1. ershadmc@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক .
  2. ashraf@websofttechnologyltd.com : businesstimesadmin :
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. rezadu31@gmail.com : বিজনেস ডেস্ক : বিজনেস ডেস্ক .
  5. abdullahsheak8636@gmail.com : Shk Abd : Shk Abd

ঋণ পরিশোধের বদলে যুদ্ধবিমান: পাকিস্তান-সৌদি আরবের নতুন প্রতিরক্ষা কৌশল

বিজনেস টাইমস
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬

পাকিস্তান ও সৌদি আরব তাদের দীর্ঘদিনের সামরিক সহযোগিতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে। দুই দেশের উচ্চপদস্থ সূত্র মারফত জানা গেছে, সৌদি আরবের দেওয়া প্রায় ২ বিলিয়ন (২০০ কোটি) ডলারের ঋণকে জেএফ-১৭ থান্ডার (JF-17 Thunder) যুদ্ধবিমান ক্রয়ের চুক্তিতে রূপান্তর করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। গত বছর স্বাক্ষরিত দুই দেশের পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির পর এই পদক্ষেপকে সামরিক সম্পর্ক আরও গভীর করার একটি বড় প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর দিয়েছে।

চুক্তির প্রেক্ষাপট ও কৌশলগত গুরুত্ব
পাকিস্তান যখন তীব্র অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তখন সৌদি আরব মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন প্রভাবের অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় তাদের নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব পুনর্গঠন করছে। গত সেপ্টেম্বরে দুই দেশ একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করে, যেখানে যেকোনো এক দেশের ওপর হামলাকে উভয়ের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

আলোচনার মূল বিষয়সমূহ
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে যে, এই সম্ভাব্য চুক্তির মোট মূল্য দাঁড়াতে পারে প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলারে। এর মধ্যে ২ বিলিয়ন ডলার আসবে পূর্ববর্তী ঋণের রূপান্তর থেকে এবং বাকি ২ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত সরঞ্জাম ক্রয়ের জন্য ব্যয় করা হবে।

জেএফ-১৭ এর গ্রহণযোগ্যতা ও বাজার
পাকিস্তানের বিমান বাহিনী প্রধান জহির আহমেদ বাবর সিধু বর্তমানে সৌদি আরবে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় রয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানটি ইতিমধ্যে যুদ্ধক্ষেত্রে (যেমন ভারতের সাথে সংঘাতে) পরীক্ষিত এবং এটি অত্যন্ত সাশ্রয়ী। সাবেক এয়ার মার্শাল আমির মাসুদ বলেন, “পাকিস্তান বর্তমানে সৌদি আরবসহ অন্তত ছয়টি দেশের সাথে এই যুদ্ধবিমান ও ইলেকট্রনিক সিস্টেম বিক্রির বিষয়ে আলোচনা করছে।”

পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা
পাকিস্তান সম্প্রতি লিবিয়ার সাথেও ৪ বিলিয়ন ডলারের একটি অস্ত্র চুক্তি করেছে এবং বাংলাদেশের সাথেও জেএফ-১৭ বিক্রির বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা চালাচ্ছে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা আসিফ এক সাক্ষাৎকারে আশা প্রকাশ করেন যে, অস্ত্র শিল্পের এই সাফল্য পাকিস্তানকে আইএমএফ (IMF)-এর ওপর নির্ভরতা থেকে মুক্তি দিতে পারে। তিনি বলেন, “আমাদের বিমানের চাহিদা এতই বাড়ছে যে আগামী ৬ মাসের মধ্যে হয়তো আমাদের আর আইএমএফের প্রয়োজন হবে না।”

বর্তমানে পাকিস্তান ৭ বিলিয়ন ডলারের আইএমএফ প্রোগ্রামের অধীনে রয়েছে, যা মূলত সৌদি আরব এবং অন্যান্য বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর আর্থিক সহায়তায় সচল রয়েছে। এই যুদ্ধবিমান চুক্তি সফল হলে পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় ধরণের ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিটি/ আরকে

Tags: , , ,

এই ধরনের আরও নিউজ
© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT