1. bteditor@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক .
  2. ashraf@websofttechnologyltd.com : businesstimesadmin :
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. rezadu31@gmail.com : বিজনেস ডেস্ক : বিজনেস ডেস্ক .
  5. abdullahsheak8636@gmail.com : Shk Abd : Shk Abd
নতুন সংবাদ
আইনি সীমারেখায় পুলিশের বলপ্রয়োগের অধিকার রয়েছে: জাহেদ উর রহমান চ্যাম্পিয়নস লিগে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে রোমার মুখোমুখি ইউনাইটেড মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে ফতুল্লায় পোশাক শ্রমিকদের পুনরায় সড়ক অবরোধ হাদি মৃত্যুর ঘটনা মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় ২১ বার পেছাল প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী: আগামী ৫ বছরে ১ কোটি জনশক্তি রপ্তানির পরিকল্পনা গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, ৫০টি কারখানা ছুটি ঘোষণা গোপালগঞ্জে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে ভ্যানচালকের মৃত্যু রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পোশাকশিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গ্রীষ্মের আগেই গ্রিডে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে বিমান হামলায় ঢাকা রুটে ১৫৯ ফ্লাইট বাতিল

ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে ২৬ মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত

বিজনেস টাইমস
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির ওপর বড় ধরনের আঘাত হেনেছে ইরান। সম্প্রতি অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) এক বিশ্লেষণে স্যাটেলাইট চিত্র ও আঞ্চলিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আগস্ট পর্যন্ত চালানো ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অঞ্চলটিতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর অন্তত ২৬টি ঘাঁটি ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। এই হামলায় সামরিক অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতির পাশাপাশি কয়েক শ কোটি ডলারের আর্থিক লোকসান হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইরান প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রের রাডার ব্যবস্থা ও আগাম সতর্কীকরণ কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজান ও বাহরাইনের নৌ-সহায়তা কেন্দ্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটির রাডার অবকাঠামো ধ্বংস করার পর ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে উড়োজাহাজ রাখার স্থাপনা, গুদাম এবং সেনাদের আবাসন এলাকায় হামলা চালায়। এর মধ্যে কুয়েতের আলী আল সালেম ও ক্যাম্প বুয়েরিং ঘাঁটিতে সবচেয়ে বেশি ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে। এছাড়া সৌদি আরব, জর্ডান ও কাতারের বিভিন্ন মার্কিন স্থাপনাও হামলার শিকার হয়েছে।

কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ১৫টি মার্কিন উড়োজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে মার্চ মাসে সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ইরানের হামলায় একটি নজরদারি বিমান ও দুটি জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়া কুয়েতে এক ড্রোন হামলায় ছয় মার্কিন সেনার প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। যদিও ট্রাম্প প্রশাসন ও মার্কিন সামরিক বাহিনী এসব ক্ষয়ক্ষতির তথ্য গোপন রাখার চেষ্টা করেছে বা স্যাটেলাইটচিত্র প্রকাশে গড়িমসি করেছে, তবে স্বাধীন বিশ্লেষণে ক্ষয়ক্ষতির এই চিত্র স্পষ্ট হয়েছে। নিরাপত্তার খাতিরে যুক্তরাষ্ট্র পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে বেশ কিছু সামরিক সরঞ্জাম ও আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কম খরচের ড্রোনের মুখে মার্কিন সামরিক বাহিনীর এই ক্ষয়ক্ষতি আধুনিক যুদ্ধের ক্ষেত্রে নতুন এক বার্তা দিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি স্থায়ী অবকাঠামোর ওপর নির্ভরতার দিন যে ফুরিয়ে আসছে, এই সংঘাত তারই এক বড় ইঙ্গিত বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

Tags: , , , ,

এই ধরনের আরও নিউজ

আরও সংবাদ

কারেন্সি কনভার্টার

বাজেটের সবখবর

© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT