মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের সব জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশ মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হতে পারে, যার ফলে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১৫০ ডলারে উঠে যেতে পারে। কাতারের জ্বালানি মন্ত্রী সাদ আল-কাবি ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে (এফটি) এ কথা জানিয়েছেন।
বিশ্বব্যাপী তেলের মূল মানদণ্ড হিসেবে পরিচিত ব্রেন্ট ক্রুড বর্তমানে ব্যারেল প্রতি ৮৯ ডলারে কেনাবেচা হচ্ছে। জ্বালানি বিশ্লেষকরাও সতর্ক করেছেন যে, রপ্তানি প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তেলের মজুদ রাখার ট্যাংকগুলো দ্রুত পূর্ণ হয়ে যাচ্ছে, যার ফলে সমগ্র উপসাগরীয় অঞ্চলে অপরিশোধিত তেল উৎপাদন হ্রাস পেতে পারে।
শুক্রবার প্রকাশিত ওই সাক্ষাৎকারে আল-কাবি বলেন, যদি ট্যাঙ্কার এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক জাহাজগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘হোরমুজ প্রণালী’ দিয়ে চলাচল করতে না পারে, তবে আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম ১৫০ ডলারের স্তরে পৌঁছাতে পারে।
গত সোমবার রাস লাফানে কাতারের একটি স্থাপনায় ইরানি হামলার পর কাতারের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি সংস্থা ‘কাতারএনার্জি’ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি উৎপাদন বন্ধ করে দেয়।
আল-কাবি ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে জানান, যুদ্ধ যদি এখনই শেষ হয়ে যায়, তবুও কাতারের স্বাভাবিক এলএনজি কার্যক্রমে ফিরে আসতে “কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস” সময় লাগবে।
ইউএস এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের তথ্য অনুযায়ী, কাতার বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি উৎপাদনকারী দেশগুলোর অন্যতম, যারা বিশ্বব্যাপী মোট রপ্তানির প্রায় ২০ শতাংশ সরবরাহ করে।
বিটি/ আরকে
Tags: কাতারের জ্বালানি মন্ত্রী, তেল, ব্যারেল