<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>সৌদি আরব &#8211; বিজনেস টাইমস: ব্যবসা-বাণিজ্য ও উন্নয়ন চিত্রের গণমাধ্যম</title>
	<atom:link href="https://businesstimes.com.bd/tag/%e0%a6%b8%e0%a7%8c%e0%a6%a6%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%ac/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://businesstimes.com.bd</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Mon, 13 Apr 2026 04:57:26 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://businesstimes.com.bd/wp-content/uploads/2024/11/cropped-bt-favicon-32x32.jpg</url>
	<title>সৌদি আরব &#8211; বিজনেস টাইমস: ব্যবসা-বাণিজ্য ও উন্নয়ন চিত্রের গণমাধ্যম</title>
	<link>https://businesstimes.com.bd</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>হজযাত্রীদের জন্য ‘হজ ভিসা’ বাধ্যতামূলক করেছে সৌদি আরব</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%b9%e0%a6%9c-%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%b8/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 13 Apr 2026 04:57:07 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[‘হজ ভিসা’]]></category>
		<category><![CDATA[সৌদি আরব]]></category>
		<category><![CDATA[হজযাত্রী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=10130</guid>

					<description><![CDATA[সৌদি আরবের বাইরে থেকে আগত মুসল্লিদের জন্য পবিত্র হজ পালনের ক্ষেত্রে একমাত্র ‘হজ ভিসা’ ছাড়া অন্য কোনো ভিসা বৈধ নয় বলে জানিয়ে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়। রোববার (১২ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, হজ পালনের জন্য সরকারিভাবে অনুমোদিত একমাত্র উপায় হলো হজ ভিসা। সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ভ্রমণের জন্য [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>সৌদি আরবের বাইরে থেকে আগত মুসল্লিদের জন্য পবিত্র হজ পালনের ক্ষেত্রে একমাত্র ‘হজ ভিসা’ ছাড়া অন্য কোনো ভিসা বৈধ নয় বলে জানিয়ে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়।</strong></p>
<p>রোববার (১২ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, হজ পালনের জন্য সরকারিভাবে অনুমোদিত একমাত্র উপায় হলো হজ ভিসা।</p>
<p>সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ভ্রমণের জন্য ব্যবহৃত ভিজিট ভিসা, ট্রানজিট ভিসা, ওমরাহ ভিসা কিংবা টুরিস্ট ভিসা দিয়ে কেউ হজের আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নিতে পারবেন না। মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এসব ভিসাধারীদের হজের অনুমতি দেওয়া হবে না।</p>
<p>সৌদি আরবের ভেতরে বসবাসরত নাগরিক এবং প্রবাসীদের জন্য নিয়ম কিছুটা ভিন্ন। তাদের ক্ষেত্রে ‘নুসুক’ অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে বুকিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে হজের অনুমতিপত্র বা পারমিট সংগ্রহ করতে হবে।</p>
<p>হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে বলেছে যে, হজের জন্য সব ধরনের অফিসিয়াল রিজার্ভেশন বা বুকিং শুধুমাত্র অনুমোদিত মাধ্যমগুলোর মাধ্যমেই করতে হবে। কোনো ধরনের অননুমোদিত বা ভুয়া চ্যানেলের মাধ্যমে হজের বুকিং না করার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করেছে মন্ত্রণালয়। প্রতি বছর হজের সময় একদল অসাধু চক্র সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে অবৈধভাবে হজে পাঠানোর প্রলোভন দেখায়, যা ঠেকাতেই এই আগাম সতর্কতা জারি করা হয়েছে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছে ৩০২ কোটি ডলার, শীর্ষে সৌদি আরব</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be-2/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 04 Mar 2026 09:42:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[ডলার]]></category>
		<category><![CDATA[রেমিট্যান্স]]></category>
		<category><![CDATA[সৌদি আরব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=9947</guid>

					<description><![CDATA[গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে প্রবাসী আয়ে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। এর মধ্যে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব থেকে। পাশাপাশি শীর্ষ ১০ প্রবাসী আয়ের দেশের তালিকায় রয়েছে যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, যুক্তরাষ্ট্রসহ আরও কয়েকটি দেশ। বুধবার (৪ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।দেশের খবর [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে প্রবাসী আয়ে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। এর মধ্যে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব থেকে। পাশাপাশি শীর্ষ ১০ প্রবাসী আয়ের দেশের তালিকায় রয়েছে যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, যুক্তরাষ্ট্রসহ আরও কয়েকটি দেশ।</strong></p>
<p>বুধবার (৪ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।দেশের খবর</p>
<p>প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে সবচেয়ে বেশি ৪৯ কোটি ১১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন সৌদি প্রবাসীরা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৪ কোটি ৩৩ লাখ ৯০ হাজার ডলার এসেছে যুক্তরাজ্য থেকে। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ৩৭ কোটি ৪৫ লাখ ৪০ হাজার ডলার, মালয়েশিয়া থেকে ৩১ কোটি ৭৭ লাখ ৪০ হাজার ডলার, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২৭ কোটি ৬৩ লাখ ৬০ হাজার ডলার এবং ওমান থেকে ১৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার এসেছে।</p>
<p>এছাড়াও ইতালি থেকে ১৬ কোটি ২ লাখ ৯০ হাজার ডলার, কুয়েত থেকে ১৪ কোটি ৮১ লাখ ২০ হাজার ডলার, সিঙ্গাপুর থেকে ১৪ কোটি ৫৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার এবং কাতার থেকে ১২ কোটি ৫৮ লাখ ৯০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।</p>
<p>খাতভিত্তিক হিসাবে দেখা যায়, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৪২ কোটি ৬০ লাখ ৮০ হাজার ডলার। বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ৪৫ কোটি ২৫ লাখ ৭০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ২১৫ কোটি ৬৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৪৮ লাখ ১০ হাজার ডলার।</p>
<p>এর আগে জানুয়ারি মাসে দেশে আসে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স, যা ছিল দেশের ইতিহাসে এক মাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ এবং চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সৌদি আরবে নতুন চার খনি থেকে সোয়া ২ লাখ কেজি সোনা উত্তোলন</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%b8%e0%a7%8c%e0%a6%a6%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%96%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 17 Jan 2026 07:58:31 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ববাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[সোনা]]></category>
		<category><![CDATA[সোনার খনি]]></category>
		<category><![CDATA[সৌদি আরব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=9440</guid>

					<description><![CDATA[সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন খনন প্রতিষ্ঠান সৌদি অ্যারাবিয়ান মাইনিং কোম্পানি (মা’আদেন) নতুন করে চারটি খনি এলাকা থেকে মোট ৭৮ লাখ আউন্স সোনা উত্তোলন করেছে। কেজিতে ৩৫ আউন্স হিসেবে হিসাব করলে এই পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২ লাখ ২১ হাজার কেজি। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিকল্পিত খনন কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে ৯০ লাখ আউন্সের বেশি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন খনন প্রতিষ্ঠান সৌদি অ্যারাবিয়ান মাইনিং কোম্পানি (মা’আদেন) নতুন করে চারটি খনি এলাকা থেকে মোট ৭৮ লাখ আউন্স সোনা উত্তোলন করেছে। কেজিতে ৩৫ আউন্স হিসেবে হিসাব করলে এই পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২ লাখ ২১ হাজার কেজি।</strong></p>
<p>মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিকল্পিত খনন কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে ৯০ লাখ আউন্সের বেশি স্বর্ণের সন্ধান পাওয়া গেলেও বার্ষিক হিসাব সমন্বয়ের পর নিট মজুত হিসেবে ৭৮ লাখ আউন্স নিশ্চিত করা হয়েছে।</p>
<p>মা’আদেন জানায়, মানসুরাহ মাসসারাহ, উরুক ২০/২১, উম্ম আস সালাম এবং ওয়াদি আল জাও—এই চারটি প্রকল্প এলাকা থেকে নতুন করে সোনার মজুত আবিষ্কৃত হয়েছে। এর মধ্যে মানসুরাহ মাসসারাহ প্রকল্পে গত বছরের তুলনায় ৩০ লাখ আউন্স বেশি স্বর্ণ পাওয়া গেছে।</p>
<p>এ ছাড়া উরুক ২০/২১ ও উম্ম আস সালাম প্রকল্পে মিলেছে মোট ১৬ লাখ ৭০ হাজার আউন্স সোনা। অন্যদিকে, ওয়াদি আল জাও প্রকল্পে প্রথমবারের মতো ৩০ লাখ ৮০ হাজার আউন্স স্বর্ণের সন্ধান মিলেছে।</p>
<p>মা’আদেনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বব উইল্ট বলেন, এই সাফল্য সৌদি আরবের খনিজ সম্পদ কাজে লাগানোর দীর্ঘমেয়াদি কৌশল এবং বৈশ্বিক খনি শিল্পে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার প্রচেষ্টারই প্রতিফলন।</p>
<p>তিনি জানান, এই ফলাফল প্রমাণ করে যে তাদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবে কার্যকর হচ্ছে। এজন্যই সৌদি আরবের স্বর্ণ খাতে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ অব্যাহত রাখা হয়েছে।</p>
<p>বব উইল্ট আরও বলেন, চারটি এলাকায় খননের মাধ্যমে ৭০ লাখ আউন্সের বেশি সোনা উত্তোলন মা’আদেনের স্বর্ণ প্রকল্পের বিপুল সম্ভাবনাকে তুলে ধরে। প্রতিষ্ঠানের সম্পদভাণ্ডার দিন দিন বাড়ছে, যা ভবিষ্যতে নগদ অর্থ প্রবাহ বাড়াতে সহায়ক হবে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>১২ শতাংশ বেড়েছে জনশক্তি রপ্তানি, অর্ধেকের বেশি সৌদি আরবে</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/manpower-exports-increase-by-12-percent-more-than-half-to-saudi-arabia/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 08 Jan 2026 07:06:22 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[জনশক্তি রপ্তানি]]></category>
		<category><![CDATA[সৌদি আরব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=9287</guid>

					<description><![CDATA[বৈশ্বিক নানা বিধিনিষেধ, অভিবাসন ব্যয় বৃদ্ধি এবং কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ থাকা সত্ত্বেও গত বছর বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি রপ্তানি বা শ্রম অভিবাসন প্রায় ১২ শতাংশ বেড়েছে। ২০২৫ সালে ১১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি কর্মী কাজের সন্ধানে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬৭ শতাংশই গেছেন সৌদি আরবে। জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্যের ভিত্তিতে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>বৈশ্বিক নানা বিধিনিষেধ, অভিবাসন ব্যয় বৃদ্ধি এবং কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ থাকা সত্ত্বেও গত বছর বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি রপ্তানি বা শ্রম অভিবাসন প্রায় ১২ শতাংশ বেড়েছে। ২০২৫ সালে ১১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি কর্মী কাজের সন্ধানে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬৭ শতাংশই গেছেন সৌদি আরবে।</strong></p>
<p>জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্যের ভিত্তিতে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিট (রামরু) এ তথ্য জানিয়েছে। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে &#8216;ট্রেন্ডস, অ্যাচিভমেন্টস অ্যান্ড চ্যালেঞ্জেস অব লেবার মাইগ্রেশন ফ্রম বাংলাদেশ ২০২৫&#8217; শীর্ষক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।</p>
<p>প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশি কর্মীরা বিশ্বের ১৪১টি দেশে গেলেও প্রায় ৯০ শতাংশই গেছেন মাত্র পাঁচটি দেশে। এগুলো হলো সৌদি আরব, কাতার, সিঙ্গাপুর, কুয়েত ও মালদ্বীপ। প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে। ২০২৫ সালে প্রবাসী কর্মীরা রেকর্ড ৩২ দশমিক ৮২ বিলিয়ন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন, যা গত ২৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।</p>
<p>তবে নারী শ্রম অভিবাসন কমে যাওয়াকে উদ্বেগের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেছে রামরু। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালে মাত্র ৬২ হাজার ৩১৭ জন নারী কর্মী বিদেশে গেছেন, যা মোট অভিবাসনের মাত্র সাড়ে ৫ শতাংশ। বিদেশে অনিরাপদ কর্মপরিবেশ, নারী কর্মীদের ওপর নির্যাতন এবং নেতিবাচক প্রচারণাকে এর কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।</p>
<p>প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মোট জনশক্তি রপ্তানির মাত্র ৩ থেকে ৪ শতাংশ পেশাজীবী ও দক্ষ কর্মী। দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির প্রধান বাধা হিসেবে প্রশিক্ষণের নিম্নমান, দক্ষতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির অভাব এবং রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর অনাগ্রহকে দায়ী করা হয়।</p>
<p>২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ কমানোর সমালোচনা করে তারা বলেছে, বরাদ্দ বাড়ানোর সুপারিশ থাকলেও তা কমানো হয়েছে এবং বরাদ্দের বেশির ভাগই অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় হচ্ছে, কর্মী সুরক্ষা বা সেবায় নয়।</p>
<p>প্রতিবেদনে অনিয়মিত অভিবাসন এবং অভিবাসীদের মৃত্যুর বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। বলা হয়, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে অক্টোবরের শুরুর দিক পর্যন্ত ১৫ হাজারের বেশি বাংলাদেশি সাগরপথে ইতালিতে পৌঁছেছেন, যা অন্য যেকোনো দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ এবং আগের বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রবাসী শ্রমিকদের সুখবর দিয়েছে সৌদি আরব</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/saudi-arabia-labour-fee-free/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[News Desk]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 18 Dec 2025 07:47:08 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ববাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[প্রবাসী শ্রমিক]]></category>
		<category><![CDATA[সৌদি আরব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=8838</guid>

					<description><![CDATA[সৌদি আরব শিল্প লাইসেন্সের আওতায় পরিচালিত লাইসেন্সপ্রাপ্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকদের ওপর আরোপিত ফি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন বিষয়ক কাউন্সিলের (সিইডিএ) সুপারিশের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সৌদি গেজেট এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়। প্রতিবেদনে বলা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>সৌদি আরব শিল্প লাইসেন্সের আওতায় পরিচালিত লাইসেন্সপ্রাপ্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকদের ওপর আরোপিত ফি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন বিষয়ক কাউন্সিলের (সিইডিএ) সুপারিশের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।</strong></p>
<p>বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সৌদি গেজেট এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়। </p>
<p>প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতীয় কারখানাগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি, স্থায়িত্ব নিশ্চিতকরণ এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে নিতে শিল্পখাতকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০ বাস্তবায়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।</p>
<p>বিশ্লেষকদের মতে, ফি প্রত্যাহারের ফলে শিল্পখাতে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকদের আর্থিক চাপ কমবে এবং একই সঙ্গে শিল্পখাতে বিনিয়োগ ও উৎপাদন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।</p>
<p>শিল্প ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী বন্দর আলখোরাইফ এ সিদ্ধান্তকে রাজ্যের টেকসই শিল্প উন্নয়নের জন্য যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি দুই পবিত্র মসজিদের খাদেম বাদশাহ সালমান এবং ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।</p>
<p>আলখোরাইফ জানান, ২০১৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে সৌদি শিল্পখাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। এ সময়ে শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৮ হাজার ৮২২টি থেকে বেড়ে ১২ হাজারের বেশি হয়েছে এবং মোট শিল্প বিনিয়োগের মূল্য ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১.২২ ট্রিলিয়ন রিয়ালে দাঁড়িয়েছে। তেল-বহির্ভূত রপ্তানি ১৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং কর্মসংস্থান ৭৪ শতাংশ বেড়ে ৮ লাখ ৪৭ হাজারে উন্নীত হয়েছে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, নতুন সিদ্ধান্ত শিল্পখাতের পরিচালন ব্যয় কমাবে, আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক উৎপাদন ব্যবস্থা গ্রহণে উৎসাহ দেবে এবং সৌদি শিল্পের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা আরও বাড়াবে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কেন প্রবাসী কর্মীদের আকর্ষণীয় বেতন-প্রণোদনা কমাচ্ছে সৌদি আরব</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/why-saudi-arabia-is-reducing-attractive-salary-incentives-for-expatriate-workers/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 18 Nov 2025 06:34:12 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ববাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[প্রবাসী কর্মী]]></category>
		<category><![CDATA[বেতন-প্রণোদনা]]></category>
		<category><![CDATA[সৌদি আরব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=8357</guid>

					<description><![CDATA[সৌদি আরবের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিদেশি কর্মীদের জন্য আকর্ষণীয় বেতন ও প্রণোদনা কমিয়ে আনছে। একসময় এই উচ্চ বেতনের আশায় নির্মাণ ও উৎপাদন খাতসহ নানা ক্ষেত্রে বিশ্বের শীর্ষ মেধাবীরা দেশটিতে ভিড় জমাতেন। ব্যয় সংকোচন ও অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার পুনর্বিন্যাসের কারণেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে চারটি সৌদি নিয়োগকারী সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে। বিশ্বের শীর্ষ তেল রপ্তানিকারক দেশ সৌদি আরব [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>সৌদি আরবের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিদেশি কর্মীদের জন্য আকর্ষণীয় বেতন ও প্রণোদনা কমিয়ে আনছে। একসময় এই উচ্চ বেতনের আশায় নির্মাণ ও উৎপাদন খাতসহ নানা ক্ষেত্রে বিশ্বের শীর্ষ মেধাবীরা দেশটিতে ভিড় জমাতেন। ব্যয় সংকোচন ও অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার পুনর্বিন্যাসের কারণেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে চারটি সৌদি নিয়োগকারী সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে।</strong></p>
<p>বিশ্বের শীর্ষ তেল রপ্তানিকারক দেশ সৌদি আরব ইতোমধ্যে তার অর্থনৈতিক রূপান্তর পরিকল্পনা &#8216;ভিশন ২০৩০&#8217;-এর অর্ধেক পথ অতিক্রম করেছে। এই পরিকল্পনার লক্ষ্য—জ্বালানি তেলের ওপর নির্ভরতা কমানো, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পর্যটন, রিয়েল এস্টেট, খনি ও আর্থিক পরিষেবার মতো খাতগুলো সম্প্রসারণ করা।</p>
<p>এ দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেশটি বহু বিলিয়ন ডলারের মেগাপ্রকল্পে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে, যা উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন বিদেশি কর্মীদের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। তবে প্রকল্প বাস্তবায়ন ও বিলম্বের চাপ এখন দেশটিকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে।</p>
<p>দুটি সূত্র জানিয়েছে, বছর দুয়েক আগেও বিদেশি কর্মীরা ৪০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত বেতন, অনেক ক্ষেত্রে দ্বিগুণ পর্যন্ত বাড়তি সুবিধা আলোচনা করতে পারতেন। এখন সে সুযোগ প্রায় নেই বললেই চলে।</p>
<p>নিয়োগকারী সংস্থা বয়ডেনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাগদি আল জেইন বলেন, &#8216;একদিকে এই অঞ্চলের বৃহত্তম অর্থনীতি ব্যয়কে যৌক্তিক পর্যায়ে আনছে, অন্যদিকে প্রচুর কর্মী এই অঞ্চলে আসতে আগ্রহী।&#8217; তিনি আরও বলেন, &#8216;এর ফলে নিয়োগকর্তারা বেতন প্যাকেজ নিয়ে নতুন করে ভাবছেন। এবং এটি নিশ্চিতভাবেই ঘটছে।&#8217;</p>
<p><strong>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও লজিস্টিকসে ঝুঁকছে সৌদি আরব<br />
</strong>এই পরিবর্তন সৌদি আরবের ৯২৫ বিলিয়ন ডলারের পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের (পিআইএফ) বৃহত্তর কৌশলগত পুনর্বিন্যাসের প্রতিফলন। অবকাঠামো ও রিয়েল এস্টেটনির্ভর মেগাপ্রকল্পগুলোতে ধাক্কা খাওয়ার পর তহবিলটি এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), লজিস্টিকস এবং খনির মতো খাতে গুরুত্ব দিচ্ছে, যেগুলো থেকে তুলনামূলকভাবে ভালো রিটার্ন পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।</p>
<p>এই মেগাপ্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে মরুভূমিতে পরিকল্পিত ৫০০ বিলিয়ন ডলারের ভবিষ্যৎ নগরী &#8216;নিওম&#8217; এবং ২০২৯ সালের এশিয়ান উইন্টার গেমসের আয়োজক পার্বত্য পর্যটন কেন্দ্র &#8216;ট্রোজেনা&#8217;। পিআইএফ এবং নিওম মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিক সাড়া দেয়নি।</p>
<p>মেগাপ্রকল্পগুলোতে কর্মী সংকট মোকাবিলায় সৌদি আরব আন্তর্জাতিক দক্ষ জনশক্তির দিকে ঝুঁকেছিল। দুবাইভিত্তিক নিয়োগ পরামর্শক সংস্থা টাস্কান মিডল ইস্টের সিইও হাসান বাবাত জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রজেক্ট ম্যানেজাররা সৌদি আরবে প্রায় ১ লাখ ডলার বেতনের প্রস্তাব পেতেন—যে পদে আমিরাতে বেতন ছিল প্রায় ৬০ হাজার ডলার।</p>
<p>কিন্তু ব্যয় সংকোচন শুরু হওয়ায় নিওমসহ পিআইএফ-সমর্থিত উদ্যোগগুলো এখন বিলম্বের মুখে। কামকো ইনভেস্টের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালেও সৌদি প্রকল্পের গতি মন্থর ছিল এবং বছরের প্রথম নয় মাসে পুরস্কৃত প্রকল্পের সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে নেমে আসে।</p>
<p>তেলের নিম্ন দাম সরকারি অর্থায়নে চাপ বাড়িয়েছে এবং রাজস্ব ঘাটতি গভীর করেছে। আইএমএফের হিসাব অনুযায়ী, বাজেট ভারসাম্য বজায় রাখতে সৌদি আরবের তেলের দাম প্রায় ১০০ ডলারের কাছাকাছি থাকা প্রয়োজন।</p>
<p>বাবাত বলেন, &#8216;উন্নয়নের গতি কমে গেছে এবং এর প্রভাব পড়েছে নিয়োগে। এখন নিয়োগকর্তারা আগের তুলনায় বেশি দর কষাকষি করছেন, যখন দক্ষ জনশক্তির ঘাটতি ছিল, আর কোম্পানিগুলো খরচ-সচেতন নীতি নিচ্ছে।&#8217;</p>
<p>টাস্কানের অক্টোবর বেতন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সীমিত বাজেটে সৌদি কোম্পানিগুলো এআই বা ডিজিটালের মতো খাতের &#8216;হট জব&#8217;-এ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।</p>
<p>উপসাগরীয় অঞ্চলের ব্যবসা ও পর্যটনের কেন্দ্র সংযুক্ত আরব আমিরাত—যেখানে জনসংখ্যার ৯০ শতাংশ প্রবাসী—এখনও অনেক দক্ষ কর্মীর জন্য আকর্ষণীয় গন্তব্য। শুধু করমুক্ত উচ্চ বেতন নয়, বরং আরও প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক স্কুল ও স্বাস্থ্যসেবা নেটওয়ার্কও তাদের আকৃষ্ট করে। দেশটি আরও উদার জীবনযাত্রার সুযোগ তৈরি করতে সামাজিক সংস্কারও বাস্তবায়ন করেছে।</p>
<p>দুবাইভিত্তিক কুপার ফিচের সিইও ট্রেফর মারফি বলেন, এখন সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বেতনের মধ্যে পার্থক্য খুবই কম—গড়ে মাত্র ৫ থেকে ৮ শতাংশ।</p>
<p>বয়ডেনের মাগদি আল জেইন বলেন, &#8216;সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে লোকজনকে সৌদি আরবে স্থানান্তরে রাজি করানো এখন একটি চ্যালেঞ্জ—তারা উচ্চ প্রিমিয়াম প্রত্যাশা করে।&#8217;</p>
<p><strong>সৌদিতে চাকরির বাজারে বাড়ছে প্রতিযোগিতা<br />
</strong>এই বছর সৌদি আরবের অর্থনীতি ৪.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তাই অঞ্চলের বাইরের দেশগুলোর জন্য দেশটি এখনও আকর্ষণীয়, বিশেষ করে যেখানে চাকরির সুযোগ সংকুচিত এবং প্রবৃদ্ধি ধীর।</p>
<p>বেসরকারি খাতে সৌদি নাগরিকদের অংশগ্রহণ বাড়াতে সরকার শ্রমবাজার সংস্কার ও বিভিন্ন উদ্যোগ ত্বরান্বিত করেছে, যা প্রতিযোগিতা এবং আবেদনকারীর সংখ্যা আরও বাড়িয়েছে।</p>
<p>সৌদি নাগরিকদের মধ্যে বেকারত্ব এখন ঐতিহাসিকভাবে কম, এবং ২০১৬ থেকে এই বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের মধ্যে বেসরকারি খাতে সৌদি কর্মীর সংখ্যা ৩১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।</p>
<p>দুবাইয়ের ম্যাচেস ট্যালেন্টের সিইও লুইস নাটসন বলেন, &#8216;বেতন প্যাকেজগুলো এখন অনেক বেশি পরিমিত; যা ডেটা, কর্মক্ষমতা এবং বাস্তব বাজার বেঞ্চমার্কের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হচ্ছে। কারও কাছে এটি সংকোচন মনে হতে পারে, তবে আমার কাছে এটি পরিপক্বতার লক্ষণ।&#8217;</p>
<p>তিনি আরও বলেন, &#8216;সৌদি আরবে সেরা মেধাবীদের আকর্ষণ করতে কোম্পানিগুলোকে জীবনযাত্রার ব্যয় প্রতিফলিত করে এমন পূর্বানুমানযোগ্য প্যাকেজ, পরিবারের জন্য ভারসাম্যপূর্ণ জীবনযাত্রা এবং চলমান উন্নয়নের পরিসরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি স্পষ্ট উদ্দেশ্য তুলে ধরতে হবে।&#8217;</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পাকিস্তানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা চুক্তি সৌদি আরবের</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%8d/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 18 Sep 2025 06:53:35 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ববাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[পাকিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[প্রতিরক্ষা চুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[সৌদি আরব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=7497</guid>

					<description><![CDATA[সৌদি আরব ও পাকিস্তান একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা দুই দেশের দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা অংশীদারিত্বকে নতুন মাত্রা দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে আল জাজিরা জানিয়েছে, উভয় দেশের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়—চুক্তির মূল লক্ষ্য দুই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>সৌদি আরব ও পাকিস্তান একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা দুই দেশের দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা অংশীদারিত্বকে নতুন মাত্রা দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে আল জাজিরা জানিয়েছে, উভয় দেশের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।</strong></p>
<p>সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়—চুক্তির মূল লক্ষ্য দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানো এবং যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ গড়ে তোলা। এতে আরও উল্লেখ করা হয়, এক দেশের ওপর আক্রমণকে উভয় দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে।</p>
<p>চুক্তিকে দুই দেশের ‘ঐতিহাসিক অংশীদারিত্ব’, ‘অভিন্ন কৌশলগত স্বার্থ’ ও ‘ঘনিষ্ঠ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা’র ভিত্তিতে সম্পাদিত বলে উল্লেখ করেছে এসপিএ।</p>
<p>বুধবার রিয়াদে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের মধ্যে বৈঠক হয়। বৈঠকে তারা কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদার, আঞ্চলিক-আন্তর্জাতিক ইস্যু এবং নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিতকরণ নিয়ে আলোচনা করেন।</p>
<p>পাক প্রধানমন্ত্রী শরীফ বর্তমানে সৌদি আরবে রাষ্ট্রীয় সফরে রয়েছেন।</p>
<p>রয়টার্সের এক প্রশ্নের জবাবে একজন ঊর্ধ্বতন সৌদি কর্মকর্তা বলেছেন, “এই চুক্তিটি বহু বছরের আলোচনার একটি চূড়ান্ত রূপ। এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশ বা নির্দিষ্ট ঘটনার প্রতিক্রিয়া নয়, বরং আমাদের দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের এবং গভীর সহযোগিতার একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ।”</p>
<p>ঐ কর্মকর্তা, যিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলেন, তাকে যখন জিজ্ঞাসা করা হয়, পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিটিতে প্রয়োজনে পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার অন্তর্ভুক্ত কিনা, তখন তিনি বলেন, “এটি একটি ব্যাপক প্রতিরক্ষামূলক চুক্তি যা সমস্ত সামরিক মাধ্যমকে অন্তর্ভুক্ত করে।”</p>
<p>৯ সেপ্টেম্বর ইসরায়েলের কাতারের রাজধানী দোহায় হামলার পর আরব লীগ এবং অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি)-এর একটি অসাধারণ যৌথ অধিবেশন আহ্বানের দুই দিন পর দুই দেশের মধ্যে এই চুক্তিটি হয়।</p>
<p>আরব এবং ইসলামিক দেশগুলো ইসরায়েলের এই হামলার তীব্র নিন্দা জানায়, যেখানে হামাসের রাজনৈতিক নেতৃত্ব একটি মার্কিন-সমর্থিত যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করতে একত্রিত হয়েছিলেন।</p>
<p>ঊর্ধ্বতন সৌদি কর্মকর্তা জোর দিয়ে বলেন, পারমাণবিক-শক্তিধর ভারতের সাথে তার দেশের সম্পর্ক এখনও শক্তিশালী রয়েছে। ভারত ও পাকিস্তান মে মাসে একটি সংক্ষিপ্ত যুদ্ধ করেছিল।</p>
<p>তিনি বলেন, “ভারতের সাথে আমাদের সম্পর্ক আগের চেয়ে আরও বেশি শক্তিশালী। আমরা এই সম্পর্ককে আরও বাড়িয়ে যেতে থাকব এবং যেকোনো উপায়ে আঞ্চলিক শান্তিতে অবদান রাখতে চেষ্টা করব।”</p>
<p>পাকিস্তান এবং সৌদি আরবের মধ্যে কয়েক দশক ধরে ঘনিষ্ঠ বাণিজ্য ও সামরিক সম্পর্ক রয়েছে।</p>
<p>১৯৬৭ সাল থেকে, পাকিস্তান ৮,২০০ জনেরও বেশি সৌদি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে এবং দুই পক্ষ বেশ কয়েকটি যৌথ সামরিক মহড়াও চালিয়েছে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সৌদি আরবের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত: রিয়াদ ও জেদ্দায় বিদেশিরাও কিনতে পারবেন সম্পত্তি</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%b8%e0%a7%8c%e0%a6%a6%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%90%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 10 Jul 2025 06:06:49 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ববাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[জেদ্দা]]></category>
		<category><![CDATA[রিয়াদ]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পত্তি]]></category>
		<category><![CDATA[সৌদি আরব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=6170</guid>

					<description><![CDATA[সৌদি আরব বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের মাধ্যমে অর্থনীতিকে বৈচিত্র্যময় করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিদেশিদের জন্য রিয়াদ ও জেদ্দায় সম্পত্তি কেনার অনুমতি দিয়ে একটি নতুন আইন অনুমোদন করেছে। দীর্ঘদিন প্রতীক্ষিত এই সংস্কার গত মঙ্গলবার পাস হয়েছে, যা নির্দিষ্ট এলাকায় বিদেশিদের সম্পত্তি কেনার সুযোগ করে দেবে। তবে ইসলামের দুটি পবিত্র শহর মক্কা ও মদিনায় সম্পত্তি মালিকানার জন্য বিশেষ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>সৌদি আরব বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের মাধ্যমে অর্থনীতিকে বৈচিত্র্যময় করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিদেশিদের জন্য রিয়াদ ও জেদ্দায় সম্পত্তি কেনার অনুমতি দিয়ে একটি নতুন আইন অনুমোদন করেছে। দীর্ঘদিন প্রতীক্ষিত এই সংস্কার গত মঙ্গলবার পাস হয়েছে, যা নির্দিষ্ট এলাকায় বিদেশিদের সম্পত্তি কেনার সুযোগ করে দেবে। তবে ইসলামের দুটি পবিত্র শহর মক্কা ও মদিনায় সম্পত্তি মালিকানার জন্য বিশেষ শর্তাবলী প্রযোজ্য হবে।</strong></p>
<p>মিডলইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপের ফলে সৌদি রিয়েল এস্টেট স্টকগুলোতে তেজিভাব দেখা গেছে। সৌদি আরবের রিয়েল এস্টেট জেনারেল অথরিটি এই আইনটির নিয়মাবলী এবং বাস্তবায়ন সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে এই আইন কার্যকর হবে।</p>
<p>বিদেশি বিনিয়োগের জন্য সৌদি আরবের সম্পত্তি বাজার উন্মুক্ত করা দেশটির ভিশন ২০৩০ পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা পর্যটনের উপর, বিশেষ করে সৌদি আরবের লোহিত সাগর উপকূল বরাবর, জোর দেয়।</p>
<p>বছরের পর বছর ধরে উচ্চ ব্যয় এবং তেলের দাম কমে যাওয়ায় কিছু প্রকল্পে হোঁচট খেয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, কিংডমকে ইতিমধ্যেই ভবিষ্যত শহর নিওমের পরিকল্পনা কমাতে হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই শহরে ১.৫ মিলিয়ন লোকের বসবাসের পরিবর্তে, সৌদি কর্মকর্তারা এখন ৩০০,০০০ এর কম বাসিন্দা আশা করছেন। এদিকে, ২০৩০ সালের মধ্যে শহরটির মাত্র ২.৪ কিলোমিটার সম্পন্ন হবে।</p>
<p>তা সত্ত্বেও, সৌদি আরব বর্তমানে একটি নির্মাণ মহাযজ্ঞের মধ্যদিয়ে যাচ্ছে।</p>
<p>২০২৪ সালে, রিয়াদে মুকাব নামে একটি কিউব-আকৃতির আকর্ষণীয় স্থাপনার নির্মাণ কাজ শুরু করেছে, যা বিশ্বের বৃহত্তম কাঠামো হতে চলেছে। এই ভবনটি রিয়াদের কেন্দ্রস্থলে একটি বড় উন্নয়ন প্রকল্প, নিউ মুরাব্বার প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হবে।</p>
<p>সৌদি আরব লোহিত সাগরের রিসর্টগুলির কাজও দ্রুতগতিতে এগিয়ে নিচ্ছে, যার মধ্যে কিছু, যেমন রিটজ-কার্লটন রিজার্ভ, ইতিমধ্যেই চালু হয়েছে।</p>
<p>বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সৌদি আরবের রিয়েল এস্টেট এবং পর্যটন লক্ষ্য দ্বিমুখী।</p>
<p>দেশটি মধ্যবিত্ত এবং ধনী সৌদিদের বিদেশে ব্যয় না করে দেশে অর্থ ব্যয় করতে উৎসাহিত করতে চায়।</p>
<p>তবে, বিদেশিদের রিয়েল এস্টেট মালিকানার অনুমতি দিয়ে সৌদি আরব অন্যান্য উপসাগরীয় দেশ, যেমন ওমান এবং কাতারের পাশাপাশি, অবকাশকালীন বাড়ি এবং দ্বিতীয় বাসস্থানের জন্য একটি লাভজনক বাজার ধরতে চাইছে।</p>
<p>এই ক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাত এখনও শীর্ষস্থানে রয়েছে, যেখানে দুবাই এবং এমনকি আবুধাবিতে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে আবাসিক সম্পত্তির দামে দুই অঙ্কের বৃদ্ধি দেখা গেছে।</p>
<p>রিয়েল এস্টেট ফার্ম ফ্রাঙ্ক নাইটের জুন মাসের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৪ সালে দুবাইয়ের আবাসিক বাড়ির দাম ১৯ শতাংশ বেড়েছে। দুবাইয়ের রিয়েল এস্টেটের চাহিদা সবচেয়ে বেশি ধনী সৌদি নাগরিকদের মধ্যে, এরপর ব্রিটিশ নাগরিক এবং পূর্ব এশীয়রা।</p>
<p>উল্লেখ্য, দুবাইতে ১০ মিলিয়ন ডলার এবং তার বেশি মূল্যের বাড়ির লেনদেন এখন লন্ডন এবং নিউ ইয়র্ক সিটির সম্মিলিত লেনদেনকে ছাড়িয়ে গেছে বলে ফ্রাঙ্ক নাইট জানিয়েছে।</p>
<p>যদিও পশ্চিমা গণমাধ্যম সৌদি আরবের উদার সামাজিক সংস্কারের মাধ্যমে পর্যটক আকর্ষণের প্রচেষ্টার উপর মনোযোগ দিয়েছে, কিছু গবেষণা ইঙ্গিত করে যে, বিশ্বের দক্ষিণাঞ্চলের কিছু অংশে, বিশেষ করে ধনী মুসলিম ব্যক্তিদের মধ্যে, অপ্রকাশিত চাহিদা রয়েছে।</p>
<p>২০২৪ সালের ফ্রাঙ্ক নাইটের একটি প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ৭৯ শতাংশ ধনী মুসলিম উত্তরদাতা মক্কা বা মদিনায় তাদের আবাসিক সম্পত্তি ক্রয় করতে চেয়েছিলেন, যার বাজেট ৪ মিলিয়ন ডলারের বেশি ছিল।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>যুদ্ধের প্রভাব: সৌদি পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের মুনাফায় ৬০ শতাংশ পতন</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac-%e0%a6%b8%e0%a7%8c%e0%a6%a6%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%b2/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 01 Jul 2025 05:30:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ববাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষখবর]]></category>
		<category><![CDATA[পিআইএফ]]></category>
		<category><![CDATA[সৌদি অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সৌদি আরব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=5903</guid>

					<description><![CDATA[২০২৪ সালে সৌদি আরবের সার্বভৌম সম্পদ তহবিলের (সভরেন ওয়েলথ ফান্ড) নিট মুনাফা ৬০ শতাংশ কমেছে। আশেপাশে যুদ্ধ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি তেলের নিম্নমুখী দাম এবং সৌদি আরবের বেশ কিছু ফ্ল্যাগশিপ &#8216;গিগা-প্রজেক্ট&#8217; বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা এর প্রধান কারণ। সোমবার প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, সৌদি আরবের পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড (পিআইএফ), যার মোট সম্পদ ১ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি, ২০২৪ সালে নিট [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>২০২৪ সালে সৌদি আরবের সার্বভৌম সম্পদ তহবিলের (সভরেন ওয়েলথ ফান্ড) নিট মুনাফা ৬০ শতাংশ কমেছে। আশেপাশে যুদ্ধ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি তেলের নিম্নমুখী দাম এবং সৌদি আরবের বেশ কিছু ফ্ল্যাগশিপ &#8216;গিগা-প্রজেক্ট&#8217; বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা এর প্রধান কারণ।</strong></p>
<p>সোমবার প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, সৌদি আরবের পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড (পিআইএফ), যার মোট সম্পদ ১ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি, ২০২৪ সালে নিট মুনাফা করেছে মাত্র ৬.৯ বিলিয়ন ডলার।</p>
<p>মিডলইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের তুলনায় পিআইএফ-এর মোট রাজস্ব ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সৌদি ন্যাশনাল ব্যাংকের মতো স্থানীয় সৌদি সংস্থাগুলিতে বিনিয়োগ পরিপক্ক হওয়ায় এই বৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে। তবে সুদের উচ্চ হার এবং কিছু নির্দিষ্ট প্রকল্পে পিআইএফ-এর তথাকথিত &#8220;ক্ষতি&#8221;এই বৃদ্ধিকে ছাপিয়ে গেছে।</p>
<p>যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের দেশের অর্থনীতিকে জ্বালানি নির্ভরতা থেকে বৈচিত্র্যময় করার প্রচেষ্টার প্রধান মাধ্যম হলো পিআইএফ। পিআইএফ স্থানীয় টেক স্টার্টআপ, খেলাধুলা এবং লোহিত সাগরের বিলাসবহুল প্রকল্পগুলিতে বিনিয়োগ করেছে।</p>
<p>তবে আপাতত, সৌদি আরবের ২০২৫ সালের বাজেট অনুযায়ী, দেশটির আয়ের প্রায় ৬১ শতাংশ এখনও তেল থেকে আসে। পিআইএফ সৌদি রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর শেয়ারের মালিকানা থেকেও অর্থ উপার্জন করে।</p>
<p>২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের পর জ্বালানি তেলের উচ্চ মূল্য সৌদি আরবের ব্যয়কে উপকৃত করেছিল। কিন্তু ইসরায়েল এবং ইরানের মধ্যে যুদ্ধ সত্ত্বেও অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি প্রায় ৬৫ ডলারে নেমে এসেছে।</p>
<p>সৌদি আরবকে তাদের কিছু উচ্চাভিলাষী মেগা-প্রজেক্ট, যেমন নিওম, ছোট করতে হয়েছে। ভবিষ্যতমুখী এই প্রকল্পটি প্রাথমিকভাবে ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের প্রকল্প হিসাবে বিল করা হয়েছিল, যা নিউ ইয়র্ক সিটির ৩৩ গুণ বড় হবে এবং &#8220;দ্য লাইন&#8221; নামে ১৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সরল-রেখার শহর অন্তর্ভুক্ত করবে।</p>
<p>২০৩০ সালের মধ্যে এই শহরে ১.৫ মিলিয়ন মানুষের বসবাসের লক্ষ্যের পরিবর্তে, সৌদি কর্মকর্তারা এখন ৩০০,০০০ এরও কম বাসিন্দার আশা করছেন। এদিকে, ২০৩০ সালের মধ্যে এই শহরের মাত্র ২.৪ কিলোমিটার সম্পন্ন হবে।</p>
<p>গত এপ্রিলে ফিনান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছিল যে, ভবিষ্যতমুখী এই শহরের সিইও রাজ্যের মেগা-প্রজেক্টগুলির একটি &#8220;ব্যাপক পর্যালোচনা&#8221; শুরু করেছেন, যা জ্বালানি তেলের দাম কমার সাথে সাথে আরও কঠোর ব্যয় সংকোচনের ইঙ্গিত দেয়।</p>
<p>সৌদি আরব তাদের কর্মসূচিতে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ করতে সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে এবং পিআইএফকে এই ভার বহন করতে হয়েছে।</p>
<p>এই তহবিল উবার এবং মেটার মতো মার্কিন শেয়ারের মালিক এবং ব্ল্যাকস্টোনের সাথে বিদেশী অবকাঠামো প্রকল্পগুলিতে বিনিয়োগ করেছে।</p>
<p>তবে, পিআইএফ-এর গভর্নর ইয়াসির আল-রুমায়ান গত অক্টোবরে বলেছিলেন যে, তহবিল যুবরাজের ভিশন ২০৩০ কর্মসূচিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ বাজারের দিকে আরও বেশি মনোযোগ দেবে।</p>
<p>সৌদি আরব তাদের প্রকল্পগুলির অর্থায়নের জন্য ঋণের দিকেও ঝুঁকেছে, যা সুদের হার বৃদ্ধির ক্ষেত্রে দেশটির লক্ষ্যগুলিকে দুর্বল করে তোলে। গত জানুয়ারিতে, এই তহবিল একটি আন্তর্জাতিক বন্ড বিক্রির মাধ্যমে ৪ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছে এবং জুনে স্বল্পমেয়াদী ঋণ ইস্যু করার জন্য একটি নতুন বিশেষ উদ্দেশ্যমূলক বাহন ( স্পেশাল পারপাস ভিহাইকেল) চালু করেছে।</p>
<p>বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সৌদি আরবের ঋণের জন্য শক্ত চাহিদা দেখা গেছে এবং দেশটি বাজেট ঘাটতি পূরণে ইচ্ছুক। রাজ্যের ২০২৫ সালের বাজেট অনুযায়ী, ২৭ বিলিয়ন ডলার বা জিডিপির ২.৩ শতাংশ আর্থিক ঘাটতির হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p>
<p>তবে, এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।</p>
<p>এপ্রিল মাসে অ্যারাব গাল্ফ স্টেটস ইনস্টিটিউট দ্বারা প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুসারে, যদি ২০২৫ সালে তেলের গড় মূল্য ব্যারেল প্রতি ৬৫ ডলার হয়, তবে ঘাটতি সম্ভবত প্রায় ৫৬ বিলিয়ন ডলার বা জিডিপির ৫.২ শতাংশ হবে।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ইরানের হামলা ‘অযৌক্তিক’ বলছে সৌদি আরব</title>
		<link>https://businesstimes.com.bd/%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%85%e0%a6%af%e0%a7%8c%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিজনেস ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 23 Jun 2025 20:00:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ববাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[ইরানে হামলা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[সৌদি আরব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://businesstimes.com.bd/?p=5668</guid>

					<description><![CDATA[সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাতারের আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং একে আন্তর্জাতিক আইন ও সুশীল প্রতিবেশী সম্পর্কের নীতিমালার স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় বলেছে, এটি একটি আপত্তিকর ঘটনা, যা কোনো পরিস্থিতিতেই ন্যায্যতা দেওয়া যায় না। সৌদি সরকার আরও জানিয়েছে, ভ্রাতৃপ্রতিম রাষ্ট্র কাতারের পাশে থাকার দৃঢ় অবস্থান এবং সমর্থন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাতারের আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং একে আন্তর্জাতিক আইন ও সুশীল প্রতিবেশী সম্পর্কের নীতিমালার স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।</strong></p>
<p>এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় বলেছে, এটি একটি আপত্তিকর ঘটনা, যা কোনো পরিস্থিতিতেই ন্যায্যতা দেওয়া যায় না। সৌদি সরকার আরও জানিয়েছে, ভ্রাতৃপ্রতিম রাষ্ট্র কাতারের পাশে থাকার দৃঢ় অবস্থান এবং সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছে রাজতন্ত্র।</p>
<p>বিটি/ আরকে</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
