1. bteditor@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক .
  2. ashraf@websofttechnologyltd.com : businesstimesadmin :
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. rezadu31@gmail.com : বিজনেস ডেস্ক : বিজনেস ডেস্ক .
  5. abdullahsheak8636@gmail.com : Shk Abd : Shk Abd
নতুন সংবাদ
খুলনা রেঞ্জে অনৈতিক সুবিধা নেওয়া ২৮ পুলিশ সদস্য ক্লোজড পাবনায় মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে প্রাণ হারালেন ৬ জন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনায় ফের তেহরানে কাতারের প্রতিনিধিদল ইসরাইলে নির্বাচনের ফলে অচলাবস্থা, সরকার গঠন নিয়ে টানাপোড়েন গাজীপুরে পুলিশ ও বিএনপি নেতা নিহতের ঘটনায় চালক গ্রেপ্তার তাহসিফ সাউরির মৃত্যু: জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বন্ধুকে হেফাজতে নিয়েছে পিবিআই কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৩৫১ জন তাহসিফ সাউরির মৃত্যু: জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন দীপ আরব দল নিয়ে সরকার গঠনের দাবিতে আইজেনকোটের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানের যান্ত্রিক ত্রুটির ঘটনায় তদন্ত কমিটি

ইসরাইলে নির্বাচনের ফলে অচলাবস্থা, সরকার গঠন নিয়ে টানাপোড়েন

বিজনেস টাইমস
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬

ইসরাইলের সাধারণ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে, তবে পার্লামেন্টের ১২০টি আসনের মধ্যে কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন নিশ্চিত করতে প্রধান দলগুলো এখন তীব্র আলোচনা ও সমঝোতার পথ খুঁজছে। এই পরিস্থিতি দেশটিতে চরম রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোট—উভয়ের জন্যই সরকার গঠনের পথ বেশ দুর্গম। কোনো পক্ষই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় নতুন সরকার গঠন করা কঠিন চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। তবে পার্লামেন্টের আসন বণ্টনের হিসাব স্পষ্ট হলেও কে দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হবেন, তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ১২০ আসনবিশিষ্ট ইসরাইলি পার্লামেন্টে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ৬১টি আসন, কিন্তু প্রধান কোনো দলই এককভাবে সেই সংখ্যাটি স্পর্শ করতে পারেনি।

নির্বাচনে ১৯টি আসন অর্জন করা আরব দলগুলো বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন সরকার তৈরিতে निर्णायक ভূমিকা পালন করতে পারে। যদি গাদি আইজেনকোট আরব দলগুলোকে নিয়ে জোট গঠন করেন, তবে তার পক্ষে ৬৭ আসনের একটি শক্তিশালী সরকার গঠন করা সম্ভব। তবে এই সিদ্ধান্ত আইজেনকোট ও তার ইহুদি মিত্রদের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ইসরাইলের মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশ আরব নাগরিক এবং তাদের সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে, যা অনেক ইহুদি ভোটারের কাছে সন্দেহের কারণ। এর আগে ২০২১ সালে একটি আরব দল জোট সরকারে যোগ দিলেও সেই সরকার মাত্র ১৮ মাস স্থায়ী হয়েছিল। নেতানিয়াহু এরই মধ্যে এই ধরনের জোটকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করে রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ করছেন। হিসাবের খাতায় আইজেনকোট যদি আরব দলগুলোকে সাথে নেন, তবে তার পক্ষে ৬৭ আসনের একটি শক্তিশালী জোট গঠন করা সবচেয়ে সহজ হয়। এই নির্বাচনে ভোট দিতে বিদেশ থেকে যে হাজার হাজার ইসরাইলি নাগরিক এসেছিলেন, তাঁরা দ্বিতীয় দফায় পুনরায় আসবেন কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

বিকল্প পথে নেতানিয়াহু চেষ্টা করতে পারেন আইজেনকোট ও তার ডানপন্থী সহযোগীদের নিজেদের পক্ষে টেনে এনে ৬৭ আসনের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে। এটি সম্ভব হলে আরব দলসহ উগ্র-জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীগুলো বিরোধী শিবিরে চলে যাবে। তবে এই পথটিতে বড় বাধা হলো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসের নিরাপত্তা ব্যর্থতা, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের দুর্বলতা এবং নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে চলমান দুর্নীতির মামলার কারণে আইজেনকোট ও তার সহযোগীরা নেতানিয়াহুর সঙ্গে সরকারে না বসার শপথ নিয়েছেন। বিরোধী জোটের ভোটারদের অন্যতম দাবি হলো ওই নিরাপত্তা ইস্যুর রাষ্ট্রীয় তদন্ত। এছাড়া নেতানিয়াহুকে এই পথে হাঁটতে হলে তার দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্রদের ত্যাগ করতে হবে, যা রাজনৈতিকভাবে বেশ জটিল।

নেতানিয়াহু বর্তমানে বিরোধী শিবিরের দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে নাফতালী বেনেট কিংবা অবিগদোর লিবারম্যানের মতো নেতাদের নিজের দিকে ভেড়ানোর চেষ্টা করছেন। যদিও তারা অধিকৃত অঞ্চলে বসতি সম্প্রসারণ নীতি সমর্থন করেন, তবুও অতি-অর্থোডক্সদের সামরিক সেবা থেকে অব্যাহতিসহ অন্যান্য বিষয়ে নেতানিয়াহুর সঙ্গে তাদের চরম মতপার্থক্য রয়েছে। অন্যদিকে নেতানিয়াহুর দলের সদস্যরা তার প্রতি অত্যন্ত অনুগত হওয়ায় আইজেনকোটের পক্ষে সেখান থেকে কাউকে ভাঙিয়ে আনা প্রায় অসম্ভব। নেতানিয়াহু বর্তমানে বিরোধী শিবিরের দুর্বল জায়গাগুলো চিহ্নিত করে তাদের ভেঙে দেওয়ার কৌশল নিচ্ছেন। অন্যদিকে এই সময়টুকুকে কাজে লাগিয়ে নেতানিয়াহু তার জোটকে আরও শক্ত করার সুযোগ পাবেন।

যদি কোনো পক্ষই সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তবে আগামী বছরের শুরুতে ইসরাইলকে আবারও সাধারণ নির্বাচনের মুখোমুখি হতে হবে। ২০১৯ সালের পর থেকে ইসরাইলে রাজনৈতিক অচলাবস্থার কারণে তিন বছরেরও কম সময়ে পাঁচবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নতুন নির্বাচনের তারিখ পর্যন্ত নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারই ক্ষমতায় থাকবে। এই দীর্ঘমেয়াদী অনিশ্চয়তা বিরোধী শিবিরের জন্য বিপর্যয় বয়ে আনতে পারে, কারণ বিদেশ থেকে আসা ভোটারদের পুনরায় অংশগ্রহণ এবং নির্বাচনের ব্যয়ভারের মতো বিষয়গুলো বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। সরকার গঠনে ব্যর্থতা ও জোট তৈরির আপস নিয়ে প্রতিটি দল এখন চরম চাপে রয়েছে। এই অন্তর্বর্তী সময়ে নেতানিয়াহুর সরকারই দায়িত্ব পালন করবে।

Tags: , , , ,

এই ধরনের আরও নিউজ

আরও সংবাদ

কারেন্সি কনভার্টার

বাজেটের সবখবর

© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT