1. ershadmc@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক .
  2. ashraf@websofttechnologyltd.com : businesstimesadmin :
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. rezadu31@gmail.com : বিজনেস ডেস্ক : বিজনেস ডেস্ক .
  5. abdullahsheak8636@gmail.com : Shk Abd : Shk Abd
নতুন সংবাদ
বিএনপির ৭দিনের কর্মসূচি ঘোষণা গাজীপুরের ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান আন্দোলন অব্যাহত বাংলাদেশ-ব্রুনাই সম্পর্ক: ইঞ্জিনিয়ার রেজাউলকে ব্রুনাইয়ের হাইকমিশনারের ধন্যবাদ বার্তা পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন তহবিল লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় ২ বাংলাদেশি নিহত আদর্শ, পরিবার এবং ইতিহাস’: সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের বিরোধের নেপথ্য কারণ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন থালাপতি বিজয় কসবায় বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি নিহত মে মাসে অপরিবর্তিত এলপিজির দাম, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১৯৪০ টাকা

চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটির দায়িত্বে নৌবাহিনী, সাইফ পাওয়ারটেকের বিদায়

বিজনেস টাইমস
  • আপডেট সময় সোমবার, ৭ জুলাই, ২০২৫

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) এখন থেকে পরিচালনা করছে চট্টগ্রাম ড্রাইডক লিমিটেড, যা নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত একটি সামরিক জাহাজ মেরামতকারী প্রতিষ্ঠান।

আজ রোববার (৬ জুলাই) দিবাগত রাত থেকে প্রতিষ্ঠানটি আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিটির দায়িত্ব গ্রহণ করে কাজ শুরু করে। সরকার ‘ডাইরেক্ট প্রকিউরমেন্ট মেথড’ (ডিপিএম) বা সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে চট্টগ্রাম ড্রাইডককে ছয় মাসের জন্য দায়িত্ব দিয়েছে।

এর আগে, সাইফ পাওয়ারটেকের সঙ্গে বন্দরের দীর্ঘ ১৫ বছরের বেশি সময়ের চুক্তির মেয়াদ ৬ জুলাই রাত ১২টায় শেষ হয়। সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনার ভিত্তিতে বন্দর কর্তৃপক্ষ চুক্তি নবায়ন না করে প্রতিষ্ঠানটিকে বিদায় জানায়। ফলে এনসিটি থেকে সাইফ পাওয়ারটেকের প্রভাবের অবসান ঘটে।

মূলত, এনসিটি থেকে সাইফ পাওয়ারটেককে অপসারণের সিদ্ধান্ত আগে থেকেই নেওয়া হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে বন্দরের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় টার্মিনাল পরিচালনার চিন্তা ছিল। তবে পরবর্তীতে সরকার নৌবাহিনীর আওতাধীন কোনো সংস্থাকে দায়িত্ব দিতে চায়। সরাসরি নৌবাহিনীকে দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে আইনি জটিলতা থাকায় ড্রাইডক লিমিটেডকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মো. ওমর ফারুক জানান, ড্রাইডক এখন এনসিটি পরিচালনায় নিয়োজিত। পূর্ববর্তী অপারেটর সাইফ পাওয়ারটেকের অধীনে থাকা শ্রমিক ও কর্মীরা আগের মতোই কাজ করছেন, কেবল ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন এসেছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে বড় এই টার্মিনালে প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ চারটি জেটি রয়েছে, যেখানে একসঙ্গে পাঁচটি জাহাজ নোঙর করতে পারে। এখানে বন্দরের মোট কনটেইনারের প্রায় অর্ধেক হ্যান্ডলিং হয়। টার্মিনালে রয়েছে ১৪টি গ্যান্ট্রি ক্রেন এবং আধুনিক প্রযুক্তি সম্বলিত ব্যাকআপ ইয়ার্ডসহ প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জাম।

বন্দর সংশ্লিষ্ট একজন বলেন, এনসিটিতে সব বিনিয়োগ করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু বিনিয়োগ না করেই রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে সাইফ পাওয়ারটেক বিপুল পরিমাণ অর্থ লাভ করেছে। অন্য কোনো দেশি বা বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে সে সুযোগ দেওয়া হয়নি।

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সাইফ পাওয়ারটেককে সরিয়ে দিয়ে বিদেশি অপারেটর নিয়োগের উদ্যোগ নেয়। তবে তখনই নানা পক্ষ বিদেশিদের হাতে বন্দর না দেওয়ার দাবিতে সরব হয়। অনেকের অভিযোগ, এই আন্দোলনের পেছনে সাইফ পাওয়ারটেককে রক্ষা করার অভিপ্রায় ছিল।

এই প্রেক্ষাপটে নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার এম সাখাওয়াত হোসেন একটি হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট ফাঁস করেন, যেখানে সাইফ পাওয়ারটেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরফদার রুহুল আমিনকে বন্দর অচল করে দেওয়ার জন্য টাকা ছড়ানোর নির্দেশ দিতে দেখা যায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

বিটি/ আরকে

এই ধরনের আরও নিউজ

আরও সংবাদ

কারেন্সি কনভার্টার

বাজেটের সবখবর

© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT