1. ershadmc@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক .
  2. ashraf@websofttechnologyltd.com : businesstimesadmin :
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. rezadu31@gmail.com : বিজনেস ডেস্ক : বিজনেস ডেস্ক .
  5. abdullahsheak8636@gmail.com : Shk Abd : Shk Abd

মার্কিন মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত ভারত-পাকিস্তান

বিজনেস টাইমস
  • আপডেট সময় রবিবার, ১১ মে, ২০২৫

ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। গতকাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুই দেশের শীর্ষ কর্মকর্তারা। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ আলোচনার পর তাৎক্ষণিক ও পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় দেশ দুটি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক্স হ্যান্ডলে বলেন, ‘আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি, ভারত ও পাকিস্তান অবিলম্বে পুরোপুরি যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে। শুভবুদ্ধি ব্যবহার করে দুই পক্ষ এ সিদ্ধান্তে আসায় তাদের অভিনন্দন।’

ট্রাম্পের এ ঘোষণার পরপর পাকিস্তান ও ভারতের পক্ষ থেকেও যুদ্ধবিরতিতে রাজি হওয়ার কথা জানানো হয়। দুই দেশই জানায়, অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে।

যুদ্ধবিরতির কথা জানিয়ে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এক্স হ্যান্ডলে বলেন, ‘ভারত ও পাকিস্তান অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে রাজি হয়েছে। পাকিস্তান সবসময়ই এ অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছে। এক্ষেত্রে তারা দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার সঙ্গে কোনো আপস করেনি।’

অন্যদিকে যুদ্ধবিরতিতে দুই দেশের রাজি হওয়ার কথা জানিয়ে দিল্লিতে ব্রিফিং করেছেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি। তিনি বলেন, ‘আজ (শনিবার) বিকালে পাকিস্তানের সামরিক অপারেশনসের মহাপরিচালক ভারতের তার সমমর্যাদার কর্মকর্তাকে ফোন করেন। সেই আলোচনায় উভয় পক্ষ সম্মত হয় যে আজ ভারতীয় সময় বিকাল ৫টা থেকে স্থল, আকাশ ও সমুদ্র—সব ক্ষেত্রেই সব ধরনের গোলাগুলি ও সামরিক অভিযান বন্ধ থাকবে।’

উভয় দেশই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে।

এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে আগামীকাল ফের আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত ও পাকিস্তান। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিক্রম মিশ্রির বরাতে শনিবার বিবিসি এ খবর দিয়েছে।

যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভারত ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এক বার্তায় তিনি বলেন, ‘আমি ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাই তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়া ও আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানে অঙ্গীকারবদ্ধ হওয়ার জন্য। আমি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকেও তাদের কার্যকর মধ্যস্থতার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’ বাংলাদেশ দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে কূটনৈতিক মাধ্যমে মতপার্থক্য নিরসনে সর্বদা সহায়তা করে যাবে বলেও প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন ড. ইউনূস।

এদিকে গতকাল রাতে ইন্ডিয়া টুডে ও রয়টার্সের খবরে বলা হয়, পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সীমান্ত ও নিয়ন্ত্রণরেখার (লাইন অব কন্ট্রোল) বিভিন্ন স্থানে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। সূত্র অনুসারে, যেকোনো যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সীমান্ত রক্ষা বাহিনীকে (বিএসএফ) পূর্ণ শক্তি দিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। খবরে আরো বলা হয়, ভারতের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই পাকিস্তান এ উত্তেজনার সূচনা করে।

যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরেই গতকাল সন্ধ্যায় ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, তারা যুদ্ধবিরতি মেনে চলবে। তবে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য ভারতীয় বাহিনী প্রস্তুত থাকবে। ভারতীয় বাহিনী দেশের অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সদা সতর্ক।

এ সময় অন্য দিনের মতোই উপস্থিত ছিলেন কর্নেল সোফিয়া কুরেশি ও উইং কমান্ডার ব্যোমিকা সিং।

পারমাণবিক শক্তিধর চিরবৈরী দুই প্রতিবেশীর মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয় গত ২২ এপ্রিল। সেদিন ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পেহেলগামে বন্দুকধারীদের হামলায় ২৬ জন নিহত হয়। ওই হামলার ঘটনায় পাকিস্তানের মদদ আছে বলে অভিযোগ তোলে ভারত। তবে পাকিস্তান তা বারবার নাকচ করে আসছিল।

পেহেলগাম হামলাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সীমান্তে উত্তেজনা শুরু হয়। সেই উত্তেজনার মধ্যে গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর ও পাকিস্তানের নয়টি স্থানে অভিযান চালায় ভারত। নয়াদিল্লি ওই অভিযানের নাম দেয় ‘অপারেশন সিঁদুর’। মঙ্গলবার রাতেই ভারতের পাঁচটি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করে পাকিস্তান।

এর পর থেকে দুই দেশই পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়ে যাচ্ছিল। গতকাল ভারতের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন বুনইয়ান-উন-মারসুস’ নামে নতুন মাত্রায় সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দেয় পাকিস্তান।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়, এ অভিযানে উত্তর ভারতের একাধিক সামরিক ঘাঁটি ও একটি ক্ষেপণাস্ত্র মজুদ কেন্দ্রকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করে ইসলামাবাদ। এ ঘটনার মাধ্যমে উপমহাদেশের পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে প্রায় তিন দশকের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র সংঘর্ষ আরো গভীর রূপ নেয়।

এ আক্রমণের আগে পাকিস্তান অভিযোগ করে, গতকাল সকালে ভারত তিনটি পাকিস্তানি বিমানঘাঁটির ওপর ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। যার মধ্যে একটি ছিল রাজধানী ইসলামাবাদ সংলগ্ন। তবে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, বেশির ভাগ ক্ষেপণাস্ত্রই প্রতিহত করা হয়েছে।

পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, এ সামরিক অভিযানের নাম দেয়া হয়েছে ‘অপারেশন বুনইয়ান-উন-মারসুস’। এ নামকরণ করা হয়েছে কোরআনের একটি আয়াত থেকে। এর অর্থ ‘গলিত সিসা দিয়ে গড়া এক প্রাচীর’, যা মুসলিমদের শক্তি, ঐক্য ও দৃঢ়তার প্রতীক।

ভারতের শ্রীনগর ও জম্মুতে এদিন বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় বলে জানান একজন প্রত্যক্ষদর্শী। ওইসব এলাকায় সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়।

পাকিস্তানের সামরিক মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী এক টেলিভিশন বিবৃতিতে বলেন, ‘ভারতীয় যুদ্ধবিমান থেকে ভূমিতে আঘাত হানার উপযোগী ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। পাকিস্তানের নূর খান, মুরিদ ও শোরকোট বিমানঘাঁটি ছিল লক্ষ্যবস্তু।’

এ বিমানঘাঁটিগুলোর মধ্যে একটি রয়েছে রাজধানী ইসলামাবাদ সংলগ্ন সামরিক শহর রাওয়ালপিন্ডিতে। বাকি দুটি ঘাঁটি পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে।

পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর দাবি, ভারতীয় অল্প কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে ঢুকতে পেরেছিল। তবে প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতির বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো সামরিক বিমান বা অন্যান্য ‘এয়ার অ্যাসেট’-এর ক্ষতি হয়নি।

ভারত জানিয়েছে, বুধবার যে হামলা তারা চালায় তা ছিল কাশ্মীরের হিন্দু পর্যটকদের ওপর গত মাসে সংঘটিত প্রাণঘাতী হামলার প্রতিশোধ। ভারত এ হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করলেও ইসলামাবাদ ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

বুধবার থেকে দুই দেশ সীমান্তে গোলাগুলি ও মর্টার শেল নিক্ষেপ চালিয়ে যাচ্ছে। আকাশসীমায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র পাঠিয়েছে একে অপরের দিকে। শুক্রবার মূলত সংঘর্ষ হয়েছে ভারতীয় কাশ্মীরে এবং ভারতের পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলোয়। ভারত জানিয়েছে, তারা বেশকিছু পাকিস্তানি ড্রোন গুলি করে নামিয়েছে।

পাকিস্তানের লাহোর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় পেশোয়ারেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এতে সংঘর্ষ আরো বিস্তারের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বুধবার থেকে এখন পর্যন্ত সীমান্তের দুই পাশ মিলিয়ে অন্তত ৪৮ জন নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। যদিও এ সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

এদিকে পাকিস্তান যথেষ্ট সংযম প্রদর্শন করেছে বলে দাবি করেছেন দেশটির মন্ত্রিপরিষদ সদস্য বিলাল আজহার কায়ানি। গতকাল বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

তিনি বলেছেন, পাকিস্তানের আত্মরক্ষার অধিকার নিয়ে ভারতের কোনো সংশয় নেই বলেই তিনি মনে করেন।

এদিকে ভারতীয় সেনাঘাঁটি ও বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে পাকিস্তানের চালানো আক্রমণের যোগ্য জবাব দেয়া হয়েছে বলে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। গতকাল সকালে পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি, উইং কমান্ডার ব্যোমিকা সিং ও কর্নেল সোফিয়া কুরেশি।

সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, পাকিস্তানের হামলার জবাবে ভারত আক্রমণ চালিয়েছে রফিকি, মুরিদ, চাকওয়ালা, নূর খান, সুক্কুর, চুনিয়া, পসরুর ও শিয়ালকোটের বিমান ও সেনাঘাঁটিতে। এ হামলায় পাকিস্তানের প্রভূত ক্ষতি হয়েছে।

ভারতীয় কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, এ আক্রমণ চালানোর সময় সাধারণ নাগরিকদের যাতে ক্ষতি না হয়, সেদিকে বিশেষ দৃষ্টি দেয়া হয়েছিল।

যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সোফিয়া দাবি করেন, গতকাল ভোরে প্রথম আক্রমণ চালায় পাকিস্তান। শুক্রবার ভারতীয় সময় রাত ১টা ৪০ মিনিটের দিকে তারা পশ্চিম সীমান্তের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও যুদ্ধবিমান থেকে আক্রমণ চালায়। উধমপুর, ভাটিন্ডা, ভূজ, পাঠানকোটের বায়ু সেনাঘাঁটিগুলো ছিল সেই আক্রমণের লক্ষ্য। মোট ২৬টি এলাকায় আক্রমণ চালানো হলেও ভারতীয় সেনাবাহিনী অধিকাংশ হামলা নিষ্ক্রিয় করেছে।

তবে সোফিয়া বলেন, পাকিস্তানের হামলায় আদমপুর, ভাটিন্ডা ও উধমপুরে সামান্য কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ব্রিফিংয়ে দাবি করা হয়, শ্রীনগর, অবন্তিপুরা, উধমপুরসহ কিছু এলাকায় পাকিস্তানি বাহিনী হাসপাতাল ও বেসামরিক মানুষের ঘরবাড়ি লক্ষ্য করে আক্রমণ চালিয়েছে।

পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি বলেন, হামলায় রাজৌরির অতিরিক্ত জেলা কমিশনার রাজ কুমার থাপা এবং আরো দুজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।

ভারত সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, নিয়ন্ত্রণরেখা ও আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর পাকিস্তান তার সেনাবাহিনীর বহর বাড়িয়েছে। পাকিস্তান ইচ্ছা করে ধর্মীয় স্থানের ওপরেও আক্রমণ চালাচ্ছে, যাতে ভারতে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সংঘাত সৃষ্টি হয়।

বিক্রম মিশ্রি ব্রিফিংয়ে দাবি করেন, পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে নানা ভুয়া প্রচার চালানো হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতেও চলছে সেই মিথ্যা প্রচার। যেমন তারা নাকি রাজস্থানের সুরতগড় ও হরিয়ানার সিরসায় বিমান বাহিনীর ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে। উত্তর প্রদেশের আজমগড়ের সেনাঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। আদমপুরে এস–৪০০-এর ঘাঁটি তছনছ করে দিয়েছে। এমনকি এ প্রচারও চালানো হয়েছে, ভারত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে আফগানিস্তানেও।

বিক্রম মিশ্রি আরো দাবি করেন, পাকিস্তানের পক্ষ থেকে করা প্রতিটি দাবিই ভুয়া, অসত্য। পাকিস্তানের এ মিথ্যা প্রচারের প্রমাণে সংবাদ সম্মেলনে ওইসব সেনা ও বিমানবাহিনীর ঘাঁটি, তার রানওয়ের ছবিও প্রকাশ করা হয়। প্রতিটি ছবিই গতকাল সকালে তোলা।

একই সঙ্গে পাকিস্তানি বিমান ও সেনাঘাঁটির ওপর ভারতীয় আক্রমণের ভিডিও দেখানো হয়।

এদিকে ভারতকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর পর পাকিস্তানের ন্যাশনাল কমান্ড অথরিটির (এনসিএ) জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে বলে একটি খবর বের হয়। তবে তা নাকচ করে দেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ।

পাকিস্তানের এনসিএ একটি শীর্ষ সামরিক ও বেসামরিক পর্ষদ। এ কমিটি দেশটির পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবস্থাপনা করে এবং পারমাণবিক অস্ত্র-সংক্রান্ত নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়।

পাকিস্তানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এআরওয়াই টেলিভিশনকে গতকাল খাজা আসিফ বলেন, ‘ন্যাশনাল কমান্ড অথরিটির কোনো বৈঠক হয়নি, কোনো বৈঠক হওয়ার সময়সূচিও ছিল না।’

গতকাল ভোরে ভারতকে লক্ষ্য করে পাকিস্তানের সামরিক অভিযানের পর এনসিএর বৈঠক হওয়ার কথা ছিল বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল বার্তা সংস্থা রয়টার্স। সেখানে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর বরাত দিয়ে বলা হয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এনসিএর বৈঠক ডেকেছেন।

এ বিষয়ে জানতে রয়টার্স থেকে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া মেলেনি।

স্থানীয় একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার বলেছেন, ‘যদি ভারত এখানেই ক্ষান্ত দেয়, তবে আমরাও এখানে ক্ষান্ত দেয়ার কথা বিবেচনা করব।’

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে কথা বলেন। রুবিও উভয় পক্ষকে উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানান এবং ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে সরাসরি যোগাযোগ পুনঃস্থাপন করার ওপর জোর দিতে বলেন।

বিটি/ আরকে

Tags:

এই ধরনের আরও নিউজ
© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT