1. bteditor@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক .
  2. ashraf@websofttechnologyltd.com : businesstimesadmin :
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. rezadu31@gmail.com : বিজনেস ডেস্ক : বিজনেস ডেস্ক .
  5. abdullahsheak8636@gmail.com : Shk Abd : Shk Abd
নতুন সংবাদ
ভারত অত্যন্ত শক্তিশালী দেশ, গোয়েন্দা সক্ষমতা বাড়ল: বালো রাজা মাহবুবউল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ড: জুলাইয়ে হত্যাযজ্ঞ মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে ট্রাম্পের প্রচারণায় অস্বস্তিতে রিপাবলিকানরা ইলহান ওমরের অতীত বিয়ে নিয়ে নতুন বিতর্কে ক্ষুব্ধ কংগ্রেস সদস্য তুরাগ নদীতে উদ্ধার বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি মাতারবাড়ি বন্দর নিয়ে জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দেওয়া যাবে না: শফিকুর রহমান মুসলিম-বিদ্বেষ দমনে নতুন বিশেষ উপদেষ্টা নিয়োগ দেবেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়াল বাজুস: ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন হুইপ জি কে গউছ

ইলহান ওমরের অতীত বিয়ে নিয়ে নতুন বিতর্কে ক্ষুব্ধ কংগ্রেস সদস্য

বিজনেস টাইমস
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমরের ব্যক্তিগত জীবন ও বিয়ে সংক্রান্ত পুরোনো বিতর্ক আবারও প্রকাশ্যে এসেছে। তার প্রথম স্বামী আহমেদ হিরসির এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু দাবি করেছেন যে, ইলহানের কথিত ভাই আহমেদ নুর সাঈদ এলমি মিনেসোটায় তাদের সঙ্গে বসবাস শুরু করলে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। ওই ব্যক্তির দাবি অনুযায়ী, এলমিকে নিয়ে হিরসি অস্বস্তিবোধ করতেন এবং এই পরিস্থিতি নিয়ে সোমালি কমিউনিটির মধ্যেও নানা আলোচনা চলছিল। তবে এসব দাবি কেবল সেই ব্যক্তির বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করেই উঠে এসেছে এবং সংশ্লিষ্টদের কারো কাছ থেকেই এ বিষয়ে কোনো নতুন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ইলহান ওমর বরাবরই এলমিকে বিয়ে করে অভিবাসন সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করে আসছেন। তবে এসব দাবিগুলো ওই পারিবারিক বন্ধুর বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত হয়েছে। নতুন দাবিগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনার প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, ২০০২ সালে ইলহান ও হিরসি একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

২০০৯ সালে তাদের দুটি সন্তান থাকা অবস্থায় তারা আলাদা হয়ে যান।

একই বছর ইলহান ব্রিটিশ নাগরিক এলমিকে আইনগতভাবে বিয়ে করেন, যা ২০১৭ সাল পর্যন্ত বহাল ছিল।

তবে এলমির সঙ্গে এই বিয়ের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে বহু বছর ধরে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত মহলে বিতর্ক চলছে। হিরসির সেই পরিচিত ব্যক্তির দাবি, মিনেসোটায় এলমি আসার পর তার জীবনযাপন ও পোশাক-আশাক স্থানীয় সোমালি সম্প্রদায়ের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। হিরসি তাকে জানিয়েছিলেন যে এলমি তার স্ত্রীর ভাই এবং লন্ডন থেকে এসেছেন। সেই বন্ধু আরও দাবি করেন, এলমিকে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হওয়ার সুযোগ করে দিতেই ইলহান তাকে আইনগতভাবে বিয়ে করেছিলেন, যদিও এই অভিযোগের পক্ষে কোনো স্বাধীন প্রমাণ নেই।

এদিকে, এলমির উপস্থিতি নিয়ে ইলহান ও হিরসির মধ্যে প্রায়ই মতপার্থক্য তৈরি হতো এবং তা জনসম্মুখেও প্রকাশ পেত বলে দাবি করেছেন ওই ব্যক্তি। এলমি ২০১২ সালের দিকে মিনেসোটা ছেড়ে চলে গেলে হিরসি কিছুটা স্বস্তি পেয়েছিলেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এছাড়া, এলমির জীবনধারা তাদের সন্তানদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে হিরসি উদ্বিগ্ন ছিলেন বলেও দাবি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১২ সালে ইলহানের তৃতীয় সন্তান ইলওয়াদের জন্ম হয়, যখন এলমির সঙ্গে তার আইনগত বিয়ে বলবৎ ছিল। ইসরা হিরসি ও আদনান হিরসি ইলহান ও হিরসির অন্য দুই সন্তান। তার পোশাক-পরিচ্ছদ ও চলাফেরা নিয়ে অনেকে কথা বলতেন বলেও দাবি করেন ওই ব্যক্তি। নিজের পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, এলমির পোশাক দেখে তিনি হিরসির কাছে বিষয়টি জানতে চেয়েছিলেন। এমনকি জনসম্মুখেও তাদের চিৎকার করে কথা বলতে দেখেছেন তিনি।

ইলহান ওমরের ব্যক্তিগত জীবনের নথি বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১৯৯৫ সালে সোমালিয়া থেকে শরণার্থী হিসেবে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। ২০০২ সালে হিরসির সঙ্গে বিয়ের আবেদন করলেও ইলহান পরে জানিয়েছিলেন, ওই প্রক্রিয়াটি চূড়ান্ত হয়নি এবং তাদের আইনগত বিয়ে সেসময় সম্পন্ন হয়নি। তাদের ভাষ্যমতে, ২০০৮ সালে তারা বিচ্ছিন্ন হন এবং চার বছর পর পুনরায় একত্র হয়ে ২০১৮ সালে আইনগত বিয়ে করেন। অন্যদিকে, এলমির সঙ্গে তার বিয়ের মেয়াদ ২০০৯ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত ছিল। ইলহানের দাবি, ২০১১ সালেই তাদের বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছিল, তবে আইনি প্রক্রিয়া শেষ করতে দীর্ঘ সময় লেগেছে। এ ছাড়াও, ইলহান ও হিরসি ২০১৪ ও ২০১৫ সালে যৌথভাবে কর নথি জমা দিয়েছিলেন, যা পরে সংশোধন করা হয়।

২০১৯ সালে ইলহান ও হিরসি চূড়ান্তভাবে আলাদা হয়ে যান। বর্তমানে ইলহান তার সাবেক রাজনৈতিক উপদেষ্টা টিম মাইনেটকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছেন। অন্যদিকে, এলমি যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার পর দক্ষিণ আফ্রিকায় কিছু সময় কাটিয়ে যুক্তরাজ্যে ফিরে যান। বর্তমানে তিনি ব্রিস্টল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার সঙ্গে যুক্ত। ২০২৩ সাল থেকে সেখানে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি তিনি গবেষণা সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং কুইয়ার গবেষণা, উপনিবেশমুক্তকরণ ও লিঙ্গবিষয়ক ইস্যুতে কাজ করছেন। ২০১৬ সাল থেকে ইলহান ওমরের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এ ধরণের অভিযোগ বিভিন্ন সময় উঠে এলেও তিনি বরাবরই তা ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।

Tags: , , , ,

এই ধরনের আরও নিউজ

আরও সংবাদ

কারেন্সি কনভার্টার

বাজেটের সবখবর

© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT