<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>রোহিঙ্গা &#8211; বিজনেস টাইমস: ব্যবসা-বাণিজ্য ও উন্নয়ন চিত্রের গণমাধ্যম</title>
	<atom:link href="https://businesstimes.com.bd/tag/%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://businesstimes.com.bd</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Thu, 29 Jan 2026 08:36:16 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0</generator>

<image>
	<url>https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2024/11/cropped-bt-favicon-32x32.jpg</url>
	<title>রোহিঙ্গা &#8211; বিজনেস টাইমস: ব্যবসা-বাণিজ্য ও উন্নয়ন চিত্রের গণমাধ্যম</title>
	<link>https://businesstimes.com.bd</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান প্রত্যাবাসন: প্রধান উপদেষ্টা</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/repatriation-is-the-only-sustainable-solution-to-the-rohingya-crisis-chief-advisor/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 29 Jan 2026 08:35:57 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[প্রত্যাবাসন]]></category>
		<category><![CDATA[প্রধান উপদেষ্টা]]></category>
		<category><![CDATA[রোহিঙ্গা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=9551</guid>

					<description><![CDATA[প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া দশ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর নিজ দেশ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র বাস্তব ও টেকসই সমাধান। তিনি রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরকে সক্রিয় ভূমিকা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। গতকাল বুধবার রাতে ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ইউএনএইচসিআরের নবনিযুক্ত কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া দশ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর নিজ দেশ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র বাস্তব ও টেকসই সমাধান।</strong></p>
<p>তিনি রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরকে সক্রিয় ভূমিকা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।</p>
<p>গতকাল বুধবার রাতে ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ইউএনএইচসিআরের নবনিযুক্ত কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ইভো ফ্রেইজেন তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।</p>
<p>সাক্ষাতে ইউএনএইচসিআরের প্রতিনিধি কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে সহায়তা কার্যক্রমে ‘নাটকীয়ভাবে অর্থায়ন কমে যাওয়ার’ বিষয়টি তুলে ধরেন। পাশাপাশি শিবিরগুলোতে স্বনির্ভরতা ও জীবিকাভিত্তিক সুযোগ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন তিনি।</p>
<p>অধ্যাপক ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার গত এক বছরে একাধিক উচ্চপর্যায়ের কর্মসূচি আয়োজন করলেও রোহিঙ্গা সংকট এখনও প্রত্যাশিত আন্তর্জাতিক মনোযোগ পাচ্ছে না।</p>
<p>তিনি বলেন, গতবছর রমজান মাসে জাতিসংঘ মহাসচিবের শরণার্থী শিবির পরিদর্শন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিষয়টি তুলে ধরতে সহায়ক হলেও আরও মনোযোগ প্রয়োজন।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গাদের শিবিরে অবস্থান কোনো সমাধান হতে পারে না। এতে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে ইতোমধ্যে নানা ধরনের উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তাই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে নতুন করে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ জোরদার করা জরুরি।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সমস্যার শুরু মিয়ানমারে, সমাধানও সেখান থেকেই আসতে হবে। শিবিরে প্রযুক্তি-সুবিধা পাওয়া এক হতাশ ও ক্ষুব্ধ তরুণ প্রজন্ম বড় হয়ে উঠছে—এটি কারও জন্যই ভালো খবর নয়। আমাদের দায়িত্ব হলো তাদের শান্তি ও মর্যাদার সঙ্গে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো।’</p>
<p>বৈঠকে ভাসানচরের রোহিঙ্গা পরিস্থিতি, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট এবং দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ নিয়েও আলোচনা হয়। অধ্যাপক ইউনূস জানান, ভাসানচর থেকে অনেক শরণার্থী আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে মূল ভূখণ্ডে ছড়িয়ে পড়ছেন, যা দেশের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।</p>
<p>ইভো ফ্রেইজেন বলেন, সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত ইউএনএইচসিআর প্রধান বারহাম সালিহ শিগগিরই বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং তার রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনের সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি জানান, তাঁর পূর্বসূরি ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি ২০১৭ সাল থেকে একাধিকবার শিবির পরিদর্শন করেছেন।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর নির্বাচন আয়োজনের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ১১.২ মিলিয়ন ডলার অনুদান দেবে যুক্তরাজ্য-কাতার</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a7%a7%e0%a7%a7/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 08 Dec 2025 06:14:26 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উন্নয়ন-পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[অনুদান]]></category>
		<category><![CDATA[কাতার]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[রোহিঙ্গা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=8682</guid>

					<description><![CDATA[কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া ছয় লাখ ৪৭ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা ও তাদেরকে আশ্রয় দেওয়া স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মানবিক সহায়তা ও পরিবেশ সুরক্ষা জোরদারে যুক্তরাজ্য ও কাতার যৌথভাবে ১১.২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা ঘোষণা করেছে। ব্রিটিশ হাইকমিশনের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, এই যৌথ সহায়তার মাধ্যমে ক্যাম্পে বসবাসরত ঝুঁকিপূর্ণ রোহিঙ্গা পরিবারগুলোর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং শরণার্থী শিবির ও আশপাশের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া ছয় লাখ ৪৭ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা ও তাদেরকে আশ্রয় দেওয়া স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মানবিক সহায়তা ও পরিবেশ সুরক্ষা জোরদারে যুক্তরাজ্য ও কাতার যৌথভাবে ১১.২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা ঘোষণা করেছে।</strong></p>
<p>ব্রিটিশ হাইকমিশনের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, এই যৌথ সহায়তার মাধ্যমে ক্যাম্পে বসবাসরত ঝুঁকিপূর্ণ রোহিঙ্গা পরিবারগুলোর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং শরণার্থী শিবির ও আশপাশের এলাকায় পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতি কমাতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সরবরাহ করা হবে।</p>
<p>বিবৃতিতে দুই দেশের বরাত দিয়ে আরও বলা হয়, &#8216;আমরা একসঙ্গে নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর ও আরও টেকসই সম্প্রদায় গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।&#8217;</p>
<p>এলপিজি সরবরাহের ফলে জ্বালানি কাঠের ওপর নির্ভরতা কমবে—বিবৃতিতে এমন আশাবাদ প্রকাশ করা হয়। গত কয়েক বছরে জ্বালানি কাঠের উচ্চ চাহিদার কারণে আশপাশের এলাকায় ব্যাপক বন উজাড়ের ঘটনা ঘটেছে।</p>
<p>২০১৭ সালে মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের আগমনের পর থেকে কক্সবাজার বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর আবাসস্থল হিসেবে রয়ে গেছে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রোহিঙ্গাদের জন্য আরও ৯৬ মিলিয়ন ডলার দেবে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a7%af%e0%a7%ac-%e0%a6%ae-2/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 01 Oct 2025 05:01:11 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উন্নয়ন-পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[রোহিঙ্গা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=7733</guid>

					<description><![CDATA[জাতিসংঘের প্রথম উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলনে রোহিঙ্গাদের নতুন সাহায্য হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য ৯৬ মিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছে। বুধবার (১ অক্টোবর) দিবাগত রাতে ফেসবুকে এক পোস্টে প্রধান উপদেষ্টার সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহমেদ এ তথ্য জানান। পোস্টে তিনি লেখেন, মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে রোহিঙ্গা বিষয়ে প্রথম উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>জাতিসংঘের প্রথম উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলনে রোহিঙ্গাদের নতুন সাহায্য হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য ৯৬ মিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছে।</strong></p>
<p>বুধবার (১ অক্টোবর) দিবাগত রাতে ফেসবুকে এক পোস্টে প্রধান উপদেষ্টার সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহমেদ এ তথ্য জানান।</p>
<p>পোস্টে তিনি লেখেন, মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে রোহিঙ্গা বিষয়ে প্রথম উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য ৯৬ মিলিয়ন ডলারের নতুন সাহায্যের প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ৬০ মিলিয়ন ডলার এবং যুক্তরাজ্য ৩৬ মিলিয়ন ডলার অনুদান ঘোষণা করে।</p>
<p>এর আগে মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ‘মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি’ বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটের মূল উৎস মিয়ানমারে এবং সমাধানও সেখানে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মিয়ানমার ও আরাকান আর্মির ওপর কার্যকর চাপ সৃষ্টি করতে হবে, যাতে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন বন্ধ করে এবং তাদের দ্রুত রাখাইনে প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেয়।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টা বলেন, গণহত্যা শুরু হওয়ার আট বছর পরও রোহিঙ্গাদের দুর্দশা অব্যাহত রয়েছে। সংকট নিরসনের উদ্যোগের অভাব রয়েছে। আন্তর্জাতিক তহবিলের উদ্বেগজনক ঘাটতির মুখোমুখি হচ্ছে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রোহিঙ্গা থেকে গাজা: গণহত্যা প্রতিরোধ ও অপরাধীদের শাস্তিদানে আদালতের নিষ্ক্রিয়তা</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%8d/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 21 Sep 2025 06:19:03 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[স্পটলাইট]]></category>
		<category><![CDATA[আইসিজে]]></category>
		<category><![CDATA[গণহত্যা]]></category>
		<category><![CDATA[গাজা]]></category>
		<category><![CDATA[রোহিঙ্গা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=7568</guid>

					<description><![CDATA[আজ থেকে আট বছর আগে, ২৫ আগস্ট, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে জাতিগত নিধন অভিযান শুরু করে। এই নৃশংস অভিযানে ২০১৭ সালের শরতে ৭৪০,০০০-এর বেশি রোহিঙ্গাকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করা হয় এবং &#8220;মুসলিম সন্ত্রাসী&#8221; দমনের নামে ৩০০ গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। তৎকালীন বেসামরিক সরকার প্রধান অং সান সু চি এই জাতিগত নিধনকে প্রকাশ্যে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজ থেকে আট বছর আগে, ২৫ আগস্ট, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে জাতিগত নিধন অভিযান শুরু করে। এই নৃশংস অভিযানে ২০১৭ সালের শরতে ৭৪০,০০০-এর বেশি রোহিঙ্গাকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করা হয় এবং &#8220;মুসলিম সন্ত্রাসী&#8221; দমনের নামে ৩০০ গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।</strong></p>
<p>তৎকালীন বেসামরিক সরকার প্রধান অং সান সু চি এই জাতিগত নিধনকে প্রকাশ্যে সমর্থন করেন এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে এর পক্ষে সাফাই গান। সেই সময়, আমরা দুজনই বাংলাদেশের কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে গিয়ে সরাসরি গণহত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ ও উচ্ছেদের ভয়াবহ গল্প শুনি। আজও রোহিঙ্গাদের জন্য মিয়ানমারের গণহত্যা চলমান। তাদের কোনো অধিকার বা সুরক্ষা নেই, এবং স্বদেশে ফেরার কোনো সম্ভাবনাও নেই, যা ফিলিস্তিনিদের বর্তমান অবস্থার সাথে তুলনীয়।</p>
<p><strong>আন্তর্জাতিক বিচার ব্যবস্থার ব্যর্থতা</strong><br />
আট বছর পর একটি বিষয় পরিষ্কার: আন্তর্জাতিক রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা এবং এর প্রধান বিচারিক অঙ্গ আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) বারবার অপরাধী রাষ্ট্রগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনতে ব্যর্থ হয়েছে। এর ফলস্বরূপ মিয়ানমারে অপরাধের দায়মুক্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যা অন্যান্য সমসাময়িক গণহত্যার ক্ষেত্রেও দেখা যাচ্ছে। যেমন, গাজায় ইসরায়েলের তথাকথিত &#8220;শহুরে যুদ্ধ&#8221;-এ নিহতদের ৮৩ শতাংশই বেসামরিক নাগরিক, যা একটি ফাঁস হওয়া ইসরায়েলি সামরিক রিপোর্টে উঠে এসেছে।</p>
<p>মিয়ানমারের মতো ইসরায়েলও বর্তমানে আইসিজে-তে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত। গাম্বিয়ার দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে আইসিজে প্রাথমিকভাবে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার বিশ্বাসযোগ্যতা নির্ণয় করে। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে আইসিজে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে থাকা ৬০০,০০০ রোহিঙ্গাকে সুরক্ষিত গোষ্ঠী হিসেবে ঘোষণা করে এবং তাদের বিরুদ্ধে নতুন করে সহিংসতা বন্ধের নির্দেশ দেয়।</p>
<p>তবে, এর পর থেকে মিয়ানমারে দায়মুক্তির মাত্রা কেবল বেড়েছে। জাতিসংঘ-এর এই প্রধান বিচারিক অঙ্গ নতুন করে গণহত্যা বন্ধে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। আইসিজে-এর আইনি প্রক্রিয়ার চেয়ে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা অনেক দ্রুত গতিতে চলছে। ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমার সামরিক বাহিনী অন্যান্য জাতিগোষ্ঠী এবং গণতন্ত্রপন্থীদের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে যুদ্ধাপরাধ করছে। এর মধ্যে আরাকান আর্মি নামের একটি জাতিগত রাখাইন বৌদ্ধ মিলিশিয়াও রয়েছে, যারা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত। এই অপরাধগুলোর পেছনে রয়েছে ইসলামবিরোধী বৌদ্ধ জাতীয়তাবাদ।</p>
<p><strong>&#8216;ধীরগতির গণহত্যা&#8217;</strong><br />
২০১৪ সালের একটি গবেষণায় আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতন ও ধ্বংসযজ্ঞ সম্পর্কে সতর্ক করেছিলাম। ধীরগতির গণহত্যা বলতে বোঝানো হয় রাষ্ট্র-নেতৃত্বাধীন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে আইন এবং সহিংসতা উভয়কেই গণহত্যামূলক যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়। সমাজের ব্যাপক সমর্থনও এই প্রক্রিয়াকে সহজ করে তোলে। মিয়ানমারের ক্ষেত্রে, সাধারণ মানুষ সামরিক বাহিনীর ইসলাম-বিদ্বেষী আদর্শের সাথে একাত্মতা পোষণ করে।</p>
<p>অং সান সু চি ২০২০ সালে আইসিজে-তে গিয়ে যখন তার দেশের পক্ষে গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেন, তখন তিনি কেবল নিজের নৈতিক অবস্থানই হারাননি, বরং মিয়ানমার সমাজের একটি বড় অংশকে তাদের অপরাধের দায় স্বীকার করা থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়েছেন। আরাকান আর্মির সাম্প্রতিক অপরাধের পর ৬০০ রোহিঙ্গার গণকবর আবিষ্কৃত হলেও অন্যান্য রাজনৈতিক ও সশস্ত্র বিরোধী গোষ্ঠীগুলোর নীরবতা খুবই উদ্বেগজনক। তাদের কাছে আরাকান আর্মির সাথে জোট গঠন রোহিঙ্গাদের চলমান হত্যা, দমন ও নির্বাসন থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। চলমান গণহত্যার মুখে এই নীরবতা আসলে নীরব সম্মতি।</p>
<p><strong>আন্তর্জাতিক বিচার ব্যবস্থার নিষ্ক্রিয়তা</strong><br />
সু চির পতন থেকে মিয়ানমারের জনগণ শিক্ষা নেয়নি। ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর থেকে তিনি কারাবন্দী, এবং তার এই অস্বীকার তাকে বিশ্বের সমর্থন থেকে বঞ্চিত করেছে। মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধে তার সক্রিয় ভূমিকার জন্য তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।</p>
<p>মিয়ানমারের বাইরেও, ব্যক্তি নেতারা আন্তর্জাতিক বিচার ব্যবস্থার কোনো বাধা ছাড়াই প্রায় সম্পূর্ণ দায়মুক্তি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা মানব ইতিহাসের এক গভীর সংকটময় সময়ে প্রবেশ করেছি, যখন পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলো, যারা হলোকাস্ট-পরবর্তী আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামো তৈরি করেছিল, তারাই মানবাধিকার বা গণহত্যা প্রতিরোধের প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসেছে।</p>
<p>এর একটি উদাহরণ হলো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে সমর্থন করছে এবং ইসরায়েলি নেতাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির প্রতিক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে। একই সময়ে, যুক্তরাজ্যের মতো ইউরোপীয় দেশগুলো গাজায় ইসরায়েলের চলমান গণহত্যা এবং ইহুদি আধিপত্যবাদী বর্ণবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারী নাগরিকদের দমনের জন্য সন্ত্রাস-বিরোধী আইন ব্যবহার করছে।</p>
<p><strong>লেখক:</strong><br />
<strong>ন্যাটালি ব্রিনহ্যাম- &#8221;</strong>নাগরিকত্ব ও গণহত্যা কার্ড: পরিচয়পত্র, রাষ্ট্রহীনতা এবং মিয়ানমারে রোহিঙ্গা প্রতিরোধ&#8221; বইয়ের লেখক।</p>
<p><strong>মাউং জার্নি-</strong> www.forsea.co-এর একজন বার্মিজ সহ-প্রতিষ্ঠাতা, রোহিঙ্গাদের উপর মায়ানমারের গণহত্যা (২০১৮) -এর সহ-লেখক এবং কম্বোডিয়ার জেনোসাইড ডকুমেন্টেশন সেন্টারের সহযোগী।</p>
<p><strong>সূত্র:</strong> টিআরটি ওয়ার্ল্ড</p>
<p><strong>ভাষান্তর:</strong> রেজাউল করিম</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সীমান্ত পেরোলেই মৃত্যু: তবু আশ্রয়প্রার্থীদের ‘দেশহীন’ করে সাগরে ভাসিয়ে দিচ্ছে ভারত</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%b8%e0%a7%80%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81-%e0%a6%a4/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 14 Sep 2025 11:28:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উন্নয়ন-পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[রোহিঙ্গা]]></category>
		<category><![CDATA[সাগর]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=7420</guid>

					<description><![CDATA[সুরক্ষিত মনে করা একটি বাড়িতে বসে মোহাম্মদ ইসমাইল তার মেয়ের জন্য শোক করছেন, যাকে আট বছর আগে তার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে সেই দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে, যেখানে তাদের সম্প্রদায়কে আনুষ্ঠানিকভাবে অস্বীকার করা হয়। ২০১৭ সালে মিয়ানমারে সৈন্যরা যখন তাদের দেশের রোহিঙ্গা সংখ্যালঘুদের উপর রাষ্ট্র-অনুমোদিত ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ এবং হত্যার তাণ্ডব চালায়, তখন মোহাম্মদ এবং তার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>সুরক্ষিত মনে করা একটি বাড়িতে বসে মোহাম্মদ ইসমাইল তার মেয়ের জন্য শোক করছেন, যাকে আট বছর আগে তার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে সেই দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে, যেখানে তাদের সম্প্রদায়কে আনুষ্ঠানিকভাবে অস্বীকার করা হয়।</strong></p>
<p>২০১৭ সালে মিয়ানমারে সৈন্যরা যখন তাদের দেশের রোহিঙ্গা সংখ্যালঘুদের উপর রাষ্ট্র-অনুমোদিত ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ এবং হত্যার তাণ্ডব চালায়, তখন মোহাম্মদ এবং তার মেয়ে আসমা তাদের গ্রাম থেকে পালিয়ে এসেছিলেন।</p>
<p>লাখ লাখ রোহিঙ্গা পার্শ্ববর্তী বাংলাদেশের নোংরা শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেয়, কিন্তু মোহাম্মদ এবং তার মেয়ে ভারতে নিরাপত্তা এবং আশা খুঁজে পেয়েছিল। তিনি দিল্লিতে আবর্জনা কুড়ানি হিসাবে কাজ খুঁজে পেয়েছিলেন এবং আসমা দিল্লির একটি ধুলোময় এলাকায় স্কুলে গিয়েছিল, যেখানে তারা বাড়ি বানিয়েছিল। গত মে মাসে ২০ বছর বয়সী আসমার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল।</p>
<p>কিন্তু তার বিয়ের কয়েক দিন আগে, তাকে এবং শহরে বসবাসকারী আরও ৩৯ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ডেকে পাঠিয়েছিল, আপাতদৃষ্টিতে তাদের নতুন পরিচয়পত্রের জন্য বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহের জন্য। এরপর তারা নিখোঁজ হয়ে যান।</p>
<p>তিন দিন পর হাজার মাইল দূরের একটি ধার করা ফোন থেকে করা ধারাবাহিক জরুরি কলে তাদের ভাগ্য সম্পর্কে জানা যায়: তাদের একটি বিমানে তুলে দেওয়া হয়েছিল, একটি নৌকায় চাপানো হয়েছিল এবং সশস্ত্র পুরুষদের দ্বারা তাদের চোখে পট্টি বেঁধে ভারত মহাসাগরে ফেলে দেওয়া হয়েছিল এবং নিকটতম তীরে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছিল।<img fetchpriority="high" decoding="async" class="alignnone wp-image-7422" src="https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/rohingya-300x200.webp" alt="" width="800" height="533" srcset="https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/rohingya-300x200.webp 300w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/rohingya-768x512.webp 768w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/rohingya.webp 860w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /></p>
<p>সেই তীরটি ছিল মিয়ানমারে, যা এখন একটি গৃহযুদ্ধের কবলে এবং একই সামরিক বাহিনী দ্বারা শাসিত, যাদের হাত থেকে তারা ২০১৭ সালে পালিয়েছিল &#8211; যাকে জাতিসংঘ জাতিগত নির্মূলের একটি &#8220;পাঠ্যপুস্তক উদাহরণ&#8221; বলে অভিহিত করেছিল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার যাকে গণহত্যা বলে অভিহিত করেছে।</p>
<p>ভারত, মিয়ানমার এবং বাংলাদেশর সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে এবং ফ্লাইট ও শিপিং ডেটার সাথে ক্রস-রেফারেন্স করে করা সিএনএন-এর একটি তদন্তে দেখা গেছে যে ভারতের সরকার গোপনে ১৩ জন মহিলা এবং ২৭ জন পুরুষকে কোনো ধরনের আইনানুগ প্রক্রিয়া ছাড়াই এবং ভারতীয় আইনকে উপেক্ষা করে ধরে নিয়ে গিয়ে মিয়ানমারে পাঠিয়ে দিয়েছে, এমন একটি দেশে যেখানে তারা ব্যাপকভাবে ঘৃণিত।</p>
<p>সিএনএন এই প্রতিবেদনের সময় একাধিক ভারতীয় সরকারি বিভাগ এবং সংস্থার সাথে যোগাযোগ করেছিল কিন্তু কোনো প্রতিক্রিয়া পায়নি।</p>
<p>আসমা নিখোঁজ হওয়ার পর চার মাসেরও বেশি সময় কেটে গেছে এবং মোহাম্মদ তার সাথে কোনো যোগাযোগ করতে পারেননি। তার মেয়ের বিয়ের জন্য কেনা কাপড়, গয়না এবং আসবাবপত্রের মাঝে বসে তিনি বুঝতে পারছেন না কেন সেই দিন তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং তাকে নয়।</p>
<p>&#8220;আমি কখনো কিছু ভুল করিনি, আমি শুধু এখানে আশ্রয় চাইতে এসেছি&#8230; তারা কীভাবে আমার মেয়েকে আমার কাছ থেকে নিয়ে যেতে পারে? যদি তাদের আমাদের নির্বাসন দিতেই হয়, তবে তাদের আমাদের একসাথে নির্বাসন দেওয়া উচিত ছিল।&#8221;<img decoding="async" class="alignnone wp-image-7423" src="https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/rohingya1-300x225.webp" alt="" width="800" height="600" srcset="https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/rohingya1-300x225.webp 300w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/rohingya1-768x576.webp 768w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/rohingya1.webp 860w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /></p>
<p><strong>&#8216;তোমার কোনো দেশ নেই&#8217;<br />
</strong>দুঃস্বপ্নটি শুরু হয়েছিল ৬ মে সন্ধ্যায়, যখন পুলিশ দিল্লির যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত একটি শ্রমিক-শ্রেণির, বেশিরভাগ মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা শাহীনবাগে মোহাম্মদের বাড়িতে এসেছিল। তাদের কাছে এমন একটি তালিকা ছিল, যাদের স্থানীয় থানায় এসে বায়োমেট্রিক তথ্য দেওয়ার প্রয়োজন ছিল। আসমা এবং মোহাম্মদের বোন দুজনেই সেই তালিকায় ছিল, তিনি সিএনএনকে জানিয়েছেন।</p>
<p>পরের দিন সকালের আগে তিনি আসমার কাছ থেকে কোনো খবর পাননি, যখন সে একটি বিরক্তিকর খবর নিয়ে ফোন করেছিল যে দলটিকে বলা হয়েছে তাদের আটক কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেই দিন সকাল ১১টার দিকে, সে আবার ফোন করে জানায় যে তাদের নিজেদের পোশাক খুলে ফেলতে এবং অভিন্ন ইউনিফর্ম পরতে বলা হয়েছে।</p>
<p>একই দিনে আটক হওয়া একজন রোহিঙ্গা ব্যক্তি, জন আনোয়ার, সেই বিবরণগুলির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তার বিবরণটি তার ভাইয়ের কাছে করা একটি ফোন কলের রেকর্ডিং থেকে এসেছে, যা তার মিয়ানমারে পৌঁছানোর পর করা হয়েছিল এবং তার ভাই সিএনএন-এর সাথে ভাগ করে নিয়েছে।</p>
<p>আনোয়ার তার ভাইকে জানান যে পুলিশ তাদের বায়োমেট্রিক নেওয়ার পর তাদের &#8220;একটি মেডিকেল চেকআপের&#8221; জন্য নিয়ে গিয়েছিল। &#8220;আমরা বুঝতে পেরেছিলাম যে কিছু ভুল হচ্ছে কারণ তারা এর আগে কখনো বায়োমেট্রিকের সাথে মেডিকেল চেক করেনি,&#8221; তিনি বলেছিলেন।</p>
<p>এর কিছুক্ষণ পরেই তাদের একটি বিমানবন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়। এই একই দাবি আরেকটি ফোন কলে দলের আরেক সদস্য তার ভাই নূরুল আমিনকে করেছিলেন, যার সাথে সিএনএন দিল্লিতে সাক্ষাৎকার নিয়েছিল। আমিনের পাঁচজন আত্মীয় – তার দুই ভাই, বোন এবং বাবা-মা – নির্বাসিতদের মধ্যে ছিলেন।<img decoding="async" class="alignnone wp-image-7424" src="https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/rohingya2-300x225.webp" alt="" width="800" height="600" srcset="https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/rohingya2-300x225.webp 300w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/rohingya2-768x576.webp 768w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/rohingya2.webp 860w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /></p>
<p>আনোয়ার তার ভাইকে জানান যে ফ্লাইটটি প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা স্থায়ী হয়েছিল এবং যখন তারা অবতরণ করে তখন তিনি &#8220;পোর্ট ব্লেয়ার&#8221; লেখা একটি সাইনবোর্ড দেখতে পান – আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের বৃহত্তম বসতি, যা শ্রী বিজয় পুরম নামেও পরিচিত, যা দিল্লি থেকে দক্ষিণ-পূর্বে ভারত মহাসাগরে প্রায় ১,৫০০ মাইলের বেশি দূরে অবস্থিত এবং ভারত ও মিয়ানমারের মাঝখানে।</p>
<p>আনোয়ারের রিপোর্ট করা প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টার ফ্লাইটের সময় দিল্লির পোর্ট ব্লেয়ারে নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইটের সাথে মিলে যায়।</p>
<p>সিএনএন দ্বারা পর্যালোচনা করা ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডেটা দেখায় যে একটি এয়ারবাস এ৩২১-২১১ যাত্রীবাহী বিমান ৭ মে দুপুর ২:২০ টার দিকে দিল্লির বাইরে গাজিয়াবাদ বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে গিয়েছিল।</p>
<p>এর ফ্লাইট লগ অনুযায়ী, এটি মোট ৭ ঘন্টা এবং ৩৭ মিনিটের ফ্লাইট সময় নিয়ে গাজিয়াবাদে উড়ে গিয়েছিল এবং অবতরণ করেছিল। সিএনএন-এর বিশ্লেষণ দেখায় যে বিমানটি প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে উড়েছিল। বিমানটি যখন আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ থেকে প্রায় ৫০ মাইল দূরে অবস্থান করছিল তখন এর ট্রান্সমিটারটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। প্রায় ৫০ মিনিট পরে, ট্রান্সমিটারটি আবার চালু করা হয়েছিল এবং বিমানটিকে ভারতীয় মূল ভূখণ্ডের দিকে ফিরে যেতে দেখা যায়।</p>
<p>ফ্লাইটরাডার২৪ ট্র্যাকিং সাইট অনুযায়ী, প্রশ্নবিদ্ধ বিমানটি ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও), ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি শাখা দ্বারা পরিচালিত হয়। সিএনএন ফ্লাইট সম্পর্কে মন্তব্যের জন্য ডিআরডিও-এর সাথে যোগাযোগ করেছে কিন্তু কোনো প্রতিক্রিয়া পায়নি।</p>
<p>পোর্ট ব্লেয়ারের বিমানবন্দর থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে প্রধান বন্দর রয়েছে যা আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের পরিষেবা দেয়। স্যাটেলাইট ডেটা এবং সর্বজনীনভাবে উপলব্ধ রেকর্ড থেকে দেখা যায় যে বন্দরে সামরিক, উপকূলরক্ষী এবং বাণিজ্যিক জাহাজ, যাত্রীবাহী ফেরি সহ বেশ কয়েকটি জেটি রয়েছে।<img loading="lazy" decoding="async" class="alignnone wp-image-7425" src="https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/rohingya3-300x200.webp" alt="" width="800" height="533" srcset="https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/rohingya3-300x200.webp 300w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/rohingya3-768x512.webp 768w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/rohingya3.webp 860w" sizes="auto, (max-width: 800px) 100vw, 800px" /></p>
<p>আনোয়ার তার ভাইকে জানান যে দলটি বিমান থেকে নামার কিছুক্ষণ পরেই দুটি ডেক সহ একটি &#8220;বড় সাদা জাহাজে&#8221; চড়েছিল। তিনি জাহাজের নাম বা মডেল নির্ধারণ করতে পারেননি।</p>
<p>৭ মে বিকেল থেকে ৯ মে সকালের মধ্যে, ২৪টি বেসামরিক জাহাজ, যার মধ্যে ১২টি যাত্রীবাহী জাহাজ, পোর্ট ব্লেয়ার ছেড়ে গিয়েছিল, ভেসেলেফাইন্ডার থেকে সিএনএন দ্বারা পর্যালোচনা করা স্বয়ংক্রিয় সনাক্তকরণ সিস্টেম (এআইএস) শিপিং ডেটা অনুসারে। কিন্তু এআইএস ডেটা থেকে দেখা যায় যে এই সময়ের মধ্যে ২৪টি জাহাজের কোনটিই মিয়ানমারের দিকে যায়নি – যার নিকটতম উপকূল প্রায় ৩০০ মাইল দূরে।</p>
<p>ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজের জন্য এআইএস ডেটা সর্বজনীনভাবে উপলব্ধ নয়।</p>
<p>সিএনএন ভারতীয় সামরিক বাহিনীর আন্দামান ও নিকোবর কমান্ডের সাথে যোগাযোগ করেছে, যারা এই অঞ্চলের দায়িত্বে রয়েছে এবং পোর্ট ব্লেয়ারের প্রধান বন্দর প্রশাসকের সাথে যোগাযোগ করেছে। কেউই মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি।</p>
<p>জাহাজে দলটির চোখে পট্টি বাঁধা হয়েছিল এবং বন্দুকধারী পুরুষরা যারা মাথা তুলবে তাদের গুলি করার হুমকি দিয়েছিল, আনোয়ার তার ভাইকে কলে বলেছিলেন।</p>
<p>&#8220;একজন কর্মকর্তা বলেছিলেন, &#8216;তোমার জীবনের কোনো মূল্য নেই। তোমার কোনো দেশ নেই। এমনকি আমরা যদি তোমাকে মেরেও ফেলি, তবে কেউ আমাদের কিছু বলবে না,'&#8221; তিনি কলে যোগ করেন।<img loading="lazy" decoding="async" class="alignnone wp-image-7426" src="https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/rohingya4-300x200.webp" alt="" width="800" height="533" srcset="https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/rohingya4-300x200.webp 300w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/rohingya4-768x512.webp 768w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/rohingya4.webp 860w" sizes="auto, (max-width: 800px) 100vw, 800px" /></p>
<p>বেশ কয়েক ঘন্টা পরে তাদের দুটি ছোট নৌকায় ভাগ করে দেওয়া হয় এবং প্রায় চার ঘন্টা পরে, নৌকাগুলো অন্ধকারে থামে, তিনি বলেছিলেন।</p>
<p>&#8220;এটি ভূমি থেকে অনেক দূরে ছিল কিন্তু তারা ভূমিতে একটি গাছের সাথে একটি দড়ি বেঁধেছিল। তারা আমাদের জলে নামতে বলেছিল,&#8221; আনোয়ার রেকর্ডিংয়ে বলেছিলেন। &#8220;কিছু বয়স্ক ব্যক্তি বিশেষ করে সত্যিই স্টাগল করছিল। এটি শারীরিকভাবে খুবই কঠিন ছিল কিন্তু আমরা কোনোভাবে তীরে পৌঁছাতে পেরেছিলাম।&#8221;</p>
<p>সিএনএন দ্বারা প্রাপ্ত অন্যান্য অডিও রেকর্ডিংয়ে, দলটি যখন বুঝতে পারে যে তাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়েছে তখন তাদের মধ্যে প্যানিক স্পষ্ট।</p>
<p>&#8220;আমরা একটি দ্বীপে আছি। ভারতীয় বাহিনী আমাদের ছেড়ে চলে গেছে,&#8221; একজন যুবক, যাকে তার মায়ের সাথে নির্বাসিত করা হয়েছিল, একজন আত্মীয়কে একটি কলে বলেছেন।</p>
<p>&#8220;আমরা সাগরের মাঝখানে&#8230; আমাদের একটি দ্বীপে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, যা সম্পূর্ণরূপে সমুদ্র দ্বারা বেষ্টিত&#8230; দয়া করে সবাইকে বলুন। সেনাবাহিনী যেকোনো মুহূর্তে আমাদের গ্রেপ্তার করে নিয়ে যেতে পারে।&#8221;<img loading="lazy" decoding="async" class="alignnone wp-image-7308" src="https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/wfp_rohyanga-300x158.webp" alt="" width="800" height="420" srcset="https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/wfp_rohyanga-300x158.webp 300w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/wfp_rohyanga-1024x538.webp 1024w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/wfp_rohyanga-768x403.webp 768w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/wfp_rohyanga-1536x806.webp 1536w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/wfp_rohyanga.webp 1598w" sizes="auto, (max-width: 800px) 100vw, 800px" /></p>
<p><strong>ভারতের ক্রাকডাউন</strong><br />
জাতিসংঘের শরণার্থী অফিস অনুমান করে যে বর্তমানে ভারতে ২০,০০০ রোহিঙ্গা মানুষ রয়েছে, যাদের অস্তিত্ব অনিশ্চিত। যদিও অনেককে ইউএনএইচসিআর দ্বারা শরণার্থী হিসাবে যাচাই করা হয়েছে, যার মধ্যে মিয়ানমারে নির্বাসিত ৪০ জনই রয়েছে, তবে ভারত সরকার জাতিসংঘের সেই কনভেনশনে স্বাক্ষর করেনি যা শরণার্থীদের এমন একটি জায়গায় ফেরত পাঠানো নিষিদ্ধ করে যেখানে তারা ক্ষতির শিকার হতে পারে।</p>
<p>বেশ কয়েকটি বক্তৃতায়, ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ রোহিঙ্গা &#8220;অনুপ্রবেশকারীদের&#8221; বহিষ্কার করার শপথ নিয়েছেন এবং মে মাসে তার মন্ত্রণালয় কর্মকর্তাদের ৩০ দিনের সময় দিয়েছিল যারা বাংলাদেশ এবং মিয়ানমার থেকে অবৈধভাবে ভারতে রয়েছে বলে সন্দেহ করা হয় তাদের পরিচয়পত্র যাচাই করার জন্য। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে যে যদি তাদের নথি যাচাই করা না যায়, তবে তাদের নির্বাসন দেওয়া হবে।</p>
<p>সিএনএন মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়া রোহিঙ্গা দল সম্পর্কে মন্তব্যের জন্য ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে জানতে চেয়েছিল কিন্তু কোনো প্রতিক্রিয়া পায়নি।</p>
<p>একজন পুলিশ কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ থেকে ভারতে অবৈধভাবে আসা অভিবাসীদের ধরার দায়িত্বে থাকা একটি বিশেষ ইউনিটের সদস্য কাওয়ালজিৎ সিং নিশ্চিত করেছেন যে ৬ মে ৪০ জন রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের সদস্যকে মিয়ানমারে নির্বাসিত করা হয়েছিল। তিনি সিএনএনকে জানান যে দলটি &#8220;আইনসম্মতভাবে&#8221; নির্বাসিত হয়েছে, কিন্তু এটি কীভাবে ঘটেছে সে সম্পর্কে বিস্তারিত বলতে অস্বীকার করেন, বলেন যে এটি &#8220;জাতীয় নিরাপত্তার&#8221; একটি বিষয়।</p>
<p>সিং সিএনএনকে দলের সাথে সম্পর্কিত একটি নির্বাসন আদেশের জন্য ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও)-এর সাথে যোগাযোগ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। অফিসটি কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।<img loading="lazy" decoding="async" class="alignnone wp-image-2516" src="https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/03/Rohynga-300x156.png" alt="" width="800" height="416" srcset="https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/03/Rohynga-300x156.png 300w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/03/Rohynga-768x399.png 768w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/03/Rohynga.png 977w" sizes="auto, (max-width: 800px) 100vw, 800px" /></p>
<p>আসমা এবং দলের অন্যান্য সদস্যদের তাদের দিল্লির বাড়ি থেকে সন্ধ্যায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, কিন্তু এটি ভারতীয় আইনের লঙ্ঘন হতে পারে, যা বলে যে মহিলাদের সূর্যাস্তের পরে বা সূর্যোদয়ের আগে কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ছাড়া আটক করা যাবে না। তারা একজন বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির না হয়ে ২৪ ঘন্টার বেশি আটককেও বাধা দেয়। একাধিক দিল্লি পুলিশ কর্মকর্তা সিএনএন-এর মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেননি।</p>
<p>&#8220;এই ধারণা যে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নৌবাহিনীর জাহাজ থেকে সমুদ্রে ফেলে দেওয়া হয়েছে তা ব্যাপকভাবে কম নয়,&#8221; মে মাসে প্রাথমিক রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই মিয়ানমারে মানবাধিকার বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ র্যাপোর্টার টম অ্যান্ড্রুস বলেছিলেন।</p>
<p>তিনি আরও বলেন যে &#8220;এমন নিষ্ঠুর কাজ মানব সভ্যতার প্রতি একটি &#8221;অপমান&#8221; এবং আন্তর্জাতিক আইনের একটি &#8220;গুরুতর লঙ্ঘন&#8221;, যা এমন জায়গায় মানুষকে ফেরত পাঠানো থেকে বিরত রাখে যেখানে তাদের জীবন হুমকির মুখে পড়তে পারে।</p>
<p>দিল্লির একজন আইনজীবী দিলাওয়ার হুসেন, মে মাসে দলটিকে ফিরিয়ে আনার জন্য ভারতের শীর্ষ আদালতে একটি পিটিশন দাখিল করেছিলেন। তবে, সুপ্রিম কোর্ট বলেছে যে নির্বাসনের রিপোর্টগুলি টেকসই না এবং এটি রোহিঙ্গা সম্প্রদায় সম্পর্কিত চলমান মামলার সাথে বিষয়টি শুনবে। ৩১ জুলাই একটি শুনানিতে আদালত বলেছে যে তারা নির্ধারণ করবে রোহিঙ্গা লোকদের অবৈধ অভিবাসী হিসাবে বিবেচনা করা উচিত, নাকি শরণার্থী এবং তাই একটি সুরক্ষিত গোষ্ঠী হিসাবে। মামলাটি সেপ্টেম্বরে আবার শোনা হবে।</p>
<p>সিএনএন মিয়ানমারের দিল্লিতে অবস্থিত দূতাবাসে জানতে চেয়েছিল যে নির্বাসনগুলি ঘটছে বলে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাদের জানিয়েছিল কিনা। দূতাবাস কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।</p>
<p>৬ মে, একই দিনে দিল্লির দলটিকে আটক করা হয়েছিল, ১০৩ জন রোহিঙ্গা মানুষকে &#8220;ধাক্কা দিয়ে&#8221; বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছিল, তাদের নির্বাসনের আগে তারা যে আটক কেন্দ্রে ছিল তার একটি সূত্র অনুযায়ী। বাংলাদেশর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র সিএনএনকে জানিয়েছে যে তারা তাদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়ায় রয়েছে এবং ইউএনএইচসিআর-এর সাথে যোগাযোগ করেছে।<img loading="lazy" decoding="async" class="alignnone wp-image-5468" src="https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/06/Rohinga-300x180.jpg" alt="" width="800" height="480" srcset="https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/06/Rohinga-300x180.jpg 300w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/06/Rohinga.jpg 750w" sizes="auto, (max-width: 800px) 100vw, 800px" /></p>
<p><strong>&#8216;আমরা সবচেয়ে বেশি ঘৃণিত&#8217;</strong><br />
মিয়ানমারে জোর করে ফেরত পাঠানো ৪০ জন রোহিঙ্গার সঠিক অবস্থান অজানা।</p>
<p>আসমা এবং অন্যদের ৯ মে ভোরে দক্ষিণ তানিন্থারি অঞ্চলে তীরে নিয়ে আসা হয়েছিল, একজন স্থানীয় বাসিন্দা জানিয়েছেন যিনি বলেছেন যে তারা সংক্ষিপ্তভাবে তার গ্রামে আশ্রয় নিয়েছিলেন। তিনি নিরাপত্তার কারণে সিএনএনকে তার নাম বা তার গ্রামের অবস্থান প্রকাশ না করার অনুরোধ করেছিলেন।</p>
<p>&#8220;যখন আমি তাদের খুঁজে পেলাম, তখন তারা আমাকে বলেছিল যে তারা আড়াই দিন ধরে কিছু খায়নি,&#8221; তিনি বলেছিলেন। &#8220;তাদের কাছে যা ছিল তা হল লাইফ জ্যাকেট এবং তাদের শরীরের পোশাক।&#8221; তাদের ভারতে তাদের পরিবারের সাথে কথা বলার জন্য একটি ফোন ধার করতে হয়েছিল।</p>
<p>বিভ্রান্তির মাঝে, রোহিঙ্গা দলটি একটি বিষয়ে স্পষ্ট ছিল, তিনি বলেছিলেন।</p>
<p>&#8220;তারা আমাদের অনুরোধ করেছিল যাতে তাদের মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর কাছে না পাঠানো হয়।&#8221;</p>
<p>সেই সামরিক বাহিনী বর্তমানে একটি মাল্টিসাইড গৃহযুদ্ধ লড়ছে, যা তারা যখন একটি নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে এবং ২০২১ সালে ক্ষমতা দখল করে তখন শুরু হয়েছিল। <img loading="lazy" decoding="async" class="alignnone wp-image-7427" src="https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/ai2html-graphic-300x175.png" alt="" width="800" height="466" srcset="https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/ai2html-graphic-300x175.png 300w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/ai2html-graphic-1024x597.png 1024w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/ai2html-graphic-768x448.png 768w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/ai2html-graphic.png 1472w" sizes="auto, (max-width: 800px) 100vw, 800px" /></p>
<p>সেই অভ্যুত্থানের পেছনের শীর্ষ জেনারেল হলেন একই ব্যক্তি যিনি ২০১৭ সালে মোহাম্মদ, আসমা এবং লাখ লাখ অন্যান্য রোহিঙ্গা মানুষকে পালাতে বাধ্য করেছিলেন। জান্তা নেতা মিন অং হ্লাইং রোহিঙ্গা পরিচয়কে &#8220;কাল্পনিক&#8221; বলে ঘোষণা করেছেন – যা বৌদ্ধ-সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমারে একটি ব্যাপক বিশ্বাসকে প্রতিফলিত করে যে রোহিঙ্গারা পার্শ্ববর্তী বাংলাদেশর অনুপ্রবেশকারী।</p>
<p>রোহিঙ্গারা মিয়ানমার দ্বারা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত ১৩৫টি জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে নেই এবং তাদের পূর্ণ নাগরিকত্ব অস্বীকার করা হয়। মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলি বলেছে যে তারা apartheid-এর মতো পরিস্থিতিতে দীর্ঘকাল ধরে বসবাস করছে এবং অনুমতি ছাড়া তাদের নিজ শহর থেকে বাইরে ভ্রমণ করলে তাদের জেলে পাঠানো যেতে পারে।</p>
<p>তানিন্থারিতে সামরিক বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়ার পরিবর্তে, ৪০ জন রোহিঙ্গাকে পরে একটি স্থানীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল – যা জান্তা-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য দেশজুড়ে গড়ে উঠেছে। সিএনএন নিরাপত্তার কারণে গোষ্ঠীটির নাম প্রকাশ করছে না এবং গোষ্ঠীটি মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি।</p>
<p>তবে, মিয়ানমারের বিরোধী ন্যাশনাল ইউনিটি সরকারের একমাত্র রোহিঙ্গা সদস্য এবং উপ-মানবাধিকার মন্ত্রী অং কিয়াও মো সিএনএনকে নিশ্চিত করেছেন যে ৪০ জন রোহিঙ্গা ৯ মে ভারত থেকে এসেছেন এবং দক্ষিণ মিয়ানমারের একটি সামরিক গোষ্ঠী দ্বারা তাদের আশ্রয় এবং সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।</p>
<p>ডেভিড শরীফ, যার শ্যালক, দুই ভাগ্নে এবং তাদের স্ত্রীরা নির্বাসিতদের মধ্যে ছিলেন, মিয়ানমারে পৌঁছানোর পর তাদের সাথে দুবার কথা বলেছেন, বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মাধ্যমে যারা তাদের ধরে রেখেছে।</p>
<p>কিন্তু একটি অঞ্চলে যেখানে জান্তা-বিরোধী বিদ্রোহী গোষ্ঠী, সামরিক বাহিনী এবং প্রো-মিলিটারি মিলিশিয়ার একটি জোড়াতালি দ্বারা লড়াই করা হচ্ছে – এবং রোহিঙ্গাদের প্রতি ব্যাপক অবিশ্বাসের কারণে – তার পরিবার ঠিক কোথায় আছে, বা তাদের কী হবে সে সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।</p>
<p>&#8220;আমরা সবচেয়ে বেশি চিন্তিত কারণ আমরা একটি ভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর,&#8221; শরীফ সিএনএনকে বলেছেন, তিনি বাংলাদেশর যে শরণার্থী শিবিরে থাকেন সেখান থেকে। &#8220;মিয়ানমারে, আমরা সবচেয়ে ঘৃণিত মানুষ। বেশিরভাগ মানুষ আমাদের সম্পর্কে যা জানে তা সবই গুজব এবং গুজব থেকে।&#8221;<img loading="lazy" decoding="async" class="alignnone wp-image-7429" src="https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/Rohingya-hijras-300x169.jpg" alt="" width="800" height="450" srcset="https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/Rohingya-hijras-300x169.jpg 300w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/Rohingya-hijras-1024x576.jpg 1024w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/Rohingya-hijras-768x432.jpg 768w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/Rohingya-hijras-1536x864.jpg 1536w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/Rohingya-hijras-600x337.jpg 600w, https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2025/09/Rohingya-hijras.jpg 1920w" sizes="auto, (max-width: 800px) 100vw, 800px" /></p>
<p>&#8220;আমি তাদের (সশস্ত্র গোষ্ঠী) বলেছি আমরা চিন্তিত&#8230; যদি প্রয়োজন হয় তবে তারা তাদের চিকিৎসার জন্য করা খরচ আমাদের কাছে চার্জ করতে পারে। আমরা তাদের করুণার জন্য অনুরোধ করেছি।&#8221;</p>
<p>হাজার মাইল দূরে দিল্লিতে, মোহাম্মদ তার মেয়ের জন্য অপেক্ষা করছেন, দ্বিতীয়বারের মতো তার সম্প্রদায় মিয়ানমারে যে ভয়াবহ পরিস্থিতির শিকার তার থেকে তাকে রক্ষা করতে অক্ষম।</p>
<p>&#8220;যখন আমরা গণহত্যা থেকে পালিয়ে যাচ্ছিলাম তখন অনেক পরিবার বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল কিন্তু আমি নিশ্চিত করেছিলাম যে আমরা একসাথে থাকি,&#8221; তিনি বলেছিলেন।</p>
<p>&#8220;(মিয়ানমারের সেনাবাহিনী) আমার মেয়েকে আমার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিতে পারেনি&#8230; আমি তাকে নিরাপদে ভারতে নিয়ে আসতে অনেক কষ্ট করেছি।&#8221;</p>
<p>&#8220;আমি ভেবেছিলাম আমরা এখানে নিরাপদ।&#8221;</p>
<p><strong>সূত্র:</strong> সিএনএন</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রোহিঙ্গাদের তবহিল নভেম্বরের মধ্যেই ফুরাবে, বিশ্বজুড়ে জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান ডব্লিউএফপির</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%a8%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ac/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 06 Sep 2025 09:44:13 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উন্নয়ন-পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[ডব্লিউএফপি]]></category>
		<category><![CDATA[তবহিল]]></category>
		<category><![CDATA[রোহিঙ্গা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=7307</guid>

					<description><![CDATA[বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) উপপরিচালক ও প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) কার্ল স্কাউ সতর্ক করে বলেছেন, নভেম্বরের মধ্যেই রোহিঙ্গাদের জন্য সংস্থাটির তহবিল ফুরিয়ে যাবে। এ অবস্থায় রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীর মানুষের জন্য জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে বিশ্বব্যাপী সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেছেন, ‘রোহিঙ্গাদের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই। তাদের কাজ করার সুযোগ নেই, স্থানীয় [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) উপপরিচালক ও প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) কার্ল স্কাউ সতর্ক করে বলেছেন, নভেম্বরের মধ্যেই রোহিঙ্গাদের জন্য সংস্থাটির তহবিল ফুরিয়ে যাবে। এ অবস্থায় রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীর মানুষের জন্য জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে বিশ্বব্যাপী সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।</strong></p>
<p>তিনি বলেছেন, ‘রোহিঙ্গাদের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই। তাদের কাজ করার সুযোগ নেই, স্থানীয় সমাজে মেশার সুযোগ নেই, আবার নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে রাখাইনেও ফিরে যাওয়াও উপায় নেই। ফলে তারা আমাদের সহায়তার ওপর শতভাগ নির্ভরশীল।’</p>
<p>সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরকালে বার্তা সংস্থা ইউএনবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, ‘অভিজ্ঞতা থেকে আমরা জানি, যখন সহায়তা দেওয়া বন্ধ করা কিংবা কমিয়ে আনা হয়, তখন বাধ্য হয়ে মানুষ নেতিবাচক উপায়ে বেঁচে থাকার পথ খোঁজে।’</p>
<p><strong>ফুরিয়ে আসছে তহবিল</strong><br />
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের মানুষের উদারতা ও কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহযোগিতার প্রশংসা করেন স্কাউ। তিনি বলেন, ‘আমরা সর্বদা আশ্রয়দাতা সম্প্রদায়গুলোতে বিনিয়োগ করি। রোহিঙ্গাদের জন্য যে খাদ্য সরবরাহ করা হচ্ছে, তা কক্সবাজারসহ বাংলাদেশ থেকেই সংগ্রহ করা হয় যাতে এ দেশের অর্থনীতিও উপকৃত হয়।’</p>
<p>‘কিন্তু আমাদের তহবিল ফুরিয়ে আসছে। নভেম্বরের পর এই সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার মতো তহবিল আমাদের হাতে নেই।’</p>
<p>এ কারণেই বাংলাদেশের সরকার, অংশীদার, দাতা ও ডব্লিউএফপির মাঠকর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে বাংলাদেশ সফর করছেন বলে জানান সংস্থাটির উপপরিচালক।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘মাসিক ভিত্তিতে আমরা ক্যাম্পের সব মানুষের জন্য খাদ্য সরবরাহ করি। এটি বন্ধ হলে মানুষ যে শুধু ক্ষুধার কারণেই ভুগবে তা নয়, বিভিন্ন ধরনের নেতিবাচক প্রভাবও পড়বে। জীবীকার সন্ধানে অনেকে ক্যাম্প ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হবেন।’</p>
<p><strong>অর্থায়নের ভিন্ন ভিন্ন উৎসের খোঁজ</strong><br />
তহবিল সংকটের মতো গুরুতর সংকট মোকাবিলায় ডব্লিউএফপি এখন কী ভাবছে, এমন প্রশ্নের উত্তরে স্কাউ বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের জন্য তহবিল সংকট মোকাবিলায় অর্থের জোগানে নানা পথ নিয়ে ভাবা হচ্ছে। এর মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ করা যায় কিনা, সে বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।’</p>
<p>‘রোহিঙ্গাদের জন্য এ পর্যন্ত পাওয়া মোট সহায়তার প্রায় ৬০ শতাংশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এখন অন্য দেশগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে।’</p>
<p>তিনি বলেন, ‘আমরা আসিয়ানভুক্ত দেশ, সৌদি আরব, কাতার, আমিরাতসহ উপসাগরীয় অঞ্চল ও ওআইসির সদস্যদেশগুলোর সঙ্গেও যোগাযোগ করছি।’</p>
<p>‘এই পরিস্থিতির জন্য রোহিঙ্গারা দায়ী নয়। ফলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থনের ওপর নির্ভর করার দাবি রাখে তারা।’</p>
<p>ডব্লিউএফপি জানিয়েছে, রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্য ও পুষ্টি সহায়তা চালিয়ে যেতে আগামী ছয় মাসে জরুরি ভিত্তিতে ৬০ মিলিয়ন ডলার এবং আগামী এক বছরে মোট ১৬৭ মিলিয়ন ডলার প্রয়োজন। রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে মানবিক পরিস্থিতির অবনতি রোধে জরুরি ভিত্তিতে অর্থায়নের জন্য সকল অংশীদারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।</p>
<p>স্কাউ বলেন, ‘এ ব্যাপারে কার্যকারিতা, দক্ষতা ও স্বনির্ভরতা বাড়িয়ে স্থানীয় সম্প্রদায়গুলোকে সমর্থনসহ আরও কিছু করার জন্য যা যা করতে পারি তা করতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’</p>
<p>‘আমাদের কার্যক্রম খুবই কার্যকর। এখন প্রতি ডলার থেকে ৮২ সেন্ট সরাসরি রোহিঙ্গাদের সহায়তায় যাচ্ছে। বিভিন্ন খরচ কমিয়ে শুধু ঢাকা অফিস থেকেই প্রায় ১৯ মিলিয়ন ডলার সাশ্রয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।’</p>
<p><strong>অর্ধশতাব্দীর যাত্রা</strong><br />
১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে কাজ শুরু করে ডব্লিউএফপি। এখন এটি সংস্থাটির অন্যতম বৃহৎ কার্যক্রম, যেখানে বার্ষিক বাজেটের পরিমাণ ৩০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি।</p>
<p>এতে রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশি জনগোষ্ঠীর জন্য জরুরি ত্রাণ সহায়তা ছাড়াও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত।</p>
<p>ইউএনবিকে স্কাউ বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের বিষয় নিয়ে (বাংলাদেশ-ডব্লিউএফপি সম্পর্ক) প্রায়ই খবরের শিরোনাম হলেও এখানে আমাদের অংশীদারত্ব ও কার্যক্রম আরও বিস্তৃত। ৫০ বছরের ক্রমবর্ধমান অংশীদারত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারার অংশ হতে পেরে আমরা অত্যন্ত গর্বিত।’</p>
<p>তিনি বলেন, ‘স্কুল মিল প্রোগ্রামসহ জলবায়ু অভিযোজন, সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা ও খাদ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে ডব্লিউএফপি বাংলাদেশের পাশে আছে।’</p>
<p>‘স্কুল মিল প্রোগ্রাম শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ও শিক্ষার মান বাড়ায়, পুষ্টি উন্নত করে এবং স্থানীয় অর্থনীতিকেও সক্রিয় করে। ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল ও নাইজেরিয়ার অভিজ্ঞতা থেকেও ইতিবাচক ফল মিলেছে।’</p>
<p>সম্প্রতি পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন স্কাউয়ের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের শিশুদের অপুষ্টি মোকাবিলায় স্কুল মিল প্রোগ্রামে আরও জোর দেওয়ার আহ্বান জানান।</p>
<p><strong>নিউইয়র্কে সম্মেলন</strong><br />
স্কাউ জানান, ৩০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ফাঁকে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে তারা অংশ নেবেন।</p>
<p>এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি সরকারের কাছ থেকে আসা ইতিবাচক এবং সহায়ক বার্তাগুলো নিউ ইয়র্কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ওই বৈঠকের মঞ্চ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’</p>
<p>তিনি বলেন, গাজা, ইউক্রেন, সুদানের মতো নানা বৈশ্বিক সংকটের কারণে বর্তমানে মনোযোগ ও সম্পদের প্রচুর প্রতিযোগিতা চলছে। তাই বাংলাদেশ ও রোহিঙ্গা পরিস্থিতিকে আলোচ্যসূচির শীর্ষে রাখতে হবে।</p>
<p>তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, বৈশ্বিকভাবে ডব্লিউএফপির তহবিল ৪০ শতাংশ কমে গেছে এবং বিভিন্ন দেশে কার্যক্রমে বড় ধরনের কাটছাঁট করতে হচ্ছে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রোহিঙ্গাদের জন্য আরও ৯৬ মিলিয়ন ডলার দেবে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a7%af%e0%a7%ac-%e0%a6%ae/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 01 Sep 2025 04:27:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উন্নয়ন-পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[রোহিঙ্গা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=7728</guid>

					<description><![CDATA[জাতিসংঘের প্রথম উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলনে রোহিঙ্গাদের নতুন সাহায্য হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য ৯৬ মিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছে। বুধবার (১ অক্টোবর) দিবাগত রাতে ফেসবুকে এক পোস্টে প্রধান উপদেষ্টার সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহমেদ এ তথ্য জানান। পোস্টে তিনি লেখেন, মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে রোহিঙ্গা বিষয়ে প্রথম উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>জাতিসংঘের প্রথম উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলনে রোহিঙ্গাদের নতুন সাহায্য হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য ৯৬ মিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছে।</strong></p>
<p>বুধবার (১ অক্টোবর) দিবাগত রাতে ফেসবুকে এক পোস্টে প্রধান উপদেষ্টার সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহমেদ এ তথ্য জানান।</p>
<p>পোস্টে তিনি লেখেন, মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে রোহিঙ্গা বিষয়ে প্রথম উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য ৯৬ মিলিয়ন ডলারের নতুন সাহায্যের প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ৬০ মিলিয়ন ডলার এবং যুক্তরাজ্য ৩৬ মিলিয়ন ডলার অনুদান ঘোষণা করে।</p>
<p>এর আগে মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ‘মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি’ বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটের মূল উৎস মিয়ানমারে এবং সমাধানও সেখানে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মিয়ানমার ও আরাকান আর্মির ওপর কার্যকর চাপ সৃষ্টি করতে হবে, যাতে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন বন্ধ করে এবং তাদের দ্রুত রাখাইনে প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেয়।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টা বলেন, গণহত্যা শুরু হওয়ার আট বছর পরও রোহিঙ্গাদের দুর্দশা অব্যাহত রয়েছে। সংকট নিরসনের উদ্যোগের অভাব রয়েছে। আন্তর্জাতিক তহবিলের উদ্বেগজনক ঘাটতির মুখোমুখি হচ্ছে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া বাংলাদেশের প্রশংসা যুক্তরাষ্ট্রের</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 25 Aug 2025 05:16:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[রোহিঙ্গা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=7150</guid>

					<description><![CDATA[রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দান অব্যাহত রাখায় বাংলাদেশসহ এ অঞ্চলের দেশগুলোর প্রশংসা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। রোববার মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন জানাচ্ছে বার্মার রোহিঙ্গা ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর প্রতি- যারা সহিংসতা ও বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়েছে। “বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দান অব্যাহত রাখার জন্য আমরা বাংলাদেশ সরকারকে সাধুবাদ জানাই। এছাড়া বার্মা থেকে আসা শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য এ অঞ্চলের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দান অব্যাহত রাখায় বাংলাদেশসহ এ অঞ্চলের দেশগুলোর প্রশংসা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।</strong></p>
<p>রোববার মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন জানাচ্ছে বার্মার রোহিঙ্গা ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর প্রতি- যারা সহিংসতা ও বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়েছে।</p>
<p>“বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দান অব্যাহত রাখার জন্য আমরা বাংলাদেশ সরকারকে সাধুবাদ জানাই। এছাড়া বার্মা থেকে আসা শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য এ অঞ্চলের অন্যান্য দেশগুলোকে ধন্যবাদ জানাই।”</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্র এমন দিনে এ প্রশংসা করেছে, যেদিন রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে কক্সবাজারে তিন দিনের ‘স্টেকহোল্ডার সম্মেলন’ শুরু হয়েছে। আর পরদিন সোমবার পূর্ণ হচ্ছে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ অভিমুখে অনিশ্চিত যাত্রার আট বছর।</p>
<p>কক্সবাজারের সম্মেলনে এদিন যোগ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস। এ সম্মেলন থেকে আসা প্রস্তাব এবং বক্তব্যগুলো আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে অনুষ্ঠেয় সম্মেলনে তুলে ধরার কথা বলছে সরকার।</p>
<p>বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে সেই ঢলের শুরু হয়েছিল ২০১৭ সালের ২৫ অগাস্ট; এরপর কয়েক মাসের মধ্যে সাড়ে ৭ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে আশ্রয় নেয়। আগে থেকে ওই এলাকার ক্যাম্পে বসবাস করছিল আরও চার লাখ রোহিঙ্গা।</p>
<p>জাতিসংঘ সে সময় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর এই হত্যা ও নির্যাতনকে চিহ্নিত করেছিল ‘জাতিগত নিধনের ধ্রুপদী উদাহরণ’ হিসেবে। যুক্তরাষ্ট্র সরকারও রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো ওই হত্যাযজ্ঞকে ‘জেনোসাইড’ হিসাবে বর্ণনা করেছে।</p>
<p>বাংলাদেশ সীমান্ত খুলে দেওয়ার পর থেকে কক্সবাজার ও উখিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে বাঁশ আর প্লাস্টিকের খুপড়ি ঘরে বসবাস শুরু করে রোহিঙ্গারা। উখিয়ার কুতুপালং পরিণত হয় বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবিরে।</p>
<p>আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ২০১৭ সালের শেষ দিকে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে রাজি হয় মিয়ানমারের অং সান সু চি সরকার। ওই বছর সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তিতেও সই করে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%95%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 24 Aug 2025 07:27:21 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[কক্সবাজার]]></category>
		<category><![CDATA[প্রধান উপদেষ্টা]]></category>
		<category><![CDATA[রোহিঙ্গা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=7134</guid>

					<description><![CDATA[রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় টেকসই সমাধানের পথ খুঁজছে বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্যে কক্সবাজারে শুরু হতে যাচ্ছে তিন দিনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন। ২৪ থেকে আগামী ২৬ আগস্ট উখিয়ার ইনানীতে সেনাবাহিনীর হোটেল বে-ওয়াচ মিলনায়তনে স্টেক হোল্ডারসদের নিয়ে এই ডায়ালগের আয়োজন করছে রোহিঙ্গা ইস্যু বিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভের দপ্তর ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। যেখানে প্রধান অতিথি থাকবেন অন্তর্বর্তী [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় টেকসই সমাধানের পথ খুঁজছে বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্যে কক্সবাজারে শুরু হতে যাচ্ছে তিন দিনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন। ২৪ থেকে আগামী ২৬ আগস্ট উখিয়ার ইনানীতে সেনাবাহিনীর হোটেল বে-ওয়াচ মিলনায়তনে স্টেক হোল্ডারসদের নিয়ে এই ডায়ালগের আয়োজন করছে রোহিঙ্গা ইস্যু বিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভের দপ্তর ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।</strong></p>
<p>যেখানে প্রধান অতিথি থাকবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সম্মেলনকে ঘিরে দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা প্রত্যাবাসন কার্যক্রম নিয়ে কিছুটা আশার আলো দেখছেন স্থানীয়রা।</p>
<p>মিয়ানমারের রাখাইনে সামরিক জান্তার নির্মম নির্যাতন থেকে প্রাণে বাঁচতে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা। এরপর আশ্রিত জীবনে নানা ধরনের অপরাধ কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে অনেকটা বিষিয়ে তুলেছে স্থানীয়দের জনজীবন।</p>
<p>খুন, অপহরণ, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি এবং ভয়াবহ মাদকের আগ্রাসনে উখিয়া-টেকনাফের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন ভয়াবহ। এই যখন অবস্থা তখন টেকঅ্যাওয়ে ‘টু দ্য হাই-লেভেল কনফারেন্স অন দ্য রোহিঙ্গা সিচুয়েশন’ শীর্ষক স্টেক হোল্ডারস ডায়ালগের আসর বসছে কক্সবাজারে। যেখান থেকে ভাল কিছু হতে পারে বলে আশায় বুক বাঁধছেন স্থানীয়রা।</p>
<p>শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয় সূত্র জানায়, তিন দিনব্যাপী এ আয়োজনে সরকার প্রধানের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ, কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক সংস্থা, শিক্ষাবিদ এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।</p>
<p>আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে নিউইয়র্কে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে ১০৭ দেশের সমন্বয়ে উচ্চপর্যায়ের একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সেই সম্মেলনের প্রস্তুতি স্বরূপ কক্সবাজারের এই সম্মেলন-এমনটা বলছেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয়ের প্রধান অতিরিক্ত সচিব।</p>
<p>শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, রোহিঙ্গারা যে মানবিক সংকটের সম্মুখীন হয়েছে, তাদের কথা আন্তর্জাতিক ফোরামে নিয়ে আসা অনেকটা কষ্টকর। সেজন্য কক্সবাজারের সম্মেলনে আশা করছি ৪০টি দেশের প্রতিনিধি ও আন্তর্জাতিক ও জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা এখানে থাকবেন। তাদের সঙ্গে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী সরাসরি সম্পৃক্ত হতে পারবেন, তাদের কথা বলতে পারবেন। এরমধ্যে ২৪ ও ২৫ আগস্ট পাঁচটি কর্ম অধিবেশন থাকছে। আলোচনার বিষয় রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা এবং তাদের রাখাইনে প্রত্যাবাসন শুরু করা। ২৬ আগস্ট রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করবেন অতিথিরা।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রোহিঙ্গাদের জন্য ২.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান সুইডেনের</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a7%a8-%e0%a7%a7-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 19 Jun 2025 11:09:12 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উন্নয়ন-পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[রোহিঙ্গা]]></category>
		<category><![CDATA[সুইডেন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=5466</guid>

					<description><![CDATA[বিশ্ব শরণার্থী দিবসকে সামনে রেখে কক্সবাজার শিবিরে রোহিঙ্গাদের জীবন রক্ষাকারী উদ্যোগ ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানির জন্য সুইডেন অতিরিক্ত ২ দশমিক ১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান ঘোষণা করেছে। আজ ঢাকার সুইডিশ দূতাবাসের জারি করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কক্সবাজারে জীবন বাঁচাতে ও পরিবেশবান্ধব প্রত্যাবর্তনের সহায়তার জন্য ঢাকায় নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস অতিরিক্ত ২ দশমিক ১ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>বিশ্ব শরণার্থী দিবসকে সামনে রেখে কক্সবাজার শিবিরে রোহিঙ্গাদের জীবন রক্ষাকারী উদ্যোগ ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানির জন্য সুইডেন অতিরিক্ত ২ দশমিক ১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান ঘোষণা করেছে।</strong></p>
<p>আজ ঢাকার সুইডিশ দূতাবাসের জারি করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কক্সবাজারে জীবন বাঁচাতে ও পরিবেশবান্ধব প্রত্যাবর্তনের সহায়তার জন্য ঢাকায় নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস অতিরিক্ত ২ দশমিক ১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (২৫ কোটি ৭ লাখ টাকা) অর্থায়নের ঘোষণা দিয়েছেন।</p>
<p>এতে বলা হয়েছে, এই অনুদান রোহিঙ্গাদের জন্য পরিবেশবান্ধব রান্নার শক্তি সরবরাহ, পরিবেশের অব্যাহত পুনর্বাসন এবং শরণার্থী ও বাংলাদেশী স্থানীয় সম্প্রদায়ের জন্য উন্নত পরিবেশগত দক্ষতা উন্নয়নের সুবিধার্থে সহায়তা করবে।</p>
<p>এই কার্যক্রমগুলি জ্বালানি ও জ্বালানিতে নিরাপদ প্রবেশাধিকার প্লাস, দ্বিতীয় ধাপের কর্মসূচি (সেইফ+২) এর অংশ। এটি জাতিসংঘের একটি যৌথ কর্মসূচি- যা বাংলাদেশ সরকারের সাথে সমন্বয় করে খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও), আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম), জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) ও বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)’র মধ্যে সমন্বয় করে।</p>
<p>রাষ্ট্রদূত উইকস বলেন, ‘তহবিল ব্যাপকভাবে হ্রাস পাচ্ছে, তাই আমাদের সবচেয়ে বেশি চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং জীবন বাঁচানোর দিকে মনোনিবেশ করতে হবে এবং একই সাথে গত কয়েক বছরে অর্জিত সাফল্যগুলোকেও ধরে রাখতে হবে।’</p>
<p>তিনি আরো বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা (রোহিঙ্গারা) স্বেচ্ছায়, নিরাপদে, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসইভাবে মিয়ানমারে ফিরে যেতে না পারে, ততক্ষণ পর্যন্ত সুইডেন রোহিঙ্গা ও তাদের বাংলাদেশি আশ্রয়দাতাদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে যাবে- যা মানবিক মর্যাদা ও পরিবেশগত সুরক্ষা নিশ্চিত করে।</p>
<p>সুইডেন ২০১৯ সালে প্রথম শুরু হওয়ার পর থেকে সেইফ+ প্রোগ্রামকে সমর্থন করে আসছে।</p>
<p>তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ও জ্বালানি-সাশ্রয়ী রান্নার সরঞ্জাম বিতরণ, জ্বালানি কাঠ ও সংশ্লিষ্ট বন উজাড় থেকে সুরক্ষা দেবে। এলপিজি বিতরণের ফলে ১৪ হাজার ৫০০ হেক্টরেরও বেশি বনভূমি সুরক্ষিত হয়েছে এবং জ্বালানি কাঠের ব্যবহারের তুলনায় ৩ লাখ ৭০ হাজার টনেরও বেশি কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন রোধ করা সম্ভব হয়েছে।</p>
<p>এই অবদানের মাধ্যমে, সেইফ+ উদ্যোগে সুইডিশ সহায়তার পরিমাণ দাঁড়ায় ২১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৫৬ কোটি ৩ লাখ টাকা।</p>
<p>২০১৭ সাল থেকে, সুইডেন রোহিঙ্গা ও কক্সবাজারের স্থানীয় সম্প্রদায়কে ১৩৬ দশমিক ৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ১ হাজার ৬৬৭ কোটি টাকা সহায়তা দিয়েছে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
