কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু হওয়ার আগে শনিবারেও সরকারি অফিস-আদালত এবং ব্যাংকগুলোতে স্বাভাবিক কার্যক্রম চলছে।
তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অনেকেই অতিরিক্ত ছুটি নিয়ে আগেভাগেই গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হওয়ায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে কাজের গতি কিছুটা ধীর। অন্যদিকে কোরবানির পশু কেনাবেচা এবং বেতন-বোনাসের লেনদেনের কারণে ব্যাংকগুলোতে গ্রাহকদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
একজন জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা জানান, অফিস খোলা থাকলেও কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী ছুটিতে থাকায় কাজের চাপ তুলনামূলক কম। তবে মন্ত্রী, সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন।
বেসরকারি একটি ব্যাংকের কর্মকর্তা বলেন, কোরবানির পশু কেনাবেচা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বেতন-বোনাস পরিশোধের কারণে অন্যান্য দিনের তুলনায় ব্যাংকে লেনদেন ও গ্রাহকের সংখ্যা বেশি।
ঈদ উপলক্ষে সরকারি ছুটির সময়সূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যাংকিং কার্যক্রমও সাত দিন বন্ধ থাকবে। ছুটি শেষে আগামী ১ জুন থেকে ব্যাংকগুলো পুনরায় খুলবে।
ছুটির আগে শনিবার ও রোববার সরকারি অফিস, আদালত এবং ব্যাংকের সব শাখা স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী খোলা থাকবে এবং নিয়মিত লেনদেন চলবে।
এদিকে তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস পরিশোধ সহজ করতে ২৫ ও ২৬ মে পোশাকশিল্প অধ্যুষিত এলাকার কয়েকটি ব্যাংক শাখা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সচল রাখতে সমুদ্রবন্দর, স্থলবন্দর ও বিমানবন্দরসংলগ্ন ব্যাংক শাখা, উপশাখা ও বুথগুলোতে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং সেবা চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
বিটি/ আরকে
Tags: ঈদে ছুটি, সরকারি অফিস ও ব্যাংক