1. ershadmc@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক .
  2. ashraf@websofttechnologyltd.com : businesstimesadmin :
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. rezadu31@gmail.com : বিজনেস ডেস্ক : বিজনেস ডেস্ক .
  5. abdullahsheak8636@gmail.com : Shk Abd : Shk Abd
নতুন সংবাদ
পাকিস্তানের কাছে শান্তি আলোচনার নতুন প্রস্তাব পাঠিয়েছে ইরান চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ইয়ার্ডে একদিনে রেকর্ড কন্টেইনার হ্যান্ডলিং সচল হলো টেকনাফ স্থলবন্দর বাংলাদেশ সীমান্তে ‘বেড়া দেওয়ার জন্য’ ভারত কেন কুমির এবং সাপের সাহায্য নিতে চাইছে? শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (ইইউবি) প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ শেয়ারবাজারে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নামল ইসলামী ব্যাংক করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করেছে এফবিসিসিআই ব্যবসাবান্ধব সংস্কার ও সহজ কর ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি এনবিআর চেয়ারম্যানের লিটারে ৪ টাকা বাড়ল সয়াবিন তেলের দাম, নতুন দর ১৯৯ টাকা তিন বেতন কমিশন নিয়ে সুপারিশ প্রণয়ন কমিটি পুনর্গঠন করেছে সরকার

ট্রাম্প কেন দুই সপ্তাহ সময় নিলেন, এর গুরুত্ব কী?

বিজনেস টাইমস
  • আপডেট সময় শনিবার, ২১ জুন, ২০২৫
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি জড়িয়ে পড়ার বিষয়ে দুই সপ্তাহের সময় নিয়েছেন। বিশ্লেষকরা বলছে, অনেকেই এটা তাকে দুর্বলতা হিসেবে দেখলেও এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে সময় নিয়ে ভাবা, পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করা যুক্তিযুক্ত।

হোয়াইট হাউজ ও স্টেট ডিপার্টমেন্টের সাবেক কর্মকর্তা ব্রেট ম্যাকগার্ক বলছেন, ‘কঠোর সময়সীমার সঙ্গে কূটনৈতিক উদ্যোগ কার্যকর হতে পারে।’ তবে ট্রাম্পের পূর্ব অভ্যাস তাকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে টালবাহানা করা ও নিজেকে সময় দেয়া নিয়ে সন্দেহজনক করে তোলে বলেও মত তার।

ট্রাম্পের রাজনৈতিক জীবনে অনেক বারই দেখা গেছে, তিনি জটিল ইস্যুতে দুই সপ্তাহ সময়সীমা ঠিক করেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত কার্যকর পদক্ষেপ নেন না। তিনি এর মাধ্যমে সময় নেন কিন্তু সংকট সমাধানে অগ্রসর হন না। এবারো এমনটাই হতে পারে।

গত সপ্তাহ পর্যন্ত ইঙ্গিত ছিল, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা ফরদোতে বিমান হামলার নির্দেশ দিতে চলেছেন, যা যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্যের নতুন যুদ্ধে টেনে আনতে পারে। কিন্তু পরিস্থিতি পুনর্মূল্যায়ন করে তিনি সাময়িক বিরতি দিয়েছেন। সমালোচকরা এ বিরতিকে ‘ট্রাম্প অলওয়েজ চিকেনস আউট’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তবে বাস্তবতা হলো, ইরানের ওপর বিমান হামলার পর কী ঘটবে তা পূর্বানুমান করা কঠিন। এতে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্যদের প্রাণহানি ও মধ্যপ্রাচ্যে বড়সড় সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

অবশ্য ট্রাম্প একমাত্র নয়, যারা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন যুদ্ধে যেতে দ্বিধান্বিত। সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও ২০১৩ সালে সিরিয়ায় রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেননি। কারণ তিনি জানতেন যুদ্ধ শুরু হলে পরবর্তী দিনগুলো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে। ট্রাম্পও এখন এমন এক দুশ্চিন্তার মুখে আছেন, যা তার পূর্ববর্তী কোনো সিদ্ধান্তের সঙ্গে তুলনা চলে না। ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র গ্রহণে বাধা দেয়া তার এক অটুট প্রতিশ্রুতি। তাই দুই সপ্তাহের বিরতি সত্ত্বেও হয়তো তাকে অবশেষে শক্তি প্রয়োগ করতেই হবে।

এ বিরতি ট্রাম্পকে সময় দিচ্ছে কূটনৈতিক কোনো সমাধান অনুসন্ধানের জন্য, যা তার প্রেসিডেন্সিয়াল দায়িত্বের অংশ। তবে ট্রাম্পের কূটনৈতিক দক্ষতা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। তার বিশেষ প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ ও ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে নতুন আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে, যা ইরানের নেতৃত্বকে পারমাণবিক কর্মসূচি ত্যাগে উদ্বুদ্ধ করতে পারে।

ট্রাম্পের জন্য অতীতের প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির ‘কিউবান ক্ষেপণাস্ত্র সংকট’ থেকে শিক্ষা নেয়া জরুরি। যেখানে কেনেডি যুদ্ধ এড়াতে কূটনৈতিক সড়ক খোলার প্রয়োজনীয়তা ব্যক্ত করেছিলেন। তবে এক্ষেত্রে ট্রাম্পকে আরো কৌশলী হতে হবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। ট্রাম্পকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ মতো মন্তব্য না করার পরামর্শ দিচ্ছেন।

কার্নেগি এন্ডাউমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিসের সিনিয়র ফেলো কারিম সদজাদপুর মনে করেন, ইরানের এমন সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য চারটি শর্ত পূরণ হওয়া দরকার—অর্থনৈতিক চাপ, বাস্তব শাস্তির আশঙ্কা, কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতা, এবং সম্মান রক্ষাকারী সমাধান। ট্রাম্পের ‘শর্তহীন আত্মসমর্পণ’ দাবি এ শেষ শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ।

ট্রাম্পের অপ্রত্যাশিত সিদ্ধান্ত পরিবর্তন এবং পলিটিক্যাল পেছনে হিমশীতলতা ইরানি নেতাদের ‘কাগজের বাঘ’ হিসেবে ভাবার সুযোগ দিতে পারে। অন্যদিকে ট্রাম্পের বিরতির কারণে ইসরায়েলও দ্বিধাগ্রস্ত। নেতানিয়াহু সরকারের ইচ্ছা যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধে সম্পৃক্ত করা, তবে তারা হয়তো দুই সপ্তাহের মধ্যে নিজেরাই ইরানের অন্যান্য স্থাপনায় হামলা চালানোর পথ খুঁজছে। স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ফেলো এবং ন্যাশনাল ডিফেন্স ইউনিভার্সিটির যুদ্ধবিষয়ক স্কুলের অধ্যাপক সেথ জোন্স বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ দেয়, তবে ইসরায়েল কি অপেক্ষা করবে? না হলে তারা একাই হামলা চালাতে পারে।

দুই সপ্তাহের বিরতি ট্রাম্পকে সময় দিচ্ছে সমর্থকদের মধ্যে সম্ভাব্য আপত্তি মোকাবেলা ও সামরিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করার জন্য। তার ভোটাররা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে যুক্ত হওয়ায় আপত্তি জানাচ্ছেন, বিশেষ করে তার সাবেক উপদেষ্টা স্টিভ ব্যানন এবং টাকর কার্লসন এ ব্যাপারে সমালোচনা করছেন। তবু ট্রাম্পের প্রতি গভীর আস্থা থাকা সমর্থকরা মনে করেন, তিনি যথাযথ সিদ্ধান্ত নেবেন এবং আমেরিকা ও বিশ্বকে নিরাপদ রাখবেন। যেমনটি বলেছেন তার প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতি আস্থা রাখুন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অসাধারণ রাজনৈতিক অন্তর্দৃষ্টি রয়েছে এবং তার প্রথম মেয়াদে তিনি আমেরিকা ও পুরো বিশ্বকে নিরাপদ রেখেছেন।’

তবে এ বক্তব্য ঠিক অতটা নির্ভার হতে পারছেন না বিশ্লেষকরা। কারণ দ্বিতীয় মেয়াদের পাঁচ মাস পার করতেই ট্রাম্প এমন সব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা দেশটিতে শুধু গভীর বিভাজন সৃষ্টি করেছে। সিএনএন অবলম্বনে।

বিটি/ আরকে

Tags: ,

এই ধরনের আরও নিউজ

আরও সংবাদ

কারেন্সি কনভার্টার

বাজেটের সবখবর

© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT