গাজায় ইসরায়েলের হামলার প্রেক্ষাপটে দেশটির সদস্যপদ স্থগিতের বিষয়টি বিবেচনা করছে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা। এ লক্ষ্যে আগামী সপ্তাহে ভোটাভুটি আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে সংস্থাটি।
গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার হামলার প্রতিবাদে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। ক্রীড়াঙ্গনও এতে পিছিয়ে নেই। গাজা যুদ্ধের দায়ে ইসরায়েলকে ফুটবলসহ আন্তর্জাতিক ক্রীড়া থেকে নিষিদ্ধের দাবি জোরালো হয়েছে।
রয়টার্স, এপি ও ইএসপিএনসহ একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা দেশটির সদস্যপদ স্থগিত করার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে। এ জন্য আগামী সপ্তাহে ভোটাভুটির আয়োজন করতে যাচ্ছে সংস্থাটি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে উয়েফার কার্যনির্বাহী কমিটির দুই সদস্য এপিকে জানিয়েছেন, ২০ সদস্য বিশিষ্ট এ কার্যনির্বাহী কমিটির অধিকাংশই ইসরায়েল জাতীয় দল ও ক্লাবগুলোকে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে নিষিদ্ধের পক্ষে ভোট দেবেন বলে আশা করছেন তারা। যদি তা বাস্তবায়ন হয়, তবে আগামী বছরের ফুটবল বিশ্বকাপসহ আন্তর্জাতিক কোনো প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে না ইসরায়েল।
আগামী ১১ ও ১৫ অক্টোবর বিশ্বকাপ বাছাইয়ে নরওয়ে ও ইতালির বিপক্ষে ম্যাচ আছে ইসরায়েলের। ইতিমধ্যেই এই ম্যাচগুলো নিয়ে আলোচনা চলছে। নরওয়ে ফুটবল ফেডারেশন জানিয়েছে, ইসরায়েলের বিপক্ষে ম্যাচ থেকে টিকিট বিক্রির আয় গাজার মানবিক সহায়তায় দেওয়া হবে। অন্যদিকে ইতালির সমর্থকদের একটি অংশ ইসরায়েলের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করার দাবি তুলেছেন।
Tags: ইউরোপীয় ফুটবল, ইসরায়েল