1. bteditor@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক .
  2. ashraf@websofttechnologyltd.com : businesstimesadmin :
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. rezadu31@gmail.com : বিজনেস ডেস্ক : বিজনেস ডেস্ক .
  5. abdullahsheak8636@gmail.com : Shk Abd : Shk Abd
নতুন সংবাদ
মস্কোয় পুতিনের সাথে বৈঠক করবেন ইরান ও কাতারের রাষ্ট্রপ্রধান ধর্মীয় বিশ্বাসকে পুঁজি করে ফায়দা হাসিল বন্ধের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার বরিশালে ৬ রুটে বাস চলাচল বন্ধ: চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা আন্দোলনের নামে সহিংসতায় ভিন্ন উদ্দেশ্য রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল নির্বাচন: অস্পষ্ট ফলাফলে কি থাকছেন নেতানিয়াহু? ঝালকাঠিতে অবৈধ চুল্লিতে কয়লা উৎপাদন, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে স্থানীয়রা দশমিনায় অগ্নিকাণ্ডে তিন ভাইয়ের বসতঘর ভস্মীভূত, সর্বস্ব হারালেন পরিবার আশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে আহত দুই শতাধিক, কাভার্ড ভ্যানে আগুন ফের যুদ্ধ বাড়লে ইরানের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু যেসব স্থাপনা মুন্সীগঞ্জে ড্রাম ট্রাকের ধাক্কায় দুই বৃদ্ধ নিহত

ফের যুদ্ধ বাড়লে ইরানের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু যেসব স্থাপনা

বিজনেস টাইমস
  • আপডেট সময় সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত নতুন করে দানা বাঁধলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ইরানের প্রধান লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সামরিক বাহিনীকে তাদের ‘টার্গেট ব্যাংক’ বা হামলার সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকা হালনাগাদ করার নির্দেশ দিয়েছেন। কোনো প্রকার ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা ছাড়াই জবাব দেওয়ার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এই নতুন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

তেহরানের দাবি অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে আটটি দেশে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় তারা হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর, জর্ডান ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং ইরাকি কুর্দিস্তানের ইরবিলের বিভিন্ন স্থাপনা উল্লেখযোগ্য। এছাড়া হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ বা ট্যাঙ্কারগুলোও ইরানের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সামরিক লক্ষ্যের বাইরেও বিমানবন্দর, হোটেল ও জ্বালানি অবকাঠামোর মতো তুলনামূলক কম সুরক্ষিত স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। যুদ্ধের শুরুর দিকে আবুধাবি, দুবাই ও ইরবিলের বিমানবন্দরে হামলার অভিযোগ তুলেছিল উপসাগরীয় দেশগুলো। তবে তেহরানের ভাষ্যমতে, তাদের সব হামলার মূল লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রমে প্রত্যক্ষভাবে সহায়তাকারী স্থাপনা ও কর্মীরা। উদাহরণস্বরূপ, গত জুলাই মাসে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে অ্যামাজনের কেন্দ্রীয় ডেটা অবকাঠামো ধ্বংসের দাবি করেছিল।

আল জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রাসুল সারদারের তথ্য অনুযায়ী, ইরানি কর্মকর্তারা পুরো অঞ্চলে প্রায় ৭০০টিরও বেশি সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর কথা জানিয়েছেন। এই তালিকায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটির পাশাপাশি বেশ কিছু আমেরিকান কোম্পানির স্থাপনা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এই তালিকার বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি, ফলে ঠিক কোন কোন স্থাপনা চূড়ান্ত লক্ষ্যবস্তু হিসেবে চিহ্নিত, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।

Tags: , , , ,

এই ধরনের আরও নিউজ

আরও সংবাদ

কারেন্সি কনভার্টার

বাজেটের সবখবর

© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT