথমত, তাদের দ্রুত বর্ধনশীল শহরগুলো একটি অস্থির অঞ্চলের মধ্যে নিরাপদ আশ্রয়স্থল; এবং দ্বিতীয়ত, নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি রপ্তানি থেকে সম্পদের প্রবাহ অব্যাহত থাকবে। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ এই দুটি ভিত্তিকেই নাড়িয়ে দিয়েছে।</p>
<p>ওই কর্মকর্তা ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে জানান, জাতীয় বাজেটের ওপর এই চাপ বিভিন্ন ধরনের আর্থিক কর্মকাণ্ডে প্রভাব ফেলতে পারে। এর মধ্যে বিদেশি সরকার ও কোম্পানিগুলোতে বিনিয়োগের অঙ্গীকার, খেলাধুলায় স্পনসরশিপ, ব্যবসায়িক চুক্তি এবং বিদ্যমান শেয়ার বা সম্পদ বিক্রির সম্ভাবনাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।</p>
<p>তিনি আরও জানান, উপসাগরীয় অঞ্চলের চারটি বৃহত্তম অর্থনীতির মধ্যে তিনটি দেশ—সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত এবং কাতার—যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চাপ নিয়ে আলোচনা করেছে। তবে কোন কোন দেশ এতে জড়িত ছিল, তা তিনি সুনির্দিষ্টভাবে বলতে রাজি হননি।</p>
<p>কর্মকর্তাটির মতে, এই পর্যালোচনার মূল লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক চাপ কমানো, বিশেষ করে যদি যুদ্ধ এবং এর সংশ্লিষ্ট খরচ বর্তমান গতিতে অব্যাহত থাকে।</p>
<p>তিনি এই পর্যালোচনাকে ক্রমবর্ধমান আর্থিক চাপের বিপরীতে একটি সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। জ্বালানি উৎপাদন হ্রাস বা জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটার কারণে রাজস্ব কমে যাওয়া এবং পর্যটন ও বিমান চলাচলে ক্ষতির কারণে এই চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া বর্ধিত প্রতিরক্ষা ব্যয়ও এই বোঝাকে আরও ভারী করেছে।</p>
<p>একই রিপোর্টে এক উপসাগরীয় সরকারি উপদেষ্টা ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেন, ধনী উপসাগরীয় দেশগুলোর বিনিয়োগ পর্যালোচনার বিষয়টি ওয়াশিংটনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।</p>
<p>উপসাগরীয় দেশগুলো বিশ্বের বৃহত্তম কিছু সার্বভৌম সম্পদ তহবিল (সভরেন ওয়েলথ ফান্ড) নিয়ন্ত্রণ করে। গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পের অঞ্চলটি সফরের পর সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং কাতার যুক্তরাষ্ট্রে শত শত কোটি ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এছাড়া তারা বিশ্বব্যাপী ক্রীড়া ইভেন্টগুলোর বড় স্পনসর এবং নিজেদের অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য ও উন্নয়নের জন্য অভ্যন্তরীণভাবেও ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্র বা অন্যান্য পশ্চিমা দেশে বিনিয়োগে প্রভাব ফেলে এমন যেকোনো পদক্ষেপ ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কূটনৈতিক উপায়ে যুদ্ধ বন্ধের প্রচেষ্টা চালাতে বাধ্য করতে পারে।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কর্তৃক ইরানের বিরুদ্ধে শুরু করা যুদ্ধে তেল-সমৃদ্ধ উপসাগরীয় দেশগুলো আরও গভীরভাবে জড়িয়ে পড়েছে। তেহরান এখন ওয়াশিংটনের আঞ্চলিক মিত্রদের ওপর প্রতিশোধমূলক হামলা চালাচ্ছে।</p>
<p>এই সংঘাত হরমুজ প্রণালীর মধ্য দিয়ে সামুদ্রিক কার্যক্রমকেও ব্যাহত করেছে, যা বিশ্বের তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ। জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে এবং অন্তত ১০টি ট্যাংকার উপসাগরীয় অঞ্চলে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।</p>
<p>বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) উৎপাদনকারী দেশ কাতার চলতি সপ্তাহের শুরুতে তাদের প্রধান এলএনজি স্থাপনায় ড্রোন হামলার পর উৎপাদন স্থগিত করে এবং &#8216;ফোর্স মেজিউর&#8217; ঘোষণা করে। এদিকে সৌদি আরবের অন্যতম বৃহৎ তেল শোধনাগারও আক্রান্ত হয়েছে।</p>
<p>ইরান এই অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটি, দূতাবাস, বিমানবন্দর, হোটেল এবং আবাসিক ভবনগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে, যার ফলে বিমান চলাচল ও পর্যটন খাতে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেছে।</p>
<p>সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আগে উপসাগরীয় দেশগুলো ট্রাম্পকে সামরিক পদক্ষেপ পিছিয়ে দিয়ে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক পথে হাঁটার আহ্বান জানিয়েছিল। তবে তারা এখন তেহরানের প্রতিশোধমূলক হামলার শিকার হচ্ছে।</p>
<p>বিশিষ্ট আমিরাতি ব্যবসায়ী খালাফ আল-হাবতুর সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্পের উদ্দেশে দেওয়া এক বার্তায় এই অঞ্চলের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।</p>
<p>তিনি এক্সে লিখেছেন, &#8220;একটি সরাসরি প্রশ্ন: ইরানের সাথে আমাদের অঞ্চলকে যুদ্ধে টেনে আনার অধিকার আপনাকে কে দিয়েছে? এবং কিসের ভিত্তিতে আপনি এই বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত নিলেন? ট্রিগার টানার আগে আপনি কি এর আনুষঙ্গিক ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ভেবেছিলেন?&#8221;</p>
<p>তিনি আরও বলেন, গাজা পুনর্গঠন এবং ট্রাম্পের বৃহত্তর আঞ্চলিক শান্তি উদ্যোগে অর্থায়নে উপসাগরীয় দেশগুলো বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হয়েছিল। তিনি যোগ করেন যে, আরব দেশগুলো &#8220;স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অবদান রেখেছে&#8221;। ফলে এই অর্থ শান্তির প্রচেষ্টায় ব্যয় হচ্ছে নাকি অঞ্চলকে বিপদে ফেলা কোনো যুদ্ধে অর্থায়ন করছে, তা জিজ্ঞাসা করার অধিকার তাদের রয়েছে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ট্রাম্পের অন্তহীন যুদ্ধ: বিপুল সামরিক শক্তি সত্ত্বেও ইরানে জয় নিশ্চিত নয় যুক্তরাষ্ট্রের</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 04 Mar 2026 08:04:13 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ববাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[ইরান]]></category>
		<category><![CDATA[ইরান আক্রমণ]]></category>
		<category><![CDATA[ইরানে মার্কিন-ইসরায়েল হামলা]]></category>
		<category><![CDATA[ইরানে হামলা]]></category>
		<category><![CDATA[ট্রাম্পের অন্তহীন যুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[সামরিক শক্তি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=9944</guid>

					<description><![CDATA[আমেরিকার স্বঘোষিত ‘শান্তির রাষ্ট্রপতি’ এমন একটি দেশের বিরুদ্ধে নৃশংস যুদ্ধ শুরু করেছেন যারা তার নিজের দেশের জন্য কোনো সরাসরি হুমকি ছিল না। এই সংঘর্ষটি গত ছয় মাসেরও কম সময়ের মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় সামরিক অভিযান, যা আমেরিকার যুদ্ধবাজ রাষ্ট্রপতিদের তালিকায় তার স্থান পাকাপোক্ত করেছে। ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েল যৌথ আগ্রাসন কোনো বিস্ময় হয়ে আসেনি। গত কয়েক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>আমেরিকার স্বঘোষিত ‘শান্তির রাষ্ট্রপতি’ এমন একটি দেশের বিরুদ্ধে নৃশংস যুদ্ধ শুরু করেছেন যারা তার নিজের দেশের জন্য কোনো সরাসরি হুমকি ছিল না। এই সংঘর্ষটি গত ছয় মাসেরও কম সময়ের মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় সামরিক অভিযান, যা আমেরিকার যুদ্ধবাজ রাষ্ট্রপতিদের তালিকায় তার স্থান পাকাপোক্ত করেছে। ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েল যৌথ আগ্রাসন কোনো বিস্ময় হয়ে আসেনি। গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ওয়াশিংটন তেহরানের সাথে পারমাণবিক আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ভান করলেও, প্রকৃতপক্ষে ওই অঞ্চলে বিশাল নৌবহর মোতায়েন করছিল। এটি ছিল ২০০৩ সালের ইরাক আক্রমণের পর মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম সামরিক সমাবেশ।</strong></p>
<p>এটি ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছিল যে ট্রাম্প প্রকৃতপক্ষে কোনো চুক্তির চেষ্টা করছেন না; আলোচনাগুলো ছিল কেবল সামরিক প্রস্তুতির একটি আড়াল মাত্র। এমনকি চলমান আলোচনায় অগ্রগতির খবর পাওয়া সত্ত্বেও এই আক্রমণ শুরু করা হয়। কূটনৈতিক আলোচনা বর্জন করে যুদ্ধে যাওয়ার ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তটি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নিরন্তর চাপ এবং ভেনিজুয়েলায় নিজের কথিত সাফল্যের আত্মতুষ্টি থেকে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।</p>
<p>গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরের ডিসেম্বরেই যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল একটি যুদ্ধ পরিকল্পনায় একমত হয়েছিল, যার লক্ষ্য ছিল কেবল সামরিক স্থাপনা নয়, বরং ইরানের শীর্ষ নেতাদের নির্মূল করা।</p>
<p>বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে ট্রাম্পের ঔদ্ধত্য ও ধৃষ্টতা প্রকাশ পেয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি—যিনি একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রধান—এবং তার পরিবারের সদস্যদের ওপর মার্কিন-ইসরায়েল হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে। ইসরায়েলের দাবি অনুযায়ী, এই সুনির্দিষ্ট হামলায় বিপ্লবী গার্ডের কমান্ডার, প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অফ স্টাফসহ ৪০ জনেরও বেশি জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এছাড়া একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলার ফলে ১৬৫ জন স্কুলছাত্রী ও কর্মীসহ বিপুল সংখ্যক বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড যুদ্ধাপরাধের চেয়ে কম কিছু নয়।</p>
<p>এদিকে, ট্রাম্প তার সামরিক অভিযানের ঘোষিত উদ্দেশ্যগুলো বারবার পরিবর্তন করছেন। তিনি এখন প্রকাশ্যেই ইরানে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের (রেজিম চেঞ্জ) কথা বলছেন। শুরুতে তিনি এই যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী করলেও, এখন স্বীকার করছেন যে এই সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। ভয়াবহ বিমান হামলা সত্ত্বেও ইরান তার ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা বজায় রেখেছে, যা ইসরায়েলের অভ্যন্তরে এবং মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে আঘাত হানতে সক্ষম।</p>
<p>খবর পাওয়া গেছে যে, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইসরায়েলের শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে স্পর্শকাতর নিরাপত্তা স্থাপনায় আঘাত হেনেছে। এমনকি মার্কিন বিমানবাহী রণতরীতেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে, যাতে আমেরিকান সৈন্যরা হতাহত হয়েছে। ইরান কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং সৌদি আরবে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে সংঘাতের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে। রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসেও ইরানি ড্রোনের আঘাত লেগেছে।</p>
<p>তেহরান ঘোষণা করেছে যে, আমেরিকান আগ্রাসনের জবাবে এই স্থাপনাগুলো বৈধ লক্ষ্যবস্তু। পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুতর আকার ধারণ করেছে কারণ কিছু হামলা বেসামরিক স্থাপনায় আঘাত হানছে, যা সংঘাতকে তীব্রতর করছে এবং পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি করছে। এরই মধ্যে ইসরায়েল লেবাননে ইরানপন্থী হিজবুল্লাহর ওপর হামলা চালিয়ে যুদ্ধের পরিধি বিস্তৃত করেছে।</p>
<p>সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে যখন অন্য দেশগুলো এতে জড়িয়ে পড়ছে, ট্রাম্প স্থল সৈন্য মোতায়েনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি। যুক্তরাষ্ট্রের এমন কোনো সামরিক হঠকারিতা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলবে। ইরানের ওপর মার্কিন হামলা এবং বিশ্বের লক্ষ লক্ষ শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে আধ্যাত্মিক নেতা হিসেবে শ্রদ্ধেয় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যাকাণ্ড অনেক দেশে ব্যাপক আমেরিকা বিরোধী বিক্ষোভের জন্ম দিয়েছে, যা আমেরিকার আঞ্চলিক মিত্রদের স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলেছে। পাকিস্তান, ইরাক এবং বাহরাইনে, যেখানে বিপুল সংখ্যক শিয়া জনসংখ্যা রয়েছে, সেখানে সবচেয়ে বেশি সহিংস বিক্ষোভ দেখা গেছে। প্রকৃতপক্ষে, সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদ ভুলে জনগণের একটি বৃহত্তর অংশ এই প্রতিবাদে যোগ দিয়েছে।</p>
<p>স্থল সৈন্য নামিয়ে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ চালানো হলে তা ইতিমধ্যে অস্থির হয়ে থাকা আঞ্চলিক পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলবে। বিপুল সামরিক শক্তি থাকা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র জয়ের নিশ্চয়তা দিতে পারে না; ট্রাম্প বোধহয় আফগানিস্তানে আমেরিকার দুই দশকের যুদ্ধ এবং ২০০৩ সালের ইরাক আক্রমণের শিক্ষা ভুলে গেছেন। তার এই যুদ্ধংদেহী মনোভাব বিশ্বকে এক গভীর অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক সংকটে নিমজ্জিত করেছে।</p>
<p>যুদ্ধ তীব্র হওয়ার সাথে সাথে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে, যার মধ্য দিয়ে বিশ্বের তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। ইরান এই জলপথ বন্ধের হুমকি দেওয়ার পর বিশ্বের বেশ কয়েকটি বড় কন্টেইনার শিপিং লাইন তাদের পরিষেবা স্থগিত করেছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ শৃঙ্খলকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে এবং তেল-গ্যাসের দাম আকাশচুম্বী করে তুলেছে। আঞ্চলিক আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে কেবল যাতায়াতই বিঘ্নিত হয়নি, বরং তা বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছে। যুদ্ধের দ্রুত কোনো সমাপ্তি না ঘটায় বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা তীব্র হচ্ছে।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে বিশ্ব আজ বিভক্ত। চীন ও রাশিয়া ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েল সামরিক অভিযানের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। অন্যদিকে, পশ্চিমা দেশগুলো একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আমেরিকার এই অবৈধ যুদ্ধের সরাসরি নিন্দা জানানো থেকে বিরত রয়েছে—যা অনেকের কাছে তাদের ভণ্ডামিকে উন্মোচিত করে।</p>
<p>ইরানের সাথে দীর্ঘ সীমান্ত থাকা পাকিস্তান এই যুদ্ধের ফলে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। খামেনির হত্যাকাণ্ডের পর পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি শহরে ভয়াবহ আমেরিকা বিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন এবং সৌদি আরবের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে বর্তমান পাকিস্তান সরকার এখন বেশ বিপাকে। করাচি, ইসলামাবাদ এবং স্কার্দুতে বিক্ষোভকারীদের হত্যার ঘটনা—যা কথিতভাবে মার্কিন মেরিন সেনাদের দ্বারা ঘটেছে—সরকার বিরোধী মনোভাবকে আরও উসকে দিয়েছে। অনেকেই ট্রাম্পের বিতর্কিত ‘বোর্ড অফ পিস’ (বিওপি)-এ যোগ দেওয়ার পাকিস্তানের সিদ্ধান্তের বিষয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন। ওয়াশিংটনে বিওপি-এর প্রথম বৈঠকের পরপরই যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সাথে সমন্বয় করে ইরানে হামলা চালায়, যে বৈঠকে ইসরায়েলও উপস্থিত ছিল। এই সমস্ত ঘটনা সামরিক মদদপুষ্ট সরকারকে এক অনিশ্চিত পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিয়েছে।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এই অন্তহীন বা &#8216;নো-উইন&#8217; যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসা কঠিন হবে। ট্রাম্পের এই অবৈধ যুদ্ধ অবশ্যই ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক মানচিত্র বদলে দেবে, কিন্তু সেটি তার কাঙ্ক্ষিত পথে হবে না। অঞ্চলটি আরও চরম অরাজকতার দিকে ধাবিত হবে, যার পরিণতি ভোগ করতে হবে পুরো বিশ্বকে।</p>
<p>সূত্র: ডন</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিশাল জয়ে দুই দশক পর ক্ষমতায় বিএনপি, যুক্তরাষ্ট্র-ভারত-পাকিস্তানের অভিনন্দন</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%9c%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%a6%e0%a6%b6%e0%a6%95-%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%ae/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 13 Feb 2026 06:26:46 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[অভিনন্দন]]></category>
		<category><![CDATA[পাকিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=9746</guid>

					<description><![CDATA[ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে রয়েছে বিএনপি। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি আবারও রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরতে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন ২৯৭টি আসনের ফলাফল প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে বিজনেস টাইমস ২৬৯টি আসনের ফলাফল বিশ্লেষণ করেছে। বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বিএনপি ১৯৭টি আসনে জয়ী হয়েছে। তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে রয়েছে বিএনপি। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি আবারও রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরতে যাচ্ছে।</strong></p>
<p>নির্বাচন কমিশন ২৯৭টি আসনের ফলাফল প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে বিজনেস টাইমস ২৬৯টি আসনের ফলাফল বিশ্লেষণ করেছে।</p>
<p>বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বিএনপি ১৯৭টি আসনে জয়ী হয়েছে। তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী ৫৬টি আসনে জয় পেয়েছে।</p>
<p>অন্য দলগুলোর মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৪টি এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি আসনে জয়ী হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৭টি আসনে জয়লাভ করেছেন।</p>
<p>এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণ অধিকার পরিষদ এবং গণসংহতি আন্দোলন ১টি করে আসনে জয় পেয়েছে।</p>
<p>শীর্ষ নেতাদের মধ্যে ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অন্যদিকে ঢাকা-১৫ আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ঢাকা-১১ আসনে জয় পেয়েছেন এনসিপির প্রার্থী নাহিদ ইসলাম।</p>
<p>এবার বেশি নজর কেড়েছে নির্বাচনের দিনের পরিবেশ। সহিংসতার আশঙ্কা থাকলেও শেষপর্যন্ত ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণই হয়েছে। দেশের অধিকাংশ জায়গায় ভোটাররা উৎসবমুখর এবং শান্ত ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে ভোট দিয়েছেন।</p>
<p><strong>বিএনপি ও তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে পাকিস্তান</strong><br />
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে &#8216;ভূমিধস সংখ্যাগরিষ্ঠতা&#8217; পাওয়ার কারণে বিএনপি ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে পাকিস্তান। যদিও নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল এখনও ঘোষণা করা হয়নি।</p>
<p>পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রতি পাকিস্তানের পূর্ণসমর্থন রয়েছে এবং বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতেও আগ্রহী পাকিস্তান।</p>
<p>ঢাকায় নতুন রাজনৈতিক পরিবেশ গোটা অঞ্চলে আরও ভারসাম্যপূর্ণ, স্বাধীন ও পারস্পরিক সম্মানভিত্তিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে সহায়ক হবে বলেও তিনি আশা করেন।</p>
<p><strong>তারেক রহমানকে নরেন্দ্র মোদির অভিনন্দন<br />
</strong>ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে বিএনপির &#8216;সুস্পষ্ট জয়ের&#8217; কথা উল্লেখ করে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।</p>
<p>সামাজিক মাধ্যম এক্সে (আগের টুইটার) একটি পোস্টে তিনি লিখেছেন, &#8216;আমি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুস্পষ্ট জয়ের পথে বিএনপিকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই&#8217;।</p>
<p>&#8216;এই বিজয় বাংলাদেশের জনগণের আপনার নেতৃত্বের প্রতি আস্থার প্রতিফলন। ভারত একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পক্ষে সমর্থন অব্যাহত রাখবে,&#8217; লিখেছেন তিনি।</p>
<p>বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে আগ্রহ প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, &#8216;আমাদের বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরো জোরদার করতে এবং অভিন্ন উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অগ্রসর করতে আপনার সাথে কাজ করার অপেক্ষায় রইলাম&#8217;।</p>
<p><strong>বিএনপিকে &#8216;বিজয়ের শুভেচ্ছা&#8217; মার্কিন দূতাবাসের</strong><br />
ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া একটি পোস্টে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপিকে বিজয়ী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের ওই পোস্টে বলা হয়েছে, &#8216;একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন। বিএনপি এবং তারেক রহমানকে তাদের ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা। আমাদের দুই দেশের সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তার অভিন্ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে আপনাদের সাথে কাজ করারজন্য যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী।&#8217;</p>
<p><strong>বিজয়ের পর আনন্দ মিছিল নয়, দেশব্যাপী দোয়া কর্মসূচি বিএনপির</strong><br />
নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক আসনে নিজেদের বিজয় দাবি করে দেশব্যাপী দোয়া কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে পাঠানো সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শুক্রবার বাদ জুম&#8217;আ ঢাকাসহ সারাদেশের মসজিদে মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।</p>
<p>প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্বাচনে বিজয় উপলক্ষে বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো আনন্দ মিছিল বা সভা করা হবে না। দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সাধারণ জনগণকে দেশব্যাপী আয়োজিত দোয়া কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।</p>
<p>এছাড়া সারাদেশের মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডাসহ অন্যান্য উপাসনালয়ে নিজ নিজ ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষদের সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নতুন বাণিজ্য চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম আমদানি বাড়াবে বাংলাদেশ</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%9a%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a7%81/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 11 Feb 2026 12:49:33 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ববাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[আমদানি]]></category>
		<category><![CDATA[প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম]]></category>
		<category><![CDATA[বাণিজ্য চুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=9720</guid>

					<description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সদ্য স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তির আওতায় দেশটি থেকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম আমদানি বাড়াবে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশ থেকে সামরিক সরঞ্জাম কেনা কমাতে হবে সরকারকে। গত ৯ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই বাণিজ্য চুক্তি সই হয়। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশের ওপর আরোপিত &#8216;রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ&#8217; বা পারস্পরিক শুল্ক ১৯ শতাংশে নামিয়ে এনেছে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সদ্য স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তির আওতায় দেশটি থেকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম আমদানি বাড়াবে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশ থেকে সামরিক সরঞ্জাম কেনা কমাতে হবে সরকারকে।</strong></p>
<p>গত ৯ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই বাণিজ্য চুক্তি সই হয়। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশের ওপর আরোপিত &#8216;রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ&#8217; বা পারস্পরিক শুল্ক ১৯ শতাংশে নামিয়ে এনেছে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা ও কৃত্রিম তন্তু (ম্যান মেইড ফাইবার) আমদানি করে তা দিয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশ। এই বাণিজ্যিক সুবিধার বিপরীতেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে অস্ত্র কেনার এই শর্ত মেনে নিয়েছে বাংলাদেশ।</p>
<p>ইউএসটিআর প্রকাশিত চুক্তির নথিতে বলা হয়েছে, &#8216;বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে সামরিক সরঞ্জাম কেনা বাড়ানোর চেষ্টা করবে এবং নির্দিষ্ট কিছু দেশ থেকে এসব সরঞ্জাম কেনা সীমিত করবে।&#8217; প্রকাশিত কপিতে দেশগুলোর তালিকা না থাকলেও, যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া খসড়া চুক্তিতে চীন থেকে সামরিক সরঞ্জাম আমদানি কমানোর কথা উল্লেখ ছিল।</p>
<p>এছাড়া, এই চুক্তির আওতায় আগামী ১৫ বছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করবে বাংলাদেশ। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের গাড়ি ও গাড়ির যন্ত্রাংশ আমদানির কথাও বলা হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ ১৪টি বোয়িং যাত্রীবাহী বিমান ও এর যন্ত্রাংশ আমদানি করবে এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভবিষ্যতে আরও বেশি বিমান কিনবে।</p>
<p>সোমবার বাংলাদেশ সময় রাতে ওয়াশিংটনে চুক্তি স্বাক্ষরের পর বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় বাণিজ্য চুক্তিতে নিজ নিজ দেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর) জেমিসন গ্রিয়ার এবং বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।</p>
<p>সংশোধিত এই শুল্কহার যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রধান তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে তুলনামূলকভাবে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে রেখেছে। বাংলাদেশের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ভিয়েতনামের ওপর পাল্টা শুল্ক নির্ধারিত হয়েছে ২০ শতাংশ, আর ভারত পেয়েছে বাংলাদেশের চেয়ে ১ শতাংশ কম—১৮ শতাংশ। পাকিস্তান, কম্বোডিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার ক্ষেত্রেও ১৯ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।</p>
<p>বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি তৈরি পোশাক রপ্তানি করে চীন, এরপরই রয়েছে ভিয়েতনাম। এরপরই বাংলাদেশ তৃতীয় আর ভারত রয়েছে চতুর্থ স্থানে।</p>
<p>গত বছরের আগস্ট থেকে বাংলাদেশের পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ পারস্পরিক এই শুল্ক আরোপ করে আসছিল যুক্তরাষ্ট্র। এতে রপ্তানিতে চাপ তৈরি হলে শুল্ক কমাতে আলোচনা শুরু করে ঢাকা। নীতিনির্ধারকেরা আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, শুল্কহার ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা যেতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত সেই লক্ষ্য পূরণ হয়নি।</p>
<p>বাংলাদেশের ওপর আরোপিত পারস্পরিক শুল্কের হার (রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ) ১৫ শতাংশ না হওয়ার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে বাণিজ্যসচিব বলেন, প্রথমত, যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চলের কোনো দেশের রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ কমিয়ে ১৫ শতাংশ করেনি। তাছাড়া, ভারতের সঙ্গে চূড়ান্ত হওয়া বাণিজ্য চুক্তির কিছুটা প্রভাবও বাংলাদেশের ওপর পড়েছে, যেখানে ভূরাজনৈতিক বিবেচনা থাকতে পারে, যার প্রভাব বাংলাদেশের ওপর পড়তে পারে।</p>
<p>বাণিজ্য উপদেষ্টা জানান, বাণিজ্য উত্তেজনা কমানোর বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। এতে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে বলে হিসাব দিয়েছেন তিনি।</p>
<p>এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাড়তি দামে তুলা, গম, সয়াবিন, এলএনজিসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানির বিষয়ও স্থান পেয়েছে চুক্তিতে। এছাড়া, ই-কমার্সে ট্যারিফ আরোপ না করা, যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত অনুযায়ী ইন্টেলেকচুয়াল মেধাস্বত্ব অধিকার (আইপি) মেনে চলা এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) সংস্কারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে সমর্থন দিতে হবে বাংলাদেশকে।</p>
<p>সূত্র: টিবিএস</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>তৈরি পোশাকে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়ে বাংলাদেশের ওপর শুল্ক কমিয়ে ১৯ শতাংশ করলো যুক্তরাষ্ট্র</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%a4%e0%a7%88%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%b8/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 10 Feb 2026 04:58:06 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ববাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[তৈরি পোশাক]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[শুল্ক]]></category>
		<category><![CDATA[শুল্কমুক্ত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=9705</guid>

					<description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ। এতে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর দেশটির পাল্টা শুল্ক (রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ) কমে ১৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এই চুক্তির আওতায়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত তুলা ও কৃত্রিম তন্তু (সিনথেটিক ফাইবার) দিয়ে তৈরি বাংলাদেশি তৈরি পোশাক দেশটিতে রপ্তানির ক্ষেত্রে শূন্য শুল্ক সুবিধা পাবে। বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমান সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এই তথ্য নিশ্চিত করেন। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ। এতে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর দেশটির পাল্টা শুল্ক (রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ) কমে ১৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এই চুক্তির আওতায়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত তুলা ও কৃত্রিম তন্তু (সিনথেটিক ফাইবার) দিয়ে তৈরি বাংলাদেশি তৈরি পোশাক দেশটিতে রপ্তানির ক্ষেত্রে শূন্য শুল্ক সুবিধা পাবে।</strong></p>
<p>বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমান সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এই তথ্য নিশ্চিত করেন।</p>
<p>তিনি টিবিএসকে জানান, সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টার দিকে ওয়াশিংটনে নিজ নিজ দেশের পক্ষে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ও মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর) জেমিসন গ্রিয়ার।</p>
<p>এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী ও বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। এ চুক্তি নিয়ে গত বছরের এপ্রিল থেকে প্রায় ৯ মাস ধরে আলোচনা চলছিল।</p>
<p>এ চুক্তি নিয়ে উভয় দেশের মধ্যে আলোচনা প্রক্রিয়ায় সার্বিক নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রশংসা করেন গ্রিয়ার জেমিসন। সেই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলকে তাদের &#8216;অসাধারণ প্রচেষ্টার&#8217; জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, এই চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির সঙ্গে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও উপযুক্ত করবে।</p>
<p>চুক্তি সইয়ের পর বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সম্পর্ক এক নতুন ঐতিহাসিক স্তরে পৌঁছেছে। এর ফলে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র একে অপরের বাজারে আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রবেশাধিকার পাবে।</p>
<p>এর আগে বাংলাদেশের ওপর পাল্টা শুল্কহার ছিল ৩৭ শতাংশ, যা গত বছরের আগস্টে কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়। নতুন চুক্তির মাধ্যমে তা আরও এক শতাংশ কমানো হলো।</p>
<p>জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান বলেন, ২০ শতাংশ থেকে শুল্কহার ১৯ শতাংশে নামিয়ে আনা বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের জন্য আরও সুবিধা বয়ে আনবে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু বস্ত্র ও পোশাকপণ্যে শূন্য শুল্ক সুবিধা বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে উল্লেখযোগ্য গতি সঞ্চার করবে। তিনি বাংলাদেশের পক্ষে এই চুক্তির প্রধান আলোচক ছিলেন।</p>
<p>চুক্তিটি সোমবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদন পেয়েছে। দুই দেশ প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারি করলে এটি কার্যকর হবে।</p>
<p>সংশোধিত শুল্ক হারের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানিকারক প্রধান দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ তুলনামূলকভাবে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ভিয়েতনামের ওপর যেখানে ২০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, সেখানে ভারত কিছুটা কম ১৮ শতাংশ শুল্ক নিশ্চিত করতে পেরেছে। এছাড়া পাকিস্তান, কম্বোডিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার পণ্যের ওপরও ১৯ শতাংশ হারে শুল্কারোপ করা হয়েছে।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে চীন এখনও শীর্ষ স্থানে রয়েছে। এর পরই ভিয়েতনামের অবস্থান। বর্তমানে বাংলাদেশ এই তালিকার তৃতীয় ও ভারত চতুর্থ অবস্থানে আছে।</p>
<p>গত বছরের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক আরোপ করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে শুল্ক কমানোর লক্ষ্যে ঢাকা জোর আলোচনা শুরু করে। নীতিনির্ধারকরা এর আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, এ হার ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা সম্ভব হতে পারে।</p>
<p>বাণিজ্য সচিব বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলের কোনো দেশকেই ১৫ শতাংশ পাল্টা শুল্ক সুবিধা দেয়নি। তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি সই হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ভারত বাণিজ্য চুক্তি হয়তো বাংলাদেশের ফলাফলের ওপর প্রভাব ফেলেছে; এর পেছনে ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ কাজ করতে পারে।</p>
<p>বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের সাবেক মহাপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি থাকার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ভারত বাড়তি নমনীয়তার সুবিধা পেয়েছে। তবে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগের তেমন কোনো কারণ নেই বলে তিনি মনে করেন।</p>
<p>বাংলাদেশের স্বল্প শ্রমব্যয় ও কম উৎপাদন খরচের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি টিবিএসকে বলেন, &#8216;১৯ শতাংশ শুল্কারোপ করা হলেও যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক বাজারে ভারতের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে বাংলাদেশকে খুব একটা বেগ পেতে হবে না।&#8217;</p>
<p>শুল্ক সমন্বয়ের পাশাপাশি এ চুক্তিতে বেশ কিছু বাণিজ্যিক ও কৌশলগত প্রতিশ্রুতি রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত তুলা ব্যবহার করে বাংলাদেশে তৈরিকৃত পোশাকের ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেবে মার্কিন প্রশাসন। এটি উভয় দেশের বস্ত্র খাতের সরবরাহ চেইনের জন্য লাভজনক হতে পারে।</p>
<p>বাণিজ্য উপদেষ্টা জানান, বাণিজ্যিক টানাপোড়েন কমানোর বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং থেকে ২৫টি বিমান কিনতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ। এর আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০-৩৫ হাজার কোটি টাকা।</p>
<p>এ চুক্তিতে আরও যেসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, তা হলো—যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা, গম, সয়াবিন ও এলএনজি আমদানি; ই-কমার্সের ওপর শুল্কারোপ না করা; মেধাস্বত্ব-সংক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্রের মানদণ্ড মেনে চলা ও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সংস্কারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবগুলোকে সমর্থন দেওয়া।</p>
<p>সরকার মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ চুক্তির বিষয়ে জনগণকে অবহিত করতে পারে।</p>
<p>রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র এখনও বাংলাদেশের বৃহত্তম রপ্তানি বাজার।</p>
<p>গত অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৮.৬৯ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৪.৯৫ বিলিয়ন ডলারের ও নিটওয়্যার রপ্তানি হয়েছে ২.৬০ বিলিয়ন ডলারের। এছাড়া হোম টেক্সটাইল রপ্তানি ১৫০ মিলিয়ন ডলারে ও ক্যাপ রপ্তানি ২৫৯ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।</p>
<p>বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যানুসারে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৩৪৬ মিলিয়ন ডলার মূল্যের তুলা আমদানি করেছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ২৭৮ মিলিয়ন ডলার। গত অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট তুলা আমদানির ১০ শতাংশ এসেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ইরানের চরম হুঁশিয়ারি: যেকোনো হামলাকে ‘পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ’ হিসেবে গণ্য করার ঘোষণা</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a6%ae-%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%81%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%af%e0%a7%87/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 24 Jan 2026 06:13:37 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ববাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[‘পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ’]]></category>
		<category><![CDATA[ইরান]]></category>
		<category><![CDATA[ইসরায়েল]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপাচ্য]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[হামলা]]></category>
		<category><![CDATA[হুঁশিয়ারি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=9513</guid>

					<description><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌবাহিনীর রণতরি ও অতিরিক্ত সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের মুখে কঠোর হুঁশিয়ারি বার্তা দিয়েছে ইরান। তেহরানের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরানের ওপর যেকোনো ধরনের আক্রমণ—তা সে সীমিত পরিসরে বা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতেই হোক না কেন—তাকে ‘পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ’ হিসেবে গণ্য করবে তারা। শুক্রবার এক বিবৃতিতে তিনি এই সতর্কবার্তা দেন। উচ্চ সতর্কতায় ইরান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ঊর্ধ্বতন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌবাহিনীর রণতরি ও অতিরিক্ত সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের মুখে কঠোর হুঁশিয়ারি বার্তা দিয়েছে ইরান। তেহরানের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরানের ওপর যেকোনো ধরনের আক্রমণ—তা সে সীমিত পরিসরে বা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতেই হোক না কেন—তাকে ‘পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ’ হিসেবে গণ্য করবে তারা। শুক্রবার এক বিবৃতিতে তিনি এই সতর্কবার্তা দেন।</strong></p>
<p><strong>উচ্চ সতর্কতায় ইরান</strong><br />
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ঊর্ধ্বতন ইরানি কর্মকর্তা বলেন: মার্কিন সামরিক শক্তির এই সমাবেশ আমরা লক্ষ্য করছি। আমরা আশা করি এটি কোনো প্রকৃত সংঘাতের উদ্দেশ্যে নয়, তবে আমাদের সামরিক বাহিনী যেকোনো চরম পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এই কারণেই বর্তমানে সমগ্র ইরানে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।</p>
<p>তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন: এবার যেকোনো হামলাকে—সেটি সীমিত হোক, অসীম হোক, কিংবা তথাকথিত ‘সার্জিক্যাল অ্যাটাক’—আমরা আমাদের বিরুদ্ধে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ হিসেবে বিবেচনা করবো এবং এর চড়া মূল্য আদায় করতে আমরা কঠোরতম উপায়ে জবাব দেব।</p>
<p><strong>ট্রাম্পের ‘আর্মাডা’ ও ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা</strong><br />
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন যে, আমেরিকার একটি বিশাল রণতরি বহর বা ‘আর্মাডা’ ইরানের অভিমুখে যাত্রা করেছে। যদিও তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, এটি ব্যবহারের প্রয়োজন হবে না, তবে তেহরানের পরমাণু কর্মসূচি এবং বিক্ষোভকারীদের ওপর দমনপীড়ন বন্ধে তিনি পুনরায় কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন।</p>
<p>ইরানি কর্মকর্তা পাল্টা জবাবে বলেন: যদি আমেরিকানরা ইরানের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন করে, তবে আমরা বসে থাকব না। যারা ইরানকে আক্রমণ করার দুঃসাহস দেখাবে, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের হাতে থাকা সবটুকু শক্তি ব্যবহার করে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে আমরা বাধ্য হব।</p>
<p><strong>আকাশপথে স্থবিরতা: ফ্লাইট স্থগিত করলো এয়ার ফ্রান্স ও কেএলএম</strong><br />
আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বেসামরিক বিমান চলাচলের ওপর। উদ্ভূত ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে শুক্রবার অন্তত দুটি শীর্ষস্থানীয় ইউরোপীয় বিমান সংস্থা মধ্যপ্রাচ্যে তাদের ফ্লাইট স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে।</p>
<p><strong>এয়ার ফ্রান্স:</strong> ফরাসি এই জাতীয় বিমান সংস্থা সাময়িকভাবে দুবাইয়ে তাদের পরিষেবা বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, তারা প্রতিনিয়ত পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং যাত্রী নিরাপত্তার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</p>
<p><strong>কেএলএম:</strong> ডাচ এই বিমান সংস্থাটি দুবাই, তেল আবিব, দাম্মাম এবং রিয়াদের ফ্লাইট স্থগিত করেছে। একই সাথে তারা ইরান, ইরাক ও ইসরায়েলের আকাশসীমা এড়িয়ে চলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।</p>
<p><strong>পটভূমি ও বর্তমান পরিস্থিতি</strong><br />
গত বছর ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলোতে মার্কিন হামলার প্রস্তুতির সময় থেকেই দুই দেশের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। সম্প্রতি ইরানে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভ দমনে তেহরানের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করে ট্রাম্প বারবার সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দিয়ে আসছিলেন। গত সপ্তাহে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত মনে হলেও, ট্রাম্পের সাম্প্রতিক ‘রণতরি মোতায়েন’-এর বিষয়টি অঞ্চলটিতে পুনরায় যুদ্ধের দামামা বাজিয়ে দিয়েছে।</p>
<p>বিটি/</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ইরানে মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপ: ট্রাম্পের হুমকি ও বাস্তবতার কঠিন সমীকরণ</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/us-military-intervention-in-iran-the-difficult-equation-of-trumps-threats-and-reality/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Jan 2026 10:51:29 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ববাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[ইরান]]></category>
		<category><![CDATA[খামেনি]]></category>
		<category><![CDATA[ট্রাম্প]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপাচ্য]]></category>
		<category><![CDATA[মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপ]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=9413</guid>

					<description><![CDATA[ভেনেজুয়েলার সাবেক নেতা নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার ঘটনায় উৎসাহিত হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক ব্যবস্থার হুমকি দিচ্ছেন। ইরানের শাসকগোষ্ঠী যখন গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় অভ্যন্তরীণ জনরোষ ও বিক্ষোভের মুখে রয়েছে, তখন ট্রাম্পের এই বারবার দেওয়া সতর্কবার্তা ওয়াশিংটনে একটি পুরনো প্রশ্নকে নতুন করে সামনে এনেছে—ইরানে মার্কিন হস্তক্ষেপ আসলে দেখতে কেমন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>ভেনেজুয়েলার সাবেক নেতা নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার ঘটনায় উৎসাহিত হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক ব্যবস্থার হুমকি দিচ্ছেন। ইরানের শাসকগোষ্ঠী যখন গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় অভ্যন্তরীণ জনরোষ ও বিক্ষোভের মুখে রয়েছে, তখন ট্রাম্পের এই বারবার দেওয়া সতর্কবার্তা ওয়াশিংটনে একটি পুরনো প্রশ্নকে নতুন করে সামনে এনেছে—ইরানে মার্কিন হস্তক্ষেপ আসলে দেখতে কেমন হবে? বিশেষ করে যেখানে মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার বিগত দিনের পদক্ষেপগুলো খুব একটা সফল হয়নি।</strong></p>
<p>প্রেসিডেন্টের যুদ্ধংদেহী মনোভাব সত্ত্বেও, পেন্টাগন এখন পর্যন্ত ওই অঞ্চলে কোনো বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করেনি। আমেরিকার উপসাগরীয় মিত্ররা, যারা গত বছরের ইসরায়েলের সাথে ১২ দিনের যুদ্ধে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ক্ষত এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি, তারাও ইরানে হামলার জন্য নিজেদের ভূমি ব্যবহারের সুযোগ দিতে খুব একটা আগ্রহী নয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, যেকোনো মার্কিন সামরিক হামলা শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং ইরান সরকারকে অভ্যন্তরীণ জনমত গঠনে সহায়তা করবে। এটি চলমান বিক্ষোভকে বিতর্কিত করার পাশাপাশি বিদেশি শত্রুর বিরুদ্ধে আঞ্চলিক জোটকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।</p>
<p><strong>লজিস্টিক বা কৌশলগত সংকট</strong><br />
ট্রাম্প সামরিক হস্তক্ষেপের কথা বললেও ওই অঞ্চলে কোনো আগাম সামরিক প্রস্তুতি বা রসদ সাজানোর লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। ব্রিটিশ পত্রিকা দ্য গার্ডিয়ান-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত কয়েক মাসে ওই অঞ্চল থেকে উল্টো সেনা কমানো হয়েছে, যা সামরিক বিকল্পগুলোকে আরও সংকুচিত করে দিচ্ছে।</p>
<p>গত অক্টোবর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার কোনো বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন নেই। ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড গত গ্রীষ্মে ক্যারিবীয় অঞ্চলে পাঠানো হয়েছিল এবং ইউএসএস নিমিটজ শরতের দিকে মার্কিন পশ্চিম উপকূলে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর অর্থ হলো, ইরানের লক্ষ্যবস্তু বা সর্বোচ্চ নেতা খামেনির ওপর কোনো হামলা চালাতে হলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা আমেরিকা ও তার মিত্রদের বিমানঘাঁটিগুলোর ওপর নির্ভর করতে হবে। সেক্ষেত্রে কাতার, বাহরাইন, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান এবং সৌদি আরবের (এমনকি সাইপ্রাসে অবস্থিত ব্রিটিশ আক্রোতিরি ঘাঁটি) অনুমতি নিতে হবে। পাশাপাশি এসব দেশ ও ঘাঁটিকে ইরানের পাল্টা হামলা থেকে রক্ষা করার কঠিন দায়িত্বও নিতে হবে আমেরিকাকে।</p>
<p>দ্বিতীয় বিকল্প হতে পারে গত জুন মাসে ফোরদোর ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক কেন্দ্রে বি-২ বোমারু বিমান দিয়ে চালানো হামলার মতো কোনো দূরপাল্লার অভিযান। কিন্তু জনবহুল শহুরে এলাকায় এমন হামলা বড় ধরনের প্রাণহানি ও বিপর্যয়ের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।</p>
<p><strong>ইরানের পাল্টা আঘাতের ক্ষমতা</strong><br />
আমেরিকা তার মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটিগুলো ব্যবহার না করলেও, ইরান হুমকি দিয়েছে যে তাদের ওপর হামলা হলে তারা ওই অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটি ও জাহাজগুলোতে আঘাত হানবে। যদিও ইসরায়েলের সাথে ১২ দিনের যুদ্ধে ইরানের সামরিক সক্ষমতা কিছুটা হ্রাস পেয়েছে, তবুও তেহরানের হাতে এখনো উল্লেখযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি রয়েছে। তাদের প্রধান উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো পাহাড়ের নিচে সুরক্ষিত অবস্থায় আছে। গার্ডিয়ানের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের কাছে প্রায় ২,০০০ ভারী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, যা একসাথে নিক্ষেপ করলে মার্কিন বা ইসরায়েলি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করতে সক্ষম।</p>
<p><strong>লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণের চ্যালেঞ্জ</strong><br />
আমেরিকার জন্য আরেকটি বড় সমস্যা হলো সঠিক লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করা। যদিও শাসকগোষ্ঠীর সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনাগুলো চিহ্নিত করা কঠিন নয়, কিন্তু বর্তমান বিক্ষোভ এবং তার ওপর সরকারের দমন-পীড়ন পুরো দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। শহুরে এলাকায় সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো সবসময়ই চ্যালেঞ্জিং এবং এতে বেসামরিক নাগরিক হতাহতের চরম ঝুঁকি থাকে।</p>
<p><strong>রাজনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা</strong><br />
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ১৯৫৩ সালের সিআইএ সমর্থিত অভ্যুত্থানসহ মার্কিন হস্তক্ষেপের দীর্ঘ ইতিহাসকে পুঁজি করে ইরান সরকার যেকোনো হামলাকে তাদের টিকে থাকার লড়াই হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। খামেনি সরকার সাধারণ মানুষের কাছে এই মুহূর্তে অজনপ্রিয় হতে পারে, কিন্তু তারা মোটেও দুর্বল নয়; গত জুন মাসে ইসরায়েলের টানা আক্রমণ তারা সফলভাবে মোকাবিলা করেছে।</p>
<p>রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের সিনিয়র অ্যাসোসিয়েট রোক্সেন ফারমানফারমাইয়ান দ্য গার্ডিয়ানকে বলেন, &#8220;ইরানে সরকার, সামরিক বাহিনী এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যে একটি শক্তিশালী সংহতি রয়েছে। সরকার এটি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে তাদের কোনো &#8216;রেড লাইন&#8217; নেই; তারা যেকোনো মূল্যে সীমান্ত এবং রাস্তাঘাট নিয়ন্ত্রণে রাখবে।&#8221;</p>
<p>এমনকি আমেরিকা যদি সরাসরি খামেনিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়, তবে তা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং একটি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের জন্ম দেবে। এছাড়া এতে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনাও কম, কারণ খামেনির উত্তরসূরি হিসেবে ইতিমধ্যেই তিন শীর্ষ ধর্মীয় নেতার একটি তালিকা চূড়ান্ত করে রাখা হয়েছে।</p>
<p><strong>সূত্র:</strong> গার্ডিয়ান, এএফপি, এনডিটিভি</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>‘অনির্দিষ্টকালের জন্য ভেনেজুয়েলার তেল নিয়ন্ত্রণ করবে যুক্তরাষ্ট্র’</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/us-will-control-venezuelas-oil-indefinitely/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 08 Jan 2026 05:55:26 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ববাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[তেল]]></category>
		<category><![CDATA[ভেনেজুয়েলা]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=9285</guid>

					<description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রেসিডেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মার্কো রুবিও বলেছেন, এখন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ভেনেজুয়েলার তেল উত্তোলন ও বিক্রয় সংক্রান্ত সার্বিক ব্যবস্থাপনা থাকবে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে। মার্কিন পার্লামেন্ট কংগ্রেসের উচ্চভবন সিনেটে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।ব্রিফিংয়ে মার্কো রুবিও বলেন, “ভেনেজুয়েলার তেল খাত বিশৃঙ্খলার দিকে ঝুঁকে পড়ুক— এমনটা আমরা চাই না। এ কারণে দেশটির তেল উত্তোলন, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রেসিডেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মার্কো রুবিও বলেছেন, এখন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ভেনেজুয়েলার তেল উত্তোলন ও বিক্রয় সংক্রান্ত সার্বিক ব্যবস্থাপনা থাকবে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে।</strong></p>
<p>মার্কিন পার্লামেন্ট কংগ্রেসের উচ্চভবন সিনেটে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।ব্রিফিংয়ে মার্কো রুবিও বলেন, “ভেনেজুয়েলার তেল খাত বিশৃঙ্খলার দিকে ঝুঁকে পড়ুক— এমনটা আমরা চাই না। এ কারণে দেশটির তেল উত্তোলন, বিপননসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা এখন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকবে।”</p>
<p>ব্রিফিংয়ে রুবিও আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার তেল খাতকে ‘ঢেলে সাজানোর’ উদ্যোগ নিয়েছে। এটি হলো ভেনেজুয়েলার তেল খাত সংস্কারের ‘প্রথম পর্যায়’। তাই এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের সরকার এবং সরকারের অনুমোদিত সংস্থা বা কোম্পানি ছাড়া আর কাউকে এই খাতে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।</p>
<p>তেল খাত সংস্কারের কাজ শেষে দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হবে। এই পর্যায়ে মার্কিন ও অন্যান্য পশ্চিমা কোম্পানিকে ন্যায্যভাবে ভেনেজুয়েলার বাজারে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে”, বলেন রুবিও।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রথম চালানেই ভেনেজুয়েলা থেকে ৫ কোটি ব্যারেল তেল নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/us-to-take-50-million-barrels-of-oil-from-venezuela-in-first-shipment/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 07 Jan 2026 07:32:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ববাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[তেল]]></category>
		<category><![CDATA[ব্যারেল]]></category>
		<category><![CDATA[ভেনেজুয়েলা]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=9267</guid>

					<description><![CDATA[সামরিক অভিযান চালিয়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে অপহরণ করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসার পর এবার দেশটির জ্বালানি তেল যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল মঙ্গলবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এ ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা বার্তায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভেনেজুয়েলার বর্তমান [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>সামরিক অভিযান চালিয়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে অপহরণ করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসার পর এবার দেশটির জ্বালানি তেল যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।</strong></p>
<p>গতকাল মঙ্গলবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এ ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা বার্তায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভেনেজুয়েলার বর্তমান অন্তর্বর্তী সররকারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ ব্যাপারে মতৈক্য হয়েছে এবং প্রথম চালান হিসেবে ভেনেজুয়েলা ৩ থেকে ৫ কোটি ব্যারেল তেল যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হচ্ছে।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রে আসার পর আন্তর্জাতিক বাজারে প্রচলিত মূল্য অনুযায়ী এই তেল বিক্রি করা হবে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।</p>
<p>ভেনেজুয়েলার তেলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা আছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে মুক্তভাবে তেল বিক্রি করতে পারে না দেশটি। ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে ট্রাম্প বলেছেন, “ভেনেজুয়েলা থেকে স্টোরেজ জাহাজে সরাসরি এই তেল আসবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের বন্দরে খালাস হবে। তারপর আন্তর্জাতিক বাজারে প্রচলিত মূল্য অনুযায়ী তা বিক্রি হবে। ভেনেজুয়েলা এবং যুক্তরাষ্ট্র— উভয় দেশের জনগণের জন্য এ পরিকল্পনা লাভজনক হবে। আমি ক্রিস রাইট (যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিসম্পদ মন্ত্রী)-কে দ্রুত এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছি।”</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আরও ৭ দেশের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/us-imposes-travel-ban-on-citizens-of-7-more-countries/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 17 Dec 2025 06:16:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ববাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[নাগরিক]]></category>
		<category><![CDATA[ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=8813</guid>

					<description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত দেশের তালিকা দীর্ঘ হলো। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন নতুন করে সিরিয়াসহ সাতটি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে। রয়টার্সের খবরে এমনটি বলা হয়েছে। হোয়াইট হাউস জানায়, জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তার ঝুঁকি ঠেকাতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যেসব দেশের নাগরিকদের তথ্য যাচাই ও নিরাপত্তা পরীক্ষা ঠিকমতো করা যায় না, সেসব [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত দেশের তালিকা দীর্ঘ হলো। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন নতুন করে সিরিয়াসহ সাতটি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে। রয়টার্সের খবরে এমনটি বলা হয়েছে।</strong></p>
<p>হোয়াইট হাউস জানায়, জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তার ঝুঁকি ঠেকাতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যেসব দেশের নাগরিকদের তথ্য যাচাই ও নিরাপত্তা পরীক্ষা ঠিকমতো করা যায় না, সেসব দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে এই কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।</p>
<p>মঙ্গলবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বুরকিনা ফাসো, মালি, নাইজার, দক্ষিণ সুদান ও সিরিয়ার নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (প্যালেস্টাইনিয়ান অথরিটি) ইস্যু করা ভ্রমণ নথি বহনকারীদেরও যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে দেওয়া হবে না।</p>
<p>এ ছাড়া লাওস ও সিয়েরালিওনের নাগরিকদের ওপরও সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এর আগে এই দুই দেশ শুধু আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিল। হোয়াইট হাউস জানায়, সম্প্রসারিত এই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আগামী ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।</p>
<p>ট্রাম্প এর আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তিনি সিরিয়াকে সফল করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। গত নভেম্বর সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সঙ্গে আলোচনার পর তিনি এমন কথা বলেছিলেন। এর মধ্যেই দেশটির ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ হলো।</p>
<p>মার্কিন সেনাবাহিনী জানায়, সিরিয়ায় সন্দেহভাজন ইসলামিক স্টেট (আইএস) সদস্যদের হামলায় দুইজন মার্কিন সেনা ও একজন বেসামরিক দোভাষী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনাকে সাংবাদিকদের কাছে ট্রাম্প &#8216;ভয়াবহ&#8217; হামলা বলে বর্ণনা করেন।</p>
<p>ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণ হিসেবে হোয়াইট হাউস জানায়, সিরিয়ার অনেক নাগরিক ভিসার মেয়াদ শেষ হলেও যুক্তরাষ্ট্রে থেকে যাচ্ছেন—এই হার তুলনামূলকভাবে বেশি।</p>
<p>হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে বলা হয়, দীর্ঘদিনের গৃহযুদ্ধ ও অভ্যন্তরীণ সংঘাত থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসছে সিরিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে নিরাপত্তা পরিস্থিতি উন্নত করার চেষ্টা চললেও দেশটিতে এখনো পাসপোর্ট বা নাগরিক নথি ইস্যুর জন্য কার্যকর কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ নেই। পাশাপাশি নাগরিকদের যথাযথ নিরাপত্তা যাচাই ও বাছাইয়ের ব্যবস্থাও সেখানে অনুপস্থিত।</p>
<p>আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার তালিকায় নতুন দেশ</p>
<p>হোয়াইট হাউস জানায়, জুনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি ঘোষণাপত্রে সই করে ১২টি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেন এবং আরও সাতটি দেশের নাগরিকদের ওপর আংশিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।</p>
<p>ট্রাম্প বলেন, &#8216;বিদেশি সন্ত্রাসী&#8217; ও অন্যান্য নিরাপত্তা হুমকি ঠেকাতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব নিষেধাজ্ঞা অভিবাসী ও অভিবাসী নন —উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।</p>
<p>হোয়াইট হাউস জানায়, ওই ১২টি দেশের ওপর সম্পূর্ণ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।</p>
<p>এ ছাড়া নতুন করে আরও ১৫টি দেশের ওপর আংশিক নিষেধাজ্ঞা ও প্রবেশে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে নাইজেরিয়াও রয়েছে। দেশটি নিয়ে ট্রাম্প আগে থেকেই কড়া অবস্থানে আছেন।</p>
<p>জানুয়ারিতে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকেই ট্রাম্প কঠোরভাবে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। বড় বড় মার্কিন শহরে ফেডারেল এজেন্ট মোতায়েন করা হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র–মেক্সিকো সীমান্তে আশ্রয়প্রার্থীদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।</p>
<p>গত মাসে ওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাশনাল গার্ডের দুই সদস্যকে গুলি করে হত্যার ঘটনার পর থেকে অভিবাসন নীতিতে এই কঠোরতা আরও বেড়েছে। তদন্তকারীরা জানান, ওই হামলা চালান একজন আফগান নাগরিক, যিনি ২০২১ সালে একটি পুনর্বাসন কর্মসূচির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন।</p>
<p>ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দাবি, ওই কর্মসূচিতে পর্যাপ্ত যাচাই-বাছাই ছিল না।</p>
<p>গুলির ঘটনার কয়েক দিনের মধ্যেই ট্রাম্প &#8216;তৃতীয় বিশ্বের সব দেশ&#8217; থেকে অভিবাসন স্থায়ীভাবে স্থগিত রাখার অঙ্গীকার করেন। তবে তিনি কোন দেশগুলোকে এ তালিকায় রাখবেন বা &#8216;তৃতীয় বিশ্ব&#8217; বলতে কী বোঝাচ্ছেন—তা স্পষ্ট করেননি।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
