1. ershadmc@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক .
  2. ashraf@websofttechnologyltd.com : businesstimesadmin :
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. rezadu31@gmail.com : বিজনেস ডেস্ক : বিজনেস ডেস্ক .
  5. abdullahsheak8636@gmail.com : Shk Abd : Shk Abd

জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের জন্য আইনি সুরক্ষায় দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি

বিজনেস টাইমস
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬

২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং তাদের বিরুদ্ধে করা মামলাগুলো প্রত্যাহারের উদ্দেশ্যে সরকার ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে।

এ বিষয়ে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে রোববার গেজেট প্রকাশ করা হয়। আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারি) আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতাকে ‘গণঅভ্যুত্থানকারী’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।

এতে উল্লেখ করা হয়, ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পরিচালিত এই আন্দোলনে অংশ নেওয়াদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব ধরনের দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা বাতিল করা হবে।

সরকারি প্রত্যয়ন থাকলে গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে চলমান কোনো মামলা বা আইনি কার্যক্রম থাকলে পাবলিক প্রসিকিউটরের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত তাৎক্ষণিকভাবে তা প্রত্যাহার করে অভিযুক্তকে অব্যাহতি বা খালাস দেবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ সংক্রান্ত নতুন মামলা দায়েরের সুযোগও বন্ধ করা হয়েছে।

অধ্যাদেশে ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধ’ এবং ‘বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে অপরাধমূলক অপব্যবহার’-এর মধ্যে পরিষ্কার পার্থক্য তুলে ধরা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, কোনো গণঅভ্যুত্থানকারীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ উঠলে তা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে পাঠাতে হবে। কমিশনের তদন্তে যদি প্রমাণিত হয় যে ঘটনাটি রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা চলবে না। তবে প্রয়োজনে কমিশন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে সরকারকে নির্দেশ দিতে পারবে।

আর যদি তদন্তে দেখা যায় যে হত্যাকাণ্ডটি রাজনৈতিক আন্দোলনের অংশ নয়, বরং ব্যক্তিগত স্বার্থ বা অপরাধমূলক অপব্যবহার হিসেবে সংঘটিত, তাহলে কমিশন আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করবে। আদালত সেটিকে পুলিশ রিপোর্ট হিসেবে বিবেচনা করে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম শুরু করবে।

সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি এই অধ্যাদেশ জারি করেছেন।

অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমানে সংসদ ভেঙে থাকায় জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন ছিল বলেই এই আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে।

এ অধ্যাদেশ ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে এবং অন্যান্য সব আইনের ওপর এর প্রাধান্য থাকবে।

বিটি/ আরকে

Tags: , , ,

এই ধরনের আরও নিউজ
© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT