দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের মূল্যবৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে চলতি নভেম্বরে টানা দুই দফায় সোনার দাম ভরিতে মোট ৬ হাজার ৫৯৮ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। টানা দুই দফায় ৬৫৯৮ টাকা বাড়ানো হয়েছে সোনার দাম। সেদিন ভরিতে ৩২৬৬ টাকা বাড়ানো হয়েছিল।
সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী, বাজুস স্বর্ণের দাম ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বাড়িয়েছে। নতুন এই দর বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুর ১টা ৪৫ মিনিট থেকে কার্যকর হয়েছে। এর আগে সোমবার (২ নভেম্বর) স্বর্ণের দাম সমন্বয় করে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। অবশ্য তার আগের দফায় গত ৩১ অক্টোবর দাম ১ হাজার ৬৩৩ টাকা কমানো হয়েছিল। এর আগে গত ৩১ অক্টোবর দাম কমানো হয়েছিল ভরিতে ১৬৩৩ টাকা।
নতুন নির্ধারণ করা দাম অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজুস স্পষ্ট করেছে যে, স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপ্যালঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সাথে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না এবং অলঙ্কারের মজুরি আলাদাভাবে প্রযোজ্য হবে। নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত বাজুস দেশের বাজারে মোট ১৩২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছে। এই সময়ের মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ৬৭ বার কমানো হয়েছে, এছাড়া একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো এবং ২৯ বার কমানোর ঘটনা ঘটেছিল।
Tags: ২২ ক্যারেট স্বর্ণ, অর্থনীতি, বাজুস, সোনা, স্বর্ণের দাম