1. bteditor@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক .
  2. ashraf@websofttechnologyltd.com : businesstimesadmin :
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. rezadu31@gmail.com : বিজনেস ডেস্ক : বিজনেস ডেস্ক .
  5. abdullahsheak8636@gmail.com : Shk Abd : Shk Abd
নতুন সংবাদ
বিজ্ঞপ্তি -পরীক্ষা ছাড়াই ইসলামী ব্যাংকে নিয়োগ ৮,৫৪২ জন জাতিসংঘে ট্রাম্পের ভাষণ: ইরান, এআই ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা নিয়ে কঠোর বার্তা ভারতকে বাংলাদেশ থেকে আমদানি বাড়ানোর আহ্বান গভর্নরের মেডিএইডার ও সেইজ হেলথের মধ্যে সৌদি আরবে চুক্তি স্বাক্ষর দূরপাল্লা ও মহানগরে প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া বাড়লো ১৭ পয়সা সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়লো স্টেপ সংখ্যা নয়, হাঁটার গতিই গুরুত্বপূর্ণ যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ২৬% সাপের কামড় ও আরশোলার দুধ: মানবজাতির বড় বড় প্রশ্নের উত্তর দিলেন ‘ইগ নোবেল’ বিজয়ীরা কী আছে অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল স্মার্টফোন আইফোন ডুওতে?

নতুন শুল্ক কার্যকরের সময় নির্ধারণ করলেন ট্রাম্প

বিজনেস টাইমস
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৫

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা করেছেন যে, তিনি আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যেই কিছু দেশের উপর আবারও “পারস্পরিক” শুল্ক আরোপ করতে পারেন। এটি বৈশ্বিক বাণিজ্য যুদ্ধে একটি বড় ধরনের নতুন উত্তেজনার সূচনা হতে পারে, যা ইতিমধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দার আশঙ্কা তৈরি করেছে।

ট্রাম্প হোয়াইট হাউজের ওভাল অফিসে এক অনুষ্ঠানে বলেন, “শেষ পর্যন্ত আমার মনে হয়, আমাদের চমৎকার সব চুক্তি হবে। আর যদি কোনো কোম্পানি বা দেশের সঙ্গে আমাদের চুক্তি না হয়, তাহলে আমরা শুল্ক বসাব। আমি বলব আগামী দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যেই—ঠিক না? হ্যাঁ, আমি তাই মনে করি। আমরা তখন সংখ্যাগুলো নির্ধারণ করব।”

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৯ এপ্রিল ট্রাম্প তার বৃহৎ আকারের তথাকথিত পারস্পরিক শুল্ক স্থগিত করেছিলেন, যদিও সেগুলো প্রকৃত অর্থে পারস্পরিক নয়। এই বিরতিটি ৯০ দিনের জন্য নির্ধারিত ছিল যাতে দেশগুলো প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করতে পারে। ট্রাম্প প্রশাসনের মতে, প্রায় ৯০ থেকে ১০০টি দেশ আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে, যা বাণিজ্য আলোচকদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

যদি এই আলোচনার মাধ্যমে চুক্তি না হয়, তবে ট্রাম্প এমন শুল্ক আরোপ করতে পারেন যা ৫০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। অন্যদের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ হলেও চীনের জন্য এই হার নির্ধারিত হয়েছে ১৪৫ শতাংশ পর্যন্ত।

যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করতে ব্যর্থ হবে, তাদের উপর নতুন কী হারে শুল্ক আরোপ করা হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই নতুন শুল্ক স্থগিত করা আগের শুল্কগুলোর স্থায়ী বিকল্প হবে নাকি কেবল একটি অন্তর্বর্তী পদক্ষেপ, তাও অজানা। আপাতত, আমেরিকা প্রায় সব আমদানিকৃত পণ্যের উপর ১০ শতাংশ হারে একটি সার্বজনীন শুল্ক বজায় রেখেছে, কিছু নির্দিষ্ট পণ্যের ক্ষেত্রে হার আরও বেশি।

শুল্ক বিষয়ে ট্রাম্পের এই দোদুল্যমান অবস্থান ব্যবসা এবং ভোক্তাদের মধ্যে ব্যাপক অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এতে বাজারে ধস নেমেছে, শেয়ারমূল্য ও মার্কিন সম্পদের মান পতনে গেছে। দুই দিনের বাজার পুনরুদ্ধারের পরেও, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়কার রেকর্ড উচ্চতা থেকে এসঅ্যান্ডপি ৫০০ এখনও পর্যন্ত ৭ ট্রিলিয়ন ডলার মূল্য হারিয়েছে।

বিশ্বের প্রধান অর্থনৈতিক সংস্থাগুলো হুঁশিয়ারি দিয়েছে, ট্রাম্পের আমদানি শুল্ক বিশ্ব অর্থনীতিকে মন্থর করতে পারে এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থার দিক পরিবর্তন করতে পারে।

বিটি/ আরকে

Tags: ,

এই ধরনের আরও নিউজ

আরও সংবাদ

কারেন্সি কনভার্টার

বাজেটের সবখবর

© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT