1. ershadmc@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক .
  2. ashraf@websofttechnologyltd.com : businesstimesadmin :
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. rezadu31@gmail.com : বিজনেস ডেস্ক : বিজনেস ডেস্ক .
  5. abdullahsheak8636@gmail.com : Shk Abd : Shk Abd
নতুন সংবাদ
সাদা রাজ্যের স্বল্প বসন্ত, রাজপ্রাসাদে সুরভীহীন বিচ্ছেদ এখন মোবাইল অ্যাপেও রিচার্জ করা যাবে মেট্রোরেলের কার্ড দক্ষিণ এশিয়ার উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ নিয়ে তিন দিনের আঞ্চলিক সম্মেলন শুরু স্বর্ণ ও রুপার দাম বৃদ্ধি: আজ থেকে বাজারে নতুন মূল্য কার্যকর ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলোর পণ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা ট্রাম্পের মোস্তাফিজ দলে থাকলে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়বে—আইসিসির চিঠি এপ্রিলে হবে এসএসসি পরীক্ষা, জুনে এইচএসসি আমাদের দেশকে অপমান করা হয়েছে: মোস্তাফিজ ইস্যুতে ফখরুল ২ লাখ কোটি টাকার সংশোধিত এডিপি অনুমোদন, বরাদ্দ ১৩% কমলো এলপিজি আমদানিতে ২৭০ দিনের ঋণ সুবিধা পাবেন ব্যবসায়ীরা

ইসরায়েলি মানবাধিকার সংস্থাগুলোই বলছে, গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েল

বিজনেস টাইমস
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০২৫

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযান নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্ন ও উদ্বেগ ছিল। এবার সেই উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে তুলল খোদ ইসরায়েল-ভিত্তিক দুটি প্রখ্যাত মানবাধিকার সংস্থা। তাদের প্রকাশিত প্রতিবেদনে স্পষ্ট অভিযোগ করা হয়েছে, ইসরায়েল গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালাচ্ছে, যা অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত।

সোমবার প্রকাশিত দুটি পৃথক প্রতিবেদনে ইসরায়েলের শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার সংস্থা ‘বি’তসেলেম’ (B’Tselem) এবং ‘ফিজিশিয়ানস ফর হিউম্যান রাইটস’ (Physicians for Human Rights – PHR) জানিয়েছে, প্রায় দুই বছর ধরে চলমান এই সংঘাতে ইসরায়েল গাজার বেসামরিক নাগরিকদের, শুধুমাত্র তাদের ফিলিস্তিনি পরিচয়ের কারণে, লক্ষ্যবস্তু করেছে। এর ফলে ফিলিস্তিনি সমাজে মারাত্মক ও অনেক ক্ষেত্রে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান তাদের প্রতিবেদনে বিস্তারিত তুলে ধরেছে।

প্রতিবেদন দুটিতে বলা হয়েছে, এই সংঘাতে হাজার হাজার নারী, শিশু ও বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন, গণহারে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করা হয়েছে এবং মানুষকে অনাহারে রাখা হয়েছে। বাসস্থান এবং বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে, যার ফলে ফিলিস্তিনিরা স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং অন্যান্য মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

‘বি’তসেলেম’-এর পরিচালক ইউলি নোভাক বলেন, “আমরা যা দেখছি তা একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে বেসামরিক নাগরিকদের উপর একটি সুস্পষ্ট, ইচ্ছাকৃত আক্রমণ।”

তিনি জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমি মনে করি প্রতিটি মানুষের নিজেকে প্রশ্ন করা উচিত: গণহত্যার মুখে আপনি কী করবেন?”

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) মামলা বিচারাধীন থাকলেও, এটি জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরি যে, একটি গণহত্যা সংঘটিত হচ্ছে, কারণ এটি কেবল একটি আইনি অপরাধ নয়, এটি একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক ঘটনা।

‘ফিজিশিয়ানস ফর হিউম্যান রাইটস’ (পিএইআর) তাদের প্রতিবেদনে গাজার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উপর হামলার বিস্তারিত কালানুক্রমিক বিবরণ তুলে ধরেছে। এই হামলার ফলে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ধ্বংসকে গণহত্যা কনভেনশনের ২(গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গণহত্যা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা একটি গোষ্ঠীকে “আংশিক বা সম্পূর্ণ” ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে জীবনযাত্রার পরিস্থিতি ইচ্ছাকৃতভাবে চাপিয়ে দেওয়াকে নিষিদ্ধ করে।

পিএইচআর-এর পরিচালক গাই শ্যালাভ বলেন, “কিছু বিষয় গণহত্যা হিসেবে বিবেচিত হওয়ার জন্য গণহত্যা কনভেনশনের পাঁচটি অনুচ্ছেদ পূরণ করার প্রয়োজন নেই।”

উভয় সংস্থাই অভিযোগ করেছে যে, ইসরায়েলের পশ্চিমা মিত্ররা এই গণহত্যার অভিযানকে সক্ষম করছে এবং গাজায় দুর্ভোগের জন্য তাদেরও দায়ভার রয়েছে।

ইউলি নোভাক বলেছেন, “পশ্চিমা বিশ্বের সমর্থন ছাড়া এটি ঘটতে পারত না।” গাই শ্যালাভের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর আইনি দায়িত্ব রয়েছে যে তারা এখন পর্যন্ত যা করেছে তার চেয়ে শক্তিশালী পদক্ষেপ নিক।

তবে, ইসরায়েল গণহত্যা চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং বলেছে যে, ৭ অক্টোবর ২০২৩-এর হামাসের আন্তঃসীমান্ত হামলার পর এটি আত্মরক্ষামূলক যুদ্ধ, যেখানে ১,২০০ জন নিহত হয়েছিলেন, যাদের অধিকাংশই বেসামরিক। এছাড়া ২৫০ জনেরও বেশি ব্যক্তিকে অপহরণ করে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, যাদের মধ্যে ৫০ জন এখনো জিম্মি রয়েছেন এবং তাদের মধ্যে ২০ জন জীবিত আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রতিবেদন দুটি জোর দিয়ে বলেছে, গণহত্যা কনভেনশন অনুযায়ী, একটি গোষ্ঠীকে আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করার রাষ্ট্রের উদ্দেশ্য প্রমাণ করার জন্য রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের গণহত্যার প্ররোচনামূলক বক্তব্য এবং প্রায় দুই বছরের যুদ্ধের পর বেসামরিক নাগরিকদের উপর সুনির্দিষ্ট প্রভাবই যথেষ্ট।

গাজায় চলমান সংঘাতে মৃতের সংখ্যা প্রায় ৬০,০০০ ছুঁয়েছে, যা যুদ্ধের আগের জনসংখ্যার ২.৫% এর বেশি। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ধ্বংস এবং চিকিৎসা কর্মীদের হত্যার কারণে যুদ্ধবিরতির পরেও গণহত্যার প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বি’তসেলেম সতর্ক করে বলেছে, ইসরায়েলি শাসন এখন একটি নতুন হাতিয়ার ব্যবহার করছে – গণহত্যা, এবং এটি অন্যান্য ফিলিস্তিনিদেরও লক্ষ্যবস্তু করতে পারে, বিশেষ করে পশ্চিম তীরে যেখানে ৭ অক্টোবর ২০২৩ থেকে প্রায় ১,০০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং ৪০,০০০ এরও বেশি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

বিটি/ আরকে

Tags: , , ,

এই ধরনের আরও নিউজ

আরও সংবাদ

কারেন্সি কনভার্টার

বাজেটের সবখবর

© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT