1. bteditor@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক .
  2. ashraf@websofttechnologyltd.com : businesstimesadmin :
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. rezadu31@gmail.com : বিজনেস ডেস্ক : বিজনেস ডেস্ক .
  5. abdullahsheak8636@gmail.com : Shk Abd : Shk Abd

তরুণ বয়সেই বাড়ছে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি

বিজনেস টাইমস
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বিশ্ব হার্ট দিবস আজ ২৯ সেপ্টেম্বর। হৃদরোগ সম্পর্কে বিশ্বজুড়ে সচেতনতা বাড়াতে প্রতিবছর দিবসটি পালন করা হয়। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘একটি স্পন্দনও যেন মিস না হয়’। এর লক্ষ্য হৃদরোগের ঝুঁকি, লক্ষণ ও প্রতিরোধ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা, যাতে অকালে কোনো জীবন হারিয়ে না যায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে হৃদরোগ এখন মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ধূমপান, স্থূলতা, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে দেশে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে। একই সঙ্গে পশ্চিমা দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে কম বয়সেই হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ উল্লাহ দেশ রূপান্তরকে বলেন, বিশ্ব হার্ট দিবসের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে হৃদরোগ সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা। এবারের প্রতিপাদ্যের মাধ্যমে হৃদরোগের ঝুঁকি ও লক্ষণ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি প্রতিরোধ ও সময়মতো চিকিৎসার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় ২ কোটি মানুষ কার্ডিওভাসকুলার রোগে মারা যায়। বাংলাদেশেও প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মৃত্যুর ৩২ শতাংশের কারণ হৃদরোগ। তাই রোগ প্রতিরোধ, সময়মতো শনাক্তকরণ এবং সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করা জরুরি।

কম বয়সেই হার্ট অ্যাটাক
অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, হার্ট অ্যাটাক বা ইস্কেমিক হার্ট ডিজিজের পেছনে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ধূমপান, স্থূলতা, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বড় ঝুঁকি হিসেবে কাজ করছে।
তিনি বলেন, পশ্চিমা দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে প্রায় ১০ বছর কম বয়সে হার্ট অ্যাটাক হচ্ছে। সেখানে সাধারণত ৬০ বছরের পর হার্ট অ্যাটাক বেশি দেখা গেলেও বাংলাদেশে ৫০ বছর বয়স থেকেই এর প্রকোপ বাড়তে শুরু করে। অনেক ক্ষেত্রে আরও কম বয়সী মানুষও আক্রান্ত হচ্ছেন।

এ কারণে তরুণ বয়স থেকেই হৃদরোগ প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। বিশেষ করে ধূমপান বন্ধে আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন, বিড়ি-সিগারেটের খুচরা বিক্রি বন্ধ এবং জনসমক্ষে ধূমপান রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেন এই বিশেষজ্ঞ।

প্রতিরোধেই কমবে ঝুঁকি
হৃদরোগের বড় একটি অংশ প্রতিরোধযোগ্য উল্লেখ করে অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, নিয়মিত রক্তচাপ মাপা এবং উচ্চ রক্তচাপ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খাওয়া জরুরি। উপজেলা পর্যায়ে সরকার বিনামূল্যে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ দিচ্ছে। এ সেবা সাধারণ মানুষকে গ্রহণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ডায়াবেটিস সময়মতো শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। উপজেলা পর্যায়ের এনসিডি কর্নারে ডায়াবেটিসের প্রাথমিক চিকিৎসা ও কিছু ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম, ওজন নিয়ন্ত্রণ, লবণ কম খাওয়া, স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ এবং ধূমপান সম্পূর্ণ বর্জনের পরামর্শ দেন তিনি।

এন/আই

Tags: , , ,

এই ধরনের আরও নিউজ
© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT