ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের অবস্থান আরও কঠোর করছে স্পেন। ইউরোভিশন থেকে নাম প্রত্যাহারের পর এবার ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়েও একই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে দেশটির সমাজতান্ত্রিক সরকার।
স্পেনের পার্লামেন্ট কংগ্রেসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শাসক দলের মুখপাত্র পাত্রি লোপেস বলেন, “যদি ইসরায়েল বিশ্বকাপে অংশ নেয়, তবে স্পেনও সরে দাঁড়ানোর পথ খোলা রাখবে।” তিনি জানান, ইউরোভিশন প্রতিযোগিতার মতো ক্রীড়া অঙ্গনেও একই নীতি অনুসরণ করা হতে পারে।
লোপেস আরও বলেন, “গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের প্রতিদিনের হামলায় শিশু ও নিরীহ মানুষ নিহত হচ্ছে। মানুষ খাদ্যের সন্ধানে বের হলেও গুলি খাচ্ছে, শহরগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে। এটিকে আত্মরক্ষা বলা যায় না—এটি সরাসরি গণহত্যা।”
তিনি দাবি করেন, স্পেনের বিপুলসংখ্যক মানুষ এ ঘটনার প্রতিবাদে ইতোমধ্যেই রাস্তায় নেমেছেন। সম্প্রতি সাইক্লিং প্রতিযোগিতা ‘লা ভুয়েল্তা’য় যেমন প্রতিবাদের ঝড় দেখা গেছে, তেমনি ইসরায়েলি দলকে নিয়ে আন্তর্জাতিক আসরে অংশ নিলে বিক্ষোভ অবশ্যম্ভাবী হবে।
লোপেস প্রশ্ন তোলেন, রাশিয়ার ক্ষেত্রে যেমন ক্রীড়া অঙ্গনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল, ইসরায়েলের ক্ষেত্রে তা হচ্ছে না কেন। তিনি হুঁশিয়ারি দেন, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো যদি ইসরায়েলকে নিষিদ্ধ না করে, তবে স্পেন নিজেদের অংশগ্রহণ নিয়েও সিদ্ধান্ত নেবে—যা ২০২৬ সালের যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিতব্য ফুটবল বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর মতো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটাতে পারে।
Tags: স্পেন ফুটবল