1. ershadmc@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক .
  2. ashraf@websofttechnologyltd.com : businesstimesadmin :
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. rezadu31@gmail.com : বিজনেস ডেস্ক : বিজনেস ডেস্ক .
  5. abdullahsheak8636@gmail.com : Shk Abd : Shk Abd
নতুন সংবাদ
পাকিস্তানের কাছে শান্তি আলোচনার নতুন প্রস্তাব পাঠিয়েছে ইরান চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ইয়ার্ডে একদিনে রেকর্ড কন্টেইনার হ্যান্ডলিং সচল হলো টেকনাফ স্থলবন্দর বাংলাদেশ সীমান্তে ‘বেড়া দেওয়ার জন্য’ ভারত কেন কুমির এবং সাপের সাহায্য নিতে চাইছে? শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (ইইউবি) প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ শেয়ারবাজারে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নামল ইসলামী ব্যাংক করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করেছে এফবিসিসিআই ব্যবসাবান্ধব সংস্কার ও সহজ কর ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি এনবিআর চেয়ারম্যানের লিটারে ৪ টাকা বাড়ল সয়াবিন তেলের দাম, নতুন দর ১৯৯ টাকা তিন বেতন কমিশন নিয়ে সুপারিশ প্রণয়ন কমিটি পুনর্গঠন করেছে সরকার

যুদ্ধের ব্যবসা

বিজনেস টাইমস
  • আপডেট সময় সোমবার, ১২ মে, ২০২৫

এই মুহূর্তে, পাকিস্তানের জনগণ তাদের সশস্ত্র বাহিনী, বিশেষ করে বিমান বাহিনীর প্রতি গর্বিত। এমনকি সামরিক ব্যয়ের কঠোর সমালোচকরাও প্রতিবেশী রাষ্ট্রের বৈরিতার মুখে একটি উচ্চ প্রতিরক্ষা বাজেটের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেছেন।

তবে শেষ পর্যন্ত, যুদ্ধ কার উপকার করে? সেই বেসামরিক নাগরিকদের নয়, যারা তাদের জীবন ও জীবিকা নিয়ে ভীত এবং সংঘাতে প্রিয়জন হারানোর শোকে কাতর। সেই দেশগুলোরও নয়, যারা সামরিক বাহিনীকে টিকিয়ে রাখতে বিলিয়ন বিলিয়ন সম্পদ ব্যয় করে।

স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিপ্রি)-এর তথ্য অনুযায়ী, ১৯৫৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ভারত সামরিক খাতে ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে, যেখানে পাকিস্তানের ব্যয় ছিল ৩৪৮ বিলিয়ন ডলার। সিপ্রি একটি স্বাধীন আন্তর্জাতিক সংস্থা যা উন্মুক্ত উৎসের ভিত্তিতে ডেটা সরবরাহ করে।

ভারত বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি সামরিক ব্যয়কারী দেশের মধ্যে অন্যতম। সামরিক ব্যয়ে বিশাল পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও, পাকিস্তান প্রমাণ করেছে যে তারা কম সম্পদ দিয়েও বেশি কিছু করতে পারে।

যেকোনো যুদ্ধের আসল বিজয়ী কোনো জাতি নয়, বরং অস্ত্র প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলো। ক্রমবর্ধমান সংঘাতপূর্ণ বিশ্বে, ২০২৪ সালে বিশ্বব্যাপী সামরিক ব্যয় ২.৭২ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে – যা ২০২৩ সাল থেকে ৯.৪ শতাংশ বেশি এবং স্নায়ুযুদ্ধের সমাপ্তির পর থেকে সবচেয়ে বড় বার্ষিক বৃদ্ধি, সিপ্রি অনুসারে। এটি বিশ্বব্যাপী সামরিক ব্যয়ের টানা দশম বছরের বৃদ্ধি।

সরকারগুলো যখন শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং জনকল্যাণের ব্যয়ে প্রায়শই প্রতিরক্ষা খাতকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে, তখন এর দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিণতি সুদূরপ্রসারী – যার প্রমাণ আমরা অপুষ্টিতে ভোগা দরিদ্র ও নিরক্ষর শিশুদের মধ্যে দেখতে পাই।

২০২৩ সালে, শীর্ষ ১০০টি অস্ত্র কোম্পানির অস্ত্র ও সামরিক পরিষেবা বিক্রি ৬৩২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে – যা ২০২২ সাল থেকে ৪.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সিপ্রির ২০২৪ সালের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘শীর্ষ ১০০টি অস্ত্র উৎপাদকের অস্ত্রের আয় এখনও চাহিদার সম্পূর্ণ প্রতিফলন ঘটায়নি এবং অনেক কোম্পানি নিয়োগ অভিযান শুরু করেছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে তারা ভবিষ্যতের বিক্রি নিয়ে আশাবাদী।’

যে ঘৃণা অন্ধ সংঘাতের জন্ম দেয়, তা কেবল ধনীকেই আরও ধনী করে তোলে, যখন যুদ্ধরতদের ওপর নেমে আসে অসীম ক্ষতি। শত্রুর যুদ্ধবাজি এবং যুদ্ধের দামামা যতই উন্মাদনা সৃষ্টি করুক না কেন, একমাত্র বুদ্ধিমানের কাজ হল উত্তেজনা প্রশমন করা এবং শান্তির পথে হাঁটা।

সূত্র: ডন

Tags: ,

এই ধরনের আরও নিউজ

আরও সংবাদ

কারেন্সি কনভার্টার

বাজেটের সবখবর

© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT