ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার আইনি পথেই কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, কোনো আবেগ নয়, বরং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই শেখ হাসিনার বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। রোববার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত হোটেল হলিডে ইনে ‘বিচারিক কার্যক্রমে শুদ্ধাচার’ বিষয়ক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার বিষয়ে আইনগতভাবে যা যা করণীয়, সেটা আমরা ডিউ প্রসেসে করছি। সেখানে আমাদের আইনসংগতভাবে ডিল করা হবে। বিষয়টা হলো আমি আমার আইনটাকে প্রয়োগ করব।
ভারত সরকারের অবস্থান প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, এটি সম্পূর্ণ ভারত সরকারের নিজস্ব বিষয়। বিদ্যমান এক্সট্রাডিশন বা প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় দেশটির কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। ভারত সরকার তাকে হস্তান্তর করলে প্রচলিত আইন অনুযায়ীই বিচারের মুখোমুখি করা হবে। তিনি আরও বলেন, ভারতকে কেন্দ্র করে যেসব আলোচনার জন্ম দিচ্ছে, তা তাদের বিষয়। তার কাছে শেখ হাসিনা একজন সাজাপ্রাপ্ত অপরাধী এবং আইন অনুযায়ীই তাকে বিচারের সম্মুখীন হতে হবে। এ সময় এক সাংবাদিক বলেন, ‘ভারতে শেখ হাসিনা বন্দি হিসেবে নন, বরং রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসেবে আছেন। ভারত তাকে কীভাবে দেখছে, সেটি তাদের বিষয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, “সেটা তারা কী বলছেন, তাদের বললে তো হবে না।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ১৪০০ মানুষের মৃত্যু এবং ৩০ হাজার মানুষের পঙ্গু হওয়ার প্রসঙ্গ টেনে আইনমন্ত্রী বলেন, বিচার প্রক্রিয়ায় কোনো প্রকার পক্ষপাত বা ঘাটতি রাখা হয়নি। কোনো ক্যামেরা ট্রায়াল নয়, বরং উন্মুক্ত আদালতেই ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হয়েছে। সুতরাং আইনগতভাবেই শেখ হাসিনাকে দেশে এনে সোপর্দ করার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা যখন এই প্রশ্নটা করছেন, তাহলে তার আগে চিন্তা করেন আপনারা—১৪০০ মানুষ কি মারা যায়নি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে।
Tags: আইনমন্ত্রী, গণঅভ্যুত্থান’, বিচারিক কার্যক্রম, শেখ হাসিনা, সরকার