1. bteditor@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক .
  2. ashraf@websofttechnologyltd.com : businesstimesadmin :
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. rezadu31@gmail.com : বিজনেস ডেস্ক : বিজনেস ডেস্ক .
  5. abdullahsheak8636@gmail.com : Shk Abd : Shk Abd
নতুন সংবাদ
আইনি সীমারেখায় পুলিশের বলপ্রয়োগের অধিকার রয়েছে: জাহেদ উর রহমান চ্যাম্পিয়নস লিগে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে রোমার মুখোমুখি ইউনাইটেড মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে ফতুল্লায় পোশাক শ্রমিকদের পুনরায় সড়ক অবরোধ হাদি মৃত্যুর ঘটনা মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় ২১ বার পেছাল প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী: আগামী ৫ বছরে ১ কোটি জনশক্তি রপ্তানির পরিকল্পনা গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, ৫০টি কারখানা ছুটি ঘোষণা গোপালগঞ্জে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে ভ্যানচালকের মৃত্যু রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পোশাকশিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গ্রীষ্মের আগেই গ্রিডে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে বিমান হামলায় ঢাকা রুটে ১৫৯ ফ্লাইট বাতিল

আইনি সীমারেখায় পুলিশের বলপ্রয়োগের অধিকার রয়েছে: জাহেদ উর রহমান

বিজনেস টাইমস
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬

নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে পুলিশের আইনি অধিকারের মধ্যে বলপ্রয়োগের সুযোগ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, এই ধরনের বলপ্রয়োগ অবশ্যই আইনি কাঠামোর মধ্যে এবং আনুপাতিক হারে হতে হবে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এসময় তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেন, পুলিশের আইনি অধিকারের মধ্যে কাউকে নিবৃত্ত করার বা বলপ্রয়োগ করার সুযোগ রয়েছে, যদি সে ধরনের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়। তিনি বারবার জোর দিয়ে বলেন যে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড অবশ্যই আইনি প্রক্রিয়ার ভেতর থাকতে হবে এবং বলপ্রয়োগের মাত্রা হতে হবে প্রপোশনেট বা আনুপাতিক। তিনি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে বলেন, আমি সরকারি ব্যক্তি হিসেবে নয়, বরং একজন নাগরিক হিসেবে প্রত্যাশা করি যে, বর্তমানের পুলিশ বাহিনী যেন শেখ হাসিনার আমলের পুলিশের মতো আচরণ না করে। কিন্তু যে কথাটা বারবার বলছি, সেটা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে এবং প্রপোশনেট বল প্রয়োগের মাধ্যমে। সো দিজ আর দ্যা কোয়েশ্চেনস, কখনো যদি এরকম হয়, ওই যে আবার বলছি, পুলিশের কাছে তো লেথাল ওয়েপন থাকে।

অস্থিরতা দমনে সরকারের কৌশল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সরকার কীভাবে সামাল দেবে বা ডিল করবে, তা নিয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার। তিনি স্বীকার করেন যে, কিছু ক্ষেত্রে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলপ্রয়োগের ঘটনা ঘটেছে। তবে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের তুলনায় বর্তমান পরিস্থিতি অনেক ভালো বলে তিনি দাবি করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের চর্চার কারণে দুয়েক জায়গায় ভুলভ্রান্তি হতে পারে, তবে সিস্টেম পরিবর্তনের জন্য কিছুটা সময় প্রয়োজন। একটা জিনিস একটু আমরা মাথায় রাখব, সেটা হচ্ছে কোনো একটা অস্থিরতা বা আনরেস্ট সরকার কীভাবে হ্যান্ডেল করবে।

সেনাবাহিনী ও পুলিশের দায়িত্বের পার্থক্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর কাজ হলো শত্রুপক্ষকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো, যেখানে প্রতিটি গুলির পেছনে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকে। সেনাবাহিনী যখন ডিল করে, সেনাবাহিনীর বন্দুকও যদি তাঁক করে, সে বন্দুক টাক করে শত্রুর দিকে ও চায় একটা গুলিতে যেন একজন শত্রু মারা যায়, এই তো।

পক্ষান্তরে, পুলিশকে তার নিজের জনগণের মোকাবিলা করতে হয়। তাই প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে পুলিশকে অনেক বেশি সতর্ক থাকতে হবে। কোথায় গুলি করলে বা অস্ত্র ব্যবহার করলে সবচেয়ে কম ক্ষয়ক্ষতি বা ক্যাজুয়ালটিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে, সেই কৌশল পুলিশকে আয়ত্ত করতে হবে। এই প্রশিক্ষণের দিকে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে তিনি জানান। কেউ পুলিশকে ইট পাটকেল, মানে গুলি দূরে থাক, ইট পাটকেল মারছিল।

জুলাই আন্দোলনে আবু সাঈদের মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আবু সাঈদ কি পুলিশকে কোনো হুমকি দিচ্ছিলেন? তিনি দুহাত ছড়িয়ে দাঁড়িয়েছিলেন, তার চারপাশে অন্য কোনো আন্দোলনকারীও ছিল না। পুলিশ তাকে কেন গুলি করল, সেই প্রশ্নটি অমীমাংসিত। পুলিশকে অবশ্যই প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের আইনি সীমা মেনে চলতে হবে। তিনি বলেন, পুলিশের কাছে প্রাণঘাতী অস্ত্র থাকলেও তা ব্যবহারের একটি আইনি পরিস্থিতি থাকতে হয়। অতীতের ‘ট্রিগার হ্যাপি’ পুলিশিং থেকে বেরিয়ে এসে আইনি প্রক্রিয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার আহ্বান জানান তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুলিশের বিরুদ্ধে আসা বিভিন্ন অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচুর অভিযোগ ও কথাবার্তা চলছে। এ বিষয়ে আবেগতাড়িত না হয়ে রাষ্ট্রকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দেওয়া উচিত। রাষ্ট্রের যেকোনো নাগরিকের মৃত্যু হলে তা নিয়ে যথাযথ তদন্ত হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি সবাইকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দেখার অনুরোধ জানান। প্রচুর ফ্রেমিং আছে, নানান রকম ফ্রেমিং আছে সোশ্যাল মিডিয়াতে, আমরা যেন সেটার দিকে খুব বেশি দৃষ্টি না দিই।

পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন নিয়ে তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধিতে শ্রমিকদের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে। সরকার তাদের দাবির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। মজুরি পুনর্নির্ধারণ প্রসঙ্গে তিনি জানান, সাধারণত পাঁচ বছর পরপর মজুরি কমিশন হওয়ার কথা থাকলেও ২০২৬ সালে নতুন করে এটি গঠন করা হয়েছে। এর আগে ২০০৬, ২০১০, ২০১৩, ২০১৮ ও ২০২৩ সালে মজুরি রিভিশন হয়েছিল বলে তথ্য তুলে ধরেন তিনি। ২০২৩ সালে কিন্তু একবার মজুরি রিভিশন হয়েছিল, ২৩ সালে। ২৩ সালের পর ২৬ এ এসে এই কমিশন মজুরির জন্য হওয়ার কথা ছিল না।

Tags: , , , ,

এই ধরনের আরও নিউজ

আরও সংবাদ

কারেন্সি কনভার্টার

বাজেটের সবখবর

© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT