1. bteditor@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক .
  2. ashraf@websofttechnologyltd.com : businesstimesadmin :
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. rezadu31@gmail.com : বিজনেস ডেস্ক : বিজনেস ডেস্ক .
  5. abdullahsheak8636@gmail.com : Shk Abd : Shk Abd
নতুন সংবাদ
জামালপুরে ট্রাকচাপায় একই পরিবারের ৩ জনসহ প্রাণ গেল ৪ জনের মাদারগঞ্জে বাম্পার ফলনেও লোকসানের আশঙ্কায় মরিচ চাষিরা দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির তথ্যে বিপুল পুরস্কার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের নিউজিল্যান্ড নির্বাচন: হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে এগিয়ে ন্যাশনাল পার্টি প্রধানমন্ত্রী: ৭ নভেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের ম্যাগনা কার্টা মধ্যপ্রাচ্যের পথে মার্কিন রণতরী ইউএসএস থিওডর রুজভেল্ট সুন্দরবনের ডাকাত বাহিনীর প্রধান জোনাব আলী গ্রেপ্তার সাতকানিয়ায় শিক্ষা সফরের বাস ডোবায় পড়ে নিহত ২, আহত ৩০ যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ২৫০ দম্পতির বর্ণাঢ্য গণবিয়ে সম্পন্ন

দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিজনেস টাইমস
  • আপডেট সময় শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ভবিষ্যতে কেউ যেন দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার হরণ করে বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে, সেটিই হোক এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার। শনিবার ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান। বাংলাদেশ যতবার ৭ নভেম্বরের চেতনা থেকে বিচ্যুত হয়েছে, ততবারই দেশের স্বাধীনতা ও জনগণের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়েছে।’। তারেক রহমান বলেন, ‘দল, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কিংবা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী—এ দেশের সব নাগরিকের গর্বিত পরিচয় একটাই, আমরা বাংলাদেশি। এই পরিচয়ই আমাদের ঐক্যবদ্ধ জাতিতে পরিণত করেছে। প্রধানমন্ত্রী জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উদযাপন কমিটি, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি), বাংলাদেশ স্কাউটস এবং সর্বোপরি দেশের জনগণকে এ আয়োজনের।

ঐতিহাসিক সংগ্রামের ধারাবাহিকতা

প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লব, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণঅভ্যুত্থানের কথা উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, প্রতিটি ঐতিহাসিক ঘটনা প্রমাণ করেছে যে, বাংলাদেশের মানুষ জাতীয় স্বার্থ ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কখনো আপস করেনি। তবে সেই গৌরবের পতাকা সমুন্নত রেখে স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে তোলা প্রতিটি প্রজন্মের দায়িত্ব।

এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করা প্রয়োজন বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, সিপাহী-জনতার বিপ্লবের চেতনাকে মনে-প্রাণে ধারণ করাই বর্তমান সময়ের দাবি।

৭ নভেম্বরের তাৎপর্য

দেশপ্রেমিক ও গণতন্ত্রকামী মানুষের কাছে ৭ নভেম্বর অত্যন্ত গৌরবের দিন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশপ্রেমিক সিপাহী-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে স্বাধীনতা বিরোধী ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল। ৩ নভেম্বর দিবাগত রাতে তৎকালীন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দি করার মাধ্যমে যে চক্রান্ত শুরু হয়েছিল, তা সিপাহী-জনতার বিপ্লবে ব্যর্থ হয়। যারা একদলীয় শাসন ও তাঁবেদার রাষ্ট্র ব্যবস্থা কায়েম করতে চেয়েছিল, তাদের সেই অপচেষ্টা ঐতিহাসিকভাবে পরাজিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৫ সালের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত চরম আকার ধারণ করে।

অপশক্তির পরাজয় ও ২০২৪-এর অভ্যুত্থান

প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, অতীতে পিলখানায় পরিকল্পিত সেনা হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনীর মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা হয়েছিল এবং ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করা হয়েছিল। তবে হাজারো মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সেই অপশক্তির পতন ঘটে। তিনি বলেন, ১৯৭১ সাল ছিল স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ, আর ২০২৪ সাল ছিল জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই। ৫ আগস্টের রাজপথের উত্তাপ এবং ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার সংহতি একই সূত্রে গাঁথা।

তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান

দেশপ্রেমিক তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সঠিক ইতিহাসই একটি জাতির আত্মপরিচয় ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রেরণা। আজকের আয়োজনে কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে তারা ইতিহাস সচেতন। তিনি বলেন, নতুন প্রজন্ম যদি ৭ নভেম্বরের প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ থাকে, তবে বাংলাদেশ কখনোই পথ হারাবে না। তিনি জনগণের প্রতি আহ্বান জানান, ‘দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, নয় অন্য কেউ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই মন্ত্রে দীক্ষিত হতে হবে। আজকের আয়োজনের বিশেষত্ব হলো, হাজার হাজার কিশোর-কিশোরী ও তরুণ-তরুণী ৭ নভেম্বরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেছেন।’।

অনুষ্ঠানের বিস্তারিত

  • প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এই বিশেষ প্রদর্শনীতে বিএনসিসি’র ৩ হাজার ক্যাডেট ও স্কাউটসের ৫০০ সদস্য অংশ নেন।
  • বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই এই বর্ণাঢ্য প্রদর্শনী উপভোগ করেন।
  • অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, উপদেষ্টাবৃন্দ, সংসদ সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধান এবং বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
  • প্রধানমন্ত্রী আয়োজক কমিটি, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ এবং দেশের জনগণকে এই সফল আয়োজনের জন্য অভিনন্দন জানান।

পরিশেষে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালে তিনি যেভাবে সার্বভৌমত্বের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন, ১৯৭১ সালেও একইভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে রণাঙ্গনে লড়াই করেছিলেন। তার এই আদর্শ ও পথরেখা বাংলাদেশের জন্য চিরকাল প্রাসঙ্গিক থাকবে এবং দেশের স্বাধীনতা রক্ষায় সর্বদা দিকনির্দেশনা দেবে। দেশ ও জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই বলেও তিনি পুনরায় গুরুত্বারোপ করেন। অভিভাবক হিসেবে তরুণদের সব সম্ভাবনা বিকাশের উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার একটি সমৃদ্ধ আগামী নির্মাণে অঙ্গীকারবদ্ধ।’।

Tags: , , , ,

এই ধরনের আরও নিউজ

আরও সংবাদ

কারেন্সি কনভার্টার

বাজেটের সবখবর

© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT