1. bteditor@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক .
  2. ashraf@websofttechnologyltd.com : businesstimesadmin :
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. rezadu31@gmail.com : বিজনেস ডেস্ক : বিজনেস ডেস্ক .
  5. abdullahsheak8636@gmail.com : Shk Abd : Shk Abd
নতুন সংবাদ
মাতারবাড়ি বন্দর নিয়ে জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দেওয়া যাবে না: শফিকুর রহমান মুসলিম-বিদ্বেষ দমনে নতুন বিশেষ উপদেষ্টা নিয়োগ দেবেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়াল বাজুস: ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন হুইপ জি কে গউছ দেশের ৮ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা ইসরায়েল নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারালেন নেতানিয়াহু, সরকার গঠনে অনিশ্চয়তা ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে খুলনায় তিনটি গুলির ঘটনায় থমথমে পরিবেশ, বটিয়াঘাটার বিতর্কিত ওসি প্রত্যাহার সাফে সব ম্যাচ জয়ের লক্ষ্য বাংলাদেশ কোচ থমাস ডুলির

ইসরায়েল নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারালেন নেতানিয়াহু, সরকার গঠনে অনিশ্চয়তা

বিজনেস টাইমস
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬

ইসরায়েলের নির্বাচনে প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট গণনা সম্পন্ন হওয়ার পর এটি স্পষ্ট হয়েছে যে, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। ১২০ আসনের পার্লামেন্টে সরকার গঠনের জন্য কমপক্ষে ৬১টি আসনের প্রয়োজন। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর জোট ৫৩টি আসন পেতে পারে, অন্যদিকে গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট ৪৮টি আসন পাওয়ার পথে রয়েছে। এর ফলে কোনো পক্ষই এককভাবে সরকার গঠনের মতো সুবিধাজনক অবস্থানে নেই, যা নির্বাচনের ফলাফল পরবর্তী সময়কে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে। অন্যদিকে গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের আসনসংখ্যা হতে পারে ৪৮।

ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি বুধবার জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রাত ৯টা পর্যন্ত ৫০ লাখের বেশি ভোট গণনা করা হয়েছে। এবারের নির্বাচনে আরব দলগুলোর জোট ‘জয়েন্ট লিস্ট’ ও ‘রা’আম’ সম্মিলিতভাবে ১৯টি আসন পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা দেশটির নির্বাচনে আরব দলগুলোর জন্য রেকর্ড। তবে এখনো পাঁচ লাখের বেশি বিশেষ দ্বৈত খামের ব্যালট গণনা বাকি রয়েছে, যার মধ্যে সেনাসদস্য, কূটনীতিক এবং নিবন্ধিত কেন্দ্রের বাইরে ভোট দেওয়া নাগরিকদের ব্যালট অন্তর্ভুক্ত। এসব ভোট গণনার পর আসন সংখ্যায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার মধ্যে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের ঘটনার পর এটিই ইসরায়েলের প্রথম নির্বাচন। তাঁর দাবি, ৭ অক্টোবরের হামলার পর সরকারের ভূমিকা এবং সামরিক দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত গোষ্ঠীগুলোর বিষয়ে জনগণ অনাস্থা প্রকাশ করেছে।

গাজায় চলমান যুদ্ধ ও গণহত্যার অভিযোগের প্রেক্ষিতে অনুষ্ঠিত এই ভোটকে নেতানিয়াহুর দীর্ঘমেয়াদী প্রধানমন্ত্রীত্বের ওপর একটি গণভোট হিসেবে দেখা হচ্ছিল। ৭৭ বছর বয়সী নেতানিয়াহু বর্তমানে তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণার পর আগামী সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ সরকার গঠনের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করবেন। সরকার গঠনের প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হলে আরেকটি নির্বাচনের ঝুঁকি এড়াতে সব দলকে সমঝোতার আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। ৭৭ বছর বয়সি এই নেতা স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এখনই নির্ধারিত হয়ে যায়নি।

ইসরায়েলের রাজনীতিতে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার নজির নেই, তাই জোট সরকার গঠনই একমাত্র পথ। বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকোট নির্বাচনের আগে আরব দলগুলোর সমর্থনে সংখ্যালঘু সরকার গঠনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছিলেন। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্লেষকদের ধারণা, নেতানিয়াহু হয়তো আইজেনকোটকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনের চেষ্টা করতে পারেন। বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে আইজেনকোট ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, তাদের বিরোধী জোটের সামনে ইসরায়েলে বড় ধরনের পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে এবং তারা একটি ‘জায়নবাদী ঐক্যবদ্ধ সরকার’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছেন।

অন্যদিকে, আরব ভোটারদের রেকর্ড অংশগ্রহণের বিষয়টি বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। লিকুদ পার্টি অভিযোগ করেছে যে, আরব দলগুলো ঘুষ, হুমকি, সহিংসতা এবং নিষিদ্ধ সফটওয়্যার ব্যবহারের মাধ্যমে নির্বাচনে কারচুপি করেছে। লিকুদের দাবি, এসব দল ইহুদি রাষ্ট্রের বিলুপ্তি চায় এবং সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করে। এসব অভিযোগের সমর্থনে শত শত প্রমাণ পুলিশ, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেত এবং কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির কাছে জমা দেওয়া হচ্ছে বলে দলটি জানিয়েছে। তবে লিকুদের এসব দাবির সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এই অভিযোগের বিপরীতে প্রধান আরব রাজনৈতিক জোট ‘জয়েন্ট লিস্ট’ জানিয়েছে, নেতানিয়াহুর জোটকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া থেকে আটকাতে আরব ভোটারদের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তুরস্কের সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়, জোটটির মতে ভোটাররা রাজনৈতিক ভয়ভীতি ও উসকানির জবাব ব্যালটের মাধ্যমে দিয়েছেন। তারা বর্ণবাদ, বাড়িঘর ভেঙে ফেলা এবং যুদ্ধের নীতির বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। জয়েন্ট লিস্টের নেতারা জানিয়েছেন, তারা নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং প্রয়োজনে বিকল্প সরকার গঠনের উদ্যোগে বাইরে থেকে সমর্থন দিয়ে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত, যদিও সরাসরি সেই সরকারে তারা যোগ দেবে না। বুধবার রাতে তুরস্কের সংবাদ সংস্থা আনাদোলু প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তারা এ কথা জানায়। জোটটি বলেছে, তাদের প্রতি ভোটারদের সমর্থন রাজনৈতিক ঐক্য এবং আরব নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় সক্ষম একটি শক্তির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে। নেতানিয়াহুর সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানো এবং যাতে তারা আবার ক্ষমতায় ফিরতে না পারে, সে লক্ষ্যে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে জয়েন্ট লিস্ট।

Tags: , , , ,

এই ধরনের আরও নিউজ

আরও সংবাদ

কারেন্সি কনভার্টার

বাজেটের সবখবর

© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT