1. bteditor@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক .
  2. ashraf@websofttechnologyltd.com : businesstimesadmin :
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. rezadu31@gmail.com : বিজনেস ডেস্ক : বিজনেস ডেস্ক .
  5. abdullahsheak8636@gmail.com : Shk Abd : Shk Abd
নতুন সংবাদ
ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ প্রযুক্তি মহারথীরা এখন কী করবেন? তেহরানে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর ব্যানার পোড়ালেন ইরানপন্থী বিক্ষোভকারীরা হত্যাচেষ্টা মামলায় জামিন পেলেন চিত্রনায়িকা পরীমনি হরমুজ পারাপারে ইরানের নির্দেশনা মানতে হবে: ঢাকায় ইরানি রাষ্ট্রদূত বেরোবিতে পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ নিহত শ্রমিক তৌফিকের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন জামায়াত আমির প্রধানমন্ত্রী: মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে সৌদি-সিরিয়া ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক সহায়তা চুক্তি স্বাক্ষরিত টাঙ্গাইলে শিশু সন্তানকে হত্যার দায়ে সৎমায়ের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ইসলামপন্থি ও কমিউনিস্টদের দখলে: টেড ক্রুজ

ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ প্রযুক্তি মহারথীরা এখন কী করবেন?

রেজাউল করিম
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬

ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানে সিলিকন ভ্যালির শত শত বিলিয়ন ডলারের মালিক প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের একটি ছবি- যেখানে ইলন মাস্ক, জেফ বেজোস এবং মার্ক জাকারবার্গ সামনের সারিতে পাশাপাশি বসেছিলেন। এখন মনে হচ্ছে যেন ডেমোক্র্যাটদের হাতে তৈরি একটি সম্ভাব্য ‘টার্গেট তালিকা’। কারণ, ডেমোক্র্যাটরা এখন কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিলিয়নিয়ারদের জীবন কঠিন করে তুলতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

সেই সময় ছবিটি বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তির সামনে নতিস্বীকারের প্রতীক হয়ে উঠেছিল। এটি ছিল অতি ধনীদের পারস্পরিক স্বার্থের এক ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রতিফলন। আগে থেকেই অকল্পনীয় সম্পদের মালিক সিলিকন ভ্যালির প্রভাবশালী ব্যক্তিরা বিশ্বাস করেছিলেন, আমেরিকায় মাগা (মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন)-সমর্থিত ডানপন্থী রাজনৈতিক পরিবর্তন তাদের আরও বেশি সম্পদশালী করে তুলবে। বাস্তবেও তা-ই হয়েছিল। কয়েক বছর ধরে, যখন ট্রাম্পকে চিরস্থায়ী ক্ষমতার নিয়ন্ত্রক বলে মনে হচ্ছিল এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সম্প্রসারণকে থামানো অসম্ভব বলে মনে হচ্ছিল, তখন এসব প্রযুক্তি উদ্যোক্তার সম্পদের পরিমাণ কল্পনাতীত পর্যায়ে পৌঁছে যায়। ইলন মাস্কের সম্পদের পরিমাণ তো ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়।

কিন্তু মঙ্গলবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে যাওয়ার পর পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন হয়ে উঠেছে। মাগা শিবিরের প্রতি পুরোপুরি সমর্থন দেওয়া এখন একটি ভুল ও ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত বলে মনে হচ্ছে। ডেমোক্র্যাটরা যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ দৃঢ়ভাবে নিজেদের হাতে নিয়েছে। তারা বিভিন্ন আসনে জয় পেয়েছে, যেসব আসন আগের বছরগুলোতে রিপাবলিকানদের নিশ্চিত বিজয়ের জায়গা হিসেবে বিবেচিত হতো। একইভাবে, দেশজুড়ে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নর পদেও ডেমোক্র্যাটরা জয়লাভ করেছে। এমনকি টেক্সাসের মতো ঐতিহ্যগতভাবে রিপাবলিকান-সমর্থিত অঙ্গরাজ্যেও ডেমোক্র্যাটদের উত্থান ঘটেছে।

দুর্নীতি নিয়ে উদ্বিগ্ন ভোটাররা নিজেদের পছন্দমতো রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করার জন্য অতি ধনী ব্যক্তিদের প্রকাশ্য প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। প্রযুক্তি খাতের প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে ভোট দিতে গিয়ে অনেক ভোটার ডেমোক্র্যাটদের সমর্থনের দিকে ঝুঁকেছেন এবং রিপাবলিকানদের থেকে দূরে সরে গেছেন। প্রযুক্তি খাতের এই প্রভাবশালী ধনকুবেরদের পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিস্তার, ডেটা সেন্টার এবং ফ্লোক-এর নজরদারি ক্যামেরা নিয়েও মানুষের ক্ষোভ নির্বাচনের ফলাফল পরিবর্তনে ভূমিকা রেখেছে।

টেক্সাসের ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি গ্রেগ কাসার লিখেছেন, “ভোটাররা আংশিকভাবে রিপাবলিকানদের প্রত্যাখ্যান করেছেন, কারণ তারা এআই বিলিয়নিয়ারদের অর্থে কেনা এবং তাদের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছেন। ডেমোক্র্যাটদের উচিত তাদের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ না করে বরং তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা।”

জর্জিয়ার ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন অসফ, যিনি পুনর্নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন, তার বিজয়ী ভাষণে প্রযুক্তি খাত সম্পর্কে প্রচলিত মনোভাবটি সংক্ষেপে তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, “সিলিকন ভ্যালির প্রভাবশালী ব্যক্তিরা নিজেদের জন্য ভূগর্ভস্থ নিরাপদ আশ্রয় তৈরি করছেন এবং একই সঙ্গে সতর্ক করছেন যে, তাদের তৈরি করা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানবজাতির বিলুপ্তির ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।”

তিনি বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে কঠোর নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনার অঙ্গীকার করেন।

অন্যরা আরও কঠোর ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে ম্যাসাচুসেটসের ডেমোক্র্যাট সিনেটর এড মার্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, “তাদের বিরুদ্ধে এত বেশি তদন্ত-সংক্রান্ত সমন ছাপাতে হবে যে, এর জন্য নতুন করে বন (গাছ) লাগাতে হবে।”

ডেমোক্র্যাটরা ইতোমধ্যে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে কংগ্রেসীয় তদন্ত এবং বিশাল আকারের ডেটা সেন্টার নির্মাণে সাময়িক নিষেধাজ্ঞার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এর ফলে বিপুল কম্পিউটিং ক্ষমতার ওপর নির্ভরশীল এআই কোম্পানিগুলোর কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

গত এক বছরে বড় এআই কোম্পানিগুলোর মধ্যে বিপুল প্রতিযোগিতা চলছে। তারা নিজেদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে সেমিকন্ডাক্টর চিপে পরিপূর্ণ বিশাল, শব্দদূষণকারী এবং বিপুল সম্পদ ব্যবহারকারী ডেটা সেন্টার কেনা বা নির্মাণের প্রতিযোগিতায় নেমেছে। কিন্তু সাধারণ আমেরিকানরা এসব ডেটা সেন্টারকে পছন্দ করছেন না। ডেমোক্র্যাটরা এ ধরনের বিশাল ডেটা সেন্টার নির্মাণের প্রতিযোগিতার পথে দৃঢ়ভাবে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। হাইপারস্কেল ডেটা সেন্টার নির্মাণে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ডেমোক্র্যাটরা বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নর পদে জয়লাভ করেছেন।

টেক্সাসের জিনা হিনোজোসা, ওহাইওর অ্যামি অ্যাক্টন এবং জর্জিয়ার কিশা ল্যান্স বটমস—তারা সবাই ডেটা সেন্টার নির্মাণে সাময়িক বিরতি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

এরপর রয়েছে প্রতিশ্রুত তদন্তের বিষয়টি। ভবিষ্যতে তদন্তের প্রয়োজনে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংরক্ষণের জন্য ইতোমধ্যে এনভিডিয়া এবং অ্যামাজনকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রযুক্তি খাতকে নেতিবাচকভাবে দেখা হয়েছে। ক্ষুব্ধ ভোটাররা চান, এসব কোম্পানির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

ইলন মাস্ক ডেমোক্র্যাটদের জন্য একটি বড় লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠেছেন। কারণ, ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে তার এবং তিনি বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি।

ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে পরিচালিত ‘ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিসিয়েন্সি’ (ডিওজিই)-এর কার্যক্রম তদন্ত করা ডেমোক্র্যাটদের জন্য একটি সহজ রাজনৈতিক সুযোগ হতে পারে। এই বিভাগটি মানবিক সহায়তা সংস্থা ইউএসএইড এবং যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমের বড় অংশকে কার্যত ধ্বংস করে দিয়েছিল। নতুন করে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ পাওয়া ডেমোক্র্যাটরা এ বিষয়ে তদন্তের মাধ্যমে জনসমক্ষে একটি বড় রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করতে পারবেন।

মঙ্গলবারের নির্বাচনে ট্রাম্প ছাড়া সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছেন সম্ভবত মাস্কই। বিশ্বের সবচেয়ে ধনী এই ব্যক্তি রিপাবলিকান প্রার্থীদের সমর্থনে ৪৫০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছিলেন। সবচেয়ে বেশি অর্থ দিয়েছিলেন টেক্সাসের কেন প্যাক্সটনকে। কিন্তু এর বিনিময়ে তিনি খুব সামান্য, এমনকি কোনো রাজনৈতিক সুবিধাই পাননি। প্যাক্সটন বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন।

নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর প্রায় আট ঘণ্টা মাস্ক নীরব ছিলেন। একের পর এক ফলাফল তার ডানপন্থী রাজনৈতিক প্রকল্পের জন্য আরও খারাপ খবর নিয়ে আসছিল। একপর্যায়ে তার আত্মসমর্পণের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। কারণ, মঙ্গলবার তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া “আজ লালকে ভোট দিন!”—এই পোস্টটি মুছে ফেলেন। এখানে ‘লাল’ বলতে রিপাবলিকানদের বোঝানো হয়েছে।

বুধবার সকালে স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাস্ককে দেখে মনে হচ্ছিল, তিনি যেন পৃথিবী ছেড়ে অন্য কোথাও যেতে চান। তিনি লিখেছেন, “মহাকাশে ডেটা সেন্টার স্থাপনের ধারণাটি এখন বেশ ভালো মনে হচ্ছে।”

তবে তিনি হয়তো মহাকাশে নিজের কম্পিউটার স্থাপনের সুযোগ নাও পেতে পারেন। ডেমোক্র্যাটরা স্পেসএক্স এবং মাস্কের এআই কোম্পানি এক্সএআই-এর মধ্যে কয়েক বিলিয়ন ডলারের একীভূতকরণ চুক্তি তদন্ত করতে পারেন অথবা তা বাতিল করার চেষ্টা করতে পারেন। এক্সএআই এমন একটি প্রতিষ্ঠান, যারা গ্রোক নামের একটি এআই চ্যাটবট তৈরি করেছে। এই চ্যাটবটের বিরুদ্ধে নাৎসিবাদ-সমর্থক কনটেন্ট এবং পোশাক সরিয়ে ব্যক্তির আপত্তিকর ছবি তৈরির মতো বিতর্কিত কার্যক্রমের অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া, এক্সএআই-এর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর ২০০ মিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তিও রয়েছে। ডেমোক্র্যাটরা এই চুক্তিতেও হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করতে পারেন।

অন্যদিকে, মার্ক জাকারবার্গের কাছে পরিস্থিতিটি পুরোনো দিনের কথা মনে করিয়ে দিতে পারে। কারণ, ২০১০-এর দশকের শেষ দিকে তাকে বারবার মার্কিন আইনপ্রণেতাদের কঠোর জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। মেটার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাকারবার্গ ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে প্রকাশ্যেই রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তন করে ডানপন্থীদের দিকে ঝুঁকেছেন।

তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে মার-আ-লাগোতে গিয়েছিলেন এবং সেখানে নিজের প্রতিষ্ঠানের ক্যামেরাযুক্ত স্মার্ট চশমা প্রদর্শন করেছিলেন। একই সময়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যখন ডাইভারসিটি, ইকুয়ালিটি এবং ইনকুলুশন (ডিইআই) কর্মসূচির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন, তখন জাকারবার্গও তার কোম্পানির বহুল প্রচারিত বৈচিত্র্য, সমতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মসূচি বাতিল করেন।

ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে অপছন্দের ব্যক্তিদের একজন হিসেবে পরিচিত জাকারবার্গের পরবর্তী সময়ের কর্মকাণ্ড দেখাবে, ক্ষমতার প্রতি তার আগ্রহ ছাড়া অন্য কোনো আদর্শ বা বিশ্বাস আসলে রয়েছে কি না। তার জিউ-জিৎসু ও মিক্সড মার্শাল আর্টের প্রতি আগ্রহ কি সত্যিকারের, নাকি তথাকথিত ‘ম্যানোস্ফিয়ার’ বা পুরুষতান্ত্রিক অনলাইন জগতের পডকাস্ট উপস্থাপকদের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরির একটি কৌশল ছিল? প্রথমবারের মতো তদন্তের মুখোমুখি হওয়ার সময় হয়তো আমরা এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে পারব।

সম্ভবত তিনি আবারও তার আগের উদারপন্থী ভাবমূর্তিতে ফিরে যেতে পারেন। যেমন, এক দশক আগে তিনি অভিবাসনপন্থী একটি অলাভজনক সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এখন তিনি আবারও এমন কোনো উদ্যোগ নিতে পারেন।

এদিকে, ওপেনআই-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্যাম অল্টম্যানও মঙ্গলবার থেকেই নিজের ভাবমূর্তি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে মনে হচ্ছে। মঙ্গলবার রাতে তার একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে বার্নি স্যান্ডার্সের রাজনৈতিক বক্তব্যের প্রতিধ্বনি শোনা যায়।

তিনি লেখেন, “মানুষের উচিত ভবিষ্যতের নিয়ন্ত্রণ সুপারইন্টেলিজেন্সের হাতে ছেড়ে না দেওয়া। শেষ পর্যন্ত এই শর্তটিই এআই-এর অগ্রগতিকে নিয়ন্ত্রণ করবে।”

মানুষকে অগ্রাধিকার দিয়ে এআই নিয়ন্ত্রণের পক্ষে অবস্থান নিয়ে অল্টম্যানকে মনে হচ্ছিল, তিনি ট্রাম্পের অবাধ এআই উন্নয়নের অবস্থান এবং এআইকে নতুন করে ‘সুপারইন্টেলিজেন্স’ হিসেবে তুলে ধরার সাম্প্রতিক প্রচেষ্টা থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখতে চাইছেন।

তবে বছরের পর বছর ধরে শুধু ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করার পর সিলিকন ভ্যালির বিলিয়নিয়ারদের পক্ষে রাতারাতি নিজেদের জনভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার করা সহজ হবে না।

বর্তমান সময়ের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো, যেমন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ক্রমবর্ধমান মূল্য এবং দুর্নীতি নিয়ে তাদের বলার মতো তেমন কিছু নেই। অধিকাংশ আমেরিকান তাদের চরম সম্পদবৈষম্য এবং অর্থের বিনিময়ে রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের স্বার্থপর রাজনীতির প্রতীক হিসেবে দেখেন। যেসব সাধারণ মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্য নিয়ে ক্ষুব্ধ, তাদের জন্য একজন বিলিয়নিয়ার আসলে কী দিতে পারেন?

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Tags: , ,

এই ধরনের আরও নিউজ

আরও সংবাদ

কারেন্সি কনভার্টার

বাজেটের সবখবর

© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT