1. bteditor@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক .
  2. ashraf@websofttechnologyltd.com : businesstimesadmin :
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. rezadu31@gmail.com : বিজনেস ডেস্ক : বিজনেস ডেস্ক .
  5. abdullahsheak8636@gmail.com : Shk Abd : Shk Abd
নতুন সংবাদ
ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ প্রযুক্তি মহারথীরা এখন কী করবেন? তেহরানে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর ব্যানার পোড়ালেন ইরানপন্থী বিক্ষোভকারীরা হত্যাচেষ্টা মামলায় জামিন পেলেন চিত্রনায়িকা পরীমনি হরমুজ পারাপারে ইরানের নির্দেশনা মানতে হবে: ঢাকায় ইরানি রাষ্ট্রদূত বেরোবিতে পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ নিহত শ্রমিক তৌফিকের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন জামায়াত আমির প্রধানমন্ত্রী: মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে সৌদি-সিরিয়া ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক সহায়তা চুক্তি স্বাক্ষরিত টাঙ্গাইলে শিশু সন্তানকে হত্যার দায়ে সৎমায়ের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ইসলামপন্থি ও কমিউনিস্টদের দখলে: টেড ক্রুজ

তেহরানে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর ব্যানার পোড়ালেন ইরানপন্থী বিক্ষোভকারীরা

বিজনেস টাইমস
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বড় ধরনের পরাজয়ের পর ইরানের রাজধানী তেহরানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ছবি সম্বলিত একটি বিশাল ব্যানার পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার তেহরানের ইনকিলাব স্কয়ারে ১৯৭৯ সালে মার্কিন দূতাবাস দখলের বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে বিক্ষুব্ধ জনতা এই কাণ্ড ঘটান। ঘটনার সময় উপস্থিত জনতা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পতাকায় অগ্নিসংযোগ করেন এবং কঠোর স্লোগান দেন। বিক্ষোভকারীরা এদিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের পতাকাও পোড়ান।

সংবাদ সংস্থা এপি জানিয়েছে, ব্যানারটিতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের ছবিও ছিল। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির আলোকচিত্রী ফাতেমেহ বাহরামির তোলা ছবিতে পোস্টারটির উপস্থিতি দেখা যায়।

ঘটনার দুদিন আগে অর্থাৎ ৩ নভেম্বর থেকে সেখানে চার নেতার ছবি সম্বলিত বিশাল পোস্টারটি টানানো হয়েছিল। ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ অর্জন করেছে।

ইরান সরকার সমর্থক এই সমাবেশে উপস্থিতরা ‘আমেরিকার মৃত্যু হোক’ এবং ‘ইসরায়েলের মৃত্যু হোক’ স্লোগান দিতে থাকেন। নির্বাচন পরবর্তী এই বিক্ষোভ তেহরানের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যেখানে ডেমোক্র্যাটদের হাতে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ চলে যাওয়ায় ট্রাম্পের অবস্থান চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক বার্তায় দাবি করেন, মার্কিন জনগণ যুদ্ধের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে এবং ইরান এই বার্তাকে সম্মান জানায়। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ওয়াশিংটন যদি জনগণের এই ইচ্ছাকে উপেক্ষা করে তবে তাদের বড় খেসারত দিতে হবে। তবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি বিষয়টি নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছেন। তিনি মনে করেন, মার্কিন রাজনৈতিক পালাবদলে ইরানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বৈরী নীতিতে বড় কোনো পরিবর্তন আসবে না। বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের নেতারা মার্কিন নির্বাচনের ফলাফলকে ট্রাম্পের যুদ্ধনীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষের অবস্থানের প্রতিফলন হিসেবে তুলে ধরেছেন। বিশেষ করে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় মার্কিন ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল বলে মনে করছেন তারা। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, ‘আমেরিকানরা যুদ্ধকে না বলেছে, আমরাও এই বার্তাকে সমর্থন করি। তার ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক দলগুলোর পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে ইরানের প্রতি দেশটির বৈরী মনোভাবের অবসান হবে—এমন আশা করা ভুল। তথ্যসূত্র: আলজাজিরা, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি), আনাদোলু এজেন্সি ও ইসরায়েল ন্যাশনাল নিউজ। এদিকে নির্বাচনের ফলাফলকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

উল্লেখ্য যে, ১৯৭৯ সালের ৪ নভেম্বর তেহরানে ইরানি শিক্ষার্থীরা মার্কিন দূতাবাসে ঢুকে ৫২ জন কূটনীতিক ও নাগরিককে জিম্মি করেছিলেন। সেই বন্দিদশা টানা ৪৪৪ দিন স্থায়ী ছিল, যা দুই দেশের সম্পর্কের দীর্ঘস্থায়ী অবনতির সূচনা করে। প্রায় পাঁচ দশক পার হলেও ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার সেই বৈরিতা এখনো কাটেনি। নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের বর্তমান উত্তেজনার মাঝে মধ্যপ্রাচ্যে ফের বড় কোনো সামরিক সংঘাতের আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছে না বিশ্লেষকরা। দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যে আবার বড় ধরনের সামরিক সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কা পুরোপুরি কাটেনি।

Tags: , , , , ,

এই ধরনের আরও নিউজ

আরও সংবাদ

কারেন্সি কনভার্টার

বাজেটের সবখবর

© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT