1. ershadmc@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক .
  2. ashraf@websofttechnologyltd.com : businesstimesadmin :
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. rezadu31@gmail.com : বিজনেস ডেস্ক : বিজনেস ডেস্ক .
  5. abdullahsheak8636@gmail.com : Shk Abd : Shk Abd
নতুন সংবাদ
সিদ্ধান্ত পরিবর্তন, মুনাফা পাবেন ৫ ব্যাংকের আমানতকারীরা সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্ক-কাতারসহ ট্রাম্পের ‘শান্তি পর্ষদে’ মুসলিম ৭ দেশ মাসের প্রথম ২০ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ২২২২ মিলিয়ন ডলার ‘ভারতে না গেলে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের জায়গায় অন্য দল নেবে আইসিসি’ বিশ্বকাপ: আজ আইসিসির জরুরি সভার আগে বিসিবির পাশে পিসিবি গ্রিনল্যান্ড দখলে ন্যাটো ভাঙলেও পিছু হটবেন না ট্রাম্প! রোজার আগেই এলপিজি সংকট কেটে যাবে, আশ্বাস অপারেটরদের বাংলাদেশ থেকে হজে যেতে নিবন্ধন করেছেন ৭৬ হাজার ৫৮০ জন সরকারি চাকরিতে বেতন-ভাতার সুপারিশ প্রতিবেদন জমা হচ্ছে বুধবার ‘আইসিসির অযৌক্তিক চাপে ভারতে খেলতে বাধ্য করা যাবে না’

ভারতের অরুণাচল প্রদেশ চীনের ‘মূল স্বার্থ’, পেন্টাগনের চাঞ্চল্যকর তথ্য

বিজনেস টাইমস
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

ভারতের অরুণাচল প্রদেশ নিয়ে চীনের আগ্রাসী জাতীয় কৌশলের চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেইজিং এখন অরুণাচল প্রদেশকে তাইওয়ানের মতোই তাদের ‘ঘোষিত মূল স্বার্থের’ অংশ হিসেবে বিবেচনা করছে।

বুধবার মার্কিন কংগ্রেসে জমা দেওয়া এই প্রতিবেদনে ২০৪৯ সালের মধ্যে ‘চীনা জাতির মহাপুনরুত্থান’ অর্জনের লক্ষ্যে চীনের সামরিক ও কৌশলগত পরিকল্পনার বিস্তারিত বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়। এতে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে চীনের অবস্থান এবং দীর্ঘমেয়াদি ভূরাজনৈতিক লক্ষ্য ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

পেন্টাগনের প্রতিবেদনে বলা হয়, চীন তাদের জাতীয় কৌশলের পরিসর সম্প্রসারণ করেছে। এখন তাইওয়ান, দক্ষিণ চীন সাগর ও সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জের পাশাপাশি অরুণাচল প্রদেশকেও তারা তাদের সার্বভৌমত্বের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দাবি করছে। বেইজিংয়ের মতে, এসব অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা তাদের জাতীয় পুনরুত্থানের জন্য একটি ‘স্বাভাবিক প্রয়োজন’।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের অক্টোবরে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) থেকে সেনা প্রত্যাহারের চুক্তির পর ভারত ও চীনের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সংলাপ শুরু হলেও পারস্পরিক অবিশ্বাস এখনো কাটেনি। পেন্টাগনের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত ঘনিষ্ঠতা ঠেকাতেই চীন সীমান্ত উত্তেজনা সাময়িকভাবে কমিয়ে সম্পর্ক স্থিতিশীল করার কৌশল নিয়েছে। তবে ভারত এ বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক অবস্থান বজায় রেখেছে।

প্রতিবেদনে পাকিস্তানের প্রসঙ্গও বিশেষভাবে উঠে এসেছে। পেন্টাগনের মতে, পাকিস্তান এখন চীনের কৌশলগত সহযোগিতার অন্যতম প্রধান কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। চীন ইতোমধ্যে পাকিস্তানকে জে-১০ যুদ্ধবিমান ও সশস্ত্র ড্রোন সরবরাহ করেছে। পাশাপাশি প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলারে আটটি ইউয়ান-শ্রেণির সাবমেরিন বিক্রির চুক্তিও সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া জিবুতির পর পাকিস্তানে চীনের নতুন সামরিক লজিস্টিক সুবিধা বা ঘাঁটি স্থাপনের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পেন্টাগনের প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনের লক্ষ্য ২০৪৯ সালের মধ্যে একটি ‘বিশ্বমানের’ সামরিক শক্তি গড়ে তোলা, যা যেকোনো সম্ভাব্য সংঘাতে জয়ী হতে সক্ষম হবে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব ও উন্নয়ন স্বার্থ সুরক্ষিত রাখবে।

Tags: ,

এই ধরনের আরও নিউজ

আরও সংবাদ

কারেন্সি কনভার্টার

বাজেটের সবখবর

© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT