1. ershadmc@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক .
  2. ashraf@websofttechnologyltd.com : businesstimesadmin :
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. rezadu31@gmail.com : বিজনেস ডেস্ক : বিজনেস ডেস্ক .
  5. abdullahsheak8636@gmail.com : Shk Abd : Shk Abd
নতুন সংবাদ
মেসি যখন সময়ের গতি বদলে দেন বিশ্বকাপ ২০২৬: মুসলিম ফুটবলাররা যেভাবে ইউরোপের পরিচয়–বিতর্ককে চ্যালেঞ্জ করছেন বাংলাদেশ–রাখাইন সীমান্তে নতুন বাস্তবতা অতিরিক্ত সময়ের রোমাঞ্চ জিতে সেমিতে আর্জেন্টিনা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে আগ্রহী ইইউ’র কারিগরি দল বাংলাদেশে আসছে শিগগিরই ইরানে নতুন যৌথ হামলা চালাতে ট্রাম্পের সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় নেতানিয়াহু বন্যা ও বৈরী আবহাওয়ায় চট্টগ্রাম বোর্ডের শনিবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত ইরানের ‘জানাজা কূটনীতি’: কোরআনের আয়াতে আয়াতে মিত্র-প্রতিদ্বন্দ্বীদের বার্তা মজুত বাড়াতে আরও ৫ লাখ টন জ্বালানি তেল কিনছে সরকার কেপ ভার্দের রূপকথার ইতি টেনে শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনা

ইউএসএইড বন্ধ হওয়ার এক বছর পরও বিদেশি উন্নয়ন সহায়তার পক্ষে অধিকাংশ আমেরিকান

বিজনেস টাইমস
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

ট্রাম্প প্রশাসন কর্তৃক যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (ইউএসএইড) বিলুপ্ত করার এক বছর পরও অধিকাংশ আমেরিকান দুর্যোগে ত্রাণ, রোগের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধ এবং নিরাপত্তা জোরদারের জন্য বিদেশি উন্নয়ন সহায়তাকে সমর্থন করেন। মঙ্গলবার রকফেলার ফাউন্ডেশন-এর উদ্যোগে পরিচালিত এবং প্রকাশিত একটি নতুন জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।

২,০২২ জন ভোটারের ওপর পরিচালিত ওই জরিপে দেখা যায়, বিস্তারিত তথ্য জানার আগে রিপাবলিকান এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের “মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন (এমএজিএ)” সমর্থকরা বিদেশি সহায়তা নিয়ে সংশয়ী ছিলেন।

প্রায় সব আমেরিকানই বিদেশি সহায়তা কর্মসূচিতে ওয়াশিংটনের ব্যয়ের পরিমাণ সম্পর্কে অনেক বেশি ধারণা করেছিলেন। এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি মনে করেছিলেন, এসব কর্মসূচিতে যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক বাজেটের ২০ শতাংশ ব্যয় হয়।

কিন্তু যখন তাদের জানানো হয় যে ২০২৫ সালের আগে বিদেশি সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্রের বাজেটের মাত্র ১ শতাংশ ব্যয় হতো এবং এই সহায়তার মাধ্যমে কী কী অর্জিত হয়েছে, সে সম্পর্কে অবহিত করা হয়, তখন বিদেশি সহায়তার প্রতি সমর্থন ৫৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭০ শতাংশে পৌঁছে যায়। জরিপে আরও দেখা যায়, রিপাবলিকানদের সমর্থন ৫৮ শতাংশে উন্নীত হয় এবং এমনকি এমএজিএ রিপাবলিকানরাও—যাদের মূল আনুগত্য দল নয়, বরং ট্রাম্পের প্রতি—তাদেরও ৫০ শতাংশ বিদেশি সহায়তার পক্ষে মত দেন বলে ফাউন্ডেশন জানায়।

ট্রাম্প, যিনি তার “আমেরিকা ফার্স্ট” নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিদেশি সহায়তা বন্ধ করার অঙ্গীকার করেছিলেন, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ক্ষমতায় এসে ইউএসএইড বন্ধের নির্দেশ দেন।

এর ফলে ১০,০০০-এরও বেশি ইউএসএইড কর্মী ও ঠিকাদার চাকরি হারান এবং হাজার হাজার কর্মসূচি বাতিল হয়। এতে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নে পরিচালিত সহায়তা কার্যক্রমে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হয়, যার ওপর বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র কোটি কোটি মানুষের জীবন নির্ভরশীল ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ অর্থবছরে দেশটির বিদেশি সহায়তা বিতরণ ৭২ বিলিয়ন ডলার থেকে কমে ৪৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে।

গত বছর দ্য ল্যানসেট চিকিৎসাবিষয়ক সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, এই সহায়তা কমিয়ে দেওয়ার ফলে ২০৩০ সালের মধ্যে অতিরিক্ত ১ কোটি ৪০ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটতে পারে।

১২ থেকে ১৬ জুন ইশেলন ইনসাইটস পরিচালিত জরিপে দেখা যায়, অংশগ্রহণকারীদের ৭৮ শতাংশ বিদেশি সহায়তার বর্তমান ব্যয় বজায় রাখা বা আরও বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছেন।

রকফেলার ফাউন্ডেশনের প্রকল্প প্রধান এবং পেন্টাগনের সাবেক ভাষণ লেখক জন গ্যান্স বলেন, “এই তথ্য তাদের দাবির সরাসরি জবাব, যারা মনে করেন আমেরিকানরা বিশ্বকে সহায়তা করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে।”

তিনি আরও বলেন, ”ইউএসএইড ধ্বংস হওয়ার এক বছর পরও অধিকাংশ আমেরিকান শুধু ক্ষুধার্তদের খাদ্য, অসুস্থদের চিকিৎসা এবং বিশ্বের বিভিন্ন সংকটে সাড়া দিতে ফেডারেল অর্থায়ন অব্যাহত রাখতে চান না; বরং তারা এটি আরও বাড়ানোরও যথেষ্ট কারণ দেখেন।”

জরিপে আরও দেখা যায়, শুরুতে সবচেয়ে বেশি সন্দিহান এমএজিএ ভোটারদের মধ্যেও অতিরিক্ত তথ্য দেওয়ার পর বিদেশি সহায়তার পক্ষে সমর্থন ২৭ শতাংশ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়।

কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে ইবোলা প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সহায়তা পুনর্বহালের প্রশ্নে অতিরিক্ত তথ্য দেওয়ার পর রিপাবলিকানদের মধ্যে সমর্থন ৬২ শতাংশে পৌঁছায়, যেখানে ২৪ শতাংশ এর বিরোধিতা করেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রোগটির দ্রুত বিস্তারের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়ন কমিয়ে দেওয়া। এমএজিএ ভোটারদের মধ্যে ৫২ শতাংশ এই মতকে সমর্থন করেন, আর ৩৪ শতাংশ বিরোধিতা করেন।

ট্রাম্প প্রশাসন এ বিস্তৃত প্রাদুর্ভাবের প্রতিক্রিয়ায় ব্যবস্থা নিয়েছে এবং এটি মোকাবিলায় কংগ্রেসের কাছে ১.৪ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি নতুন তহবিল চেয়েছে।

১২ থেকে ১৬ জুন পরিচালিত এই জরিপে আরও দেখা যায়, রোগ প্রতিরোধ ও শান্তিরক্ষা মিশনের মতো নির্দিষ্ট কর্মসূচির প্রসঙ্গ তুলে ধরা হলে বিদেশি সহায়তার প্রতি সমর্থন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। ৮০ শতাংশ উত্তরদাতা বলেন, বিদেশি সহায়তা বাতিল না করে বরং এতে সংস্কার আনা এবং আরও কার্যকর সুরক্ষা ব্যবস্থা যোগ করা উচিত।

অন্যদিকে, মাত্র ১২ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, এর প্রভাব যাই হোক না কেন, সবধরনের বিদেশি সহায়তা নির্বিচারে কমিয়ে দেওয়া উচিত।

বিটি/ আরকে

Tags: , ,

এই ধরনের আরও নিউজ

আরও সংবাদ

কারেন্সি কনভার্টার

বাজেটের সবখবর

© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT