1. ershadmc@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক .
  2. ashraf@websofttechnologyltd.com : businesstimesadmin :
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. rezadu31@gmail.com : বিজনেস ডেস্ক : বিজনেস ডেস্ক .
  5. abdullahsheak8636@gmail.com : Shk Abd : Shk Abd
নতুন সংবাদ
গ্রিন কার্ড পেতে হলে সাময়িক ভিসাধারীদের নিজ দেশে ফেরার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের গরু কোরবানি দেওয়া ঈদ বা ইসলামের অংশ নয়: কলকাতা হাইকোর্ট ঈদের দীর্ঘ ছুটির আগে শনিবার চলছে সরকারি অফিস ও ব্যাংক বিএনপির ৭দিনের কর্মসূচি ঘোষণা গাজীপুরের ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান আন্দোলন অব্যাহত বাংলাদেশ-ব্রুনাই সম্পর্ক: ইঞ্জিনিয়ার রেজাউলকে ব্রুনাইয়ের হাইকমিশনারের ধন্যবাদ বার্তা পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন তহবিল লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় ২ বাংলাদেশি নিহত আদর্শ, পরিবার এবং ইতিহাস’: সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের বিরোধের নেপথ্য কারণ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা

টাঙ্গুয়ার হাওরের জলাভূমি ও জীববৈচিত্র্য উন্নয়নে ৪৪ কোটি টাকা বরাদ্দ

বিজনেস টাইমস
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫

সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওর দেশের দ্বিতীয় বৃহৎ জলাভূমি। এর পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ৪৪ কোটি টাকার নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) অর্থায়িত এই প্রকল্পটি চলবে ২০২৯ সাল পর্যন্ত।

পরিবেশ অধিদপ্তরের অধীনে বাস্তবায়িত এই উদ্যোগে হাওরের পরিবেশগত ভারসাম্য, পাখির আবাসস্থল ও জলজ জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধারে একাধিক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ৮০০ হেক্টর পাখির আবাসস্থল, ৪০০ হেক্টর জলাভূমি, ৩০০ হেক্টর নলখাগড়ার মাঠ এবং ২০ হেক্টর বিল পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি হাওর রক্ষায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচিও চালানো হবে। এই সব কার্যক্রমের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য নিয়োগ দেওয়া হবে একটি বিশেষায়িত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান।

প্রকল্প পরিচালক শাহেদা বেগম বলেন, টাঙ্গুয়ার হাওরের জলাভূমি রক্ষায় স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করাই দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের মূল কৌশল। কমিউনিটি বেসড ম্যানেজমেন্ট মডেলের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষকে সচেতন ও সক্ষম করে তোলা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া জানান, হাওর রক্ষার দায়িত্ব শুধু রাষ্ট্রের নয়; বরং হাওর-নির্ভর মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণও অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, “হাওর ক্ষতিগ্রস্ত হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এখানকার জেলে ও কৃষক পরিবার। তাই উন্নয়ন ও সংরক্ষণ, এই দুটি লক্ষ্যে তাদের জীবিকা নিশ্চিত করতে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ প্রয়োজন।”

সরকার ইতোমধ্যে টাঙ্গুয়ার হাওর সুরক্ষা আদেশের আওতায় মধ্যনগর ও তাহিরপুর উপজেলার চারটি ইউনিয়নকে অন্তর্ভুক্ত করেছে—বংশীকুন্ডা উত্তর, বংশীকুন্ডা দক্ষিণ, শ্রীপুর (উত্তর) ও শ্রীপুর (দক্ষিণ)। এই এলাকায় মোয়াজ্জেমপুর, কিসমত মেন্দাতা, জগদীশপুর, লামাগাঁও ও রাঙ্গাছড়া পূর্ব মৌজাসহ হাওরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ অবস্থিত।

বিটি/ আরকে

Tags: , , ,

এই ধরনের আরও নিউজ

আরও সংবাদ

কারেন্সি কনভার্টার

বাজেটের সবখবর

© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT