1. bteditor@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক .
  2. ashraf@websofttechnologyltd.com : businesstimesadmin :
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. rezadu31@gmail.com : বিজনেস ডেস্ক : বিজনেস ডেস্ক .
  5. abdullahsheak8636@gmail.com : Shk Abd : Shk Abd
নতুন সংবাদ
জামালপুরে ট্রাকচাপায় একই পরিবারের ৩ জনসহ প্রাণ গেল ৪ জনের মাদারগঞ্জে বাম্পার ফলনেও লোকসানের আশঙ্কায় মরিচ চাষিরা দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির তথ্যে বিপুল পুরস্কার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের নিউজিল্যান্ড নির্বাচন: হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে এগিয়ে ন্যাশনাল পার্টি প্রধানমন্ত্রী: ৭ নভেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের ম্যাগনা কার্টা মধ্যপ্রাচ্যের পথে মার্কিন রণতরী ইউএসএস থিওডর রুজভেল্ট সুন্দরবনের ডাকাত বাহিনীর প্রধান জোনাব আলী গ্রেপ্তার সাতকানিয়ায় শিক্ষা সফরের বাস ডোবায় পড়ে নিহত ২, আহত ৩০ যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ২৫০ দম্পতির বর্ণাঢ্য গণবিয়ে সম্পন্ন

ইরানের কেশম দ্বীপে সীমিত হামলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প

বিজনেস টাইমস
  • আপডেট সময় শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপে নতুন করে সামরিক অভিযানের বিষয়টি স্বীকার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নির্বাচনের ফলাফলের জন্য ইরান যুদ্ধকে দায়ী করেছিলেন ট্রাম্প।

শুক্রবার ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, মার্কিন বাহিনী ওই দ্বীপে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় সীমিত আকারে হামলা চালিয়েছে। তিনি বলেন, তারা সেখানে একটি ছোট আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা তৈরি করেছিল, যা মার্কিন বাহিনী প্রায় ১৫ মিনিট, হয়তো বা মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ধ্বংস করে দিয়েছে। আমরা সেটি প্রায় ১৫ মিনিটে, হয়তো পাঁচ মিনিটেই ধ্বংস করে দিয়েছি।’।

হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত এই দ্বীপটি জ্বালানি পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সেখানে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার পরই ট্রাম্প এই স্বীকারোক্তি দিলেন। যদিও ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম দাবি করেছে, ওই এলাকায় একটি মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোনকে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাবাহিনী শনাক্ত করে ধ্বংস করেছে। এই পথ দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন করা হয়। এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি দেশটির সেনাবাহিনীর একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে।

বিস্ফোরণের ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) প্রথমে পরিস্থিতি শান্ত বলে দাবি করেছিল। তবে শুক্রবার রাতে সেন্টকম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি ঘোষণা দেয়। সেখানে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত তথ্য প্রদানের বিনিময়ে ২ কোটি ডলার পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়। তথ্যদাতাকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার সুযোগসহ স্থাপনা বা সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীদের বিষয়ে তথ্য চেয়েও আহ্বান জানানো হয়েছে। পারমাণবিক কর্মসূচির স্থাপনা, সরঞ্জাম ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিষয়ে তথ্যের পাশাপাশি এসবের যেকোনো একটির স্থানান্তর সম্পর্কেও তথ্য চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

এর আগে সোমবার কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায় এবং মার্কিন কর্মকর্তারা একে ‘প্রতিরক্ষামূলক হামলা’ হিসেবে অভিহিত করেন। এদিকে, ট্রাম্পের দাবি, তেহরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তাঁর প্রশাসনের আলোচনা চলমান রয়েছে এবং এতে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। যদিও এই আলোচনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অভিযান পরিচালনার দায়িত্বে থাকা এই কমান্ডের এক কর্মকর্তা আল-জাজিরাকে বলেন, তাঁরা বিস্ফোরণের খবর সম্পর্কে অবগত আছেন।

আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার কোনো খবর সত্য নয় বলে জানিয়েছেন কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি। তিনি শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, এ ধরনের ভিত্তিহীন প্রচারণা কেবল তাদেরই স্বার্থসিদ্ধি করে যারা সংঘাত ও অস্থিতিশীলতা বাড়াতে চায়। এ ধরনের দাবি শুধু তাদেরই লাভবান করে, যারা যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করতে এবং অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করতে চায়।

সম্প্রতি মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বিপর্যয়ের পর ট্রাম্পের কণ্ঠে ইরান নিয়ে মিশ্র সুর শোনা যাচ্ছে। তিনি একদিকে ইরানের বাকি অংশ ধ্বংসের হুমকি দিচ্ছেন, আবার অন্যদিকে যুদ্ধের সমাপ্তির ইঙ্গিতও দিচ্ছেন। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে এবং শিগগিরই এ বিষয়ে জানানো হবে। যুক্তরাষ্ট্রে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি বড় ধাক্কা খাওয়ার পর শুক্রবারই ইরানে প্রথম হামলা চালানোর খবর পাওয়া গেল। এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা ‘শিগগিরই’ জানা যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ট্রাম্পের পক্ষ থেকে ইরানে পূর্ণমাত্রার হামলা আবার শুরুর সম্ভাবনার ইঙ্গিত আসার পর তেহরানও কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়েছে।

পেন্টাগনের সামরিক কমান্ডাররা জানিয়েছেন, বড় ধরনের অভিযানের জন্য মার্কিন বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটিগুলোসহ এক ডজনেরও বেশি যুদ্ধজাহাজে হাজার হাজার সেনা ও নৌসদস্য মোতায়েন রাখা হয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে প্রেসিডেন্টের নির্দেশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করা সম্ভব বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। ট্রাম্পের এসব বক্তব্যের পর তেহরান তাদের কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে।

Tags: , , , ,

এই ধরনের আরও নিউজ

আরও সংবাদ

কারেন্সি কনভার্টার

বাজেটের সবখবর

© কপিরাইট ২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT