1. bteditor@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক .
  2. ashraf@websofttechnologyltd.com : businesstimesadmin :
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. rezadu31@gmail.com : বিজনেস ডেস্ক : বিজনেস ডেস্ক .
  5. abdullahsheak8636@gmail.com : Shk Abd : Shk Abd
নতুন সংবাদ
জামালপুরে ট্রাকচাপায় একই পরিবারের ৩ জনসহ প্রাণ গেল ৪ জনের মাদারগঞ্জে বাম্পার ফলনেও লোকসানের আশঙ্কায় মরিচ চাষিরা দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির তথ্যে বিপুল পুরস্কার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের নিউজিল্যান্ড নির্বাচন: হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে এগিয়ে ন্যাশনাল পার্টি প্রধানমন্ত্রী: ৭ নভেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের ম্যাগনা কার্টা মধ্যপ্রাচ্যের পথে মার্কিন রণতরী ইউএসএস থিওডর রুজভেল্ট সুন্দরবনের ডাকাত বাহিনীর প্রধান জোনাব আলী গ্রেপ্তার সাতকানিয়ায় শিক্ষা সফরের বাস ডোবায় পড়ে নিহত ২, আহত ৩০ যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ২৫০ দম্পতির বর্ণাঢ্য গণবিয়ে সম্পন্ন

দ্য গার্ডিয়ান: সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির শঙ্কায় সতর্ক অবস্থানে উপসাগরীয় দেশগুলো

বিজনেস টাইমস
  • আপডেট সময় শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬

কাতারের রাজধানী দোহায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান পরোক্ষ আলোচনা তৃতীয় দিনে গড়িয়েছে। প্রধানত ইরানের জব্দ করা ৬০০ কোটি ডলারের বেশি সম্পদ অবমুক্ত করার বিনিময়ে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং তেহরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে আলোচনার পথ প্রশস্ত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। ওয়াশিংটনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকা উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

রোববার থেকে দোহায় শুরু হওয়া এই আলোচনায় কাতার মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। কাতারের প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই চার দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। সমঝোতার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র যাতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে এবং ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে পারে, সেই পরিকল্পনায় কাজ করছে দোহা। আগে এই প্রক্রিয়ার জন্য সাত দিন সময় নির্ধারণ করা হলেও, ইরান এখন তা কমিয়ে দুই দিনে আনতে সম্মত হয়েছে। আগামী মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই এ বিষয়ে সমঝোতা হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। ৪ দেশের শীর্ষ নেতাদের সাথে কথা বললেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী। হামলা হলে পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্যের ‘সুরে’ ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ করেছেন বলেও জানান রেজায়ি।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ জানিয়েছেন, নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি ইরান কিংবা তার প্রতিবেশী কোনো দেশের জন্য মঙ্গলজনক নয়। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, অতীতে যেমনটি দেখা গেছে, এবারও উদ্ভূত যেকোনো পরিস্থিতির মোকাবিলায় তারা প্রস্তুত রয়েছেন। গারগাশের মতে, প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তারা দীর্ঘমেয়াদি কোনো সংকটে ইরানকে দেখতে চান না।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র যেন সামরিক পথের বদলে কূটনীতিকে প্রাধান্য দেয়। ওয়াশিংটনের ‘যুক্তিবোধ’ বিবেচনায় রেখে ইরান প্রতিরক্ষা ও কূটনৈতিক আলোচনার জন্য সমানভাবে প্রস্তুত। তবে আপাতত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কোনো আলোচনার পরিকল্পনা তেহরানের নেই। আরাগচি সোমবার তুর্কমেনিস্তান সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তবে ইরানের অন্যান্য কূটনীতিকরা দোহার আলোচনায় সক্রিয় অংশগ্রহণ বজায় রেখেছেন। তবে আলোচনায় অগ্রগতি নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকায় উপসাগরীয় দেশগুলোর কর্মকর্তারা ‘সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির’ জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে পরিস্থিতি খারাপের দিকে গেলে তার জন্যও প্রস্তুতি রয়েছে।

শুক্রবারের একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় হরমুজ প্রণালির কাছে পাকিস্তানগামী কাতারের একটি এলএনজিবাহী জাহাজে অজ্ঞাতপরিচয় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। আশ্চর্যজনকভাবে, হামলাটি হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই তেহরান জাহাজটিকে নিরাপদ চলাচলের ছাড়পত্র দিয়েছিল। এই অস্থিরতার মধ্যেই আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে ইরানের সামরিক সক্ষমতার একটি বড় অংশ ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে।

তবে কিছু লক্ষ্যবস্তু এখনো অবশিষ্ট রয়েছে। ট্রাম্পের ভাষায়, ইরানকে খুব একটা নির্ভরযোগ্য মনে না হলেও, যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা ইতিবাচক পথে রয়েছে। অন্যদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও কূটনৈতিক সমাধানের আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং ইরান জানিয়েছে যে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের কাছ থেকে তারা আলোচনার বিষয়ে একটি চিঠি পেয়েছে। তবে সেই চিঠির কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব এখনো দেওয়া হয়নি। তবে এখনো এক বা দুটি লক্ষ্যবস্তুতে ব্যবস্থা নেওয়া বাকি রয়েছে।

ইরানের পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার আলী নিকজাদ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, চাপের মুখে পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার কোনো সম্ভাবনা নেই। তাঁর মতে, বারবার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের কারণে ইরানি জনগণ এই বিষয়ে সংলাপে বসতে ইচ্ছুক নয়। এছাড়া ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান মোহসেন রেজায়ি দাবি করেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন এক যুদ্ধের চাপে রয়েছেন যার বৈশ্বিক প্রভাব ভিয়েতনাম যুদ্ধের চেয়েও ব্যাপক। তিনি দাবি করেন, ট্রাম্প যেখানেই যাচ্ছেন, সেখানেই ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ছেন।

শনিবার আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আরাগচি জানিয়েছেন, তেহরান শর্তসাপেক্ষে দুই দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে প্রস্তুত। এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ তুলে নেওয়া, ইরানের জব্দকৃত সম্পদ ছাড়ের বাধা দূর করা এবং দেশটির তেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে। বর্তমানে পুরো বিষয়টি ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।

Tags: , , , , ,

এই ধরনের আরও নিউজ

আরও সংবাদ

কারেন্সি কনভার্টার

বাজেটের সবখবর

© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT