প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি ৩৭৭ যান্ত্রিক ত্রুটির মুখে পড়ে জাপানের নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। নির্ধারিত সময়ের চেয়ে প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা বিলম্বে ফ্লাইটটি যাত্রা শুরু করে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রকৌশল দল ও জাপানের টেকনিশিয়ানদের যৌথ প্রচেষ্টায় ত্রুটি সারানোর পর, বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪৩ মিনিটে ফ্লাইটটির পুশব্যাক সম্পন্ন হয় এবং ৭টা ৫৫ মিনিটে সেটি বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
এই অনাকাঙ্ক্ষিত বিলম্ব ও কারিগরি গোলযোগের ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে বিমান কর্তৃপক্ষ একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রশাসন ও মানবসম্পদ পরিদপ্তরের পরিচালক এয়ার কমোডর মো. নিয়ামুল কবীর স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়।
তদন্ত কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিমানের চিফকে (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিডিউলিং)। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন চিফ ইঞ্জিনিয়ার (ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোডাকশন), ডেপুটি চিফ (ফ্লাইট সেফটি) এবং সদস্যসচিব হিসেবে আছেন ব্যবস্থাপক (আইনবিষয়ক)।
কমিটিকে মূলত উড়োজাহাজের কারিগরি ত্রুটির সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধান, উড্ডয়ন উপযোগিতা নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া যাচাই এবং ফ্লাইট বিলম্বের ফলে যাত্রীদের ভোগান্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তির ওপর পড়া প্রভাব নিরূপণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কমিটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
Tags: তদন্ত কমিটি, নারিতা বিমানবন্দর, প্রধানমন্ত্রী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, যান্ত্রিক ত্রুটি